উত্তরঃ

বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

Rowson
Rowson
3 years ago
উত্তরঃ

শেখ মুজিবুর রহমান

Rowson
Rowson
3 years ago
উত্তরঃ

নীলদর্পণ নাটকের রচয়িতা দীনবন্ধু মিত্র।

Rowson
Rowson
3 years ago
উত্তরঃ

কাজী নজরুল ইসলাম

Afser ali
Afser ali
3 years ago
উত্তরঃ

প্রদোষে প্রাকৃতজন বাংলাদেশের স্বনামধন্য ঔপন্যাসিক শওকত আলী রচিত একটি বাংলা ভাষার ঐতিহাসিক উপন্যাস।

Rowson
Rowson
3 years ago
184

অন্নদাশঙ্কর রায় (১৫ মার্চ ১৯০৪ – ২৮ অক্টোবর ২০০২) ছিলেন একজন প্রখ্যাত বাঙালি কবি, লেখক ও ছড়াকার। তিনি উড়িষ্যার ঢেঙ্কানলে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা নিমাইচরণ রায় ঢেঙ্কানল রাজস্টেটে কর্মরত ছিলেন এবং মাতা হেমনলিনী কটকের প্রখ্যাত পালিত বংশের কন্যা। অন্নদাশঙ্করের শিক্ষাজীবন পাটনা বিশ্ববিদ্যালয়ে শুরু হয় এবং তিনি ইংরেজি সাহিত্যে প্রথম স্থান অধিকার করেন। পরবর্তীতে আই.সি.এস পরীক্ষায় প্রথম স্থান অর্জন করে ইংল্যান্ডে সরকারি খরচে দুই বছর শিক্ষালাভ করেন। ১৯৩০ খ্রিষ্টাব্দে তিনি মার্কিন কন্যা অ্যালিস ভার্জিনিয়া অনফোর্ডকে বিবাহ করেন, যিনি লীলা রায় নামে পরিচিত এবং তার অনেক বাংলা লেখা ইংরেজিতে অনুবাদ করেন। সরকারি চাকরিতে তিনি কুষ্টিয়া, নদীয়া, কুমিল্লাসহ বিভিন্ন জেলার হাকিম ও জজ পদে নিযুক্ত ছিলেন এবং পরবর্তীতে পশ্চিমবঙ্গের বিচার বিভাগের সেক্রেটারি হন। ১৯৫১ খ্রিষ্টাব্দে তিনি অবসর নেন। ১৯৮৬ খ্রিষ্টাব্দে কলকাতায় বাংলা আকাদেমির প্রথম সভাপতি হন।

অন্নদাশঙ্করের সাহিত্যকর্মে উপন্যাস, ছোটগল্প, প্রবন্ধ ও আত্মজীবনী অন্তর্ভুক্ত। তার উল্লেখযোগ্য উপন্যাসগুলোর মধ্যে রয়েছে সত্যাসত্য, যার যেথা দেশ, অজ্ঞাতবাস, কঙ্কাবতী, দুঃখমোচন, মর্ত্যের স্বর্গ, অপসারণ, আগুন নিয়ে খেলা, অসমাপিকা, পুতুল নিয়ে খেলা, না। প্রবন্ধগুলোর মধ্যে রয়েছে তারুন্য, আমরা, জীবনশিল্পী, ইশারা, জীয়নকাঠি, দেশকালপাত্র, প্রত্যয়, নতুন করে বাঁচা, আধুনিকতা, পারী, শিক্ষার সংকট, চিত্ত যেথা ভয়শূন্য, সাতকাহন, আত্মজীবনী, বিনুর বই, পথে প্রবাসে, জাপানে। ছোটগল্প ও গল্পের মধ্যে রয়েছে প্রকৃতির পরিহাস, দু কান কাটা, হাসন শখী, মন পাহন, যৌবন জ্বালা, কামিনি কাঞ্চন, রুপের দায়।

অন্নদাশঙ্কর রায় বহু পুরস্কারে ভূষিত হন, যেমন সাহিত্য আকাদেমি পুরস্কার (১৯৬২), আনন্দ পুরস্কার (১৯৮৩ ও ১৯৯৪), বিদ্যাসাগর পুরস্কার, শিরোমণি পুরস্কার (১৯৯৫), রবীন্দ্র পুরস্কার, নজরুল পুরস্কার, বাংলাদেশের জেবুন্নিসা পুরস্কার। এছাড়াও তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জগত্তারিণী পদক, দেশিকোত্তম সম্মান এবং বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সম্মানসূচক ডক্টর অব লিটারেচার (ডিলিট) উপাধি পান। তিনি ২৮ অক্টোবর ২০০২ মৃত্যুবরণ করেন।

Related Question

View All
উত্তরঃ উপন্যাস, কাজী নজরুল ইসলাম।

'কুহেলিকা' কাজী নজরুল ইসলাম রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যা ১৯৩১ সালে প্রথম গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। এই উপন্যাসে প্রেম, বিদ্রোহ, আত্মত্যাগ এবং তৎকালীন ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটকে উপজীব্য করা হয়েছে। এটি নজরুলের বিপ্লবী চেতনা ও রোমান্টিক ভাবধারার এক অনবদ্য মিশ্রণ।

কাজী নজরুল ইসলাম (১৮৯৯-১৯৭৬) ছিলেন বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্ব। তিনি ছিলেন একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, নাট্যকার, সঙ্গীতজ্ঞ এবং দার্শনিক। ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসন ও সামাজিক অবিচারের বিরুদ্ধে তার লেখনী ছিল এক প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর, যে কারণে তিনি 'বিদ্রোহী কবি' হিসেবে সমধিক পরিচিত। তার সাহিত্যে সাম্য, মানবতা এবং বিদ্রোহের বাণী প্রবলভাবে উচ্চারিত হয়েছে।

Satt AI
Satt AI
2 months ago
529
উত্তরঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ভানুসিংহের পদাবলী

ভানুসিংহ ছিল বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি ছদ্মনাম। তিনি এই ছদ্মনামে "ভানুসিংহের পদাবলী" নামক একটি কাব্যগ্রন্থ রচনা করেন। এই কাব্যগ্রন্থটি মূলত বৈষ্ণব পদাবলীর ঢঙে লেখা একগুচ্ছ কবিতা নিয়ে গঠিত। রবীন্দ্রনাথ তাঁর কৈশোরকালে বৈষ্ণব সাহিত্যের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে এই কবিতাগুলো লেখেন, যেখানে রাধা-কৃষ্ণের প্রেমলীলা, বিরহ ও মিলনকে নতুন আঙ্গিকে তুলে ধরা হয়েছে। এটি বাংলা সাহিত্যে তাঁর প্রাথমিক কাব্যপ্রতিভার এক অনন্য নিদর্শন এবং একটি স্বতন্ত্র সংযোজন হিসেবে বিবেচিত হয়।

Satt AI
Satt AI
2 months ago
415
উত্তরঃ

কাজী নজরুল ইসলামের 'মৃত্যুক্ষুধা' উপন্যাসের মূলবক্তব্য তৎকালীন গ্রাম বাংলার মুসলিম সমাজের অবহেলিত মানুষের জীবনসংগ্রাম, দারিদ্র্য ও কুসংস্কারের চিত্র তুলে ধরা। এটি মূলত শ্রমজীবী মানুষের দুঃখ-দুর্দশা, সামাজিক অবিচার এবং ধর্মীয় গোঁড়ামির বিরুদ্ধে এক সাহসী প্রতিবাদ। উপন্যাসে প্রেম, আত্মত্যাগ এবং মানবিক সম্পর্কের জটিলতার পাশাপাশি সাম্যবাদী চেতনার প্রতিফলন ঘটেছে, যেখানে নারীর সংগ্রাম বিশেষভাবে গুরুত্ব পেয়েছে।


'মৃত্যুক্ষুধা' (১৯৩০) কাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় উপন্যাস এবং এটি তাঁর সাম্যবাদী ভাবধারা ও গণমানুষের প্রতি অগাধ ভালোবাসার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। এই উপন্যাসের পটভূমি হলো হুগলি জেলার মুসলিম অধ্যুষিত একটি গ্রামীণ জনপদ, যেখানে অভাবী ও শ্রমজীবী মানুষের দৈনন্দিন জীবন, তাদের ক্ষুধা, দারিদ্র্য, সামাজিক শোষণ ও বঞ্চনা নিপুণভাবে চিত্রিত হয়েছে।

উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র আনসার ও মেজোবৌয়ের প্রেম, তাদের চারপাশের মানুষের জীবনযুদ্ধ, এবং তৎকালীন সমাজে প্রচলিত ধর্মীয় গোঁড়ামি ও কুসংস্কারের বিরুদ্ধে তাদের প্রতিবাদী মনোভাব মূল উপজীব্য। নজরুল দেখিয়েছেন কীভাবে ক্ষুধা মানুষের নীতি-নৈতিকতাকে প্রভাবিত করে এবং কীভাবে মানুষ চরম সংকটের মুখেও মানবিকতা ও প্রেমকে আঁকড়ে ধরে বাঁচার চেষ্টা করে।

বিশেষ করে, উপন্যাসে নারীর অর্থনৈতিক বঞ্চনা, সামাজিক নির্যাতন এবং তাদের আত্মমর্যাদা রক্ষার সংগ্রামকে অত্যন্ত সংবেদনশীলতার সাথে তুলে ধরা হয়েছে। এটি শুধুমাত্র একটি প্রেমকাহিনী নয়, বরং এটি শ্রেণি-সংগ্রাম, মানবিক মূল্যবোধের অবক্ষয় এবং শোষিত মানুষের মুক্তির আকাঙ্ক্ষার এক শক্তিশালী সাহিত্যিক দলিল।

Satt AI
Satt AI
2 months ago
540
উত্তরঃ কবর নাটকের বিষয় হলো ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন। প্রধান চরিত্রগুলো হলো দাদা, নাতনি, ইন্সপেক্টর, মোনায়েম, কেরামত, হাফেজ, গুলনেহার, মুর্দা ফকির। নাটকটির রচয়িতা মুনীর চৌধুরী।

'কবর' নাটকটি ১৯৫২ সালের ঐতিহাসিক ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত একটি কালজয়ী সৃষ্টি। ১৯৫৩ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি অবস্থায় লেখক ও শিক্ষাবিদ মুনীর চৌধুরী এটি রচনা করেন এবং সেখানেই বন্দিদের দ্বারা নাটকটি প্রথম অভিনীত হয়। এটি বাংলা নাট্যসাহিত্যে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন, যা প্রতীকী এবং রূপকের মাধ্যমে ভাষা আন্দোলনের আত্মত্যাগ, প্রতিবাদ এবং তৎকালীন রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিস্থিতিকে অত্যন্ত নিপুণভাবে তুলে ধরে।

নাটকের চরিত্রগুলো ভাষা আন্দোলনের বিভিন্ন পর্যায় এবং সাধারণ মানুষের মানসিকতাকে প্রতিনিধিত্ব করে। যেমন – দাদা চরিত্রটি ভাষা আন্দোলনের মূল চেতনাকে ধারণ করে এবং শহিদদের কবর রক্ষার জন্য সংগ্রামী ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়। নাতনি চরিত্রটি নতুন প্রজন্মের প্রতীক, যে দাদাকে সাহায্য করে। ইন্সপেক্টর, মোনায়েম, কেরামত, হাফেজ, গুলনেহার, মুর্দা ফকির — এই চরিত্রগুলো তৎকালীন সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের মনোভাব, ভীরুতা, দেশপ্রেম, এবং আত্মত্যাগের প্রতীক হিসেবে কাজ করে।

মুনীর চৌধুরী ছিলেন একাধারে শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক, নাট্যকার এবং বুদ্ধিজীবী। তিনি তাঁর লেখার মধ্য দিয়ে পাকিস্তানি স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছেন। ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের চূড়ান্ত লগ্নে মুনীর চৌধুরীকে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ও তাদের এ দেশীয় দোসর আলবদর বাহিনী অপহরণ করে হত্যা করে। 'কবর' নাটকটি ভাষা আন্দোলনের চেতনাকে চিরন্তন রূপ দেওয়ার পাশাপাশি বাংলা নাট্যচর্চায় এক নতুন ধারা উন্মোচন করেছে।

Satt AI
Satt AI
2 months ago
364
উত্তরঃ বৌ-ঠাকুরাণীর হাট

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম ঐতিহাসিক উপন্যাস হলো বৌ-ঠাকুরাণীর হাট। এটি ১৮৮৩ সালে প্রকাশিত হয়। এই উপন্যাসের কাহিনি মূলত যশোহরের রাজা প্রতাপাদিত্যের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট অবলম্বনে রচিত, যেখানে ক্ষমতা লিপ্সা, পারিবারিক সংঘাত এবং রাজদ্রোহের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। এটি রবীন্দ্রনাথের প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস হিসেবেও পরিচিত। তাঁর দ্বিতীয় ঐতিহাসিক উপন্যাস, রাজর্ষি, ১৮৮৭ সালে প্রকাশিত হয় এবং এর বিষয় ত্রিপুরা রাজ্যের ইতিহাস ও ধর্মীয় গোঁড়ামি।

Satt AI
Satt AI
2 months ago
528
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews