রূপম যে পরিস্থিতি দেখতে পেল তা হলো ভূমিকম্প।
সাধারণত ভূপাত, শিলাচ্যুতি, তাপের হ্রাস-বৃদ্ধি, ভূগর্ভস্থ বাষ্প, আগ্নেগিরির অগ্ন্যুৎপাত, ভূগর্ভের চাপের হ্রাস-বৃদ্ধি প্রভৃতি নানাবিধ কারণে ভূমিকম্প হতে পারে।
নিচে ভূমিকম্প সৃষ্টির কারণগুলো ব্যাখ্যা করা হলো
১. ভূপাত: হঠাৎ কোনো কারণে পাহাড় বা পর্বত থেকে বিশাল কোনো শিলাখণ্ড যদি ভূত্বকের উপর ধসে পড়ে, তখন ভূমিকম্প হয়
২. শিলাচ্যুতি বা শিলাতে ভাঁজের সৃষ্টি: কোনো কারণে ভপৃষ্ঠের অভ্যন্তরে বড় ধরনের শিলাচ্যুতি বা শিলাতে ভাঁজের সৃষ্টি হলে ভূমিকম্প হয়।
৩. তাপ বিকিরণ: ভূত্বক তাপ বিকিরণ করে সংকুচিত হলে ফাটল ও ভাঁজের সৃষ্টি হয়ে ভূমিকম্প হয়।
৪. ভূগর্ভস্থ বাষ্প: পৃথিবীর অভ্যন্তরে অত্যধিক তাপের কারণে বাম্পের সৃষ্টি হয়। এই বাষ্প ভূত্বকের নিম্নভাগে ধাক্কা দেওয়ার ফলে প্রচণ্ড ভূকম্পন অনুভূত হয়।
৫. ভূগর্ভস্থ চাপের বৃদ্ধি বা হ্রাস: অনেক সময় ভূগর্ভে হঠাৎ চাপের হ্রাস বা বৃদ্ধি হলে তার প্রভাবে ভূমিকম্প হতে পারে।
৬. আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত: অগ্ন্যুৎপাতের সময় জ্বালামুখ দিয়ে প্রবলবেগে বাম্প, লাভা প্রভৃতি বের হতে থাকে। এর ফলে ভূমিকম্প হতে পারে
৭. হিমবাহের প্রভাব: হঠাৎ করে হিমবাহ (Glacier) পর্বতগাত্র থেকে। নিচে পতিত হলে ভূপৃষ্ঠ কেঁপে ওঠে এবং ভূমিকম্প হয়।
৮. পার্বত্য অঞ্চলে বনভূমি ধ্বংস ও পাহাড় কাটা: কোনো কারণে পাহাড় কাটা হলে ভূপৃষ্ঠের উপরের চাপ হ্রাস পায়। ফলে ভূত্বকের ভারসাম্য নষ্ট হয়ে ভূমিকম্প হতে পারে।
Related Question
View Allনদীভাঙন এক ধরনের মারাত্মক প্রাকৃতিক দুর্যোগ।
দুর্যোগ ও বিপর্যয় পরস্পর সম্পর্কযুক্ত হলেও বিষয় দুটি এক নয়।
তাদের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। যেমন: দুর্যোগ হচ্ছে এমন ঘটনা যা সমাজের বাস্তবিক কাজকর্মে প্রচণ্ডভাবে বিঘ্ন ঘটায় এবং জীবন সম্পদ ও পরিবেশের ব্যাপক ক্ষতি সাধন করে। অপরদিকে বিপর্যয় হচ্ছে এমন একটি আকস্মিক ও চরম প্রাকৃতিক বা মানবসৃষ্ট ঘটনা যা জীবন, সম্পদ ইত্যাদির উপর আঘাত করে দুর্যোগের সৃষ্টি করে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!