রাখালের মা ছোট্ট কুটিরে বসে ছিলেন। তিনি ছেলেকে ডাকছিলেন যেন সে ঘরে ফিরে আসে। মা তার প্রতি ভালোবাসার প্রকাশ থেকেই তাকে ডেকেছেন। রাখাল ছেলেটি তার মায়ের ডাকে টান অনুভব করে। মা ও ছেলের এই সম্পর্ক খুব মধুর। এটি ছেলের প্রতি মায়ের মায়া ও স্নেহ প্রকাশ করে।
ভোরবেলায় শিশির-ঝরা ঘাস খুবই সুন্দর। রাখাল ছেলেটি ঘাসে হেঁটে আনন্দ পায়। শিশিরের ঠান্ডা ছোঁয়ায় তার মন সতেজ হয়। প্রকৃতি যেন তাকে খেলতে আহ্বান করে। পাখির ডাক ও ফুলের সুবাস তাকে আনন্দ দেয়। সে খুশি হয়ে মাঠে দৌড়ায়। শিশির-ঝরা ঘাস তার শৈশবের আনন্দের উৎস।
মটরশুঁটির লতা রাখাল ছেলেটির পায়ে জড়িয়ে যায়। মনে হয় লতা নিজেই তাকে খেলতে ডাকছে। রাখাল ছেলের সঙ্গে লতার খেলা সুন্দর একটি দৃশ্য তৈরি করছে। এটি প্রকৃতির সঙ্গে তার বন্ধুত্ব প্রকাশ করে। মূলত কবি এখানে রাখাল ছেলে ও প্রকৃতির মধ্যে সম্পর্ক তুলে ধরেছেন।
রাখাল ছেলে খুব সরল ও চঞ্চল। তার মন আনন্দে ভরা, দুঃখ তাকে ছুঁতে পারে না। প্রকৃতির ডাকে সে তাৎক্ষণিক সাড়া দেয়। হাওয়া, শিশির, ফুল- সব তাকে খেলার জন্য আহ্বান জানায়। তার জীবন প্রকৃতির সঙ্গে গভীরভাবে মিশে থাকে। রাখাল ছেলেটির মনের আনন্দ ও প্রকৃতির সৌন্দর্য একসূত্রে গাঁথা। সে প্রকৃতিকে বন্ধু মনে করে।
'রাখাল ছেলে' কবিতায় প্রকৃতির সঙ্গে মানুষের গভীর সম্পর্কের দিকটি তুলে ধরা হয়েছে। শিশুদের শৈশব আনন্দময় হওয়া উচিত। কাজের ফাঁকে ফাঁকে খেলাধুলা প্রয়োজন। প্রকৃতি আমাদের মনকে সতেজ করে ও আনন্দ দেয়। শিশুরা প্রকৃতির সঙ্গে খেললে খুশি হয়। প্রকৃতিকে রক্ষা করলে জীবন সুন্দর হয়। তাই প্রকৃতির সঙ্গে মিশে আনন্দে থাকা উচিত। 'রাখাল ছেলে' কবিতায় এ দিকটিই তুলে ধরা হয়েছে।
রাখাল ছেলেটি মাঠে স্বাধীনভাবে দৌড়াচ্ছে। সে যেখানে খুশি সেখানে যায়। তার খেলাধুলার আনন্দ সীমাহীন। প্রভাতের হাওয়া, শিশির-ঝরা ঘাস ও ফুল তাকে ডেকে আনে। সে নিজ সিদ্ধান্তে খেলে। মা থাকলেও সে খেলার জন্য বাইরে যায়। এটি শৈশবের মুক্তি ও আনন্দের চিত্র তুলে ধরে।
Related Question
View All'রাখাল ছেলে' কবিতায় কবি নিজেই রাখাল ছেলেকে ডাকছেন। তিনি রাখাল ছেলের জীবনের আনন্দ জানতে চান।
রাখাল ছেলেটি গাঁয়ের আঁকাবাঁকা পথ বেয়ে যাচ্ছিল। তার গন্তব্য ছিল একটি ছোটো কুটির, যেখানে তার মা অপেক্ষা করছেন।
রাখাল ছেলেটির মা সোনার পাতায় ছাওয়া ছোট্ট কুটিরে বসে আছেন। তিনি সেখানে বসে তার ছেলেকে ডাকছেন।
'রাখাল ছেলে' কবিতায় কবি প্রকৃতির সৌন্দর্য বর্ণনা করেছেন। সেখানে দেখা যাচ্ছে- চারপাশে নীল আকাশ নেমে এসেছে সবুজ গাছগাছালিতে ভরা গ্রামটিতে।
ভোরবেলায় ঘাসে শিশির জমে। রাখাল ছেলেটি যখন হাঁটে, তখন তার পা শিশিরে ভিজে যায়। শিশিরের ঠান্ডা ছোঁয়ায়, তার মন সতেজ হয়ে ওঠে।
“রঙিন মেঘের নাও” বলতে মূলত ভোরের আকাশের দৃশ্য বোঝানো হয়েছে। সূর্যের আলোয় মেঘগুলো রঙিন হয়ে ভেসে থাকে। সেই মেঘ যেন নৌকার মতো আকাশে চলেছে। কবি এই দৃশ্যকেই বর্ণনা করেছেন।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!