রাখাল ছেলে খুব সরল ও চঞ্চল। তার মন আনন্দে ভরা, দুঃখ তাকে ছুঁতে পারে না। প্রকৃতির ডাকে সে তাৎক্ষণিক সাড়া দেয়। হাওয়া, শিশির, ফুল- সব তাকে খেলার জন্য আহ্বান জানায়। তার জীবন প্রকৃতির সঙ্গে গভীরভাবে মিশে থাকে। রাখাল ছেলেটির মনের আনন্দ ও প্রকৃতির সৌন্দর্য একসূত্রে গাঁথা। সে প্রকৃতিকে বন্ধু মনে করে।
Related Question
View All'রাখাল ছেলে' কবিতায় কবি নিজেই রাখাল ছেলেকে ডাকছেন। তিনি রাখাল ছেলের জীবনের আনন্দ জানতে চান।
রাখাল ছেলেটি গাঁয়ের আঁকাবাঁকা পথ বেয়ে যাচ্ছিল। তার গন্তব্য ছিল একটি ছোটো কুটির, যেখানে তার মা অপেক্ষা করছেন।
রাখাল ছেলেটির মা সোনার পাতায় ছাওয়া ছোট্ট কুটিরে বসে আছেন। তিনি সেখানে বসে তার ছেলেকে ডাকছেন।
'রাখাল ছেলে' কবিতায় কবি প্রকৃতির সৌন্দর্য বর্ণনা করেছেন। সেখানে দেখা যাচ্ছে- চারপাশে নীল আকাশ নেমে এসেছে সবুজ গাছগাছালিতে ভরা গ্রামটিতে।
ভোরবেলায় ঘাসে শিশির জমে। রাখাল ছেলেটি যখন হাঁটে, তখন তার পা শিশিরে ভিজে যায়। শিশিরের ঠান্ডা ছোঁয়ায়, তার মন সতেজ হয়ে ওঠে।
“রঙিন মেঘের নাও” বলতে মূলত ভোরের আকাশের দৃশ্য বোঝানো হয়েছে। সূর্যের আলোয় মেঘগুলো রঙিন হয়ে ভেসে থাকে। সেই মেঘ যেন নৌকার মতো আকাশে চলেছে। কবি এই দৃশ্যকেই বর্ণনা করেছেন।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!