রীনা, রুমা ও রিপা তিন বন্ধু উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী। তারা জানে গণিত ও কম্পিউটার বিজ্ঞান হলো প্রাকৃতিক বিজ্ঞানের অন্যতম শাখা। জ্ঞানের ক্ষেত্রে উভয়ের প্রায়োগিক ও ব্যবহারিক ভূমিকা রয়েছে। উভয়টি শিক্ষার মাধ্যমেই বৃত্তিমূলক কাজের সন্ধান পাওয়া যায়। তাদের কাছে যুক্তিবিদ্যার সাথে এ ধরনের আকারগত বিজ্ঞানের অনুবন্ধ সম্পর্ক আপাত জটিল ও দুর্বোধ্য বলে মনে হয়।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

গণিত ও কম্পিউটার বিজ্ঞানকে 'আকারগত বিজ্ঞান' বলা হয়।

 

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

সব বিজ্ঞানকেই যৌক্তিক নিয়ম প্রয়োগ করতে হয়। অর্থাৎ সকল বিজ্ঞানকে অবরোহ বা আরোহ পদ্ধতিদ্বয়ের যেকোন একটা পদ্ধতি গ্রহণ করতে হবে। সেজন্য প্রত্যেকটি বিজ্ঞানকেই তার অনুসৃত পদ্ধতির জন্য যুক্তিবিদ্যার উপর নির্ভর করতে হয়। আবার প্রত্যেক বিজ্ঞানকেই তার ব্যবহৃত কতিপয় পদের সংজ্ঞা নির্দেশ, আলোচ্য ঘটনার সমষ্টির শ্রেণিবিভাগ ও ব্যাখ্যাদান এবং বিভিন্ন প্রকল্প রচনা করতে হয়। যুক্তিবিদ্যা এসব ক্রিয়ার নিয়মাবলি সরবরাহ করে। সেজন্য যুক্তিবিদ্যার সাথে বিজ্ঞানের সম্পর্ক অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

গণিত ও কম্পিউটার বৃত্তিমূলক শিক্ষা দেয়। অর্থাৎ গণিত ও কম্পিউটার শিক্ষা লাভ করে যেকোনো মানুষ পরবর্তীতে জীবিকা অর্জনে সহায়ক কাজে জড়িত হতে পারে। এখানে জীবিকা অর্জনের বুনিয়াদ হিসেবে কাজ করে গণিত বা কম্পিউটারের উপর অর্জিত শিক্ষা। যেকোনো দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় গণিত বিষয়টি সম্পর্কিত। গণিতের উপর শিক্ষা গ্রহণ করার পর যে- কেউ শিক্ষকতাকে পেশা হিসেবে গ্রহণ করতে পারেন। আবার কম্পিউটার ভিত্তিক কার্যক্রম বিভিন্ন ব্যবসা-বাণিজ্যের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তাই সেসব প্রতিষ্ঠানে অনায়াসে যোগদান করতে পারে। এছাড়া ওয়েব ডিজাইন, গেমিং, ওয়ার্ড প্রসেসিং, প্রোগ্রামিং ভিত্তিক বিভিন্ন ধরনের কম্পিউটার ভিত্তিক কাজের মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করা সম্ভব। এসকল দিক বিবেচনা করে রীনা, রুমা ও রীপা মনে করে যে, গণিত ও কম্পিউটার বৃত্তিমূলক শিক্ষা দেয়'।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

যুক্তিবিদ্যার সাথে গণিত ও কম্পিউটারের অনুবন্ধ সম্পর্ক রয়েছে তার একটি ব্যাখ্যাভিত্তিক তালিকা তৈরি করা হলো :

যুক্তিবিদ্যার সাথে গণিতের অনুবন্ধ সম্পর্কের বিশ্লেষণমূলক তালিকা:

১. যুক্তিবিদ্যা বিমূর্ত চিন্তার যৌক্তিক রূপদান করে। গণিতও বিমূর্ত চিন্তার প্রকাশিত রূপদান করে।

২. যুক্তি অনুকরণে বৈধ (সঠিক) সিদ্ধান্ত আর গণিত অনুকরণে সঠিক উত্তর পাওয়া যায়।

৩. গণিতের জ্যামিতি ও যুক্তিবিদ্যার বাস্তবতা স্থাপত্যের স্থায়িত্ব ও সৌন্দর্যতা দান করে।

৪. গণিতের এলজেবরা এবং প্রতীকী যুক্তিবিদ্যার আলোচ্য বিষয়ের নিয়মাবলি ও ধরন মোটামুটি একই রকম।

৫. গণিত = দুই আর দুইকে যদি যোগ অথবা গুণ করা হয় তাহলে চার হবেই। যুক্তিবিদ্যা = যদি মানুষ মরণশীল হয় এবং করিম মানুষ হয় তাহলে করিম মরণশীল হবেই।

৬. যে গণিতের যৌক্তিকতা নেই তা গণিত নয় আর যে যুক্তির গাণিতিক ভিত্তি/ বাস্তবতা নেই তা যুক্তি নয়।

৭. গণিত ও যুক্তিবিদ্যার অভিন্নতার বড় প্রমাণ হলো কম্পিউটারের এ্যারিথমেটিক অ্যান্ড লজিক ইউনিট।

যুক্তিবিদ্যা ও কম্পিউটার অনুবন্ধ সম্পর্ক:

১. যুক্তিবিদ্যা হলো সবিচার চিন্তা আর কম্পিউটার হলো সবিচার চিন্তাযুক্ত শ্রেষ্ঠ প্রযুক্তি।

২. যুক্তিবিদ্যা মানুষের চিন্তা/অনুমানের বৈধতা দানে সহায়তা করে আর কম্পিউটার ডেটা প্রসেসে আঙ্কিক ও যৌক্তিক সহায়তা দেয়।

৩. যৌক্তিক চিন্তাই কম্পিউটারের আবিষ্কারক। আর কম্পিউটার যৌক্তিক চিন্তা স্বরূপ।

৪. সবিচার চিন্তা যেকোনো আবিষ্কারের জনক আর কম্পিউটার সৃষ্টির নিয়ন্ত্রক।

৫. যুক্তিবিদ্যা চিন্তার বৈধতা আর কর্মের যৌক্তিকতা দানে সহায়তা দেয় আর কম্পিউটার চিন্তা ও কর্মে গতিময়তা ও নান্দনিকতা আনয়নে সহায়তা করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
148
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

ভাষায় প্রকাশিত চিন্তা সম্পর্কিত বিজ্ঞানকে 'যুক্তিবিদ্যা' বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
325
উত্তরঃ

দর্শন হলো জ্ঞানের প্রতি অনুরাগ বা ভালোবাসা। জগৎ, জীবন সম্পর্কে সার্বিক আলোচনাই হলো দর্শন। দর্শন শুধু ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য জগতের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এটি অতীন্দ্রিয় জগৎ, সত্তা, যেমন- প্রাণ, স্রষ্টা, আত্মা ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা করে থাকে। বিশ্ব জগতে এমন কোনো বিষয় নেই যা দর্শনের আলোচ্য বিষয় নয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
533
উত্তরঃ

উদ্দীপকে রিপন সাহেবের কর্মকাণ্ডে যুক্তিবিদ্যার বিষয়টি পরিলক্ষিত হয়। যুক্তিবিদ্যা হলো চিন্তা সম্পর্কিত বিজ্ঞান, যার মাধ্যমে অবৈধ যুক্তি থেকে বৈধ যুক্তি পৃথক করা যায়। যুক্তির সত্যতা বা বৈধতা যাচাই করার জন্য যুক্তিবিদ্যা নিয়ম প্রণয়ন করে। সত্যের আদর্শকে সামনে রেখেই যুক্তিবিদ্যা কতকগুলো সাধারণ নিয়ম প্রণয়ন করে।

উদ্দীপকের বর্ণনা অনুযায়ী এবং যুক্তিবিদ্যার সংজ্ঞা অনুযায়ী বলা যায় যে, রিপেরে কর্মকাণ্ডের সাথে যুক্তিবিদ্যার মিল রয়েছে। যুক্তিবিদ্যা যেমন বৈধ-অবৈধ যুক্তি পৃথক করে; তেমনি রিপন কোন কাজ দরকারী, কোনটি পরিহার্য তা পৃথক করতে পারে। বৈধ-অবৈধ যুক্তির পার্থক্য করার জন্য নির্দিষ্ট নিয়ম আছে। রিপন সাহেব জানে যে ভালো বক্তৃতা দিতে কীভাবে দোষ-ত্রুটি, পরিহার করতে হয় তার নিয়ম-কানুন। সুতরাং আমরা বলতে পারি যে, উদ্দীপকে রিপনের কর্মকাণ্ডে ভালো বক্তব্য দেওয়ার কৌশলের কথা বলা হয়েছে এবং বক্তব্যের বিভিন্ন দোষ-ত্রুটি শনাক্ত করার পদ্ধতি সম্পর্কে অবগত যা যুক্তিবিদ্যার সাথে মিলে যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
307
উত্তরঃ

উদ্দীপকে রিপন, স্বপনের মধ্যে যে ধরনের পার্থক্য আছে তা হলো নীতিবিদ্যা ও যুক্তিবিদ্যার মধ্যে পার্থক্যের মতো।

যুক্তিবিদ্যা হলো ভাষায় প্রকাশিত চিন্তা সম্পর্কিত বিজ্ঞান। চিন্তার নিয়মাবলি নির্ণয় করে। যুক্তির বৈধতা-অবৈধতা বিচার করে। যুক্তির সত্যতা বা বৈধতা নির্দেশের নিয়মাবলি প্রণয়ন করে। শুধু প্রণয়ন করে না, এর দ্বারা সঠিক সিদ্ধান্তে পৌঁছে জ্ঞান অর্জন করার জন্য নির্দেশ প্রদান করে।

নীতিবিদ্যা হলো আদর্শ নিষ্ঠ বিজ্ঞান। সমাজে বসবাসকারী মানুষের আচরণের ভালো-মন্দ, ন্যায়-অন্যায়, উচিত-অনুচিত বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করে। এখন আমরা বলতে পারি যে, উদ্দীপকে রিপন সাহেবের কার্যকলাপের সাথে যুক্তিবিদ্যার বিষয়গত মিল রয়েছে; স্বপন সাহেবের সাথে নীতিবিদ্যার কার্যাদির মিল পাওয়া যায়।

রিপন সাহেব বুঝতে পারে কোন কাজ দরকারি, কোন কাজটি পরিহারি; স্বপন তার কর্মকাণ্ডে সব সময় সৎ থাকার চেষ্টা করেছেন। রিপন ভালো বক্তব্য দেওয়ার কৌশল সম্পর্কে অবগত এবং বক্তৃতা করার সময় দূষণীয় বিষয়গুলো কীভাবে পরিহার করতে হয় তার কৌশল সম্পর্কে জানেন। যেমনভাবে যুক্তিবিদ্যায় বৈধ-অবৈধ যুক্তির মধ্যে পার্থক্যের কৌশল বর্ণিত আছে। অপর দিকে স্বপন পেশাগত দায়িত্ব নিষ্ঠার সাথে পালন করেন ও সৎ জীবনযাপন করেন যা নীতিবিদ্যার সাথে সম্পৃক্ত।. সুতরাং আমরা বলতে পারি যে, রিপনের কর্মকান্ডে যুক্তিবিদ্যার ছাপ পরিলক্ষিত হয় আর স্বপনের কর্মকাণ্ডে নীতিবিদ্যার ছাপ পরিলক্ষিত হচ্ছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
310
উত্তরঃ

শিক্ষা হলো এমন বিষয় যার দ্বারা অভ্যাস, মনোভাব, ও দক্ষতার বিকাশ হয় এবং যা মানুষকে সফল জীবনযাপনে সহায়তা করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
351
উত্তরঃ

জীবন ও জগৎ সম্পর্কে সার্বিক আলোচনা করে থাকে দর্শন। জগৎ ও জীবন সম্পর্কে একটি বাস্তব, সুসংবদ্ধ ও যৌক্তিক, প্রায়োগিক ও যুগোপযোগী জ্ঞান প্রদান করাই হলো দর্শনের মূল উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য। এটি জগৎ ও জীবন সম্পর্কে বিচার-বিশ্লেষণ করে থাকে। নন্দনতত্ত্ব, নীতিবিদ্যা, গণিত, শিক্ষা, জগতের উৎপত্তি-ক্রমবিকাশসহ এমন কোনো দিক নাই যা দর্শন আলোচনা করে না। আর এ কারণে দর্শন জীবন ও জগতের সাথে সম্পৃক্ত।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
642
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews