"লেখা নেই রক্তে ধর্ম জাতি 

গোত্র বর্ণ ভেদ; 

তবু কেন এত চলে হানাহানি 

মানবতা বিচ্ছেদ? 

উদার আকাশ, আলো ও প্রকৃতি 

ফুসফুস জুড়ে বায়ু-

মানব ধর্ম দান করে সবে 

শাশ্বত পরমায়ু।"

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

দোসর খোঁজার মাধ্যমে আমরা বাসর বাঁধি।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

'বাহিরের ছোগ আঁচড়ে যে লোপ।'- লাইনটি দ্বারা আমাদের রক্তের রংকে নির্দেশ করা হয়েছে।

আমাদের পৃথিবীতে বর্ণবৈষম্য বিরাজ করছে। কালো আর সাদা জাত নিয়ে পৃথিবীব্যাপী বিবাদ চলছে। কিন্তু কালো হোক আর সাদা হোক, শরীরে আঁচড় লাগলে একই রঙের দেখা পাওয়া যায়। লাইনটি আমাদেরকে সাম্যের শিক্ষা দেয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকটি 'মানুষ জাতি' কবিতার সাথে মানবতার বাণীর সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।

দেশে দেশে ধর্ম-বর্ণের পার্থক্য সৃষ্টি করে মানুষে মানুষে যে ভেদাভেদ সৃষ্টি করা হয়েছে, তা কৃত্রিম। পৃথিবীজুড়ে ধর্ম-বর্ণ-গোত্র, পরিচয়ের ঊর্ধ্বে যে সমগ্র মানবসমাজ, সেটিই মানুষের প্রকৃত পরিচয়।

উদ্দীপকের কবিতাংশে মানবতার সত্য বাণীকে কাব্যরূপ দেওয়া হচ্ছে। এখানে পৃথিবীর সব মানুষকে অভিন্ন এক জাতি মনে করার ক্ষেত্রে ধর্ম-বর্ণ ও জাতিভেদের অবসান প্রত্যাশা করা হয়েছে। কারণ পৃথিবীজুড়ে যত জাতের, যত বর্ণের, যত ধর্মের যত মানুষ আছে তাদের শরীরে প্রবাহিত রক্তের রং একই রকম লাল। মানুষের বাহ্যিক গড়ন, শরীরের বাইরের আবরণ দিয়ে ধর্ম-জাত দিয়ে বিচার করলে মানুষের প্রকৃত পরিচয় আড়ালে থেকে যায়। তখন মানবতা লঙ্ঘিত হয়। পৃথিবীর সমস্ত মানুষের একটাই পরিচয়- সে মানুষ। পৃথিবীতে কালো-সাদার যে দ্বন্দ্ব-সংঘাত, হানাহানি তা মানবতার লঙ্ঘন। মানবধর্মের প্রতি মানুষের সচেতন মনোভাবই পারে জগতের সমস্ত হানাহানি দূর করে শান্তির সূচনা করতে। উদ্দীপকের এ ভাবধারার পূর্ণ প্রতিফলন ঘটেছে 'মানুষ জাতি' কবিতায়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

'কালো আর ধলো বাহিরে কেবল; ভিতর সবারই সমান রাঙা।'- চরণটি উদ্দীপক ও কবিতার আলোকে ব্যাখ্যা করা হলো।

সারা পৃথিবীতে জাতি, ধর্ম, বর্ণ, গোত্র পরিচয়ের ঊর্ধ্বে সমগ্র মানব সমাজ। মানুষের সাত্যিকার পরিচয়- সে মানুষ। জাতি-ধর্ম-বর্ণ দিয়ে মানুষকে আলাদা করা হয়েছে। এ পৃথিবী জাতি-ধর্ম-বর্ণ-নির্বিশেষে সব মানুষেরই আবাসভূমি।

উদ্দীপকে সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব হিসেবে মানুষের প্রকৃত পরিচয়টি তুলে ধরা হয়েছে। সেখানে মানুষের ভিতরের দিক থেকে সব মানুষের ঐক্যের দিকটি নির্দেশ করা হয়েছে। তাদের শরীরে প্রবাহিত একই রকম লাল রক্ত। ফুসফুসে বাতাস গ্রহণের প্রক্রিয়া, একই আকাশ, জগতের একই নিয়ম-প্রকৃতির মধ্যে তাদের জীবন-সুখ-দুঃখ, আনন্দ-বেদনা অনুভব ইত্যাদি তুলে ধরা হয়েছে। এসব বিষয় 'মানুষ জাতি' কবিতায় প্রতিফলিত বিষয় অনুষঙ্গের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।

'মানুষ জাতি' কবিতায় কবি জাতি, ধর্ম, বর্ণ, গোত্র নির্বিশেষে সব মানুষকে অভিন্ন এক জাতি হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। কবি বিষয়টি বোঝাতে গিয়ে মানুষের শরীরে প্রবাহিত একই রকম লাল রক্তের কথা বলেছেন। এ বিষয়টি উদ্দীপকের কবিতাংশেও প্রতিফলিত হয়েছে। 'মানুষ জাতি' কবিতায় কবি যে মানবধর্মের কথা বলেছেন তা উদ্দীপকেও উপস্থাপিত হয়েছে। এভাবে আলোচ্য উদ্দীপকের কবিতাংশে মানবধর্মের শাশ্বত দিকটি তুলে ধরা হয়েছে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
105

মানুষ জাতি
সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত

জগৎ জুড়িয়া এক জাতি আছে
সে জাতির নাম মানুষ জাতি;
এক পৃথিবীর স্তন্যে লালিত
একই রবি শশী মোদের সাথি।
শীতাতপ ক্ষুধা তৃষ্ণার জ্বালা
সবাই আমরা সমান বুঝি,
কচি কাঁচাগুলি ভাঁটো করে তুলি
বাঁচিবার তরে সমান যুঝি।
দোসর খুঁজি ও বাসর বাঁধি গো,
জলে ডুবি, বাঁচি পাইলে ডাঙা,
কালো আর ধলো বাহিরে কেবল
ভিতরে সবারই সমান রাঙা।
বাহিরের ছোপ আঁচড়ে সে লোপ
ভিতরের রং পলকে ফোটে,
বামুন, শূদ্র, বৃহৎ, ক্ষুদ্র
কৃত্রিম ভেদ ধূলায় লোটে।
বংশে বংশে নাহিকো তফাত
বনেদি কে আর গর-বনেদি,
দুনিয়ার সাথে গাঁথা বুনিয়াদ
দুনিয়া সবারি জনম-বেদি।

Related Question

View All
উত্তরঃ

'মানুষ জাতি' কবিতাটি 'অভ্র আবীর' কাব্যগ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
207
উত্তরঃ

'দুনিয়া সবারি জনম-বেদি'- এ কথা দ্বারা বোঝানো হয়েছে-এ পৃথিবী সব মানুষেরই জন্মক্ষেত্র।

আমাদের এই পৃথিবী জাতি-ধর্ম-বর্ণ-গোত্র নির্বিশেষে সব মানুষেরই বাসভূমি। একই মায়ের দুধ পান করে যেমন সন্তান বড় হয়ে ওঠে, তেমনি পৃথিবীর সব মানুষ একই পৃথিবীর খাদ্য ও পানীয় গ্রহণ করে একই সূর্য ও চাঁদের আলোয় প্রতিপালিত হচ্ছে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
176
উত্তরঃ

সারা পৃথিবীতে জাতি, ধর্ম, বর্ণ, গোত্র পরিচয়ের ঊর্ধ্বে সমগ্র মানবসমাজ- রহিম, শ্যামল ও রোজারিওর বন্ধুত্বে 'মানুষ জাতি' কবিতার এই বক্তব্যটি ফুটে উঠেছে।

মানুষের সত্যিকার পরিচয় সে মানুষ। জাতি-ধর্ম-বর্ণ দিয়ে মানুষকে আলাদা করা হয়েছে। এ পৃথিবী জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব মানুষেরই আবাসভূমি।

উদ্দীপকের রহিম, শ্যামল ও রোজারিও তিন বন্ধু তিন ধর্মের অনুসারী। তারা আনন্দ-উৎসবে, সুখে-দুঃখে একে অন্যকে সাহায্য-সহযোগিতা করে। 'মানুষ জাতি' কবিতায় কবি বলেছেন, জগৎজুড়ে একটি জাতি আছে, সে জাতি হচ্ছে মানুষ জাতি। বাইরে যার রং যেমনই হোক, ভিতরে সবার রক্তের রং লাল। জাতি-ধর্ম-বর্ণের কৃত্রিম ভেদাভেদ ভুলে মানুষকে মানুষ হিসেবে বিচার করা উচিত। 'মানুষ জাতি' কবিতার এই ভাবনা রহিম, শ্যামল ও রোজারিওর বন্ধুত্বের মাঝে ফুটে উঠেছে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
209
উত্তরঃ

"উদ্দীপকের রহিমের বাবার বক্তব্যই যেন 'মানুষ জাতি' কবিতার মূল সুর।"- উক্তিটি যথার্থ।

এ পৃথিবীর একই আলো-ছায়ায় সবাই বেড়ে ওঠে। গরম বা শীতের অনুভূতি, ক্ষুধা, তৃষ্ণা সবাই সমানভাবে অনুভব করে। এ পৃথিবীর কিছু সংকীর্ণ মনের মানুষ তাদের হীনস্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য জাতি-ধর্ম-বর্ণের পার্থক্য করেছে।

উদ্দীপকে রহিম, শ্যামল ও রোজারিও তিন ধর্মের অনুসারী হলেও তারা সুখে-দুঃখে, আনন্দ-উৎসবে একে অন্যের পাশে থাকে। রহিমের বাবা বলেন, তোমাদের মতো সবাই বন্ধুসুলভ হলে এ পৃথিবী আরও সুন্দর বাসস্থান হবে। 'মানুষ জাতি' কবিতায় কবি বলতে চেয়েছেন, সারা পৃথিবীতে মানুষ নামে শুধু একটাই জাতি আছে। কবি এ কবিতায় মানুষের সেই পরিচয়কেই তুলে ধরেছেন।

উদ্দীপকের বন্ধুরা ধর্মের কারণে কাউকে আলাদা করে দেখেনি। সবাই সবার সবকিছু ভাগাভাগি করে নিয়েছে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের রহিমের বাবার মন্তব্যই যেন 'মানুষ জাতি' কবিতার মূল সুর মন্তব্যটি যথার্থ।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
156
উত্তরঃ

শীতাতপ, ক্ষুধা, তৃষ্ণার জ্বালা সবাই সমানভাবে বুঝি।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
140
উত্তরঃ

পৃথিবীতে সব মানুষের বাস। তাই চাঁদ, সূর্য, আলো, বাতাসও সব মানুষ একইভাবে পায়। তাই প্রশ্নোক্ত উক্তিটি করা হয়েছে।

সব মানুষ একই পৃথিবীতে একই চাঁদ-সূর্যের আলো পেয়ে থাকে। তাহলে কেন মানুষে মানুষে এত ভেদাভেদ, বৈষম্য, হানাহানি? সব মানুষ একই সঙ্গে এক পৃথিবীর মাঝে থাকলে অবশ্যই তাদের মধ্যে সৌহার্দ্যবোধ বিদ্যমান থাকা উচিত। মানুষের সঙ্গে মানুষের যেন কোনো পার্থক্য না থাকে সে কারণে কবিতায় এমন কথা বলা হয়েছে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
338
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews