শ্বেত কণিকা ১২-১৩ দিন বাঁচে।
শারীরিক সৰমতার জন্য ব্যায়াম অপরিহার্য। কারণ ব্যায়াম ছাড়া কখনো শারীরিক সৰমতা অর্জন করা অসম্ভব। তাই সব বয়সের লোকদের নিয়মমাফিক বয়স উপযোগী ব্যায়াম অনুশীলন করা আবশ্যক। ব্যায়ামের ফলে শরীরের ভিতর বিভিন্ন ধরনের পরিবর্তন ঘটে, যা শারীরিক সৰমতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।
রত্নের ব্যায়াম করার মূল উদ্দেশ্য হলো দম ও বিপ্রতা বৃদ্ধি। এই উদ্দেশ্য পূরণের লব্যে রত্ন দুই ধরনের ব্যায়াম অনুশীলন করে। দম বৃদ্ধির ব্যায়াম ও বিপ্রতা বৃদ্ধির ব্যায়াম। নিচে এই ধরনের ব্যায়ামগুলো উলেরখ করা হলো:
দম বৃদ্ধির ব্যায়াম:
১. আস্তে আস্তে তবে বেশি সময় ধরে দৌড়ানো।
২. উঁচুনিচু বা অসমান্তরাল জায়গা দিয়ে দৌড়ানো।
৩. দৌড়ের দূরত্ব ধীরে ধীরে বৃদ্ধি করে দৌড়ানো।
বিপ্রতা বৃদ্ধির ব্যায়াম:
১. দ্রবত দৌড়ে যাওয়া এবং সংকেত অনুসরণ করে সাথে সাথে থেমে যাওয়া।
২. ১০ মিটার পর্যন্ত দ্রবততার সাথে দৌড়ে গিয়ে বারবার আসা-যাওয়া করা।
৩. সময় নির্ধারণ করে নির্দিষ্ট দূরত্বের মধ্যে একপ্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে দৌড়ানো
পরিশেষে বলা যায়, রত্ন তার দম ও বিপ্রতা বৃদ্ধির লব্যে উপরিউক্ত ব্যায়ামগুলো নিয়মিত অনুশীলন করে।
প্রতিদিন ব্যায়াম অনুশীলন করলে শরীরের ভিতর বিভিন্ন ধরনের পরিবর্তন ঘটে, যা একজন ব্যক্তিকে শারীরিকভাবে সৰম করে তোলে। ফলে সে যে কোনো কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে পারে। বিভিন্ন কাজে অর্জিত সাফল্য তাকে নিজ কাজের প্রতি পরিশ্রমী হতে উৎসাহিত করে। শারীরিকভাবে সবম একজন ব্যক্তি যে কোনো দৈব ঘটনা সহজে মোকাবিলা করতে পারে। নিয়মিত ব্যায়াম অনুশীলন করলে রোগ প্রতিরোধ ৰমতা বৃদ্ধি পায়। তাই ব্যায়াম অনুশীলনকারী ব্যক্তি সহজে অসুস্থ হয় না। তার শরীর ভালো থাকে। আর শরীর ভালো থাকলে তার মনও ভালো থাকে। ফলে সে তার দৈনন্দিন কাজকর্ম, পড়াশোনা, খেলাধুলায় স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করতে পারে, পারদর্শিতা অর্জন করতে পারে। উদ্দীপকে রত্ন প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে ২ ঘণ্টা ব্যায়াম করে। এ কারণে তার দম ও বিপ্রতা বৃদ্ধি পায়। ফলে সে যে কোনো কাজ অতি দ্রবত এবং সহজে সম্পন্ন করতে পারে। অন্যদের যে কাজ করতে ঘণ্টাখানেক সময় লাগে সে কাজ সে অনেক আগেই শেষ করে ফেলতে পারে। এ কারণে সে সব কাজে তাদের তুলনায় এগিয়ে থাকে। তাই উদ্দীপকের বাক্যটিই সঠিক অর্থাৎ রত্ন অবশ্যই অন্যান্য শিবার্থীর তুলনায় বিভিন্ন কাজে এগিয়ে থাকবে।
Related Question
View AllAAHPER এর পূর্ণরু প হলো- American Association of Health, Physical Education and Recreation.
শারীরিক শিবার মূল উদ্দেশ্য হলো শারীরিক সবমতা অর্জন। তাই শারীরিক সৰমতার বৈশিষ্ট্য, খেলাধুলার সাথে এর সম্পর্ক, শারীরিক সৰমতার মূল্যায়ন ইত্যাদি সম্পর্কে শারীরিক শিবার ছাত্রছাত্রীদের স্পষ্ট ধারণা থাকা প্রয়োজন। এসব বিষয় সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকলে তারা মাংসপেশি সঞ্চালনের ব্যায়াম যেমন দ্রবততা, দম, শক্তি, বিপ্রতা, নমনীয়তা ইত্যাদি দ্বারা শরীরকে উপযুক্তভাবে গড়ে তুলে সুস্থ ও সুন্দর জীবন যাপনে সৰম হবে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!