রবি একাদশ শ্রেণিতে পড়ে। নদী পেরিয়ে কলেজে যাতায়াতে বেশ কষ্ট হয়, বিশেষ করে বর্ষাকালে। কিন্তু সে তার লক্ষ্যে অবিচল। তার প্রায় মনে পড়ে প্রয়াত বাবার কথা, "জীববৃত্তি মানুষেরও আছে, পশুপাখিরও আছে। ভেদরেখা এখানে নয়। মানুষে মানুষেও ভেদরেখা আছে। তোমাকে হতে হবে সেই রেখাগুলোর ধারক। সূর্যের মতো হতে হবে তোমার দীপ্তি।"

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

বিশেষণ হচ্ছে দোষ, গুণ, অবস্থা, সংখ্যা, পরিমাপ ইত্যাদি বাচক পদ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

যখন পরস্পর বিরোধী দুটি পদ সংযুক্ত করা হয় তখন সেই পদ দুটি দ্বারা নির্দেশিত আলোচ্য বিষয় বা বস্তুর সবটুকু ব্যক্ত্যর্থ লাভ করা যায় না তাকে বিপরীত পদ বলে। যেমন- লাল-সবুজ, সাদা-কালো ইত্যাদি। এগুলো পরস্পর বিরোধী পদ। অর্থাৎ একটি পদ যদি অন্য পদকে অস্বীকার করে তখন তাকে 'পদের বিরোধিতা' বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে প্রদত্ত রবির বাবার বক্তব্য থেকে দশটি পদের যৌক্তিক প্রকৃতি নিম্নে দেওয়া হলো:

পদ

যৌক্তিক প্রকৃতি

১. মানুষ

সরল পদ

২. জীববৃত্তি

সমষ্টিবাচক পদ

৩. পশু

সমষ্টিবাচক পদ

৪. সূর্য

নিরপেক্ষ পদ

৫. রেখা

জাত্যর্থক পদ

৬. ধারক

সদর্থক পদ

৭. দীপ্তি

গুণবাচক পদ

৮. তোমাকে

নির্দিষ্ট পদ

৯. রেখাগুলো

অনেকার্থক পদ

১০. মানুষে মানুষে

যৌগিক পদ

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে প্রদত্ত রবির প্রয়াত বাবার উক্তিটি হলো- 'জীববৃত্তি মানুষেরও আছে, পশু-পাখিরও আছে। ভেদাভেদ রেখা এখানে নয়। মানুষে মানুষেও ভেদরেখা আছে। তোমাকে হতে হবে সেই রেখাগুলোর ধারক। সূর্যের মতো হতে হবে তোমার দীপ্তি।'

এই উক্তিটিকে আমরা জাত্যর্থ ও ব্যক্ত্যর্থের আলোকে বিশ্লেষণ করতে পারি। 'মানুষ' একটি যৌক্তিক পদ। এই পদে মানুষের জীববৃত্তি ও বুদ্ধিবৃত্তি রয়েছে। এটা 'মানুষ' নামক পদটির জাত্যর্থকে নির্দেশ করে। আবার যদি বলি, সকল মানুষ, তবে এখানে সৎ মানুষ ও অসৎ মানুষ সকলকেই বোঝায়। এদিক থেকে দেখা যায়, মানুষ নামক পদটির ব্যক্ত্যর্থ ও জাত্যর্থের ভিত্তিতে জাত্যর্থ হবে (জীববৃত্তি + বুদ্ধিবৃত্তি + সততা) আর 'সৎ মানুষ' পদটির ব্যক্ত্যর্থ হলো সকল সৎ মানুষ। তাই বলা যায়, মানুষে মানুষে পার্থক্য রয়েছে জাত্যর্থ ও ব্যক্ত্যর্থের ভিত্তিতে। আবার জীবের শুধু জীববৃত্তি রয়েছে। আর মানুষের অতিরিক্ত বুদ্ধিবৃত্তি রয়েছে। তাই জীব ও মানুষের পার্থক্য রেখা হলো বুদ্ধিবৃদ্ধি। এই বুদ্ধিবৃত্তির সাহায্যে মানুষ নিজেকে উন্নতির সর্বোচ্চ শিখরে নিয়ে যেতে পারে। উদ্দীপকে রবির বাবার বক্তব্যে এই প্রচ্ছন্ন নির্দেশ রয়েছে। রবি নিজেকে এই বুদ্ধিবৃত্তি ও সততার সাহায্য অন্যান্য মানুষ থেকে আলাদা ও উন্নত ব্যক্তিত্বসম্পন্ন মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে পারবে। রবিকে তার এই গন্তব্যের পথে সার্থক হতে হলে এই গুণগুলোর ধারক হতে হবে, তখন সমাজে সূর্যের মতো হবে তার দীপ্তি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
156
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

পদ' হলো এক বা একাধিক শব্দের সমষ্টি যা যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য বা বিধেয়রূপে ব্যবহৃত হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
1.5k
উত্তরঃ

একটি যুক্তিবাক্যে সব সময় দুটি পদ থাকে, কিন্তু শব্দ থাকে দুই বা ততোধিক। যেমন- পানি হয় তরল। যুক্তিবাক্যে পানি ও তরল দুটি পদ। কিন্তু ভাসানী ছিলেন একজন বলিষ্ঠ দেশপ্রেমিক রাজনীতিবিদ। বাক্যে ৬টি শব্দ আছে। যুক্তিবাক্যে পদ আছে দুই ধরনের, কিন্তু শব্দ আছে তিন ধরনের। সুতরাং ব্যাপকতার দিক থেকে শব্দ পদের চেয়ে বেশি ব্যাপ্য।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
306
উত্তরঃ

উদ্দীপকে ৩নং চিত্র ব্যাপ্যতার দিক থেকে E-যুক্তিবাক্যের প্রতিনিধিত্ব করছে। 'পদের ব্যাপ্যতা' বলতে পদের প্রসারতাকে বোঝায়। একটি পদ যখন কোনো যুক্তিবাক্যে ব্যবহৃত হয় তখন পদটি দ্বারা যে পরিমাণ ব্যক্ত্যর্থ নির্দেশ করে তার দ্বারা সে পদের ব্যাপ্যতা বা ব্যাপ্তি নির্ণয় করা হয়। কোনো কোনো যুক্তিবাক্যে উদ্দেশ্য পদটি তার সমগ্র ব্যক্ত্যর্থকে প্রকাশ করে, আবার কোনো কোনো যুক্তিবাক্যে বিধেয় পদটি তার সমগ্র ব্যক্ত্যর্থ নির্দেশ করে। আবার কোনো পদ যখন আংশিক ব্যক্ত্যর্থ গ্রহণ করে তখন তাকে 'অব্যাপ্য পদ' বলে। 

E- যুক্তিবাক্য বলতে আমরা বুঝি যে যুক্তিবাক্যে উদ্দেশ্য পদের সমগ্র ব্যক্ত্যর্থকে বিধেয় পদ অস্বীকার করে। যেমন- কোনো মানুষ নয় অমর। একে সার্বিক নঞর্থক যুক্তিবাক্য বলে। উদ্দীপকের ৩নং চিত্রে যা বোঝানো হয়েছে তা হলো- একটি যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য ও বিধেয় পদ উভয়-ই ব্যাপ্য। কারণ কালো দাগ বিশিষ্ট চিত্র দ্বারা ব্যাপ্যতার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়। আর E- যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য ও বিধেয় উভয় পদ ব্যাপ্য। E-যুক্তিবাক্য সার্বিক বলে এর পদটি পূর্ণ ব্যক্ত্যর্থ নিয়ে ব্যবহৃত হয়েছে। সুতরাং উদ্দেশ্যটি ব্যাপ্য। আবার E-যুক্তিবাক্যটি নঞর্থক বলে বিধেয় পদটিও পূর্ণ ব্যাক্ত্যর্থ প্রকাশ করে। এজন্য বিধেয় পদটিও ব্যাপ্য। যেমন- কোনো মানুষ নয় অমর। সুতরাং ৩নং চিত্র ব্যাপ্যতার দিক থেকে E- যুক্তিবাক্যের প্রতিনিধিত্ব করেছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
381
উত্তরঃ

চিত্রে কালো দাগ বিশিষ্ট অংশটি হলো ব্যাপ্য। সুতরাং ১নং চিত্রের একটি যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য পদ ব্যাপ্য এবং ২নং চিত্রে একটি যুক্তিবাক্যের বিধেয় পদ ব্যাপ্য হিসাবে প্রকাশ পেয়েছে। ব্যাপ্যতা হলো প্রসারতা। যখন কোনো পদ একটি যুক্তিবাক্যে ব্যবহৃত হয়, তখন পদটি দ্বারা যে পরিমাণ ব্যক্ত্যর্থ নির্দেশ করে, তার দ্বারা সে পদের ব্যাপ্তি নির্ণয় করা হয়। যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য পদটি ব্যাপ্য হতে পারে, আবার বিধেয় পদটি ব্যাপ্য হতে পারে।

উদ্দীপকের ১নং চিত্রে উদ্দেশ্যটি ব্যাপ্য, আর বিধেয় অব্যাপ্য হিসাবে প্রকাশ পেয়েছে। এই যুক্তিবাক্যকে A-যুক্তিবাক্য বলে। ২নং চিত্রে বিধেয়টি ব্যাপ্য এবং উদ্দেশ্যটি অব্যাপ্য হিসাবে প্রকাশ পেয়েছে। সুতরাং এটি একটি O-যুক্তিবাক্য।

A-যুক্তিবাক্য হলো সার্বিক সদর্থক। যে যুক্তিবাক্যের বিধেয় পদ উদ্দেশ্য পদের সমগ্রকে স্বীকার করে নেয় তাকে A-যুক্তিবাক্য বা সার্বিক সদর্থক যুক্তিবাক্য বলে। -যুক্তিবাক্য হলো বিশেষ নঞর্থক। যে যুক্তিবাক্যের বিধেয় উদ্দেশ্য পদের অংশিককে অস্বীকার করে তাকে -যুক্তিবাক্য বা বিশেষ নঞর্থক যুক্তিবাক্য বলে। যেমন- কিছু মানুষ নয় সাহসী। সুতরাং ১নং চিত্র ও ২নং চিত্রকে সম্পূর্ণ বিপরীত বলা যায়। কারণ ১নং চিত্রের যুক্তিবাক্যটি সার্বিক সদর্থক এবং ২নং চিত্রের যুক্তিবাক্যটি বিশেষ নঞর্থক। ১নং চিত্রে উদ্দেশ্য ব্যাপ্য এবং বিধেয় অব্যাপ্য। আর ২নং চিত্রে উদ্দেশ্য অব্যাপ্য এবং বিধেয় ব্যাপ্য হয়েছে। তাই ১নং চিত্র ও ২নং চিত্র বিপরীত।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
302
উত্তরঃ

মানুষের চিন্তা, ইচ্ছা, অনুভব করার কথিত ধ্বনি বা লিখিত চিহ্নকে শব্দ বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
610
উত্তরঃ

যুক্তিবিদ্যায় শব্দ প্রধানত তিন প্রকার। যথা- ১। পদযোগ্য শব্দ, ২। সহ-পদযোগ্য শব্দ, ৩। পদ-নিরপেক্ষ শব্দ।

এটি ছকের মাধ্যমে দেখানো হলো-

শব্দ

পদযোগ্য শব্দ

সহ-পদযোগ শব্দ

পদ-নিরপেক্ষ শব্দ

কোনো শব্দের সাহায্য ছাড়া যুক্তিবাক্যে ব্যবহৃত হয়। যথা- মানুষ, কলম

যে শব্দ অন্য পদের সাহায্য ছাড়া যুক্তিবাক্যে ব্যবহৃত হতে পারে না। যথা- গুলো, টা, টি।

যে শব্দ যুক্তিবাক্যে ব্যবহৃত হতে পারে না। যথা- হায়! বাহ!

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
452
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews