অতি শৈশবে শিশুর বিকাশের জন্য যেসব কাজ গুরুত্বপূর্ণ-
শিশুর শারীরিক বিকাশের জন্য করণীয়:
- শিশুর বয়স অনুযায়ী সুষম খাদ্য দেওয়া।
- শিশুকে প্রতিদিন ৮-১০ ঘণ্টা আরামদায়ক ঘুমের ব্যবস্থা করা।
- ক্ষুধা লাগলেই খাবার দেওয়া এবং পুষ্টিকর খাদ্য নিশ্চিত করা।
নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা এবং ভেজা অবস্থায় না রাখা।
শিশুর মানসিক বিকাশের জন্য করণীয়:
- শিশুকে স্নেহ, ভালোবাসা এবং যথেস্ট সময় দেওয়া।
- পরিবারের অন্য সদস্যদের মাধ্যমে শিশুদের সঙ্গ দেওয়া।
- শিশুর ভয় দূর করতে কোলে নেওয়া এবং আশস্ত করা।
- শিশুর সঙ্গে খেলা করা এবং ইতিবাচক উদ্দীপনা দেওয়া।
পর্যবেক্ষণ ও সতর্কতা:
- শিশুর ওজন ও উচ্চতার পরিবর্তন নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা।
- চোখ, চামড়া এবং চুলের স্বাভাবিক অবস্থায় নজর রাখা।
- যে কোনো অস্বাভাবিকতা দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া।
মধ্য শৈশব হলো শিশুর সামাজিক ও মানসিক বিকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়। এ সময় শিশুরা দলীয় খেলাধুলার মাধ্যমে বিভিন্ন
সামাজিক দক্ষতা অর্জন করে। যেমন-
১. দলবদ্ধ কাজ শেখা: খেলাধুলা শিশুদের দলবদ্ধভাবে কাজ করার গুরুত্ব শেখায়। তারা শিখে কীভাবে একটি দলকে নেতৃত্ব দিতে হয় এবং অন্যদের সাথে মিলে কাজ করতে হয়।
২. নিয়ম মেনে চলা: খেলাধুলার নিয়মকানুন মেনে চলার অভ্যাস শিশুদের শৃঙ্খলাপূর্ণ জীবন গঠনে সহায়তা করে।
৩. সমবয়সীদের সাথে বন্ধুত্ব: খেলার মাধ্যমে শিশুরা সমবয়সীদের সাথে বন্ধুত্ব গড়ে তোলে।
৪ . জয় ও পরাজয় মেনে নেওয়া: খেলাধুলার মাধ্যমে শিশুরা জয় ও পরাজয় দুটিই মেনে নিতে শেখে।
৫. প্রতিযোগিতা: খেলাধুলা শিশুদের মধ্য প্রতিযোগিতার মনোভাব গড়ে তোলে। এটি তাদের লক্ষ্য অর্জনে উদ্যমী করে তোলে।
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Related Question
View Allএকক পরিবার বলতে ওই পরিবারকে বোঝায় যেখানে পৃথক একটি বাসগৃহে শুধু মা-বাবা এবং তাদের অবিবাহিত সন্তান সন্ততি থাকে।' একক পরিবার হলো ছোট পরিবার। বর্তমানে অধিকাংশ পরিবার একক পরিবার।
উদ্দীপকের আবিদ যৌথ পরিবারে বেড়ে উঠেছে।
যে পরিবারে দাদা-দাদি, চাচা-চাচি, মা-বাবা ও সন্তানেরা একসাথে বসবাস করে তাকে যৌথ পরিবার বলে। এ ধরনের পরিবারে এক বা একাধিক কর্তা থাকে। সকলে একসাথে বসবাস করার কারণে একে অপরের বিপদে সাহায্য করে, পরামর্শ দেয়, সন্তান প্রতিপালনে একে অপরকে সাহায্য করে। যৌথ পরিবারে সকলের মতামতের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। যৌথ পরিবারে দাদা-দাদি, চাচা-চাচি সকলে একসাথে বসবাস করে বলে এটি শিশুদের জন্য একটি নিরাপদ পরিবার। এরূপ পরিবারে পুরুষের আয় উপার্জনের ওপর তার স্ত্রী, সন্তানের সেবা ও সুযোগ-সুবিধার মান নির্ভর করে। সুতরাং যৌথ পরিবার বলতে আমরা এমন একটি পরিবারকে বুঝি যেখানে এক বা একাধিক উপার্জনক্ষম ব্যক্তি থাকে এবং দাদা-দাদি, চাচা-চাচি, মা-বাবা, সন্তানেরা সকলে একসাথে বসবাস করে।
যৌথ পরিবারের সকল সদস্যের মধ্যে একটি গভীর সম্পর্ক বিরাজ করে। এটাই পারিবারিক বন্ধন। যখন যৌথ পরিবারের বন্ধন দৃঢ় থাকে, তখন তারা নানাভাবে একে অপরের সহযোগিতায় আসতে পারে। উদ্দীপকের পরিবারের বন্ধন দৃঢ় হওয়ার কারণেই আবিদের গোসল, খাওয়া ইত্যাদি কাজগুলো তার চাচি করে থাকেন। সারাদিন মা-বাবার অনুপস্থিতি সত্ত্বেও দাদা-দাদির সাথে আনন্দ হৈচৈ করে আবিদের দিন কেটে যায়। তাদের সঙ্গ ও ভালোবাসা আবিদকে সুষ্ঠুভাবে বেড়ে উঠতে সহায়তা করে।
পরিশেষে বলা যায়, আবিদের বয়সী শিশুদের বেড়ে উঠার পিছনে পরিবারের ভূমিকা বিশেষ গুরুত্ববহ।
জন্মের পর নবজাতকের প্রথম ভাষা হলো কান্না।
যেসব শিশু জন্মের সময় লালচে বা গোলাপি বর্ণের হয়, জন্মের পর পরই কাঁদে, স্বাভাবিকভাবে দুধ খেতে পারে, তারাই সুস্থ নবজাতক। নবজাতক প্রায় ১৮-২০ ঘণ্টা ঘুমায়। সুস্থ নবজাতক দু-তিন ঘণ্টা পর পর জেগে ওঠে, আহার করে মলমূত্র ত্যাগের পর আবার ঘুমায়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!