রেদোয়ানের অনুসন্ধানকৃত মহাসাগর ভারত মহাসাগর।
ভারত মহাসাগরের তলদেশের ভূমিরূপ: এ মহাসাগরের আয়তন প্রায় ৭
কোটি ৩৬ লক্ষ বর্গ কিলোমিটার। গড় গভীরতা প্রায় ৩,৯৬২ মিটার। এর তিনদিক স্থলভাগ দ্বারা বেষ্টিত।
উন্নত অংশসমূহ: এ মহাসাগরের তলদেশে কিছু মগ্ন শৈলশিরা রয়েছে। এগুলো গভীর সমুদ্রাঞ্চলকে কয়েকটি অংশে বিভক্ত করেছে। এর মধ্যে দীর্ঘতম অংশটি অ্যান্টার্কটিকা পর্যন্ত বিস্তৃত।
গভীর খাত: এই মহাসাগরে সুন্ডা খাত নামে জাভা দ্বীপের দক্ষিণে একটি গভীর খাত রয়েছে যার গভীরতা ৭,৩১৫ মিটার। মধ্য বঙ্গোপসাগরের পটুয়াখালী জেলার দক্ষিণে 'সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড' নামে আরেকটি গভীর খাত রয়েছে।
ভারত মহাসাগরীয় দ্বীপপুঞ্জ: এ মহাসাগরের বৃহত্তম দ্বীপ হচ্ছে শ্রীলঙ্কা
ও মাদাগাস্কার। অন্যান্য দ্বীপের মধ্যে রয়েছে বঙ্গোপসাগরের আন্দামান নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ। এই মহাসাগরের দক্ষিণে শৈলশিরার উপরে কতগুলো ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দ্বীপ অবস্থান করছে। যেমন- কারগোয়েরের দ্বীপ। মাদাগাস্কারের পূর্বে মরিশাস ও রিইউনিয়ন নামক দুটি আগ্নেয় দ্বীপের সৃষ্টি হয়েছে।
প্রান্তদেশীয় সাগরসমূহ: এ মহাসাগরের ভারতীয় উপদ্বীপের পশ্চিম দিকে
আরব সাগর ও পূর্বদিকে বঙ্গোপসাগর অবস্থিত। আফ্রিকা মহাদেশ ও মাদাগাস্কার দ্বীপের মধ্যবর্তী অংশের নাম মোজাম্বিক সাগর। পারস্য উপসাগরে ওমান উপদ্বীপ দিয়ে ভারত মহাসাগর হতে বিচ্ছিন্ন।
Related Question
View Allপৃথিবীর গভীরতম (১০,৮৭০ মিটার) খাতের নাম ম্যারিয়ানা খাত (Mariana trench) যা প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত।
সমুদ্রের উপকূলরেখা থেকে তলদেশ পর্যন্ত ক্রমনিম্ন নিমজ্জিত অংশকে মহীসোপান (Continental shelf) বলে।
পৃথিবীর নদীবন্দরগুলোর অধিকাংশই মহীসোপান অঞ্চলে গড়ে ওঠেছে। ফলে এসব অঞ্চলে নৌচলাচল ও ব্যবসা বাণিজ্যের প্রসার ঘটেছে। মহীসোপানের তলদেশে খনিজ সম্পদের ভান্ডার থাকায় এর যথেষ্ট গুরুত্ব রয়েছে।
চিত্রের 'A' চিহ্নিত স্থানের পানির প্রবাহ বা স্রোতটি হলো ল্যাব্রাডর স্রোত। এটি একটি শীতল স্রোত।
উত্তর মহাসাগর হতে আগত দুইটি সুমেরু শীতল স্রোত গ্রীনল্যান্ডের পূর্ব ও পশ্চিম পার্শ্ব দিয়ে দক্ষিণ দিকে' প্রবাহিত হয়ে ল্যাব্রাডর উপদ্বীপের নিকট মিলিত হয়। এই মিলিত স্রোত শীতল ল্যাব্রাডর স্রোত নামে পরিচিত। এই স্রোতটি উত্তর আমেরিকার স্থলভাগের উপর ব্যাপক প্রভাব ফেলে। এই স্রোতের জন্য উত্তর আমেরিকার ল্যাব্রাডর উপদ্বীপের বন্দরগুলো বছরের প্রায় নয় মাস বরফে আচ্ছাদিত থাকে। এর উপর দিয়ে প্রবাহিত বায়ু শুষ্ক ও শীতল হওয়ায় নিকটবর্তী স্থলভাগে বৃষ্টিপাত না হয়ে ব্যাপক তুষারপাত ঘটে। ফলে এ অঞ্চলে কৃষি, শিল্প ও ব্যবসা-বাণিজ্য প্রসার না হওয়ায় মানুষের অর্থনৈতিক ক্রিয়াকলাপে মারাত্মক বিঘ্ন ঘটে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!