রহিমের শাখা অফিসের ১০ টি কম্পিউটার একটি সার্ভার কম্পিউটারের মাধ্যমে যুক্ত এবং তাঁর মূল অফিসে ৫০ টি কম্পিউটার ৫ টি সার্ভার কম্পিউটারের মাধ্যমে যুক্ত।

Updated: 11 months ago
উত্তরঃ পিকোনেট হলো একটি অ্যাড-হক নেটওয়ার্ক যা ব্লুটুথ প্রযুক্তির মাধ্যমে তৈরি হয় এবং এতে একটি মাস্টার ডিভাইস ও সর্বোচ্চ সাতটি স্লেভ ডিভাইস যুক্ত থাকতে পারে।
Satt AI
Satt AI
1 week ago
উত্তরঃ

মোবাইল ফোনকে সেলুলার ফোন বলার প্রধান কারণ হলো এর কার্যপ্রক্রিয়া একটি সেলুলার (Cellular) নেটওয়ার্ক কাঠামোর উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। এই ব্যবস্থায়, একটি ভৌগোলিক এলাকাকে ছোট ছোট অংশে ভাগ করা হয়, যাদের প্রতিটি 'সেল' (Cell) নামে পরিচিত এবং প্রতিটি সেলের নিজস্ব ট্রান্সমিটার-রিসিভার থাকে যাকে 'বেস স্টেশন' (Base Station) বলা হয়।

যখন একজন ব্যবহারকারী মোবাইল ফোন ব্যবহার করে এক সেল থেকে অন্য সেলে প্রবেশ করে, তখন ফোনটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে সেই নতুন সেলের বেস স্টেশনের সাথে সংযোগ স্থাপন করে। এই নিরবচ্ছিন্ন সংযোগ স্থাপন এবং হস্তান্তর প্রক্রিয়াকে 'হ্যান্ডঅফ' (Handoff) বলা হয়, যা তারবিহীন যোগাযোগ ব্যবস্থায় নিরবচ্ছিন্ন সেবা নিশ্চিত করে। এই "সেল" ভিত্তিক কাঠামোর কারণেই মোবাইল ফোনকে সেলুলার ফোন নামেও অভিহিত করা হয়।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে রহিমের শাখা অফিসের নেটওয়ার্ক টপোলজিটি হলো স্টার টপোলজি (Star Topology)

স্টার টপোলজি হলো এমন একটি নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা যেখানে সকল কম্পিউটার একটি কেন্দ্রীয় ডিভাইস (যেমন – সার্ভার, হাব বা সুইচ) এর সাথে সরাসরি সংযুক্ত থাকে। এই টপোলজিতে, কেন্দ্রীয় ডিভাইসটি নেটওয়ার্কের সমস্ত ডেটা প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে। কোনো একটি কম্পিউটার থেকে ডেটা পাঠানোর প্রয়োজন হলে তা প্রথমে কেন্দ্রীয় ডিভাইসে যায় এবং সেখান থেকে নির্দিষ্ট গন্তব্যে প্রেরিত হয়। এটি ইনস্টল করা সহজ এবং কোনো একটি নোড নষ্ট হলে পুরো নেটওয়ার্ক অচল হয় না, কেবল সেই নোডটিই অকার্যকর থাকে।

উদ্দীপকে রহিমের শাখা অফিসের ১০টি কম্পিউটার একটি মাত্র সার্ভার কম্পিউটারের মাধ্যমে যুক্ত থাকার বিষয়টি স্টার টপোলজির বৈশিষ্ট্য বহন করে। এই ব্যবস্থায় কেন্দ্রীয় সার্ভারটি হাব বা সুইচের মতো কাজ করে এবং এর সাথে শাখা অফিসের প্রতিটি কম্পিউটার সরাসরি সংযুক্ত থাকে। ফলে শাখা অফিসের মতো ছোট বা মাঝারি আকারের নেটওয়ার্কের জন্য এটি একটি কার্যকর সমাধান, যেখানে কেন্দ্রীয় সার্ভারটি সমস্ত যোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ করে এবং নেটওয়ার্ক ব্যবস্থাপনাকে সহজ করে তোলে। এই টপোলজি শাখা অফিসের কম্পিউটারগুলোর মধ্যে নির্ভরযোগ্য এবং সুসংগঠিত যোগাযোগ নিশ্চিত করে।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
উত্তরঃ

সার্ভিস প্রদান ও নিয়ন্ত্রণ কাঠামোর ভিত্তিতে নেটওয়ার্ক মূলত দুই ধরনের হয়ে থাকে: ক্লায়েন্ট-সার্ভার (Client-Server) নেটওয়ার্ক এবং পিয়ার-টু-পিয়ার (Peer-to-Peer) নেটওয়ার্ক। ক্লায়েন্ট-সার্ভার নেটওয়ার্কে একটি বা একাধিক শক্তিশালী কম্পিউটার সার্ভার হিসেবে কাজ করে, যা অন্যান্য ক্লায়েন্ট কম্পিউটারগুলোকে সেবা প্রদান ও নিয়ন্ত্রণ করে। অপরদিকে, পিয়ার-টু-পিয়ার নেটওয়ার্কে প্রতিটি কম্পিউটার সমান ক্ষমতা সম্পন্ন হয় এবং প্রত্যেকেই একে অপরের সাথে সরাসরি সম্পদ ও সেবা আদান-প্রদান করতে পারে, যেখানে কোনো কেন্দ্রীয় সার্ভার থাকে না।

উদ্দীপকের রহিমের শাখা অফিসের নেটওয়ার্কে ১০টি কম্পিউটার একটি সার্ভার কম্পিউটারের মাধ্যমে যুক্ত। এটি একটি ক্লায়েন্ট-সার্ভার নেটওয়ার্ক। এখানে সার্ভারটি কেন্দ্রীয়ভাবে ১০টি কম্পিউটারের তথ্য সংরক্ষণ, নিরাপত্তা ও অন্যান্য সেবা নিয়ন্ত্রণ করছে। একইভাবে, তাঁর মূল অফিসে ৫০টি কম্পিউটার ৫টি সার্ভার কম্পিউটারের মাধ্যমে যুক্ত। এটিও একটি ক্লায়েন্ট-সার্ভার নেটওয়ার্ক, তবে এটি অপেক্ষাকৃত বড় পরিসরের। এখানে একাধিক সার্ভার থাকার কারণে প্রতিটি সার্ভার নির্দিষ্ট কাজের জন্য (যেমন- ফাইল সার্ভার, প্রিন্ট সার্ভার) ব্যবহৃত হতে পারে, যা নেটওয়ার্কের কার্যকারিতা ও লোড ব্যবস্থাপনার জন্য সুবিধাজনক। উভয় ক্ষেত্রেই একটি কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা বিদ্যমান, যা ক্লায়েন্ট-সার্ভার মডেলের মূল বৈশিষ্ট্য।

সার্ভিস প্রদান ও নিয়ন্ত্রণ কাঠামোর ভিত্তিতে ক্লায়েন্ট-সার্ভার এবং পিয়ার-টু-পিয়ার নেটওয়ার্কের মধ্যে কিছু গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য রয়েছে। ক্লায়েন্ট-সার্ভার নেটওয়ার্কে কেন্দ্রীয়ভাবে ডেটা সংরক্ষণ, নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা ও সফটওয়্যার আপডেটের মতো কাজগুলো পরিচালনা করা সহজ। এতে নেটওয়ার্কের কর্মদক্ষতা (Performance) সাধারণত উচ্চ হয় এবং এটি অধিক সংখ্যক ব্যবহারকারীকে সেবা দিতে সক্ষম। এর প্রধান অসুবিধা হলো স্থাপনা ও রক্ষণাবেক্ষণ খরচ বেশি এবং একটি সার্ভার নষ্ট হলে পুরো নেটওয়ার্ক অচল হয়ে যেতে পারে। অন্যদিকে, পিয়ার-টু-পিয়ার নেটওয়ার্কে খরচ কম, স্থাপন করা সহজ এবং প্রতিটি কম্পিউটার স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে। কিন্তু এতে ডেটা নিরাপত্তা দুর্বল হয়, কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ থাকে না এবং নেটওয়ার্ক যত বড় হয়, ব্যবস্থাপনা তত জটিল হয়ে পড়ে। ছোট আকারের নেটওয়ার্কের জন্য এটি উপযোগী হলেও বড় বা কর্পোরেট পরিবেশে এর কার্যকারিতা সীমিত।

রহিমের উভয় অফিসের নেটওয়ার্কের ধরন বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় যে, তিনি ক্লায়েন্ট-সার্ভার মডেল ব্যবহার করেছেন। শাখা অফিসের ১০টি কম্পিউটারের জন্য একটি সার্ভার এবং মূল অফিসের ৫০টি কম্পিউটারের জন্য ৫টি সার্ভার থাকা এই কাঠামোরই নির্দেশক। এই মডেল ব্যবহারের ফলে রহিমের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ডেটা নিরাপত্তা, কেন্দ্রীয়ভাবে তথ্য ব্যবস্থাপনা ও সহজে সেবা প্রদান করা সম্ভব হবে। বিশেষ করে মূল অফিসের মতো বৃহৎ পরিসরে যেখানে ৫০টি কম্পিউটার রয়েছে, সেখানে পিয়ার-টু-পিয়ার নেটওয়ার্ক কার্যকর হতো না; বরং ক্লায়েন্ট-সার্ভার নেটওয়ার্কই উচ্চতর দক্ষতা, নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তার নিশ্চয়তা প্রদান করে।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
252

এটি মোটেও অতিশয়োক্তি নয় যে বর্তমান পৃথিবীর মানুষ পারিবারিক বন্ধনের মতো একটি বিস্ময়কর মানবিক বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে আছে। একসময় সকলের অগোচরে পৃথিবীর কোনো এক প্রত্যন্ত অঞ্চলে মনুষ্যত্বের উপর চরম অবমাননা ঘটে যাওয়া সম্ভব হতো। এখন সেটি আর সম্ভব হয় না। পৃথিবী থেকে যুদ্ধ- বিগ্রহ এখনো পুরোপুরি থামিয়ে দেওয়া সম্ভব হয়নি কিন্তু সেটি কমানো সম্ভব হয়েছে, তার প্রধান কারণ তথ্য প্রযুক্তি। এখন কোনো দেশই বিশ্ব-বিবেকের কাছে জবাবদিহি না করে একটি অন্যায় যুদ্ধ শুরু করতে পারে না, যুদ্ধ চালিয়ে যেতে পারে না। নেটওয়ার্কিংয়ের কারণে পুরো পৃথিবী এখন একটি বড় পরিবারের মতো, এখানে সবাই সবার সাথে যুক্ত হয়ে বসবাস করে। এই নেটওয়ার্কিংকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার জন্য একসাথে অনেকগুলো ভিন্ন ভিন্ন প্রযুক্তি গড়ে তুলতে হয়েছে। এই অধ্যায়ে শিক্ষার্থীদের সামনে সেই প্রযুক্তিগুলোর উপর আলোকপাত করা হয়েছে।

এ অধ্যায় পাঠ শেষে -

  • কমিউনিকেশন সিস্টেমের ধারণা বর্ণনা করতে পারবে।
  • ডেটা কমিউনিকেশনের ধারণা ব্যাখ্যা করতে পারবে।
  • ডেটা কমিউনিকেশন প্রক্রিয়া বিশ্লেষণ করতে পারবে।
  • ডেটা ট্রান্সমিশন মোডের শ্রেণিবিন্যাস করতে পারবে।
  • ডেটা কমিউনিকেশন মাধ্যমসমূহের মধ্যে তুলনা করতে পারবে।
  • ডেটা কমিউনিকেশনে অপটিক্যাল ফাইবারের গুরুত্ব বিশ্লেষণ করতে পারবে, ওয়্যারলেস কমিউনিকেশনের বিভিন্ন মাধ্যমসমূহ চিহ্নিত করতে পারবে:
  • বিভিন্ন প্রজন্মের মোবাইল ফোনের ডেটা কমিউনিকেশন পদ্ধতির মধ্যে তুলনা করতে পারবে,
  • তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির বিভিন্ন ক্ষেত্রে ওয়্যারলেস কমিউনিকেশনের প্রয়োজনীয়তা মূল্যায়ন করতে পারবে;
  • নেটওয়ার্কের ধারণা ব্যাখ্যা করতে পারবে; নেটওয়ার্কের পুরুত্ব বিশ্লেষণ করতে পারবে।
  • বিভিন্ন ধরনের নেটওয়ার্কের কার্যাবলি বিশ্লেষণ করতে পারবে:
  • নেটওয়ার্কের টপোলজি ব্যাখ্যা করতে পারবে;
  • ক্লাউড কম্পিউটিং-এর ধারণা ব্যাখ্যা করতে পারবে;
  • ক্লাউড কম্পিউটিং-এর সুবিধা ব্যাখ্যা করতে পারবে।

 

 

Related Question

View All
উত্তরঃ

ব্যান্ডউইথ হল একটি মাপকাঠি যা নির্দিষ্ট সময়কালে ডেটা পরিবহণের জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি উপলব্ধ ডেটা পরিমাণের মাধ্যমে একটি নেটওয়ার্ক লিঙ্ক বা ইন্টারনেট কানেকশনের প্রদর্শক। ব্যান্ডউইথ মাপকাঠি হিসাবে উপযুক্ত একক বিট/সেকেন্ড (bps), কিলোবিট/সেকেন্ড (kbps), মেগাবিট/সেকেন্ড (Mbps), গিগাবিট/সেকেন্ড (Gbps) ইত্যাদি ব্যবহার হয়।

2.8k
উত্তরঃ ফুল ডুপ্লেক্স (Full Duplex) হলো ডেটা কমিউনিকেশন সিস্টেমের এমন একটি মোড যেখানে একই সময়ে উভয় দিক থেকে ডেটা আদান-প্রদান করা যায়। এই পদ্ধতিতে প্রেরক ও প্রাপক উভয়ই একই সময়ে ডেটা প্রেরণ ও গ্রহণ করতে পারে।
Satt AI
Satt AI
1 week ago
1.6k
উত্তরঃ

নেটওয়ার্কে ডেটা আদান-প্রদানের সময় সম্পূর্ণ ডেটা এককভাবে না পাঠিয়ে ছোট ছোট অংশে বিভক্ত করা হয়। এই ছোট অংশগুলোকে ডেটা প্যাকেট বা ডেটা ব্লক (Data Block) বলা হয়। প্রতিটি প্যাকেটে প্রেরক ও প্রাপকের ঠিকানা, ডেটার ক্রমিক নম্বর এবং ডেটার ক্ষুদ্র অংশ সংযুক্ত থাকে।

ডেটা প্যাকেট আকারে ডেটা ট্রান্সমিশনের মূল উদ্দেশ্য হলো ডেটা স্থানান্তর প্রক্রিয়াকে আরও কার্যকর, নির্ভরযোগ্য এবং দ্রুত করা। যদি একটি বড় ডেটা ফাইলকে ছোট ছোট প্যাকেটে ভাগ করা হয়, তবে নেটওয়ার্কে কোনো একটি প্যাকেটের ত্রুটি দেখা দিলেও কেবল সেই প্যাকেটটি পুনরায় পাঠানো হয়, সম্পূর্ণ ফাইলটি নয়। এর ফলে নেটওয়ার্কের ব্যান্ডউইথ (bandwidth) সাশ্রয় হয় এবং ডেটা ট্রান্সমিশনে দক্ষতা বৃদ্ধি পায়। এই প্রক্রিয়াকে প্যাকেট সুইচিং (Packet Switching) বলা হয়।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
3.1k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews