রাজপুত্র রাজা হওয়ার পর রাখাল বন্ধুর কথা ভুলে যায়।
রাজপুরী লোকলস্কর, সৈন্যসামন্তে সবসময় মুখর থাকত। রানি কাঞ্চনমালা রাজপুরীর সৌন্দর্য যেন আরও বাড়িয়ে তুলেছিল। চারদিকে শুধু সুখ আর সুখ। সুখের এই রাজ্যে বাস করায় রাজপুত্র রাখাল বন্ধুর কথা ভুলে যায়।
Related Question
View Allরাজপুত্র ও রাখালের বন্ধুত্ব সম্পর্কে পাঁচটি বাক্য-
ক. রাজপুত্র ও রাখাল ছেলের মধ্যে খুব ভাব।
খ. তারা দুই বন্ধু পরস্পরকে খুব ভালোবাসে।
গ. রাখাল রাজপুত্রকে বাঁশি বাজিয়ে শোনায়।
ঘ. বাঁশির সুর শুনে রাজপুত্রের মন খুশিতে ঝলমলিয়ে ওঠে।
ঙ. রাজপুত্র বড়ো হয়ে রাজা হলে রাখালকে মন্ত্রী বানাবে বলে প্রতিজ্ঞা করে।
একদিন ভোরবেলা যখন রাজার ঘুম ভাঙে, তখন দেখা যায়, তাঁর সারা শরীরে অগুনতি সুচ গেঁথে আছে। তিনি কথা বলা, শোয়া, খাওয়া কোনো কিছুই করতে পারেন না। রাজার এ অবস্থার সংবাদ শুনে রাজ্যজুড়ে কান্নাকাটির রোল পড়ে যায়।
শরীরে সূচ বিঁধে থাকার কারণে সুচরাজার কষ্টের সীমা নেই। তাঁর সুচবিদ্ধ শরীর ব্যথায় টনটন করে। সারা শরীর চিনচিন করে জ্বলতে থাকে, ঝাঁকে ঝাঁকে মাছি এসে রাজার গায়ে বসে। এছাড়া রাজাকে দেখার বা বাতাস করারও কেউ নেই।
রাজার সারা গায়ে সূচ বিঁধে গিয়েছিল। একা একা এত সুচ খোলা কঠিন ছিল রানির জন্য। সেই সুচ খুলতেই রানির দরকার হয়েছিল একজন লোকের। তাই নদীর ঘাটে আসা মেয়েটিকে দাসী হিসেবে কিনে নিয়েছিলেন রানি।
রানি তার শাড়ি-গয়না দাসী কাঁকনমালার কাছে রেখে গোসলে নেমেছিলেন। তিনি পানিতে ডুব দিতেই কাঁকনমালা রানির সেই শাড়ি-গয়না নিজে পরে নেয়। আর রানির জন্য রেখে দেয় নিজের পোশাক। ফলে রানি হয়ে যায় দাসী, আর দাসী হয়ে যায় রানি।
রানি কাঞ্চনমালা নানাবিধ গুণাবলির অধিকারী। তিনি সুস্বাদু পিঠা বানাতে পারেন। এসব পিঠার মধ্যে আছে চন্দ্রপুলি, মোহনবাঁশী, ক্ষীর মুরলি পিঠা। রানি কাঞ্চনমালা খুব সুন্দর আলপনা আঁকতে পারেন। তিনি পদ্মলতা, সোনার সাত কলস, ধানের ছড়া, ময়ূর-পুতুল আঁকেন।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!