রতন সাহেব একজন ব্যবসায়ী। নিজ ব্যবসায়ে পাশাপাশি তিনি শেয়ারের ব্যবসায়ও করেন। একবার গ্রামীণ ফোনের শেয়ার কিনে বেশ লাভবান হওয়ায় এ শেয়ারের দিকেই তার আকর্ষণ বেশি। রতন সাহেব গ্রামীণ ফোনের প্রথম পর্যায়ের ক্রেতা, যিনি সরাসরি গ্রামীণ ফোনের কাছ থেকে শেয়ার কিনেন। এজন্য তিনি মতিঝিলে স্টক এক্সচেঞ্জে যান। শেয়ারের মূল্যসূচক জেনে তিনি অনেক চিন্তা ভাবনা করে তা ক্রয় করেন। ফলে রতন সাহেবের শেয়ার ক্রয়জনিত ঝুঁকি ন্যূনতম থাকে।

Updated: 6 months ago
উত্তরঃ

অর্থায়ন বলতে অর্থসংগ্রহ ও সংগৃহীত অর্থের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত যাবতীয় কার্যাবলির সামষ্টিক প্রক্রিয়াকে বোঝায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

যে শেয়ারের ক্ষেত্রে শেয়ারহোল্ডাররা কোম্পানির লভ্যাংশ বা মূলধন প্রত্যাবর্তনে কোনো অগ্রাধিকার পায় না তাকে প্রাইমারি শেয়ার বলে। প্রাইমারি শেয়ারেরই একটি বিশেষ রূপ হলো সেকেন্ডারি শেয়ার। প্রাইমারি শেয়ার যখন শেয়ার বাজারে তার চাহিদা ও যোগানের ভিত্তিতে নির্ধারিত দামে ক্রয়-বিক্রয় হয় তখন তাকে সেকেন্ডারি শেয়ার বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে রতন সাহেব সেকেন্ডারি শেয়ার বিনিয়োগ করেন। নিচে সেকেন্ডারি শেয়ার সম্পর্কে ব্যাখ্যা করা হলো-

সেকেন্ডারি শেয়ার হলো প্রাইমারি শেয়ারেরই একটি বিশেষ রূপ।
প্রাইমারি শেয়ার যখন শেয়ার বাজারে তার চাহিদা ও যোগানের ভিত্তিতে নির্ধারিত দামে ক্রয়-বিক্রয় হয় তখন তাকে সেকেন্ডারি' শেয়ার বলে। সেকেন্ডারি শেয়ার প্রকৃতপক্ষে স্বাধীন অস্তিত্ব বিশিষ্ট কোনো শেয়ার নয় প্রাথমিক শেয়ারই শেয়ার বাজারে ক্রয়-বিক্রয় হলে তা সেকেন্ডারি শেয়ার বলে বিবেচিত হয়।
এ শেয়ারের দাম তার চাহিদা ও যোগানের ভিত্তিতে নির্ধারিত হয় এবং চাহিদা ও যোগানের ঘাত-প্রতিঘাতে প্রতিনিয়তই এর দাম পরিবর্তিত হয়। শেয়ার বাজারের যেকোনো সদস্য এ শেয়ার ক্রয়-বিক্রয়ের স্বাধীনতা ভোগ করে। প্রাথমিক শেয়ার ক্রয়ের মতো এ শেয়ার ক্রয়ের জন্য আবেদন করতে হয় না। সেকেন্ডারি শেয়ারের মালিক শেয়ারের সংখ্যানুপাতে বোনাস ও বোনাস শেয়ার পায় এবং রাইট শেয়ার ক্রয়ের সুবিধা ভোগ করে।
বিও হিসাবধারী যে কেউ মাধ্যমিক শেয়ার ক্রয় করতে পারে। এ শেয়ারের ক্ষেত্রে প্রসপেকটাস দরকার হয় না। ইলেকট্রনিক্স মাধ্যম বা পত্রিকার মাধ্যমে এর বিষয়াবলি প্রকাশ করা হয়।
উদ্দীপকে রতন সাহেব শেয়ার ক্রয় করার জন্য স্টক এক্সচেঞ্জে যান এবং তার ক্রয়কৃত শেয়ারের মূল্য ওঠানামা করে বিধায় তিনি বুঝে শুনে তা ক্রয় করেন।

অতএব বলা যায়, রতন সাহেব মাধ্যমিক শেয়ারে বিনিয়োগ করেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে রতন সাহেবের বিনিয়োগকৃত পুঁজি দেশের অর্থনীতিতে যেরূপ ভূমিকা রাখে তা নিচে ব্যাখ্যা করা হলো-

শেয়ার বাজারে অর্থ বিনিয়োগ করলে অধিক অর্থ প্রাপ্তি হয়।
ফলে নতুন কারখানা স্থাপন, পুরাতন কলকারখানার সম্প্রসারণ ও উন্নয়ন, শিল্পের জন্য স্থায়ী সম্পত্তি ক্রয় ইত্যাদি সম্ভব হয়। ব্যাংক বা কোনো আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে প্রাপ্ত অর্থ অনেক বেশি হয়, যা দেশের দ্রুত শিল্পোন্নয়নে সহায়ক ভূমিকা রাখে।
শিল্প প্রতিষ্ঠানের উপর পুরাতন মালিকদের ব্যবস্থাপনাগত নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখতে সেখানে দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়ন যদি শেয়ার বিক্রির মাধ্যমে হয় তাতে মালিকের সংখ্যা বাড়ে না বলে পুরাতন মালিকদেরই নিয়ন্ত্রণ অক্ষুণ্ণ থাকে। ফলে শিল্প প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত কার্যক্রম বাধাহীনভাবে চলতে থাকে যা দেশের অর্থনীতিকে ত্বরান্বিত করে।
কলকারখানার জন্য বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি ঋণের প্রয়োজন পড়ে। শেয়ার ও বন্ড বিক্রি করে সহজে তা সংগ্রহ করা যায়। এর ফলে দেশে দ্রুত কলকারখানা গড়ে তোলা যায় যা শিল্পোন্নয়নের গতি বৃদ্ধি করে।
ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা কখনই নিজেদের স্বল্প সঞ্চয় ও প্রাতিষ্ঠানিক ঋণ নিয়ে গড়া ব্যয়বহুল কলকারখানার মালিক হতে পারে না। কিন্তু শেয়ার ক্রয় করে স্বল্প বিনিয়োগের মাধ্যমেও তারা বড় বড় শিল্প প্রতিষ্ঠানের আংশিক মালিকানা লাভ এবং শিল্প পুঁজি বাড়াতে পারে।
শেয়ার বাজার দেশের ভেতরে ও বাইরে অনুমোদিত কোম্পানিগুলোর সুনাম বৃদ্ধি করে। এর ফলে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা ভালো কোম্পানির শেয়ার ক্রয় করলে তার মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা সংগ্রহ সহজতর হয়। এর ফলে শিল্প পুঁজি গঠন ত্বরান্বিত হয়।

সুতরাং উপরের আলোচনা থেকে বলা যায়, শেয়ারবাজারে বিনিয়োগকৃত অর্থ একদিকে যেমন শিল্প পুঁজি গঠনে সহায়তা করে তেমনই দ্রুত শিল্পোন্নয়নের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতির গতিকে ত্বরান্বিত করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
53

Related Question

View All
উত্তরঃ

প্রয়োগগত দিক থেকে অর্থায়নকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়; যথা- (১) সরকারি অর্থায়ন, (২) বেসরকারি অর্থায়ন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
88
উত্তরঃ

ব্যাংক জনগণের অর্থ গ্রহণ করে ব্যবসায় করে। আমানত গ্রহণ করার সময় ব্যাংক তেমন কোনো বিচার-বিবেচনা করে না, কিন্তু ঋণ প্রদানের সময় নানা রকম বিচার-বিবেচনা করে ঋণ প্রদান করে। ঋণ প্রদানের সময় যে বিষয়গুলো বিবেচনা করা হয় তাকে Five C's দ্বারা বোঝানো যেতে পারে; যথা-Character (চরিত্র), Capacity (ক্ষমতা), Collatoral (জামানত) Contract (চুক্তি), Capital (মূলধন)।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
96
উত্তরঃ

উদ্দীপকের অনুপম বাবু রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ঋণ গ্রহণ
করেছেন। নিচে উক্ত ব্যাংকের ঋণ কার্যক্রমের বর্ণনা করা হলো-অর্থসংস্থানে বাণিজ্যিক ব্যাংক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাণিজ্যিক ব্যাংক স্বল্পমেয়াদি ও মধ্যমেয়াদি ঋণ প্রদান করে। তবে ক্ষেত্রবিশেষে দীর্ঘমেয়াদি ঋণও প্রদান করে। বাংলাদেশে তিন ধরনের বাণিজ্যিক ব্যাংক রয়েছে। যথা: রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক, বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক ও বিদেশি বাণিজ্যিক ব্যাংক। বাংলাদেশে বাণিজ্যিক ব্যাংক, বিশেষত রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক বিভিন্ন শিল্পের কার্যকরী ঋণ প্রদান করে থাকে। বিভিন্ন শিল্প স্বল্প মেয়াদে চলতি সম্পদ সংগ্রহের জন্য ব্যাংক থেকে এরূপ ঋণ সংগ্রহ করে। আবার অনেক সময় কনসোর্টিয়াম ব্যবস্থার অধীনে একাধিক বাণিজ্যিক ব্যাংক নতুন শিল্প প্রতিষ্ঠার জন্য বড় অঙ্কের ঋণ সরবরাহ করে।
কোনো কোনো রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক এককভাবে এরূপ ঋণ দীর্ঘ মেয়াদের জন্য প্রদান করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
73
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত ব্যাংকটি সোনালী ব্যাংক, যা বাংলাদেশের রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক। অর্থসংস্থানে এই ব্যাংক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এ ধরনের ব্যাংক স্বল্প ও মধ্যমেয়াদি ঋণ 

প্রদান করে। ক্ষেত্রবিশেষে এই ব্যাংক দীর্ঘমেয়াদি ঋণও প্রদান করে থাকে। আবার অনেক সময় কনসোর্টিয়াম ব্যবস্থার অধীনে একাধিক বাণিজ্যিক ব্যাংক নতুন শিল্প প্রতিষ্ঠার জন্য বড় অঙ্কের ঋণ সরবরাহ করে। পক্ষান্তরে, বিনিয়োগ ব্যাংক দীর্ঘমেয়াদি ঋণ প্রদান করে থাকে। বিনিয়োগ ব্যাংক অবলেখকের কাজও করে থাকে। বাংলাদেশে Investment Corporation of Bangladesh (ICB) একটি উল্লেখযোগ্য বিনিয়োগ ব্যাংক। এই ব্যাংক পুঁজিবাজার উন্নয়নে সহায়তাদান, পরামর্শ প্রদান, মূলধনের স্বল্পতা পূরণে সহায়তা করে থাকে। এছাড়া জনগণের সঞ্চয়কে একীভূতকরণ ও তার সঠিক বিনিয়োগ নিশ্চিত করে। এই ব্যাংক সাবসিডিয়ারি কোম্পানি গঠন ও উন্নয়নও করে থাকে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
73
উত্তরঃ

সময়গত দিক থেকে অর্থায়ন তিন প্রকার, যথা : স্বল্পমেয়াদি, মধ্যমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
93
উত্তরঃ

স্থায়ী সম্পত্তি ক্রয় অথবা দীর্ঘদিনের জন্য বিনিয়োগের উদ্দেশ্যে যে অর্থায়ন করা হয়, তাকে দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়ন বলে। এ ধরনের অর্থায়ন সাধারণত ৭ থেকে ২০ বছর পর্যন্ত উঠানামা করতে পারে। সাধারণত বড় বড় শিল্প প্রতিষ্ঠান স্থাপন ও বড় বড় প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়ন করা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
98
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews