'রাখাল ছেলে' কবিতায় প্রকৃতির সঙ্গে মানুষের গভীর সম্পর্কের দিকটি তুলে ধরা হয়েছে। শিশুদের শৈশব আনন্দময় হওয়া উচিত। কাজের ফাঁকে ফাঁকে খেলাধুলা প্রয়োজন। প্রকৃতি আমাদের মনকে সতেজ করে ও আনন্দ দেয়। শিশুরা প্রকৃতির সঙ্গে খেললে খুশি হয়। প্রকৃতিকে রক্ষা করলে জীবন সুন্দর হয়। তাই প্রকৃতির সঙ্গে মিশে আনন্দে থাকা উচিত। 'রাখাল ছেলে' কবিতায় এ দিকটিই তুলে ধরা হয়েছে।
Related Question
View All'রাখাল ছেলে' কবিতায় কবি নিজেই রাখাল ছেলেকে ডাকছেন। তিনি রাখাল ছেলের জীবনের আনন্দ জানতে চান।
রাখাল ছেলেটি গাঁয়ের আঁকাবাঁকা পথ বেয়ে যাচ্ছিল। তার গন্তব্য ছিল একটি ছোটো কুটির, যেখানে তার মা অপেক্ষা করছেন।
রাখাল ছেলেটির মা সোনার পাতায় ছাওয়া ছোট্ট কুটিরে বসে আছেন। তিনি সেখানে বসে তার ছেলেকে ডাকছেন।
'রাখাল ছেলে' কবিতায় কবি প্রকৃতির সৌন্দর্য বর্ণনা করেছেন। সেখানে দেখা যাচ্ছে- চারপাশে নীল আকাশ নেমে এসেছে সবুজ গাছগাছালিতে ভরা গ্রামটিতে।
ভোরবেলায় ঘাসে শিশির জমে। রাখাল ছেলেটি যখন হাঁটে, তখন তার পা শিশিরে ভিজে যায়। শিশিরের ঠান্ডা ছোঁয়ায়, তার মন সতেজ হয়ে ওঠে।
“রঙিন মেঘের নাও” বলতে মূলত ভোরের আকাশের দৃশ্য বোঝানো হয়েছে। সূর্যের আলোয় মেঘগুলো রঙিন হয়ে ভেসে থাকে। সেই মেঘ যেন নৌকার মতো আকাশে চলেছে। কবি এই দৃশ্যকেই বর্ণনা করেছেন।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!