লাবনী খুব চঞ্চল প্রকৃতির। তার নতুন সুতির পোশাকে তরকারির ঝোলের দাগ লাগলো। এছাড়াও সে প্রায়ই খেলতে গিয়ে পোশাক ছিঁড়ে ফেলে। লাবনীর মা বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় পোশাকগুলো পরিধানের উপযোগী করে তোলেন।

Updated: 2 months ago
উত্তরঃ

উদ্ভিজ্জ উৎস থেকে পোশাকে যেসব দাগ লাগে তাই উদ্ভিজ্জ দাগ l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

পোশাকের দাগ বলতে বোঝায় কোনো অবাঞ্ছিত চিহ্নকে, যা সাধারণভাবে ধুয়ে পরিষ্কার করা যায় না।
কোনো দাগ অপসারণ করার আগে দাগের উৎস সম্পর্কে জানতে হবে।
দাগটি কোন ধরনের তা না জানা থাকলে ভুল অপসারক দ্রব্য ব্যবহার করার সম্ভাবনা থাকে। দাগ অপসারণে তত্ত্ব সম্পর্কেও ধারণা থাকা প্রয়োজন। কারণ বিভিন্ন তত্ত্বর উপর অপসারকগুলো ভিন্ন ভিন্ন প্রতিক্রিয়া করে। যেমন- কোনো কোনো অপসারক পশমি ও রেশমি কাপড় নষ্ট করে, কিন্তু সুতি ও লিনেন কাপড়ের কোনো ক্ষতি করে না। তাই একেক ধরনের বস্ত্রে একেক ধরনের দাগ অপসারক দ্রব্য ব্যবহার করতে হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

বিভিন্ন কাপড়ে ভিন্ন ভিন্ন পদ্ধতিতে দাগ অপসারণ করা হয়।
তত্ত্বর প্রকৃতি, রং, নকশা, দাগের উৎস ও স্থায়িত্ব ইত্যাদির ওপর নির্ভর করে পোশাকের দাগ দূর করার ক্ষেত্রে বিভিন্ন পদ্ধতি অবলম্বন করা হয়। লাবনীর সুতি পোশাকে তরকারির ঝোলের দাগ লাগে। অর্থাৎ তার পোশাকে তেল ও হলুদের দাগ লেগে যায়। এক্ষেত্রে তেলের দাগ অপসারণে তা লাগার পরপরই ট্যালকম পাউডার বা চকের গাঁড়া দিয়ে ঘষলে দাগ মুছে যাবে এছাড়া সতি কাপড়ে তেলের দাগ লাগলে সাবান ও গরম পানি দিয়ে ধুলে তা উঠে যায়। আবার সতি কাপড়ে হলুদের দাগ লাগলে তা সাবান ও গরম পানি দিয়ে ধুয়ে পরিষ্কার করে ঘাসের ওপর ক্লোরোফিলের প্রতিক্রিয়ায় প্রাকৃতিক উপায়ে ব্রিচ হয় বলে দাগ উঠে যায় ফেলে সূর্যের কিরণে শুকালে দাগ উঠে যাবে। সূর্যের কিরণ এবং ঘাসের উপরিউক্ত পদ্ধতিতে লাবনীর সতি পোশাকের তরকারির ঝোলের দাগ অপসারণ করা যাবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

ছেঁড়া পোশাক পরিধান উপযোগী করতে লাবনীর মা রিফু ও অ্যাপ্লিক করেন।
অনেক সময় পোশাক ব্যবহার করার ফলে মাঝে মাঝে সংস্কার করার প্রয়োজন হয়। কাপড়ের কোথাও সুতা খুলে গেলে, ছিঁড়ে গেলে বা বোতাম খুলে গেলে সংস্কার করার প্রয়োজন হয়। সংস্কার করার ফলে কাপড়টি আবার কিছুদিন ব্যবহারের উপযোগী হয়
লাবনী খুব চঞ্চল প্রকৃতির। প্রায়ই সে খেলতে গিয়ে পোশাক ছিডে কেলে। লাবনীর মা রিফু ও অ্যাপ্লিক প্রক্রিয়ায় ছেঁড়া পোশাক আবার পরিধানের উপযোগী করে তোলেন। পোশাকের কোনো স্থানে ছিঁড়লে, ছিদ্র হলে বা ফেঁসে গেলে সেসব স্থান সুতা দিয়ে ভরাট করাকে রিফু বলে। এক্ষেত্রে লাবনীর মা কাপড়ের রং ও জমিনের সাথে মিল রেখে সুতা নির্বাচন করেন। তিনি রিকু করার জন্য চিকন সুতা ব্যবহার করেন। রিফু করার সময় তিনি ফ্রেমের মধ্যে ছেঁড়া অংশ টান টান করে আটকে নেন। তিনি তিন ধরনের রিফু করে পোশাক সংস্কার করেন। এগুলো হলো- সাধারণ, বুনন ও গোল ভরাট রিফু। এছাড়া তিনি অ্যাপ্লিক করেও পোশাক পুনরায় ব্যবহার উপযোগী করেন। অ্যাপ্লিক নকশা তালির মতো। এতে পোশাকের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়। লাবনীর মা ভিন্ন রঙের কাপড়ে নকশা এঁকে সেটিকে কেটে ছেঁড়া জায়গার উপর প্রথমে টাক দিয়ে আটকিয়ে পরে বোতাম ফোঁড় দিয়ে সেলাই করেন। তিনি উল্টা দিকের ছেঁড়া কাপড় সাধারণ তালির মতো সেলাই করেন। এতে সুতা বের হয় না।
উল্লিখিত পদ্ধতিতে লাবনীর মা ছেঁড়া পোশাক পরিধান উপযোগী করেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
18

Related Question

View All
উত্তরঃ

পোশাক ছিঁড়ে গেলে, ছিদ্র হলে বা ফেঁসে গেলে সেসব স্থান সূতা দিয়ে ভরাট করাকে রিফু বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
22
উত্তরঃ

কাপড় সংস্করণের একটি পদ্ধতি হলো তালি নকশা। একে অ্যাপ্লিকও বলা যায়।
ভিন্ন রঙের কাপড়ে নকশা এঁকে সেটি কেটে ছেঁড়া জায়গার উপর প্রথমে টাক সেলাই দিয়ে পরবর্তীতে বোতাম ফোঁড় দিয়ে আটকাতে হবে। এই নকশার মতো আরও নকশা পুরো পোশাকে লাগিয়ে দিলে তালি দেওয়ার ব্যাপারটি বোঝা যাবে না। এতে পোশাকের সৌন্দর্য বেড়ে যাবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
22
উত্তরঃ

ছক 'খ' এর দ্রব্যগুলো উদ্ভিজ্জ দাগ অপসারণ করে।
পোশাক ও গৃহস্থালিতে ব্যবহৃত কাপড়ে বিভিন্ন ধরনের দাগ লাগে। দাগ হলো কোনো অবাঞ্ছিত চিহ্ন, যা সাধারণভাবে ধুয়ে পরিষ্কার করা যায় না। উৎস অনুসারে বিভিন্ন প্রকার দাগকে পাঁচ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা: ১. প্রাণিজ; ২. উদ্ভিজ্জ; ৩. খনিজ; ৪. চর্বিজাতীয়; এবং ৫. রঙের দাগ। ছক 'খ' তে আছে বেনজিন, হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড ও গ্লিসারিন। এগুলো উদ্ভিজ্জ দাগ অপসারণে ব্যবহৃত হয়। চা, কফি, ফলের রস, মদ প্রভৃতির দাগ হলো উদ্ভিজ্জ দাগ। এ ধরনের দাগ দূর করতে গরম পানি, বোরাক্স দ্রবণ, গ্লিসারিন, হাইড্রোজেন পার অক্সাইড, বেনজিন প্রভৃতি ব্যবহৃত হয়। পোশাকের দাগ অপসারণের জন্য সতর্কতার সাথে অপসারক দ্রব্য ব্যবহার করতে হবে। কারণ বিভিন্ন প্রকৃতির তন্তুর ওপর অপসারকগুলো ভিন্ন ভিন্ন প্রতিক্রিয়া করে। কোনো কোনো অপসারক পশমি ও রেশমি কাপড় নষ্ট করে কিন্তু সুতি ও লিনেন কাপড়ের কোনো ক্ষতি করে না। সুতি কাপড়ে চা ও কফির দাগ লাগলে পানি, গ্লিসারিন, অ্যালকোহলের মিশ্রণ, কার্বন টেট্রাক্লোরাইড, বোরাক্স ব্যবহার করে দাগ তোলা যায়।
সুতি কাপড়ে রঙের দাগ লাগলে তা উঠাতে লবণ-পানি, অ্যামোনিয়ার দ্রবণ, হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড ও বোরাক্স ব্যবহৃত হয়। এছাড়া তেল ও চর্বির দাগ লাগলে গরম পানি, সাবান, বেনজিন, চকের গুঁড়া, কার্বন টেট্রাক্লোরাইড ব্যবহার করে দাগ তোলা হয়।
সুতরাং বলা যায়, ছকের বেনজিন, গ্লিসারিন ও হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড সুতি কাপড়ের বিভিন্ন ধরনের দাগ অপসারণে বেশি উপযোগী।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
22
উত্তরঃ

দাগ অপসারণের সময় কাপড়ের প্রকৃতি ও ব্যবহার বিবেচনা করা উচিত। হক 'ক' তে আছে অ্যালকোহল, কেরোসিন, তারপিন।

ছক 'খ' তে আছে বেনজিন, গ্লিসারিন, হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড। ছক 'ক' ও 'খ' এর অপসারকগুলো রেশম কাপড়ের সব ধরনের দাগ দূর করতে ব্যবহার করা যায়। রেশম কাপড়ে চা ও কফির দাগ লাগলে পানি, গ্লিসারিন, অ্যালকোহল মিশ্রণ, বোরাক্স পাউডার, হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড, কার্বনটেট্রাক্লোরাইড প্রভৃতি দিয়ে তোলা যায়। রেশম কাপড়ে তেল বা চর্বিজাতীয় দাগ লাগলে বেনজিন, পেট্রোল পাউডার, চকের গুঁড়া ইত্যাদি ব্যবহৃত হয়। রেশম কাপড়ে রক্তের দাগ লাগলে বোরাক্স পাউডার, হাইড্রোজেন ডিটারজেন্ট, হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড ব্যবহার করে দাগ উঠানো যায়। এ ধরনের কাপড়ে হলুদের দাগ লাগলে দাগযুক্ত স্থানে কয়েক ফোঁটা হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড দিয়ে কিছুক্ষণ রেখে ভালোভাবে ধুয়ে শুকাতে হবে। রেশম কাপড়ে রঙের দাগ লাগলে অ্যালকোহলের দ্রবণ, হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড, নিউট্রাল ডিটারজেন্ট, বোরাক্স পাউডার ব্যবহার করতে হয়। এতে যদি দাগ না ওঠে তবে একটি তুলার প্যাডে হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড ঐ দাগের উপর বৃত্তাকারে স্পঞ্জ করে পরিষ্কার করতে হবে। তীব্র অপসারক রেশম কাপড়ের ক্ষতি করে। কিন্তু অ্যালকোহল, কেরোসিন, তারপিন, বেনজিন, হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড, গ্লিসারিন এগুলো কোনোটিই তীব্র অপসারক দ্রব্য নয়। তাই এগুলো রেশম কাপড়ে ব্যবহার করা যায়। এর ফলে এই কাপড়ের কোনো ক্ষতি হয় না।
পরিশেষে বলা যায়, রেশম কাপড়ের সব ধরনের দাগ অপসারণে ছক 'ক' ও 'খ' এর দ্রব্যগুলো সমভাবে কার্যকরী।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
26
উত্তরঃ

কাপড় সংস্করনের একটি পদ্ধতি অ্যাপ্লিক যা অনেকটা নকশা তালিকার মতো

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
23
উত্তরঃ

পোশাক ছিঁড়ে গেলে, ছিদ্র হলে বা ফেঁসে গেলে সেসব স্থান সুতা দিয়ে ভরাট করাকে রিফু বলে।
ছেঁড়া কাপড় সময়মতো মেরামত না করলে ছেঁড়া অংশটি ধীরে ধীরে আরও বড় হয়ে ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়ে। তখন ছেঁড়া কাপড় রিফু করলে তা পুনরায় ব্যবহারযোগ্য হয়। কাপড়ের রং ও জমিনের সাথে মিল রেখে রিফুর সুতা নির্বাচন করতে হবে। রিফু করার জন্য চিকন, লম্বা সুঁচ ব্যবহার করতে হবে। একটি ফ্রেমের মধ্যে ছেঁড়া অংশ টান টান করে আটকে রিফু করতে হবে। এভাবেই রিফুর মাধ্যমে পোশাককে ব্যবহারযোগ্য করা যাবে

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
25
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews