লেনদেন' শব্দটির আভিধানিক অর্থ হলো গ্রহণ ও প্রদান অর্থাৎ দেওয়া ও নেওয়া। কিন্তু ব্যবসায়িক দৃষ্টিকোণ থেকে যেকোনো আদান-প্রদানই লেনদেন বলে গণ্য হবে না। ব্যবসায়িক দৃষ্টিতে লেনদেন বলতে সে সকল আদান-প্রদানকে বোঝায় যেগুলো শুধুমাত্র অর্থ বা অর্থমূল্যের ভিত্তিতে সম্পাদিত হয়। যেমন- রহমান আনিসকে ২,০০০-টাকা প্রদান করল। এ ঘটনার ক্ষেত্রে দুটি দিক দেখা যায়; আনিস ২,০০০ টাকা গ্রহণ করল এবং রহমান ২,০০০ টাকা প্রদান করল। এটি একটি লেনদেন।
মানুষ সুপ্রাচীনকাল থেকেই দৈনন্দিন জীবনে হিসাবব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে আসছে। আদিকালে প্রত্যেকে তার প্রাত্যহিক জীবনের প্রয়োজনগুলো মেটানোর জন্য নিজেদের মধ্যে পণ্য বিনিময় করত। যে ঘটনাগুলো কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের আর্থিক অবস্থার পরিবর্তন করে কেবল ঐ ঘটনাগুলো থেকেই লেনদেনের জন্ম হয়। সুতরাং দেখা যাচ্ছে সকল ঘটনাই লেনদেন হবে না। ব্যবসায়ের প্রকৃত আর্থিক চিত্র পাওয়ার জন্য শুধু অর্থ সম্পর্কিত ঘটনাগুলোই ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের লেনদেন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।

এই অধ্যায় শেষে আমরা-
- লেনদেনের ধারণা ব্যাখ্যা করতে পারব।
- লেনদেনের প্রকৃতি শনাক্ত করতে পারব।
- হিসাব সমীকরণ বিশ্লেষণ করতে পারব ।
- হিসাব সমীকরণে ব্যবসায়িক লেনদেনের প্রভাব ব্যাখ্যা করতে পারব।
- ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের লেনদেনের উৎস দলিলাদি তালিকা তৈরি করে বর্ণনা করতে পারব।
- লেনদেনের সমর্থনে প্রয়োজনীয় দলিলাদি যথাযথভাবে প্রস্তুত করতে পারব।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!