রোকাইয়ার গ্রামের সমস্যা প্রতিরোধে সমাজবিজ্ঞানের জ্ঞান বিশেষ ভূমিকা রাখতে পারবে। - মূল্যায়ন করো। (উচ্চতর দক্ষতা)

Updated: 10 months ago
উত্তরঃ

রোকাইয়ার গ্রামে বিদ্যমান সমস্যা তথা বাল্যবিবাহ ও নিরক্ষরতা প্রতিরোধে সমাজবিজ্ঞানের জ্ঞান বিশেষ ভূমিকা রাখতে পারে। সমাজবিজ্ঞানের অধ্যয়নের মাধ্যমে সমাজের ত্রুটি-বিচ্যুতি তথা সামাজিক সমস্যাবলি চিহ্নিত করা যায়। আমরা জানি, বাংলাদেশে জনসংখ্যাস্ফীতি, দারিদ্র্য, নিরক্ষরতা ও বাল্যবিবাহসহ নানাবিধ সামাজিক সমস্যা রয়েছে। এসব সামাজিক সমস্যার ধরন, কারণ ও ফলাফল চিহ্নিত করে সমাধান করতে হলে সমাজবিজ্ঞানের জ্ঞান বিশেষ প্রয়োজন। অর্থাৎ- এসব সমস্যা সমাধানে যে নীতিমালা গ্রহণ করতে হবে তার জন্য সমাজবিজ্ঞান সম্পর্কে ধারণা থাকা আবশ্যক। কেননা সমাজবিজ্ঞান বস্তুনিষ্ঠভাবে সামাজিক সমস্যার প্রকৃতি ও ফলাফল বের করার পাশাপাশি তার আলোকে সমাধান করতে চেষ্টা করে। বিদ্যমান সমস্যার জন্য কোন ধরনের পদক্ষেপ কার্যকর হতে পারে তা সমাজবিজ্ঞান পাঠের মাধ্যমেই নিখুঁতভাবে জানা যায়।

আলোচ্য উদ্দীপকে দুটি সমস্যা (বাল্যবিবাহ ও নিরক্ষরতা) আলোচনা করা হয়েছে। এ দুটি সমস্যা সমাধান বা প্রতিরোধ করতে হলে সমাজবিজ্ঞানের জ্ঞান আবশ্যক। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, বাল্যবিবাহ ও নিরক্ষরতা প্রতিরোধ করতে হলে প্রথমেই সমস্যা দুটির প্রকৃতি ও কারণ বের করতে হবে। কেননা প্রকৃতি ও কারণ বের করা গেলেই সমাধানের পথ খুঁজে পাওয়া যাবে। আর আমরা জানি, তাত্ত্বিক বিজ্ঞান হিসেবে সমাজবিজ্ঞানের অন্যতম কাজ হচ্ছে বিদ্যমান সমস্যার প্রকৃতি ও কারণ খুঁজে বের করা। সুতরাং সমাজবিজ্ঞানের একজন মনোযোগী পাঠক তার অর্জিত জ্ঞান ব্যবহার করে সহজেই সামাজিক সমস্যা সমাধানের পথে এগিয়ে যেতে পারবে। এছাড়া সমাজবিজ্ঞানের জ্ঞানের সাহায্যে গ্রামের স্বল্প শিক্ষিত ও অশিক্ষিত জনগণকে বিভিন্ন পরামর্শ প্রদান করে বাল্যবিবাহ এবং নিরক্ষরতার বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা যায়, যা এ দুটি সমস্যা নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

উপরের আলোচনা শেষে তাই বলা যায়, উদ্দীপকের গ্রামে বিদ্যমান সামাজিক সমস্যা প্রতিরোধে সমাজবিজ্ঞানের জ্ঞান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
200

Related Question

View All
উত্তরঃ

সমাজবিজ্ঞান পাঠের মাধ্যমে সমাজের মানুষের অবদান ও অধিকার সম্পর্কে জানা যায়। শুধু সামাজিক অধিকারই নয়, সামাজিক দায়িত্ব-কর্তব্য সম্পর্কেও সমাজবিজ্ঞান আমাদের জ্ঞান দান করে। আর সে কারণেই বিভিন্ন সামাজিক সমস্যা যেমন জনসংখ্যা সমস্যা, নিরক্ষরতা, অপরাধ ইত্যাদি মোকাবিলায় সমাজবিজ্ঞানের জ্ঞান অপরিহার্য। বস্তুত সামাজিক সমস্যা চিহ্নিত করা ও সমাধানের দিক নির্দেশনা দেওয়া আমাদের সামাজিক কর্তব্যের মধ্যে পড়ে। এসব কর্তব্য পালনের জন্য অর্থাৎ সমাজ সংস্কারের জন্য সমাজবিজ্ঞানের জ্ঞান একান্ত প্রয়োজন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
1.3k
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বাংলাদেশের সমাজবিজ্ঞানের বিকাশধারার পরিচয় ফুটে উঠেছে। কেননা ১৯১৭ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাজবিজ্ঞান পাঠ শুরুর মাধ্যমে বাংলাদেশে সমাজবিজ্ঞান শিক্ষা ও গবেষণা শুরু হয়। ১৯৫৭-৫৮ শিক্ষাবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সর্বপ্রথম সমাজবিজ্ঞান নামে একটি নতুন বিভাগ প্রতিষ্ঠিত হয় এবং উক্ত বিভাগ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে সমাজবিজ্ঞান চর্চা শুরু হয়। এছাড়া বাংলাদেশের সমাজবিজ্ঞানের জনক এ কে নাজমুল করিম ১৯৫৮ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাজবিজ্ঞান বিভাগের দায়িত্ব গ্রহণ করেন যা উদ্দীপকে বর্ণিত 'ক' দেশের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। 

 

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
321
উত্তরঃ

উত্ত দেশের অর্থাৎ বাংলাদেশের সমাজবিজ্ঞানের বিকাশধারা একটিমাত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রয়েছে- বক্তব্যটি আমি সমর্থন করি না। এর সপক্ষের যুক্তিগুলো নিচে তুলে ধরা হলো-

মূলত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাজবিজ্ঞান বিভাগ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাংলাদেশে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে সমাজবিজ্ঞানের পঠন-পাঠন শুরু হলেও পরবর্তীতে অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়েও এটি ছড়িয়ে পড়ে। ১৯৬৪ সালের ২৪ আগস্ট রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের মাধ্যমে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাজবিজ্ঞানের পঠন-পাঠন শুরু হয়। ১৯৭০ সালে এখানে সম্মান কোর্স চালু হয়। এরপর চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৯৭০ সালে সমাজতত্ত্ব নামক আলাদা একটি বিভাগের আত্মপ্রকাশ ঘটে। পরবর্তীতে ১৯৯২ সালে সিলেটে অবস্থিত শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাজবিজ্ঞান বিভাগ চালু হয়। এর পরবর্তী দশকে ২০০২ সালে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাজবিজ্ঞান ডিসিপ্লিনের কার্যক্রম শুরু হয়। এছাড়া ২০১২ সাল থেকে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাজবিজ্ঞান বিভাগ চালু হয়েছে। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কিছু কলেজে স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর স্তরে সমাজবিজ্ঞান পড়ানো হচ্ছে।

সুতরাং বলা যায়, বাংলাদেশের সমাজবিজ্ঞানের বিকাশধারা কেবল একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এ বিষয়ে দেশের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোরও অবদান রয়েছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
719
উত্তরঃ

পঠন পরিসর ও উদ্দেশ্যের কারণে সমাজবিজ্ঞানকে মানবতাবাদী প্রায়োগিক বিজ্ঞান বলা হয়। 

সামাজিক প্রয়োজন ও মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার আলোকেই সমাজবিজ্ঞানের বিকাশধারা প্রবাহিত হয়। উদাহরণস্বরূপ পরিবারের কথা বলা যায়, পরিবার বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে। যেমন- একক পরিবার, যৌথ পরিবার, পিতৃতান্ত্রিক পরিবার, মাতৃতান্ত্রিক পরিবার ইত্যাদি। সমাজবিজ্ঞান সবধরনের পরিবারকেই স্বীকৃতি দেয়। আর এ কারণেই সমাজবিজ্ঞান মানবতাবাদী প্রায়োগিক বিজ্ঞান হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
1.2k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews