নিম্নচাপজনিত কারণে যখন প্রচন্ড গতিবেগে ঘূর্ণনের আকারে বাতাস বয় তখন তাকে সাইক্লোন বা ঘূর্ণিঝড় বলে।
বৈশ্বিক উষ্ণতার মূল কারণ অর্থাৎ গ্রিন হাউস গ্যাসের নিঃসরণ না কমালে, বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রা অনেক বেড়ে যাবে। এতে পৃথিবীর দুই
প্রান্তের মেরুর বরফ গলে যাবে এবং সমুদ্রের উচ্চতা বেড়ে যাবে। ফলে বহু দেশ এবং দ্বীপ সমুদ্রের পানিতে তলিয়ে যাবে। সমুদ্রের লবণাক্ত পানি মূল ভূ-খণ্ডের ভেতর ঢুকে খাবার ও ব্যবহার করা পানিকে লবণাক্ত করবে। এ কারণেই বৈশ্বিক উষ্ণতা বিপদজনক।
উদ্দীপকে রবিউলের দেখা প্রাকৃতিক দুর্যোগটি হলো সুনামি। নিচে সুনামি সৃষ্টির প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করা হলো-
সাধারণত সমুদ্র তলদেশে ভূমিকম্প, আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত এবং নভোজাগতিক ঘটনা প্রভৃতির কারণে সুনামি সৃষ্টি হয়।
সমুদ্রের তলদেশে যখন একটি প্লেটের সাথে অপর একটি প্লেটের সংঘর্ষ হয় তখন সেখানে মারাত্মক ভূকম্পন সৃষ্টি হয়। এই ভূকম্পনের ফলে একটি প্লেটের একাংশ অন্য প্লেটের আরেক অংশকে সজোরে চাপ দেয়। এই প্রবল চাপে সমুদ্রতলের কয়েকশত মাইলব্যাপী এলাকায় ভাঙনের সৃষ্টি হয়। এই ভাঙনের ফলে স্থানচ্যুতি ঘটে লক্ষ লক্ষ টন জলরাশির। বিশাল জলরাশি ভয়ানক বেগে ধেয়ে আসে সমুদ্রপৃষ্ঠের দিকে এবং
বিশাল সব ঢেউয়ের আকারে চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে। খএই ঢেউ য বেশি তীরভূমির কাছাকাছি যায় এটি আরও দীর্ঘ হয়ে ভয়ঙ্ক জলোচ্ছ্বাসে রূপ নেয়।
আর তখন তাকে বলা হয় সুনামি।
উদ্দীপকের প্রাকৃতিক দূর্যোগটি হচ্ছে ভূমিকম্প। ভূমিকম্পের হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার কোনো উপায় নেই, তবে এতে জানমালের ক্ষয়ক্ষতি কমানো যায়। সেক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো নিয়ম মেনে ঘর-বাড়ি ও অন্যান্য স্থাপনা তৈরি করা। আমাদের দেশে বিশেষ করে শহরাঞ্চলে যে সকল বড় বড় দালান কোটা তৈরি করা হয়, সেখানে অবশ্যই ভূমিকম্প প্রতিরোধক ব্যবস্থা থাকতে হবে।
ভূমিকম্পের আগে করণীয়; সম্ভব হলে সকল বাসাতেই অগ্নিনির্বাপক প্রস্তুতি থাকা দরকার। এর সাথে প্রাথমিক চিকিৎসা কিট, ব্যাটারি চালিত রেডিও, টর্চ লাইট, কিন্তু বাড়তি ব্যাটারি, শুকনো খাবার ও পানি রাখার ব্যবস্থা থাকা দরকার। ভূমিকম্পের সময় কী করতে হবে, সেটি স্কুল কলেজে বা কর্মক্ষেত্রে "ড্রিল" করে শিখে নেওয়া এবং পাশাপাশি কীভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দিতে হয় তা শিখে রাখা দরকার। ভূমিকম্পের সতর্কতা হিসেবে জরুরী এবং দ্রুত সাড়া দেওয়ার ব্যবস্থা থাকতে হবে।
ভূমিকম্পের সময় করণীয়ঃ ভূমিকম্পের সময় ভয়ে বা অতত্ত্বেক দিগ্বিদিক জ্ঞানশূন্য হওয়া যাবে না। ঘরের মধ্যে থাকলে হুড়োহুড়ি করে বাইরে বের হওয়ার চেষ্টা না করে দেয়ালের পাশে দাড়াতে হবে অথবা শত্রু টেবিলের নিচে আশ্রয় নিতে হবে। কখনোই লিফট দিয়ে নামার চেষ্টা করা যাবে না।
ভূমিকম্পের পরে করণীয়: ভূমিকম্পে আহত ব্যক্তিদের প্রাথমিক
চিকিৎসার পাশাপাশি গুরুতর আহতদের হাসপাতালে নিতে হবে। চিকিৎসার ক্ষেত্রে যার প্রয়োজন বেশি তাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। পানি, ইলেক্ট্রিসিটি, গ্যাস লাইন ক্ষতিগ্রস্ত হলে সরবরাহ বন্ধ রাখতে হবে। ক্ষতিগ্রস্ত বিল্ডিং, সমুদ্র উপকূল থেকে দূরে থাকতে হবে। দ্রুত ত্রাণ কাজের জন্য বিদ্যুৎ পাানি, রাস্তাঘাট, যোগাযোগের জন্য মোবাইল ফোন ইত্যাদি সব রকমের ব্যবস্থা রাখতে হবে। সরকারিভাবে অগ্রাধিকার ভিভিতে এ কাজগুলো সম্পাদন করতে হবে। বড় ভূমিকম্প হলে আফটআর শক হিসেবে আরো ভূমিকম্প হতে পারে, সেজন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!