মৃত বা জবাই করা মেষ থেকে যে পশম তৈরি করা হয় তাকে পুল উল বলে।
সুতা কাটার দ্বিতীয় ধাপ হলো কার্ডিং এবং কম্বিং। তুলা, লিনেন পশম এসব তত্ত্বর বেলায় এই ধাপটি প্রয়োগ করা হয়। তত্ত্বর বৈশিষ্ট্য ও দৈর্ঘ্য অনুযায়ী কার্ডিং এবং কম্বিং-এর কাজে ব্যবহৃত যন্ত্র ঠিক করা হয়। এই প্রক্রিয়ায় ব্যবহার অনুপযোগী অতি ছোট তত্ত্ব বাদ দেওয়া হয় এবং ধুলাবালি বা ময়লার কণা থাকলে তাও দূরীভূত হয়।
রেজা সাহেবের প্রথম কারখানায় উৎপাদিত যৌগটি হলো পলিথিন। নিচে ইথিলিন থেকে পলিথিন উৎপাদন প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করা হলো- ইথিলিন গ্যাসকে ১০০০-১২০০ বায়ুমণ্ডলীয় চাপে ২০০°C তাপমাত্রায় উত্তপ্ত করলে পলিথিন পাওয়া যায়। তবে এক্ষেত্রে পলিমারকরণ দ্রুত করার জন্য প্রভাবক হিসেবে অক্সিজেন গ্যাস ব্যবহার করা হয়।

উদ্দীপকে রেজা সাহেবের দ্বিতীয় কারখানায় কটন সুতা ও পলিস্টার থেকে কাপড় তৈরি করা হয় যাদের মধ্যে যথেষ্ট পার্থক্য রয়েছে। তুলার, আঁশ থেকে কটন বা সুতি সুতা তৈরি হয়। সুতি সুতার তল মসৃণ হওয়ায় বাইরের বাতাস এ কাপড়ের মধ্যে সহজেই প্রবেশ করতে পারে বলে আরাম অনুভূত হয়। তাছাড়া সুতি কাপড়ের তাপ পরিবহন ও পরিচলন ক্ষমতা বেশি। তাই গরমকালে কটন সুতার কাপড় ব্যবহার করা বেশি আরামদায়ক।
পলিস্টার কাপড়ের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এটি তাপ ও বিদ্যুৎ অপরিবাহী।
তাপ পরিবহন না করার কারণে এ কাপড়ের ভেতরের অংশের তাপ বাইরে আসতে পারে না এবং বাইরের অংশের তাপ ভিতরে যেতে পারে না। ফলে শীতকালে শরীর হতে নির্গত তাপ বাইরে যেতে পারে না এবং বাইরের ঠান্ডা আবহাওয়া শরীরের ওপর কোনো প্রভাব ফেলতে পারে না। তাই শীতকালে ঠান্ডা লাগে না বরং উষ্ণ ও আরামদায়ক অবস্থার সৃষ্টি হয়। পলিস্টার কাপড়ের মধ্য দিয়ে বাতাস চলাচল করতে না পারায় গরমকালে অস্বস্তিকর অবস্থার সৃষ্টি হয় এবং চর্মরোগে আক্রান্ত হওয়ার সুযোগ থাকে।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!