গ্রামের বাড়িতে যাওয়ার পথে আয়েশা রাস্তায় যে নিচু ফলক দেখেছিল সেটা আসলে মাইলফলক। মাইলফলক দিয়ে কোনো স্থান আর কত দূর সেই বিষয়টি জানানো হয়। যেমন আয়েশা লেখা দেখেছিল- জামালপুর ৩৮ কি.মি.। এর মানে হলো, আয়েশা যেখানে ছিল সেখান থেকে জামালপুর আর ৩৮ কি.মি. দূরে। এভাবে মাইলফলক কোনো স্থানের দূরত্ব কতটুকু সেটা জানিয়ে দেয়।
আয়েশা সাইনবোর্ডে জায়গায় নাম খুঁজে পেয়েছিল। আয়েশার বাবা আয়েশাকে শেখানোর জন্য জিজ্ঞেস করেছিলেন, তারা কোথায় আছেন? আয়েশা বলতে না পারলে বাবা তাকে চারদিকে দেখতে বলেন। আয়েশা চলন্ত বাস থেকে শুধু দোকান দেখতে পাচ্ছিল। তারপর গাড়ি এক জায়গায় থামতেই আয়েশা দোকানের সাইনবোর্ডের ভিতর জায়গার নাম দেখতে পেল। তখন সে বাবাকে জানাল যে, সাইনবোর্ডের নিচের লাইনেই জায়গার নাম আছে।
প্রশ্নের চারটি সংকেত বর্ণনা করা হলো-
১. এটি হলো ওভারটেকিং নিষেধের সংকেত। যখন সামনের গাড়ি অতিক্রম করা যাবে না তখন এই সংকেত থাকে রাস্তায়।
২. রাস্তার পাশে হাসপাতাল আছে বোঝাতে এই সংকেত ব্যবহৃত হয়।
৩. এটি হর্ন বাজানো নিষেধের সংকেত। যখন আশপাশে স্কুল, কলেজ বা হাসপাতাল থাকে তখন এই সংকেত ব্যবহার করে হর্ন বাজানো নিষেধ করা হয়।
৪. যে রাস্তায় রিকশা চালানো যাবে না সেখানে এই সংকেতটি ব্যবহার করা হয়।
১. সামনে স্কুল। রাস্তার পাশে স্কুল আছে বোঝাতে এই সংকেত থাকে যেন গাড়ির চালক সতর্ক হতে পারেন।
২. এটি রাস্তা পারাবার নিষেধের সংকেত। যেখান দিয়ে রাস্তা পার হওয়া যাবে না সেখানে এই সংকেত ব্যবহার করা হয়।
৩. যখন ডানে যাওয়া যাবে না তখন এই সংকেত ব্যবহৃত, হয়।
৪. যেখানে হর্ন বাজানো যাবে না সেখানে এই সংকেত ব্যবহৃত হয়। সাধারণত স্কুল-কলেজ বা হাসপাতালের কাছের রাস্তায় এই সংকেত ব্যবহার করা হয়।
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Related Question
View Allগ্রীষ্মের ছুটিতে আয়েশা গ্রামের বাড়িতে যাচ্ছে। তার পাশে তার মা বসে আছেন।
রাস্তার পাশে আয়েশার একটা নিচু ফলকে চোখ পড়ল, যাতে লেখা ছিল- জামালপুর ৩৮ কি.মি.। সে সেটা চিনতে পারল না কারণ আগে কখনো হয়তো দেখেনি বা লক্ষ করেনি। তাই সেটা সম্পর্কে জানতও না।
আয়েশার দেখা রাস্তার পাশের জিনিসটা ছিল মাইলফলক। সেটা দিয়ে কোনো স্থানের, দূরত্ব কতখানি তা বোঝানো হয়।
আয়েশাকে বাবা চারদিকে দেখতে বলেছিলেন তারা তখন কোথায় আছে সেটি জানার জন্য। আয়েশা যেন চারদিকে দেখে সাইনবোর্ড পড়ে বুঝতে পারে তারা কোথায় আছে। সেই বিষয়টি শেখানোর জন্য তার বাবা তাকে চারদিকে দেখতে বলেছিলেন।
আয়েশা সাইনবোর্ডের মাধ্যমে জায়গার নাম জানতে পারল। গাড়ি থামলে সে সাইনবোর্ডের ভেতর নিচের লাইনে জায়গার নাম দেখতে পায়।
গ্রামের বাড়িতে যাওয়ার পথে আয়েশা রাস্তায় যে নিচু ফলক দেখেছিল সেটা আসলে মাইলফলক। মাইলফলক দিয়ে কোনো স্থান আর কত দূর সেই বিষয়টি জানানো হয়। যেমন আয়েশা লেখা দেখেছিল- জামালপুর ৩৮ কি.মি.। এর মানে হলো, আয়েশা যেখানে ছিল সেখান থেকে জামালপুর আর ৩৮ কি.মি. দূরে। এভাবে মাইলফলক কোনো স্থানের দূরত্ব কতটুকু সেটা জানিয়ে দেয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

