রিপন খুব আগ্রহ নিয়ে যুক্তিবিদ্যা ক্লাস করে। ক্লাসের প্রথম দিনে স্যারের কথা তার বার বার মনে পড়ে। সেদিন স্যার বলেছিল যুক্তিবিদ্যা হলো দর্শনের একটি অংশ। দর্শন হলো এমন এক উপলব্ধি ও জ্ঞানগর্ভ যা সামগ্রিকভাবে সার্বিক সত্যকে জানতে চায় এবং সেই সত্য অন্য সবাইকে জানাতে চেষ্টা করে।

Updated: 1 year ago
উত্তরঃ

জীবন ও জগৎ সম্পর্কে সামগ্রিক আলোচনা করাকে দর্শন বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 years ago
উত্তরঃ

'দর্শন' শব্দটি সংস্কৃত 'দৃশ' ধাতু হতে উৎপত্তি। এর অর্থ দেখা। কিন্তু 'দর্শন' বলতে আমরা সাধারণ দর্শনকে বুঝবো না। এই দর্শন অর্থ হলো গভীরভাবে দেখা বা অনুধাবন করা। দর্শনের ইংরেজি প্রতিশব্দ হচ্ছে Philosophy. Philosophy শব্দটি গ্রিক শব্দ Philos এবং Sophia থেকে এসেছে। Philos অর্থ অনুরাগ এবং Sophia অথ জ্ঞান। ব্যুৎপত্তির দিক থেকে দর্শন হলো জ্ঞানের প্রতি অনুরাগ বা জ্ঞানের প্রতি ভালোবাসা। জীবন ও জগতের সার্বিক আলোচনা হলো দর্শন।

 

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 years ago
উত্তরঃ

ব্যুৎপত্তিগত দিক থেকে যুক্তিবিদ্যা হলো ভাষায় প্রকাশিত চিন্তা সম্পর্কিত বিজ্ঞান। আর ব্যুৎপত্তিগত দিক থেকে দর্শন হলো জ্ঞানের প্রতি অনুরাগ বা ভালোবাসা। সমগ্র বিশ্ব বা জীবন ও জগৎ সম্পর্কে একটি সুসংবদ্ধ ও যৌক্তিক, বাস্তবসম্মত, প্রায়োগিক যুগোপযোগী জ্ঞান প্রদান করে থাকে দর্শন। অর্থাৎ দর্শন হলো জীবন ও জগৎ সম্পর্কে সার্বিক আলোচনা। আর যুক্তিবিদ্যা ভাষায় প্রকাশিত চিন্তনের বিজ্ঞান। জীবন জগতের সমস্ত কিছু নিয়ে দর্শন আলোচনা করে এবং যুক্তিবিদ্যা চিন্তন নিয়ে আলোচনা করে।

সুতরাং আমরা বুঝতে পারি যে, যুক্তিবিদ্যা দর্শনের একটি অংশ তথা শাখা। উদ্দীপকে শিক্ষকের বক্তব্যের সমর্থনে নিম্নে ছকের মাধ্যমে দেখানো হলো যে যুক্তিবিদ্যা দর্শনের অংশ।

ছকে আমরা দেখতে পাই যে, দর্শনের শাখাকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়- ১। অধিবিদ্যা, ২। জ্ঞান বিদ্যা, ৩। মূল্যবিদ্যা। আর মূল্যবিদ্যার একটি শাখা হচ্ছে যুক্তিবিদ্যা। সুতরাং আমরা বলতে পারি যে, দর্শনের আলোচ্য বিষয় হলো সার্বিক। 

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 years ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের শিক্ষকের ভাষ্য অনুযায়ী দর্শন সার্বিক সত্যকে জানতে এবং জানতে চায়। উক্তিটির সাথে দ্বিমত করার কোনো সুযোগ নেই। ব্যুৎপত্তিগতভাবে আমরা দেখতে পাই দর্শন শব্দটি দৃশ ধাতু থেকে এসেছে। যার অর্থ সামগ্রিকভাবে দেখা বা অনুধাবন করা। আর ইংরজি Philosophy শব্দটি গ্রিক শব্দ Philos এবং Sophia থেকে এসেছে। যার অর্থ জ্ঞানের প্রতি অনুরাগ বা ভালোবাসা। এখানে জ্ঞান বলতে কোনো আংশিক জ্ঞান নয়, এই জ্ঞান হবে সামগ্রিক জ্ঞান।

দর্শন জগৎ ও জীবন সম্পর্কে সূক্ষ্ম বিচার-বিশ্লেষণের মাধ্যমে একটি যৌক্তিক ব্যাখ্যা প্রদান করে। বস্তুত দর্শন আমাদের জীবনের অর্থ, স্বরূপ, পরিণতি ও মূল্য নির্ধারণ করে। জীবন ও জগৎকে সমৃদ্ধ ও প্রগতিশীল করার ক্ষেত্রে দর্শনের ভূমিকা অনন্য। কারণ দর্শন-জীবন ও জগতের এমন কোনো বিষয় নেই যে আলোচনা করে না। সমগ্র বিষয়াদি নিয়ে দর্শন আলোচনা করে থাকে। দর্শন সামগ্রিক সত্যকে জানতে চায়। খন্ড খন্ড বা আংশিক সত্য দিয়ে দর্শনের কৌশল পরিতৃপ্ত হয় না। এজন্য দর্শন অখণ্ড স্ত্য হিসাবে পরমসত্তাকে জানতে চায়। অর্থাৎ দর্শন হলো এমন এক উপলব্ধি ও জ্ঞানগর্ভ যা সামগ্রিকভাবে সার্বিক সত্যকে জানতে চায় এবং সেই সত্য অন্য সবাইকে জানাতে চায়।

সুতরাং আমরা দেখতে পাই যে, দর্শন জীবন ও জগতের সার্বিক রূপকে জানতে চায়। জীবন ও জগতের এমন কোনো দিক নেই যা দর্শনের আলোচনার বিষয়বস্তু নয়। সকল কিছুর সত্য জানতে চায় দর্শন। তাই উদ্দীপকের শিক্ষকের সাথে একমত পোষণ করে আমরা এ কথা বলতে পারি যে, দর্শন সার্বিক সত্যকে জানতে এবং জানাতে চায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 years ago
223

Related Question

View All
উত্তরঃ

ভাষায় প্রকাশিত চিন্তা সম্পর্কিত বিজ্ঞানকে 'যুক্তিবিদ্যা' বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 years ago
417
উত্তরঃ

দর্শন হলো জ্ঞানের প্রতি অনুরাগ বা ভালোবাসা। জগৎ, জীবন সম্পর্কে সার্বিক আলোচনাই হলো দর্শন। দর্শন শুধু ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য জগতের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এটি অতীন্দ্রিয় জগৎ, সত্তা, যেমন- প্রাণ, স্রষ্টা, আত্মা ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা করে থাকে। বিশ্ব জগতে এমন কোনো বিষয় নেই যা দর্শনের আলোচ্য বিষয় নয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 years ago
613
উত্তরঃ

উদ্দীপকে রিপন সাহেবের কর্মকাণ্ডে যুক্তিবিদ্যার বিষয়টি পরিলক্ষিত হয়। যুক্তিবিদ্যা হলো চিন্তা সম্পর্কিত বিজ্ঞান, যার মাধ্যমে অবৈধ যুক্তি থেকে বৈধ যুক্তি পৃথক করা যায়। যুক্তির সত্যতা বা বৈধতা যাচাই করার জন্য যুক্তিবিদ্যা নিয়ম প্রণয়ন করে। সত্যের আদর্শকে সামনে রেখেই যুক্তিবিদ্যা কতকগুলো সাধারণ নিয়ম প্রণয়ন করে।

উদ্দীপকের বর্ণনা অনুযায়ী এবং যুক্তিবিদ্যার সংজ্ঞা অনুযায়ী বলা যায় যে, রিপেরে কর্মকাণ্ডের সাথে যুক্তিবিদ্যার মিল রয়েছে। যুক্তিবিদ্যা যেমন বৈধ-অবৈধ যুক্তি পৃথক করে; তেমনি রিপন কোন কাজ দরকারী, কোনটি পরিহার্য তা পৃথক করতে পারে। বৈধ-অবৈধ যুক্তির পার্থক্য করার জন্য নির্দিষ্ট নিয়ম আছে। রিপন সাহেব জানে যে ভালো বক্তৃতা দিতে কীভাবে দোষ-ত্রুটি, পরিহার করতে হয় তার নিয়ম-কানুন। সুতরাং আমরা বলতে পারি যে, উদ্দীপকে রিপনের কর্মকাণ্ডে ভালো বক্তব্য দেওয়ার কৌশলের কথা বলা হয়েছে এবং বক্তব্যের বিভিন্ন দোষ-ত্রুটি শনাক্ত করার পদ্ধতি সম্পর্কে অবগত যা যুক্তিবিদ্যার সাথে মিলে যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 years ago
370
উত্তরঃ

উদ্দীপকে রিপন, স্বপনের মধ্যে যে ধরনের পার্থক্য আছে তা হলো নীতিবিদ্যা ও যুক্তিবিদ্যার মধ্যে পার্থক্যের মতো।

যুক্তিবিদ্যা হলো ভাষায় প্রকাশিত চিন্তা সম্পর্কিত বিজ্ঞান। চিন্তার নিয়মাবলি নির্ণয় করে। যুক্তির বৈধতা-অবৈধতা বিচার করে। যুক্তির সত্যতা বা বৈধতা নির্দেশের নিয়মাবলি প্রণয়ন করে। শুধু প্রণয়ন করে না, এর দ্বারা সঠিক সিদ্ধান্তে পৌঁছে জ্ঞান অর্জন করার জন্য নির্দেশ প্রদান করে।

নীতিবিদ্যা হলো আদর্শ নিষ্ঠ বিজ্ঞান। সমাজে বসবাসকারী মানুষের আচরণের ভালো-মন্দ, ন্যায়-অন্যায়, উচিত-অনুচিত বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করে। এখন আমরা বলতে পারি যে, উদ্দীপকে রিপন সাহেবের কার্যকলাপের সাথে যুক্তিবিদ্যার বিষয়গত মিল রয়েছে; স্বপন সাহেবের সাথে নীতিবিদ্যার কার্যাদির মিল পাওয়া যায়।

রিপন সাহেব বুঝতে পারে কোন কাজ দরকারি, কোন কাজটি পরিহারি; স্বপন তার কর্মকাণ্ডে সব সময় সৎ থাকার চেষ্টা করেছেন। রিপন ভালো বক্তব্য দেওয়ার কৌশল সম্পর্কে অবগত এবং বক্তৃতা করার সময় দূষণীয় বিষয়গুলো কীভাবে পরিহার করতে হয় তার কৌশল সম্পর্কে জানেন। যেমনভাবে যুক্তিবিদ্যায় বৈধ-অবৈধ যুক্তির মধ্যে পার্থক্যের কৌশল বর্ণিত আছে। অপর দিকে স্বপন পেশাগত দায়িত্ব নিষ্ঠার সাথে পালন করেন ও সৎ জীবনযাপন করেন যা নীতিবিদ্যার সাথে সম্পৃক্ত।. সুতরাং আমরা বলতে পারি যে, রিপনের কর্মকান্ডে যুক্তিবিদ্যার ছাপ পরিলক্ষিত হয় আর স্বপনের কর্মকাণ্ডে নীতিবিদ্যার ছাপ পরিলক্ষিত হচ্ছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 years ago
368
উত্তরঃ

শিক্ষা হলো এমন বিষয় যার দ্বারা অভ্যাস, মনোভাব, ও দক্ষতার বিকাশ হয় এবং যা মানুষকে সফল জীবনযাপনে সহায়তা করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 years ago
420
উত্তরঃ

জীবন ও জগৎ সম্পর্কে সার্বিক আলোচনা করে থাকে দর্শন। জগৎ ও জীবন সম্পর্কে একটি বাস্তব, সুসংবদ্ধ ও যৌক্তিক, প্রায়োগিক ও যুগোপযোগী জ্ঞান প্রদান করাই হলো দর্শনের মূল উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য। এটি জগৎ ও জীবন সম্পর্কে বিচার-বিশ্লেষণ করে থাকে। নন্দনতত্ত্ব, নীতিবিদ্যা, গণিত, শিক্ষা, জগতের উৎপত্তি-ক্রমবিকাশসহ এমন কোনো দিক নাই যা দর্শন আলোচনা করে না। আর এ কারণে দর্শন জীবন ও জগতের সাথে সম্পৃক্ত।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 years ago
760
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews