রাষ্ট্রপতি সরকারের একটি বিভাগের ব্যক্তিবর্গকে নিয়োগ দিতে পারেন। তাদের বিজ্ঞতা, সাহসিকতা ও সততার উপর ঐ বিভাগের স্বাধীনতা নির্ভর করে। সেই সাথে প্রয়োজন তাদের জন্য উপযুক্ত বেতন, ভাতাদি, পদোন্নতি এবং সামাজিক মর্যাদা। আইনগতভাবে ক্ষমতার স্বতন্ত্রীকরণ না থাকলে উক্ত বিভাগ ব্যক্তি-স্বাধীনতা ও ন্যায়বিচার সংরক্ষণ করতে পারে না।

Updated: 11 months ago
উত্তরঃ

একনায়কতন্ত্রের দুটি বৈশিষ্ট্য - 

১. একক নেতৃত্ব

২. জনগণকে ভীতি প্রদর্শন

Mijanur Rahman
Mijanur Rahman
1 year ago
উত্তরঃ

দ্বি-কক্ষবিশিষ্ট আইনসভা হলো এমন একটি আইন প্রণয়নকারী সংস্থা যা দুটি পৃথক কক্ষ বা চেম্বার নিয়ে গঠিত হয়। এই দুটি কক্ষের প্রত্যেকটির নিজস্ব ক্ষমতা, কার্যপ্রণালী এবং কার্যকাল থাকে। সাধারণত, একটি কক্ষকে উচ্চকক্ষ এবং অন্যটিকে নিম্নকক্ষ বলা হয়।

এই ধরনের আইনসভার মূল উদ্দেশ্য হলো ক্ষমতাকে বিভাজন করা এবং একটি কক্ষে প্রণীত আইনের উপর দ্বিতীয় কক্ষের মাধ্যমে পর্যালোচনা ও ভারসাম্য আনা। এর ফলে আইন প্রণয়ন প্রক্রিয়া আরও সুচিন্তিত হয় এবং তাড়াহুড়ো করে আইন পাশ হওয়ার প্রবণতা কমে। বিশ্বের অনেক দেশে, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ভারতসহ ফেডারেল রাষ্ট্রগুলোতে দ্বি-কক্ষবিশিষ্ট আইনসভা দেখা যায়।

Satt AI
Satt AI
5 days ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে সরকারের বিচার বিভাগকে ইঙ্গিত করা হয়েছে। উদ্দীপকে উল্লিখিত যে বিভাগটি রাষ্ট্রপতির মাধ্যমে নিয়োগপ্রাপ্ত হয়, যাদের বিজ্ঞতা, সাহসিকতা ও সততার উপর এর স্বাধীনতা নির্ভর করে এবং যা ব্যক্তি-স্বাধীনতা ও ন্যায়বিচার সংরক্ষণ করে, তা বিচার বিভাগেরই বৈশিষ্ট্য।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ষষ্ঠ অধ্যায়ের বিধান অনুযায়ী বিচার বিভাগ গঠিত। এটি সুপ্রিম কোর্ট ও অধস্তন আদালতসমূহ নিয়ে গঠিত। সুপ্রিম কোর্ট আবার আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগ এই দুটি ভাগে বিভক্ত। প্রধান বিচারপতি ও অন্যান্য বিচারপতিদের নিয়ে সুপ্রিম কোর্ট গঠিত হয়। অধস্তন আদালতসমূহ জেলা ও দায়রা জজ আদালত, অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত, যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ আদালত এবং ম্যাজিস্ট্রেট আদালত নিয়ে গঠিত।

উদ্দীপকে বিচার বিভাগের স্বাধীনতার জন্য উপযুক্ত বেতন, ভাতাদি, পদোন্নতি ও সামাজিক মর্যাদার প্রয়োজনীয়তার কথা বলা হয়েছে, যা বিচারকদের নির্ভীকভাবে কাজ করার জন্য অত্যাবশ্যক। এছাড়া, আইনগতভাবে ক্ষমতার স্বতন্ত্রীকরণ না থাকলে বিচার বিভাগ ব্যক্তি-স্বাধীনতা ও ন্যায়বিচার সংরক্ষণ করতে পারে না – এই বিষয়টি বাংলাদেশের বিচার বিভাগের গঠন ও কার্যকারিতার মূল ভিত্তি। বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করার জন্য সংবিধান বিচারকদের নিয়োগ, কার্যকাল, অপসারণ এবং বেতন-ভাতা সংক্রান্ত বিশেষ বিধান রেখেছে, যা উদ্দীপকের ইঙ্গিত করা বৈশিষ্ট্যের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

Satt AI
Satt AI
5 days ago
উত্তরঃ

আইনের শাসন হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা স্বেচ্ছাচারীভাবে পরিচালিত না হয়ে আইনের দ্বারা পরিচালিত হয় এবং আইনের দৃষ্টিতে সকলে সমান। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় বিচার বিভাগের ভূমিকা অনস্বীকার্য, যা একটি আধুনিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের ভিত্তি হিসেবে কাজ করে।

উদ্দীপকে উল্লিখিত 'উক্ত বিভাগ' বলতে বিচার বিভাগকে বোঝানো হয়েছে। উদ্দীপক অনুযায়ী, এই বিভাগের ব্যক্তিবর্গের বিজ্ঞতা, সাহসিকতা ও সততার ওপর এর স্বাধীনতা নির্ভর করে। তাদের জন্য উপযুক্ত বেতন, ভাতাদি, পদোন্নতি এবং সামাজিক মর্যাদা নিশ্চিত করা প্রয়োজন, যাতে তারা কোনো প্রকার ভয় বা প্রলোভনের শিকার না হয়ে স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে। আইনগতভাবে ক্ষমতার স্বতন্ত্রীকরণ না থাকলে এই বিভাগ ব্যক্তি-স্বাধীনতা ও ন্যায়বিচার সংরক্ষণ করতে পারে না, যা আইনের শাসনের মূল ভিত্তি। সুতরাং, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও কার্যকারিতা নিশ্চিত করার জন্য উদ্দীপকে বর্ণিত শর্তাবলি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় বিচার বিভাগের ভূমিকা বহুমুখী ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রথমত, বিচার বিভাগ সংবিধান ও আইনের ব্যাখ্যা প্রদান করে এবং সংবিধানের শ্রেষ্ঠত্ব বজায় রাখে। দ্বিতীয়ত, এটি রাষ্ট্রের সকল নাগরিকের জন্য আইনের দৃষ্টিতে সমতা নিশ্চিত করে। উদ্দীপকে বর্ণিত বিচারকদের বিজ্ঞতা ও সততা এই সমতা প্রতিষ্ঠায় সহায়ক। তৃতীয়ত, বিচার বিভাগ জনগণের মৌলিক অধিকার সংরক্ষণ করে। কোনো নাগরিকের মৌলিক অধিকার লঙ্ঘিত হলে বিচার বিভাগ তা পুনর্বহাল করার নির্দেশ দিতে পারে, যা ব্যক্তি-স্বাধীনতা সংরক্ষণে সহায়ক। চতুর্থত, এটি সরকারের নির্বাহী ও আইন প্রণয়নকারী বিভাগের ক্ষমতার উপর সীমাবদ্ধতা আরোপ করে, যাতে তারা স্বেচ্ছাচারী হতে না পারে। এক্ষেত্রে ক্ষমতার স্বতন্ত্রীকরণ অত্যাবশ্যক। পঞ্চমত, বিচার বিভাগ আইন ভঙ্গকারীদের শাস্তি প্রদানের মাধ্যমে সমাজে শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখে এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করে।

পরিশেষে বলা যায়, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা একটি রাষ্ট্রের সুষম পরিচালনার জন্য অপরিহার্য এবং এই ক্ষেত্রে বিচার বিভাগের ভূমিকা কেন্দ্রীয়। উদ্দীপকে উল্লিখিত শর্তাবলি যেমন - বিচারকদের বিজ্ঞতা, সাহস, সততা, উপযুক্ত পারিশ্রমিক ও সামাজিক মর্যাদা এবং ক্ষমতার স্বতন্ত্রীকরণ - বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করার জন্য অপরিহার্য। এই সকল শর্ত পূরণ না হলে বিচার বিভাগ ব্যক্তি-স্বাধীনতা ও ন্যায়বিচার কার্যকরভাবে সংরক্ষণ করতে পারবে না, ফলে আইনের শাসন সুপ্রতিষ্ঠিত হতে পারবে না। তাই, একটি কার্যকর বিচার বিভাগই পারে আইনের শাসনকে বাস্তবে রূপ দিতে এবং নাগরিক অধিকারের রক্ষা কবচ হিসেবে কাজ করতে।

Satt AI
Satt AI
5 days ago
320

Related Question

View All
উত্তরঃ

“Government of the people, by the people, for the people ”.

“জনগণের দ্বারা, জনগণের জন্য, জনগণের সরকার ”।

তিনি ১৮৬৩ সালের গেটিসবার্গ ভাষণে দেন। গণতন্ত্রের শ্রেষ্ঠ  ও সর্বজনীন স্বীকৃত সংজ্ঞা হিসেবে বিবেচিত।। 

Sajeda Akter
Sajeda Akter
1 year ago
2.4k
উত্তরঃ

ইতিহাস ও পৌরনীতি ও সুশাসন একে অপরের অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং পরিপূরক। ইতিহাস ব্যতীত পৌরনীতি ও সুশাসন এবং পৌরনীতি ও সুশাসন ব্যতীত ইতিহাসের আলোচনা অসম্পূর্ণ, কারণ উভয় বিষয়ই মানব সমাজ, রাষ্ট্র এবং নাগরিক জীবনকে বোঝার জন্য অপরিহার্য।

পৌরনীতি ও সুশাসন মূলত নাগরিকের অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা করে এবং এর মূল ভিত্তি হলো মানব সভ্যতার বিবর্তন। অন্যদিকে, ইতিহাস অতীতের ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে আলোচনা করে যা পৌরনীতি ও সুশাসনের বিভিন্ন ধারণা যেমন – নাগরিক অধিকার, কর্তব্য, সরকার ও সংবিধানের বিবর্তন ইত্যাদি বুঝতে সাহায্য করে। ইতিহাসের জ্ঞান না থাকলে একটি রাষ্ট্রের বর্তমান শাসনব্যবস্থা, আইনি কাঠামো বা নাগরিকদের অধিকারের পেছনের প্রেক্ষাপট বোঝা অসম্ভব। আবার, ইতিহাস রাষ্ট্র, সরকার ও নাগরিক জীবনের বিবর্তনকে সহজবোধ্য করতে পৌরনীতি ও সুশাসনের নীতি ও তত্ত্বের সাহায্য নেয়। এইভাবে, উভয় বিষয় একে অপরের তথ্য, ধারণা ও ব্যাখ্যার মাধ্যমে সমৃদ্ধ হয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ জ্ঞান প্রদান করে।

Satt AI
Satt AI
5 days ago
1.7k
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বর্ণিত বিষয়ের ধারণা নেওয়ার জন্য শিক্ষার্থীদের পৌরনীতি ও সুশাসন বিষয়ের জ্ঞানার্জনের প্রয়োজন।

পৌরনীতি ও সুশাসন হলো নাগরিকের অধিকার ও কর্তব্য, রাষ্ট্র, আইন, স্বাধীনতা, সাম্য, সংবিধান, সরকার ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক নিয়ে গবেষণাকারী একটি গতিশীল সামাজিক বিজ্ঞান। এই বিষয়টি অধ্যয়ন করে নাগরিকগণ নিজেদের রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক জীবন সম্পর্কে সচেতন হতে পারে এবং সুনাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠার প্রেরণা লাভ করে। এটি একজন নাগরিককে তার দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে ধারণা দেয় এবং একটি সুস্থ ও সুসংগঠিত সমাজ গঠনে সহায়তা করে।

উদ্দীপকে সফিক সাহেব তার শিক্ষার্থীদের নাগরিক অধিকার, কর্তব্য, স্বাধীনতা ও আইন সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা নিতে পৌরনীতি ও সুশাসন জ্ঞানার্জনের উপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন। তিনি আরও বলেছেন যে, "প্রত্যেকেরই নিজ নিজ রাষ্ট্রের উন্নয়নের পাশাপাশি বিশ্ব সভ্যতার উন্নয়নে কাজ করতে হবে।" এই সকল বিষয়গুলি অর্থাৎ নাগরিকের অধিকার, কর্তব্য, স্বাধীনতা, আইন, রাষ্ট্র ও বিশ্ব সভ্যতা সম্পর্কে সম্যক ধারণা লাভে পৌরনীতি ও সুশাসন পাঠ অপরিহার্য। তাই সফিক সাহেব যে বিষয়টির জ্ঞানার্জনের গুরুত্বারোপ করেছেন, তা হলো পৌরনীতি ও সুশাসন।

Satt AI
Satt AI
5 days ago
983
উত্তরঃ

উদ্দীপকে সফিক সাহেবের গুরুত্বারোপ করা বিষয়টি হলো পৌরনীতি ও সুশাসন। নিঃসন্দেহে এই বিষয়ের জ্ঞান শুধু রাষ্ট্রের উন্নতি নয়, বিশ্ব সভ্যতার উন্নয়নেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই বক্তব্যের সাথে আমি সম্পূর্ণ একমত।

সফিক সাহেব তার শিক্ষার্থীদের নাগরিক অধিকার, কর্তব্য, স্বাধীনতা ও আইন সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা নিতে গুরুত্ব দিয়েছেন। একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে যখন ব্যক্তি তার অধিকার সম্পর্কে সজাগ থাকে এবং কর্তব্য পালনে সচেষ্ট হয়, তখন সে নিজ রাষ্ট্রের উন্নয়নে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে। আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ও স্বাধীনতার সঠিক ব্যবহারকারী নাগরিকেরা একটি সুশৃঙ্খল সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনে সহায়তা করে, যা সামগ্রিক মানব সভ্যতার ভিত্তি।

পৌরনীতির জ্ঞান নাগরিকদের শুধুমাত্র নিজ দেশের আইন ও শাসনব্যবস্থা সম্পর্কে অবহিত করে না, বরং আন্তর্জাতিক আইন, মানবাধিকার এবং বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় এর গুরুত্ব উপলব্ধিতে সহায়তা করে। যখন বিভিন্ন দেশের নাগরিকেরা তাদের অধিকার ও কর্তব্য সম্পর্কে সচেতন থাকে এবং বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে শান্তি, সমৃদ্ধি ও সহযোগিতার মূল্য বোঝে, তখনই বিশ্ব সভ্যতা এগিয়ে যায়। পরমতসহিষ্ণুতা, গণতন্ত্রের চর্চা, আন্তর্জাতিক সম্পর্কের উন্নয়ন ইত্যাদি পৌরনীতির মৌলিক ধারণাগুলো বিশ্বজুড়ে জাতিগত সংঘাত হ্রাস ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় অপরিহার্য।

সুতরাং, উদ্দীপকে উল্লেখিত বিষয়ের জ্ঞান (পৌরনীতি ও সুশাসন) ব্যক্তি ও রাষ্ট্রের সীমা ছাড়িয়ে বিশ্ব সভ্যতার সার্বিক অগ্রগতি, শান্তি ও স্থিতিশীলতা আনয়নে অপরিহার্য ভূমিকা রাখে। তাই উদ্দীপকের বক্তব্যের সাথে আমি দৃঢ়ভাবে একমত।

Satt AI
Satt AI
5 days ago
1.1k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews