রাফি খুলনা অঞ্চলে বেড়াতে গিয়ে লক্ষ করলো চাষিরা ধান চাষ করছে। সে অবাক হলো, কারণ সে জানত এ অঞ্চল ধান চাষের অনুপযোগী। তার বাবা তাকে বললেন, কৃষিজ পণ্যের ওপর কৃষি জলবায়ুর অনেক প্রভাব রয়েছে। তিনি আরো বললেন, প্রতিকূল পরিবেশেও বিভিন্ন ফসল জন্মানোর প্রক্রিয়া উদ্ভাবিত হয়েছে।

Updated: 1 year ago
উত্তরঃ

 দিনে কত ঘণ্টা সূর্যের আলো পাওয়া যায় তার পরিমাণই হলো সূর্যালোক ঘণ্টা।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 years ago
উত্তরঃ

কোনো নির্দিষ্ট তাপ ও চাপে বায়ুতে যে পরিমাণ জলীয় বাষ্প থাকে, তার সাথে ঐ তাপ ও চাপে বায়ু যে পরিমাণ জলীয় বাষ্প ধারণ করতে পারে তার অনুপাতকে আপেক্ষিক আর্দ্রতা বলে। আপেক্ষিক আর্দ্রতা সর্বদা শতকরা হিসাবে প্রকাশ করা হয়। যেমন-

আপেক্ষিক আর্দ্রতা =বায়ুতে জলীয় বাষ্পের পরিমাণবায়ুতে জলীয় বাষ্প ধারণ ক্ষমতা× ১০০

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 years ago
উত্তরঃ

রাফির বাবার দ্বিতীয় উক্তি অনুযায়ী প্রতিকূল পরিবেশেও বিভিন্ন ফসলের উৎপাদন প্রক্রিয়া উদ্ভাবিত হয়েছে। বর্তমানে প্রতিকূল পরিবেশ মোকাবেলার জন্য সহনশীল বিভিন্ন ফসলের জাত উদ্ভাবিত হচ্ছে। আমাদের দেশের প্রধান প্রধান সমস্যা হলো লবণাক্ততা, বন্যা ও খরা। এসব সমস্যা মোকাবেলার জন্য বিভিন্ন সহনশীল ধানের জাত রয়েছে। যেমন- লবণাক্ত এলাকায় রোপা আমন মৌসুমে বিনা ধান ১০, ব্রি ধান ৪০, ব্রি ধান ৪১, ব্রি ধান-৫৪ এবং বোরো মৌসুমে ব্রি ধান-৪৭ ইত্যাদি লবণাক্ততা সহনশীল জাত চাষ করে ভালো ফলন পাওয়া যাচ্ছে। বরেন্দ্র অঞ্চলে খরার কারণে ধান লাগাতে বেশি দেরি হলে নাবী, স্বল্পমেয়াদি ও আলোক সংবেদনশীল বি আর-২২, ২৩ ও ব্রি ধান ৫৬, ব্রি ধান ৫৭, ব্রি ধান ৬৫ ইত্যাদি চাষ করা হয়। আবার, হঠাৎ জলমগ্ন ও নদীভাঙ্গন এলাকার জন্য কিছু সময় ডুবন্ত অবস্থায় থাকতে পারে এমন জাত ব্রি ধান ৫১, ব্রি ধান ৫২ চাষোপযোগী। হাওর অঞ্চলে বিআর ১৭, বিআর ১৮, বিআর ১৯ জাতের ধান সঠিক সময়ে বপন ও রোপণ করলে ফলন ভালো পাওয়া যায়। অতএব বলা যায়, রাফির বাবার উক্তিটি যুক্তিযুক্ত ছিল।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 years ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের রাফির বাবার প্রথম উক্তিটি হলো, কৃষিজ পণ্যের ওপর কৃষি জলবায়ুর অনেক প্রভাব রয়েছে। কৃষি জলবায়ুর উপাদানগুলো হলো তাপমাত্রা, বৃষ্টিপাত, আর্দ্রতা, শিশির, কুয়াশা ইত্যাদি এসব উপাদানের উপর কৃষিজ পণ্যের উৎপাদন নির্ভর করে।

বেঁচে থাকার জন্য সকল উদ্ভিদে একটি সর্বনিম্ন, সর্বোত্তম ও সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রয়েছে। ঠাণ্ডা ঋতুর ফসল অপেক্ষাকৃত কম তাপ পছন্দ করে। যেমন- গম, আলু ইত্যাদি। উষ্ণ ঋতুর ফসল অপেক্ষাকৃত উচ্চ তাপমাত্রায় জন্মে। যেমন-পাট, রাবার ইত্যাদি। 

তাপমাত্রা বৃদ্ধির ফলে ফসল উৎপাদনে ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে। উৎপাদন ঋতুতে তাপমাত্রা বেড়ে গেলে বাংলাদেশে উফশী ধানের ফলন কমে যায় এবং গমে রোগের আক্রমণ বেড়ে যায়। উচ্চ তাপমাত্রা ফলের বৃদ্ধি ও পরিপক্কতা ত্বরান্বিত করে। যেকোনো শাকসবজি ও ফলের জন্য তাপমাত্রা ১০° সে. এর নিচে গেলে গাছে ঠান্ডাজনিত ক্ষত এবং ফলন কম হয়। গ্রীষ্মকালে বোনা আউশ ও পাটের বীজ গজানো বৃষ্টিপাতের ওপর নির্ভরশীল। বৃষ্টিপাত বেশি হলে অনেক শাকসবজির গোড়া পচে যায়, ফুল- ফল ধারণ ব্যাহত ও ফলন কম হয়। খরার পর প্রচুর বৃষ্টিপাত হলে কলা, টমেটো, আখ প্রভৃতিতে ফাটল দেখা যায়। তুষারপাতে খোলা মাঠের ফসল নষ্ট হয়। আবার, কোনো কোনো ফসলের কুঁড়ি তুষারপাত না হলে বের হয় না, যেমন- আপেল। কুয়াশা ফসল উৎপাদনে এবং ফসলের রোগ ও পোকার আক্রমণে প্রভাবক হিসেবে কাজ করে। কুয়াশা বেশি থাকলে আলুর মড়ক ও আমের অ্যানথ্রাকনোজ রোগ বেশি হয়। অর্থাৎ, কৃষি জলবায়ুর উপাদান বাংলাদেশে কৃষিজ পণ্য উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 years ago
209

Related Question

View All
উত্তরঃ

জিটিআই বা গ্রাজুয়েট ট্রেনিং ইনস্টিটিউট হলো বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রমকে কর্মমুখী করার লক্ষ্যে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রি পাস করা শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশিক্ষণের প্রতিষ্ঠান।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 years ago
453
উত্তরঃ

কৃষি ডাইরি কৃষি তথ্য সার্ভিস কর্তৃক প্রকাশিত ডাইরি যেখানে আধুনিক কৃষি সংশ্লিষ্ট তথ্য-উপাত্তের উল্লেখ থাকে।

বর্তমান গবেষণার ফলাফল ও আধুনিক কৃষির তথ্য উপাত্ত, যেমন- বিভিন্ন ফসলের উন্নত জাত, বীজ, সারের মাত্রা, সেচ, বালাইনাশক, সর্বশেষ প্রযুক্তি, বিভিন্ন পরিসংখ্যান ইত্যাদি তথ্য এ ডাইরিতে পাওয়া যায়। এ ডাইরিতে কৃষি সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তর, অধিদপ্তর, সংস্থা, ব্যক্তি, সমিতি, সংগঠন ইত্যাদির ফোন/ফ্যাক্স নম্বর, ই- মেইল, ওয়েবসাইটসহ প্রয়োজনীয় যোগাযোগের ঠিকানা থাকে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 years ago
482
উত্তরঃ

উদ্দীপকের আয়োজনটি হলো উঠোন বৈঠক। সপ্তাহের একটি নির্দিষ্ট দিনে এলাকার কোনো একজন কৃষকের বাড়ির উঠোনে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় যাতে আশেপাশে বসবাসরত ৫০-৬০ জন কৃষক অংশগ্রহণ করেন। এখানে কৃষকেরা তাদের কৃষি সংক্রান্ত সমস্যা ও সমাধানের উপায় নিয়ে আলোচনা করেন। কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকাণ্ডের অংশ হিসেবে মূলত এই বৈঠক আয়োজন করা হয়। একটি এলাকার কৃষকদের মধ্যে সম্প্রীতিপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখে বিভিন্ন কৃষি সমস্যা সমাধান করে থাকে উঠোন বৈঠক। উঠোন বৈঠকে কোনো কৃষক যদি তার কৃষি সংক্রান্ত সমস্যা উত্থাপন করেন তবে অন্যান্য কৃষক তাকে সেই সংক্রান্ত সমাধান দিয়ে থাকেন। মাঝেমাঝে কৃষি কর্মকর্তা কৃষকদের সরাসরি পরামর্শ দিয়ে থাকেন। অনেক সময় এমন সব সমস্যার উদ্ভব হয়, যা এলাকার সব কৃষক একসাথে মিলে সমাধান করেন। যেমন- খরাকালীন সময়ে সেচ সমস্যা, ফসলে রোগ বা পোকার আক্রমণ প্রতিরোধ করা, মূল্যবান কৃষি যন্ত্রপাতি ক্রয়, নতুন কৃষি প্রযুক্তি গ্রহণ ও বর্জন সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ ইত্যাদি। উঠোন বৈঠকের মাধ্যমে কৃষি কর্মকর্তা সহজেই কোনো এলাকার কৃষি সংক্রান্ত পরিস্থিতি সম্পর্কে ধারণা পেয়ে থাকেন। যার মাধ্যমে অল্প সময়ে তিনি কৃষকদের কৃষি সংক্রান্ত সমস্যার সমাধান ও নতুন প্রযুক্তি সম্পর্কে ধারণা দিতে পারেন।

তাই বলা যায়, কৃষি সেবা প্রাপ্তিতে উঠোন বৈঠক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 years ago
350
উত্তরঃ

উদ্দীপকের কৃষি কর্মকর্তা বাংলাদেশের আবহাওয়া অনুযায়ী দিবা দৈর্ঘ্যের উপর ভিত্তি করে ফসল চাষ করতে পরামর্শ দেন। দিবা দৈর্ঘ্যের ভিত্তিতে ফসলকে ৩টি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়- 

i. স্বল্প দিবস ফসল 

ii. দীর্ঘ দিবস ফসল ও 

iii. দিবস নিরপেক্ষ ফসল।

যেসব ফসলের পুষ্পায়নের জন্য স্বল্পকালীন সময়ব্যাপী দিবালোক প্রয়োজন হয়, সেসব ফসলকে স্বল্প দিবস ফসল বলে। যেমন- ফুলকপি, সরিষা, আমন ধান ইত্যাদি। সাধারণত এসব ফসলের ফুল উৎপাদনের জন্য ১২ ঘণ্টার কম অর্থাৎ, গড়ে ৯-১১ ঘণ্টা দিবালোকের প্রয়োজন হয়। যেসব ফসলের পুষ্পায়নের জন্য দীর্ঘ দিবালোকের প্রয়োজন হয় সেসব ফসলকে দীর্ঘ দিবস ফসল বলে। যেমন- মুলা, আলু ইত্যাদি। এসব ফসলের ফুল উৎপাদনের জন্য দৈনিক ১২ ঘণ্টার বেশি দিবা দৈর্ঘ্য ও অল্প সময়ের অন্ধকারের প্রয়োজন পড়ে। আবার, যেসব ফসলের পুষ্পায়নের উপর দিবা দৈর্ঘ্যের কোনো প্রভাব পড়ে না তাদের দিবস নিরপেক্ষ ফসল বলে। যেমন- আউশ ধান, আমন ধান, বেগুন, টমেটো ইত্যাদি। কারণ এগুলোর ফুল-ফল উৎপাদনে দিবা দৈর্ঘ্যের প্রভাব কম থাকায় এগুলো আলোক স্থিতিকাল দ্বারা প্রভাবিত হয় না।

অর্থাৎ, ফসলের ফুল ধারণের ওপর দিবালোকের প্রভাব বিবেচনা করে চাষ করলে সব ধরনের ফসল ফলানো সম্ভব। অতএব, কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শটি যথার্থ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 years ago
661
উত্তরঃ

বসতবাড়ির আশেপাশে, রাস্তার পাশে, পতিত জমিতে, রেললাইনের পাশে, প্রতিষ্ঠানের আশেপাশেসহ বিভিন্ন সামাজিক এলাকায় যে বন গড়ে উঠেছে তাকে সামাজিক বন বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 years ago
353
উত্তরঃ

মাটিতে হাইড্রোজেন আয়নের ঘনত্বের ঋণাত্মক লগারিদমকে মাটির অম্লমান বা মাটির pH বলে। এটি মাটির একটি রাসায়নিক ধর্ম। মাটির অম্লমান বা pH ১-১৪ সংখ্যা দ্বারা উল্লেখ করা হয়। কোনো মাটির pH ৭.০ হলে তাকে প্রশম মাটি ধরা হয় আবার মাটির pH ৭.০ এর নিচে গেলে উক্ত মাটিতে অম্লত্ব সৃষ্টি হয় এবং pH ৭.০ এর উপরে উঠে গেলে মাটিতে ক্ষারত্ব দেখা যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 years ago
1k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews