রুবেল ও রাসেল সহপাঠী এবং লেখাপড়ায় বেশ ভালো ছিল। কিন্তু স্কুল জীবন পার হতে না হতেই রুবেল মিশে যায় দুষ্টু প্রকৃতির কিছু ছেলের সাথে। লেখাপড়ার পাঠ তার চুকে যায় ওখানেই। তার নাম শুনলে এখন মানুষ আঁতকে উঠে। অপর দিকে রাসেল বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করছে। ছাত্রদের যেকোনো ন্যায্য দাবির আন্দোলনে সে ঝাঁপিয়ে পড়ে; সহপাঠীদের সংগঠিত করে। মিছিলে নেতৃত্ব দেয়। রাসেল প্রতিজ্ঞা করে জীবন দিয়ে হলেও এ দেশের সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ে আমৃত্যু লড়াই করে যাবে।

Updated: 4 months ago
উত্তরঃ

আঠারো বছর বয়সে দুঃসাহসেরা উকি দেয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

বাষ্পের বেগে স্টিমারের মতো চলে'- এ কথা দিয়ে সুকান্ত ভট্টাচার্য আঠারো বছর বয়সি তরুণদের চলার গতি নির্দেশ করেছেন।
দেশ, জাতি ও মানবতার জন্যে যুগে যুগে তরুণরা তাদের প্রাণের অমিত তেজশক্তি নিয়ে এগিয়ে গেছে সম্মুখপানে। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তারা দাঁড়িয়েছে সমস্ত বিপদ মোকাবিলায়। স্টিমার যেমন বাষ্পের বেগে দ্রুত সামনের দিকে এগিয়ে যায় তার, নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছানোর জন্য, তেমনি আঠারো বছর বয়সি তরুণরাও তাদের তারুণ্য নিয়ে অজানাকে জানার জন্য এবং দেশ ও জনগণের মুক্তি ও কল্যাণের সংগ্রামে, সামনে এগিয়ে যায়। কোনো অপশক্তিই তাদের এ চলার গতিকে রুদ্ধ করতে পারে না।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের রুবেলের মধ্যে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার নেতিবাচক দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে।
অনুভূতির তীব্রতা ও সুগভীর সংবেদনশীলতা আঠারো বছর বয়সেই মানুষের জীবনে বিশেষ তীব্র হয়ে দেখা দেয় এবং মনোজগতেও তার গভীর প্রতিক্রিয়া হয়। মানুষ ভালোমন্দ, ইতিবাচক-নেতিবাচক নানা তত্ত্ব, মতবাদ ও ভাবধারার সঙ্গে পরিচিত হতে শুরু করে এ বয়সে।.
উদ্দীপকে দেখা যায়, স্কুলজীবন পার হতে না হতেই রুবেল মিশে যায় কিছু অসৎ রন্ধুর সাথে। তার লেখাপড়ার পাট চুকে যায় সেখানেই। অসৎসঙ্গই তার ভবিষ্যতের সোনালি স্বপ্ন নষ্ট করে দেয়। 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যও এ বয়সের নানা ইতিবাচক ও নেতিবাচক দিকের বৈশিষ্ট্য তুলে ধরেছেন। এ বয়সের তরুণদের সঙ্গে ভালোমন্দ, ইতিবাচক-নেতিবাচক নানা মতবাদ ও ভাবধারার পরিচয় ঘটে। তাই এ বয়সটি কবি ভয়ংকর বলে অভিহিত করেছেন। জীবনের এই সন্ধিক্ষণে শারীরিক, মানসিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক নানা জটিলতা অতিক্রম করতে হয়। পদস্খলন ঘটলে জীবনে বিপর্যয় নেমে আসতে পারে, যা আমরা উদ্দীপকের রুবেলের মধ্যেও লক্ষ করি। অর্থাৎ, এ বয়সের নেতিবাচক প্রভাবই উদ্দীপকের রুবেলের মধ্যে ফুটে উঠেছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

উক্ত দিকটি 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় উল্লিখিত তরুণদের নানা বৈশিষ্ট্যের কেবল একটি রূপ প্রকাশ করায় তা কবিতার মূলভাব নয়।
'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় কবি বয়ঃসন্ধিকালের নানা বৈশিষ্ট্য তুলে ধরেছেন। এ বয়সের তরুণদের মাঝে একদিকে যেমন রয়েছে উদ্দীপনা, সাহসিকতা ও নতুন জীবন রচনার শক্তি, তেমনই অন্যদিকে রয়েছে ভুল সিদ্ধান্ত নিয়ে বিপথগামী হওয়ার আশঙ্কা।
উদ্দীপকের রুবেল প্রথমে লেখাপড়ায় বেশ ভালো ছিল। পরবর্তী সময়ে সে অসৎ বন্ধুদের সঙ্গে মিশতে শুরু করে। ফলে তার লেখাপড়ার পাট চুকে যায়। সে মানুষের আতঙ্কের কারণ হয়ে ওঠে। 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় তরুণদের বিপথে যাওয়ার এ দিকটির ইঙ্গিত রয়েছে। বলা হয়েছে এই সময়ে সচেতনভাবে নিজেকে পরিচালনা না করলে পদস্খলন হতে পারে। অন্যদিকে সাধনের কর্মকান্ডে এ বয়সের ইতিবাচক দিকটিই মূর্ত হয়ে উঠেছে। সে মাতৃভাষার মান রক্ষার্থে ভাষা আন্দোলনে অংশ নিয়েছে।
'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় তারুণ্যের অনেক ইতিবাচক বৈশিষ্ট্য উপস্থাপিত হয়েছে। কৈশোর থেকে যৌবনে পদার্পণের বয়সটি উত্তেজনার, প্রবল আবেগের ও জীবনের ঝুঁকি নেওয়ার উপযোগী। যৌবনের উদ্দীপনা, দুর্বার গতি ও নতুন জীবন রচনার স্বপ্ন নিয়ে তরুণরা এগিয়ে যায় প্রগতির পথে। পাশাপাশি জীবনের এই সন্ধিক্ষণে শারীরিক, মানসিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক নানা জটিলতা অতিক্রম করতে হয়। ভুল সিদ্ধান্ত একজন তরুণকে ভুল পথে চালিত করতে পারে, যেমনটি উদ্দীপকের রুবেলের ক্ষেত্রে ঘটেছে। রুবেলের মাঝে প্রকাশিত এ দিকটিতে শুধু তরুণ বয়সের নেতিবাচক রূপটিই বিদ্যমান, কবিতায় প্রকাশিত তারুণ্যের ইতিবাচক বৈশিষ্ট্যগুলো তাতে লক্ষণীয় নয়।। সেদিক বিবেচনায় বলা যায়, উক্ত দিকটি 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার মূলভাব নয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
46

আঠারো বছর বয়স কী দুঃসহ 

স্পর্ধায় নেয় মাথা তোলবার ঝুঁকি, 

আঠারো বছর বয়সেই অহরহ 

বিরাট দুঃসাহসেরা দেয় যে উঁকি ।

[ আঠারো বছর বয়সের নেই ভয় 

পদাঘাতে চায় ভাঙতে পাথর বাধা, 

এ বয়সে কেউ মাথা নোয়াবার নয়- 

আঠারো বছর বয়স জানে না কাঁদা ।

এ বয়স জানে রক্তদানের পুণ্য 

বাষ্পের বেগে স্টিমারের মতো চলে, 

প্রাণ দেওয়া-নেওয়া ঝুলিটা থাকে না শূন্য 

সঁপে আত্মাকে শপথের কোলাহলে ।

(আঠারো বছর বয়স ভয়ংকর) * 

তাজা তাজা প্রাণে অসহ্য যন্ত্রণা, 

এ বয়সে প্রাণ তীব্র আর প্রখর

 এ বয়সে কানে আসে কত মন্ত্রণা ।

আঠারো বছর বয়স যে দুর্বার 

পথে প্রান্তরে ছোটায় বহু তুফান,

 দুর্যোগে হাল ঠিকমতো রাখা ভার

 ক্ষত-বিক্ষত হয় সহস্র প্রাণ । 

আঠারো বছর বয়সে আঘাত আসে 

অবিশ্রান্ত; একে একে হয় জড়ো, 

এ বয়স কালো লক্ষ দীর্ঘশ্বাসে 

এ বয়স কাঁপে বেদনায় থরোথরো 

তবু আঠারোর শুনেছি জয়ধ্বনি, 

এ বয়স বাঁচে দুর্যোগে আর ঝড়ে, 

বিপদের মুখে এ বয়স অগ্রণী 

এ বয়স তবু নতুন কিছু তো করে । 

এ বয়স জেনো ভীরু, কাপুরুষ নয় 

পথ চলতে এ বয়স যায় না থেমে, 

এ বয়সে তাই নেই কোনো সংশয়— 

দেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে ৷৷

Related Question

View All
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews