রতন সাহেব তার দুই কারখানার কাজে ব্যবহার করা পানি একইভাবে জীবাণুমুক্ত ও বিশুদ্ধ করবেন না।
রতন সাহেবের বোতলজাত কারখানার ও ঔষধ তৈরির কারখানায় প্রয়োজনীয় ও ব্যবহৃত পানির গুণগত মান একই না হওয়ায়, দুই কারখানায় ভিন্ন গুণগত মানের পানির প্রয়োজন। তাই তিনি তার
বোতলজাত পানির কারখানায় পানি বিশুদ্ধকরণের জন্য ক্লোরিনেশন পদ্ধতি ব্যবহার করেন। এই প্রক্রিয়ায় পানিকে জীবাণুমুক্ত ও বিশুদ্ধ করতে ক্লোরিন গ্যাস ব্যবহার করা হয়। এছাড়াও ওজোন গ্যাস বা অতিবেগুনি রশ্মি প্রয়োগ করে রোগজীবাণু ধ্বংস করা হয়। আবার ঔষধ তৈরির কারখানায় অতিরিক্ত বিশুদ্ধ পানি প্রয়োজন হয়। তাই তিনি এক্ষেত্রে পাতন পদ্ধতি ব্যবহার করেন। এই প্রক্রিয়ায় পানিকে বাষ্পে পরিণত করে প্রাপ্ত বাষ্পকে ঘনীভূত করে অতি বিশুদ্ধ পানি সংগ্রহ করেন, যা ঔষধ তৈরির কারখানায় বিভিন্ন ঔষধ প্রস্তুতিতে ব্যবহৃত হয়। এই প্রক্রিয়ায় বিশুদ্ধকৃত পানিতে অন্য পদার্থ থাকার সম্ভাবনা খুবই কম।
উপরিউক্ত আলোচনা হতে এটা স্পষ্ট যে, রতন সাহেব তার দুই কারখানার ব্যবহার করা পানি একইভাবে জীবাণুমুক্ত ও বিশুদ্ধ করেননি।
Related Question
View Allপৃথিবীতে পানি একই প্রক্রিয়ায় ঘুরে ফিরে ব্যবহার হয়। এটি সূর্যের তাপে বাষ্পীভবন, মেঘে রূপান্তর ও বৃষ্টির মাধ্যমে আবার ভূমি ও সমুদ্রে ফিরে আসে। একে পানির পুনরাবর্তন বলে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!