লেনদেন' শব্দটির আভিধানিক অর্থ হলো গ্রহণ ও প্রদান অর্থাৎ দেওয়া ও নেওয়া। কিন্তু ব্যবসায়িক দৃষ্টিকোণ থেকে যেকোনো আদান-প্রদানই লেনদেন বলে গণ্য হবে না। ব্যবসায়িক দৃষ্টিতে লেনদেন বলতে সে সকল আদান-প্রদানকে বোঝায় যেগুলো শুধুমাত্র অর্থ বা অর্থমূল্যের ভিত্তিতে সম্পাদিত হয়। যেমন- রহমান আনিসকে ২,০০০-টাকা প্রদান করল। এ ঘটনার ক্ষেত্রে দুটি দিক দেখা যায়; আনিস ২,০০০ টাকা গ্রহণ করল এবং রহমান ২,০০০ টাকা প্রদান করল। এটি একটি লেনদেন।
সাধারণত কোনো কিছু সংঘটিত হওয়াকে ঘটনা বলা হয়।। মানুষের ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক, রাষ্ট্রীয় ও অর্থনৈতিক জীবনে প্রতিনিয়ত যে সমস্ত কর্মকান্ড সংঘটিত হচ্ছে সেগুলোর প্রতিটিই এক একটি ঘটনা। যেমন- মি. হাসান জনাব মাসুদের কাছ থেকে ২,০০০ টাকা মূল্যের পণ্য সরবরাহের ফরমায়েশ পেলেন। এটি একটি ঘটনা।
লেনদেন ও ঘটনার মধ্যে দুটি পার্থক্য হলো-
| লেনদেন | ঘটনা |
i. সকল লেনদেনের ফলে ব্যবসায়ের আর্থিক অবস্থার পরিবর্তন হয়। ii. প্রত্যেকটি লেনদেন এক একটি ঘষ্টনা। | i. সকল ঘটনার ফলে ব্যবসায়ের আর্থিক অবস্থার পরিবর্তন হয় না। ii. প্রত্যেকটি ঘটনা লেনদেন নয়। |
লেনদেন দুই প্রকার। যথা- (i) বাহ্যিক লেনদেন, (ii) অভ্যন্তরীণ লেনদেন। বাহ্যিক লেনদেনের ফলে দুটি পক্ষ বা প্রতিষ্ঠান প্রভাবিত হয়। যেমন- পণ্য ক্রয়, পণ্য বিক্রয়, বাড়ি ভাড়া প্রদান। আবার কিছু ঘটনা ব্যবসায়ের অভ্যন্তরীণ অবস্থাকেই শুধু পরিবর্তন করে, তাকে অভ্যন্তরীণ লেনদেন বলে। যেমন- স্থায়ী সম্পদের অবচয় বা মূল্য হ্রাস।
যখন কোনো অর্থনৈতিক ঘটনা দুটি পক্ষ বা দুটি প্রতিষ্ঠানকে প্রভাবিত করে তখন তাকে বাহ্যিক লেনদেন বলে। যেমন কোনো সরবরাহকারীর কাছ থেকে মুনতাহা, স্টোরস কর্তৃক পণ্যদ্রব্য ক্রয় অথবা ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান কর্তৃক কর্মচারীকে বেতন প্রদান।
যেসব লেনদেন দ্বারা ব্যবসায়ের শুধু অভ্যন্তরীণ আর্থিক অবস্থা প্রভাবিত হয় তাকে অভ্যন্তরীণ লেনদেন বলে। যেমন দীর্ঘদিন সম্পদ ব্যবহারের ফলে উদ্ভূত অবচয় বা মূল্যহ্রাস, সুনামের অবলোপন ইত্যাদি।
| বাহ্যিক লেনদেন | অভ্যন্তরীণ লেনদেন |
| i. বাহ্যিক লেনদেন দুটি প্রতিষ্ঠানের আর্থিক অবস্থাকে প্রভাবিত করে। ii. উদাহরণ: পণ্য ক্রয়, ভাড়া প্রদান। | i. অভ্যন্তরীণ লেনদেন একটি প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ আর্থিক অবস্থা পরিবর্তন করে। ii. উদাহরণ: আসবাবপত্রের অবচয়, সুনামের অবলোপন। |
লেনদেন শব্দটির আভিধানিক অর্থ দেওয়া ও নেওয়া। ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্যে পণ্যদ্রব্য ও সেবার বিনিময় করে থাকে। এই বিনিময় হতে পারে নগদে অথবা ধারে। এতে ব্যবসায়ের আর্থিক অবস্থার পরিবর্তন ঘটে। তাই বলা হয়েছে দ্রব্যসামগ্রী ও সেবাকর্মের বিনিময়ের ফলে লেনদেন সৃষ্টি হয়। কারণ এতে ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা ব্যবসায়ের আর্থিক অবস্থার পরিবর্তন হয়।
ধারে পণ্য ক্রয় বাহ্যিক লেনদেনের উদাহরণ। যেসব লেনদেন দুটি পক্ষ বা প্রতিষ্ঠানকে প্রভাবিত করে তাকে বাহ্যিক লেনদেন বলে। ধারে পণ্য ক্রয়ের ফলে প্রতিষ্ঠানের ব্যয় বৃদ্ধির পাশাপাশি বাহ্যিক পক্ষ পাওনাদার প্রভাবিত হয়। তাই এটি বাহ্যিক লেনদেন।
ব্যবসায়ে সংঘটিত সব ঘটনাই লেনদেন নয়। লেনদেনের পূর্বশর্ত হলো ঘটনাটি আর্থিক অবস্থার পরিবর্তন ঘটাবে এবং অর্থের অঙ্কে পরিমাপযোগ্য হবে। উদাহরণস্বরূপ, ৫০,০০০ টাকা বেতনে কর্মী নিয়োগে আর্থিক অবস্থার পরিবর্তন হয় না বলে এটি লেনদেন নয়। আবার, দক্ষ কর্মীর মৃত্যুতে আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা থাকলেও তা অর্থের অঙ্কে পরিমাপযোগ্য নয়। তাই এটিও লেনদেন নয়। সুতরাং, প্রত্যেক লেনদেনই ঘটনা কিন্তু প্রত্যেক ঘটনা লেনদেন নয়।
লেনদেনের দুটি বৈশিস্ট্য হলো-
(i) অর্থের তাঙ্কে পরিমাপযোগ্য লেনদেনের একটি উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো ঘটনাকে অবশ্যই অর্থের অঙ্কে পরিমাপযোগ্য হতে হবে।
(ii) দ্বৈত সত্তা: প্রতিটি লেনদেনেই দুটি পক্ষ থাকতে হবে। অর্থাৎ একপক্ষ সুবিধা গ্রহণ করবে এবং অন্য পক্ষ সুবিধা প্রদান করবে।
কোনো ঘটনা দ্বারা যদি প্রতিষ্ঠানের আর্থিক অবস্থার পরিবর্তন সাধিত হয়, তবে সেটিই লেনদেন হবে। যেমন: নগদ ১০,০০০ টাকা দিয়ে অফিসের জন্য যন্ত্রপাতি ক্রয় করা হলো। এখানে প্রতিষ্ঠানের যন্ত্রপাতি বৃদ্ধির পাশাপাশি নগদ ১০,০০০ টাকা হ্রাস পেয়েছে। সুতরাং এই ঘটনা দিয়ে যেহেতু প্রতিষ্ঠানের আর্থিক অবস্থার পরিবর্তন এসেছে, সেহেতু এটি লেনদেন।
দুতরফা দাখিলা পদ্ধতি অনুযায়ী প্রতিটি লেনদেনেই দুটি পক্ষ থাকতে হবে। অর্থাৎ একপক্ষ সুবিধা গ্রহণ করবে এবং অন্য পক্ষ সুবিধা প্রদান করবে। লেনদেনের এই বৈশিষ্ট্যকেই দ্বৈত সত্তা বলা হয়। যেমন- ভাড়া প্রদান করা হলো ৫,০০০ টাকা। এখানে একটি পক্ষ ভাড়া খরচ হিসাব এবং অপর পক্ষ নগদান হিসাব।
লেনদেনের একটি উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো ঘটনাকে অবশ্যই অর্থের অঙ্কে পরিমাপযোগ্য হতে হবে। নতুবা উক্ত ঘটনাকে লেনদেন বলা যাবে না। যেমন- 'ব্যবসায়ের দক্ষ কর্মীর মৃত্যু' এই ঘটনা আর্থিক অঙ্কে পরিমাপযোগ্য নয়। তাই এটি লেনদেন নয়। কিন্তু অবচয় অর্থের অঙ্কে পরিমাপযোগ্য। তাই এটি লেনদেন।
দৃশ্যমান লেনদেনের পরিমাণ নির্ণয় :
| বিবরণ | বিস্তারিত টাকা | টাকা |
আসবাবপত্র নিয়ে ব্যবসা শুরু পণ্য ক্রয় (৬০,০০০ + ১০,০০০) বেতন প্রদান | ৮০,০০০ ৭০,০০০ ৫,০০০ |
১,৫৫,০০০ |
হিসাব সমীকরণে প্রভাববিস্তারকারী সব ঘটনাই লেনদেন। লেনদেন দৃশ্যমান ও অদৃশ্যমান উভয়ই হতে পারে। আসবাবপত্র ক্রয় একটি দৃশ্যমান লেনদেন। কারণ এর ফলে দৃশ্যমান পরিবর্তন ঘটে। আবার যন্ত্রপাত্রির অবচয় একটি অদৃশ্যমান লেনদেন। কারণ এই লেনদেন হিসাব সমীকরণে প্রভাববিস্তার করলেও দৃশ্যমান নয়।
ঐতিহাসিক ঘটনা হলো ব্যবসায়ের সেসব ঘটনা যা পূর্বেই ঘটে গেছে। পূর্বে সংঘটিত এসব ঘটনা হিসাব সমীকরণকে পরিবর্তন করলে তা লেনদেন হিসেবে গণ্য হবে। ঐতিহাসিক ঘটনা হিসাব - সমীকরণে প্রভাববিস্তার করে। তাই এটি লেনদেন। যেমন- পণ্য ক্রয়, বিক্রয়, বেতন, ব্যবসায়ে ব্যবহৃত আসবাবপত্রের ক্রয়মূল্য ইত্যাদি।
লেনদেনের অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো আর্থিক অবস্থার পরিবর্তন করা। তবে শুধু অর্থের অঙ্কে পরিমাপযোগ্য হলেই তা লেনদেন হবে না। লেনদেন হতে হলে ব্যবসায়ের আর্থিক অবস্থাও পরিবর্তন হতে হবে। পণ্য ক্রয়ের ফরমায়েশ প্রদান ৩০,০০০ টাকা-এটি লেনদেন নয়। কারণ এর মাধ্যমে ব্যবসায়ের আর্থিক অবস্থার এখনও কোনো পরিবর্তন হয়নি।
লেনদেনের পূর্বশর্ত হলো, লেনদেনকে অবশ্যই অর্থের অঙ্কে পরিমাপযোগ্য হতে হবে। কারণ অর্থের অঙ্কে পরিমাপযোগ্য ঘটনাই শুধু হিসাব সমীকরণকে 'পরিবর্তন করতে পারে। ব্যবসায়ের দক্ষ কর্মীর মৃত্যুতে ব্যবসায়ে আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা থাকলেও তা অর্থের অঙ্কে পরিমাপযোগ্য নয়। অর্থাৎ এই ঘটনা হিসাব সমীকরণের কোনো পরিবর্তন ঘটায় না। তাই এই ঘটনা লেনদেন নয়।
সোহাগ স্টোর্সের ii. নং ঘটনাটি লেনদেন। কারণ পণ্যমূল্য অর্থের মাপকাঠিতে পরিমাপযোগ্য। পণ্য ক্রয়ের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের খরচ বৃদ্ধি পেয়েছে। নগদ অর্থ প্রদানের ফলে নগদ অর্থ হ্রাস পেয়েছে। অপরপক্ষে (i) নং ঘটনাটি লেনদেন নয়। কারণ এর ফলে ব্যবসায়ের আর্থিক অবস্থার কোনো পরিবর্তন হয়নি।
| নং | লেনদেন কিনা | কারণসহ ব্যাখ্যা |
| i | লেনদেন নয় | বিজ্ঞাপন খরচ প্রদানের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠান সুবিধা গ্রহণ করেছে এবং উক্ত সুবিধার মূল্য নগদে পরিশোধ করায় আর্থিক অবস্থার পরিবর্তন ঘটেছে। |
| ii. | লেনদেন নয় | চাকরির নিয়োগপত্র প্রদানের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠান কোনো সুবিধা তাৎক্ষণিক গ্রহণ বা প্রদান করেনি এবং এতে অর্থেরও কোনো আদান-প্রদান হয়নি। |
কোনো প্রতিষ্ঠানের একটি নির্দিষ্ট সময়ের মোট সম্পদের পরিমাণ, মালিকানাস্বত্ব ও বহির্দায়ের সমান হবে। যে সমীকরণের মাধ্যমে এই সমতা প্রমাণ করা হয়, তাকেই হিসাব সমীকরণ বলা হয়।
হিসাব সমীকরণটি হলো:
A=L+OE
যেখানে,
A = Assets (সম্পদসমূহ)
L = Liabilities (দায়সমূহ)
OE = Owners Equity (মালিকানাস্বত্ব)
সম্পদ বলতে বোঝায় অর্থনৈতিক পরিসম্পদ, যা কোনো ব্যবসায়ের মালিকানাধীন থাকে এবং যা মুনাফা অর্জনের কাজে ব্যবহৃত হয়। যেমন: ব্যবসায়ের মালিকানাধীন আসবাবপত্র, দালানকোঠা, কলকজা ইত্যাদি।
দায় হচ্ছে ব্যবসায়ের আর্থিক দায়বদ্ধতা, যা ব্যবসায়ের একটি. নির্দিষ্ট সময় পরে অবশ্যই পরিশোধ করতে হবে অর্থাৎ ব্যবসায়ের মোট সম্পদের উপর তৃতীয় পক্ষের দাবিই হচ্ছে দায়। যেমন: ব্যাংক ঋণ, পাওনাদার, প্রদেয় বিল ইত্যাদি।
ব্যবসায়ের মোট সম্পদ থেকে তৃতীয় পক্ষের দাবি বাদ দিলে যা অবশিষ্ট থাকে, তা-ই হচ্ছে মালিকানাস্বত্ব। অর্থাৎ মোট সম্পদের উপর মালিকের যে দাবি, তা-ই হচ্ছে মালিকানাস্বত্ব। মালিকানাস্বত্বকে প্রভাবিত করার চারটি উপাদান রয়েছে। যথা:
i. মালিকের বিনিয়োগ
ii. আয়
iii. উত্তোলন
iv. ব্যয় বা খরচ
হিসাব সমীকরণের বর্ধিত রূপটি হলো-
সম্পদ = দায় + মূলধন উত্তোলন + আয় - খরচ
যেখানে,
A = Assets (সম্পদ)
L = Liabilities (দায়)
C = Capital (মূলধন)
R = Revenue (রেভিনিউ বা আয়)
E = Expenses (খরচ বা ব্যয়)
D = Drawings (উত্তোলন)
একটি নির্দিষ্ট সময়ে ব্যবসায়ের মোট সম্পদ মোট বহির্দায় ও মালিকানাস্বত্বের সমান হবে। অর্থা সম্পদ দায় মালিকানাস্বত্ব। হিসাববিজ্ঞানের পরিভাষায় এই সমীকরণকেই হিসাব সমীকরণ বলা হয়। কোনো ঘটনা লেনদেন কি না তা হিসাব সমীকরণের মাধ্যমে জানা যায়। লেনদেনের ফলে হিসাব সমীকরণের বিভিন্ন উপাদানের পরিবর্তন সাধিত হয়
কোনো ঘটনা লেনদেন কি না তা যে সমীকরণের মাধ্যমে জানা যায় তাকে হিসাব সমীকরণ বলে। হিসাব সমীকরণের মূল উপাদান তিনটি যথা- ১. সম্পদ; ২. দায় ও ৩. মালিকানাস্বত্ব।
ব্যবসায়ের মালিকানাধীন কোনো অর্থনৈতিক পরিসম্পদ যা মুনাফা অর্জনে ব্যবহৃত হয় তাকে সম্পদ বলে এবং সম্পদের ওপর মালিকের দাবিকে, মালিকানাস্বত্ব বলে। অন্যদিকে, ব্যবসায়ের মোট সম্পদের ওপর তৃতীয় পক্ষের দাবিই হলো দায়।
হিসাব সমীকরণ হলো সম্পদ দায় মালিকানাস্বত্ব। তাই সম্পদ. এবং দায়ের পরিবর্তনে মালিকানাস্বত্বের পরিবর্তন হয়। যখন মোট সম্পদ বৃদ্ধি পায় বা মোট দায় হ্রাস পায় তখন মালিকানায়ত্বের বৃদ্ধি ঘটে। আবার মোট সম্পদ হ্রাস বা-দায় বৃদ্ধি পেলে-মালিকানা স্বত্বের পরিমাণ হ্রাস পায়।
মূলধন হিসেবে নগদ অর্থ আনয়ন করলে ব্যবসায়ের মূলধন এবং নগদ অর্থের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। এর ফলে সম্পদ বৃদ্ধি পাবে। আবার মূলধন হলো মালিকানাস্বত্বের একটি উপাদান। যা মালিকানাস্বত্বের পরিমাণকে বৃদ্ধি করে। সুতরাং ২,০০,০০০ টাকা মূলধন আনয়নে হিসাব সমীকরণে সম্পদ এবং মালিকানাস্বত্ব উভয় উপাদানই বৃদ্ধি পায়।
ব্যবসায়ের অফিস সরঞ্জাম এক ধরনের সম্পদ। সুতরাং, যখন অফিস সরঞ্জাম ক্রয় করা হয় তখন ব্যবসায়ের সম্পত্তি বৃদ্ধি পায়। আবার ধারে কোনো কিছু ক্রয় করলে' পাওনাদার নামক দায় বৃদ্ধি পায়। ফলে ধারে অফিস সরঞ্জাম ক্রয় করলে হিসাব সমীকরণের সম্পদ এবং দায় উপাদানের বৃদ্ধি ঘটে।
মালিক ব্যক্তিগতভাবে ব্যবসায়ের ঋণ পরিশোধ করলে ব্যবসায়ের দায় হ্রাস পায়। আবার এর ফলে ব্যবসায়ের মূলধন বাড়ে। অর্থাৎ, হিসাব সমীকরণে মালিকানাস্বত্ব উপাদানটি বৃদ্ধি পায়। সুতরাং মালিক ব্যক্তিগতভাবে ব্যবসায়ের ঋণ পরিশোধ করলে হিসাব সমীকরণে দায় হ্রাস ও মালিকানাস্বত্বের বৃদ্ধি পাবে।
আমরা জানি,
সম্পদ = দায় + মূলধন - উত্তোলন + আয় - খরচ
= ২,১৫,০০০ টাকা
আমরা জানি,
দায় = সম্পদ মূলধন + উত্তোলন আয় + খরচ
= ১,৮০,০০০ টাকা
আমরা জানি,
মূলধন = সম্পদ - দায় + উত্তোলন আয় + খরচ
= ৬৭,০০০ টাকা
ব্যবসায়ে বহুবিধ লেনদেন সংঘটিত হয়। এসব লেনদেনের উৎস নির্ধারণ এবং সত্যতা নিশ্চিতকরণে এক বা একাধিক প্রমাণপত্র প্রয়োজন হয়। এই প্রমাণপত্রসমূহ হিসাবের বই সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। যেমন- চালান, ভাউচার, ক্যাশমেমো ইত্যাদি। হিসাবরক্ষক লেনদেনের স্বপক্ষে এসব দলিল প্রস্তুত'ও সংরক্ষণ করেন।
ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানে যে সমস্ত দৈনন্দিন ঘটনা ঘটে, সেগুলোই লেনদেনের উৎস। যেমন- পণ্য ক্রয়, পণ্য বিক্রয়, মজুরি প্রদান, বেতন প্রদান, কোনো সম্পত্তি ক্রয় ইত্যাদি।
ব্যবসায়িক লেনদেনের পাঁচটি প্রয়োজনীয় দলিল হলো-
i. চালান
ii. ভাউচার
iii. ক্যাশমেমো
iv. ডেবিট নোট
V. ক্রেডিট নোট
ব্যবসায়িক লেনদেনের পাঁচটি প্রয়োজনীয় দলিল হলো-
i. চালান
ii. ভাউচার
iii. ক্যাশমেমো
iv. ডেবিট নোট
V. ক্রেডিট নোট
চালান হলো পণ্য ক্রয় এবং বিক্রয়ের একটি প্রামাণ্য দলিল। বিক্রেতা যখন পণ্য বিক্রয় করেন, তখন পণ্যের পূর্ণ বিবরণ-সংবলিত একটি লিখিত দলিল ক্রেতাকে হস্তান্তর করেন। এই লিখিত দলিলই হচ্ছে চালান। চালানে ক্রেতার নাম ও ঠিকানা, মালের পরিমাণ, মালের বিবরণ, মালের মূল্য এবং মূল্য পরিশোধের শর্ত ইত্যাদি লিপিবদ্ধ থাকে। বিক্রেতার নিকট এটা বহিচালান এবং ক্রেতার নিকট ইহা আন্তচালান বলে গণ্য হয়।
চালান দুই প্রকার। যথা- ১. আন্তচালান ও ২. বর্হিচালান।
পণ্য ক্রয়ের সাথে ক্রেতা যেই চালান গ্রহণ করে তাকে আন্তচালান বলে এবং বিক্রেতা পণ্য বিক্রয় করে ক্রেতাকে যে চালান প্রদান করে তাই বর্হিচালান। চালানের মাধ্যমে ক্রয় ও বিক্রয় জাবেদা প্রস্তুত করা হয়।
পণ্য বিক্রয় বৃদ্ধির জন্য বিক্রেতা কখনো কখনো মূল্য ছাড় দিয়ে থাকেন। পণ্যের মোট মূল্যের ওপর এই ছাড় প্রদান করা হয়। মওকুফকৃত এই অর্থকে কারবারি বাট্টা বলে। যেমন- পণ্য ক্রয় ৫০,০০০ টাকা। কারবারি বাট্টা ১০%। এক্ষেত্রে ক্রেতাকে ৪৫,০০০ টাকা পরিশোধ করতে হবে। আর কারবারি বাট্টার পরিমাণ ৫,০০০ টাকা।
ব্যবসায়ের কোনো আয় বা ব্যয়ের বিপরীতে প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপিত দলিলকে ভাউচার বলা হয়। এর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানে সংঘটিত বিবিধ আয় ও ব্যয় সম্পর্কিত তথ্য তুলে ধরা হয়। ভাউচার দুই প্রকার। যথা- ১. ডেবিট ভাউচার; ২. ক্রেডিট ভাউচার। পণ্য ক্রয় এবং বিভিন্ন ব্যয়ের স্বপক্ষে যে ভাউচার ব্যবহৃত হয় তাকে ডেবিট ভাউচার বলে এবং পণ্য বিক্রয় বা বিভিন্ন আয়ের জন্য যে ভাউচার ব্যবহৃত হয় তাকে ক্রেডিট ভাউচার বলে।
ভাউচার দুই প্রকার। যথা- ১. ডেবিট ভাউচার; ২. ক্রেডিট ভাউচার। পণ্য ক্রয় ও বিভিন্ন ব্যয়ের জন্য যে ভাউচার ব্যবহৃত হয় তাকে ডেবিট ভাউচার বলে। পণ্য বিক্রয় ও বিভিন্ন আয়ের জন্য ব্যবহৃত ভাউচার হলো ক্রেডিট ভাউচার।
পণ্য ক্রয়ে এবং বিভিন্ন ব্যয়ের স্বপক্ষে ডেবিট ভাউচার ব্যবহৃত হয়। ডেবিট ভাউচারের সাথে চালান, ক্যাশমেমো যুক্ত করে ধারাবাহিকভাবে ভাউচার নম্বর প্রদানপূর্বক ক্যাশবুক বা নগদান রেজিস্ট্রারের ক্রেডিট দিক বা খরচের দিকে লিপিবদ্ধ করা হয়।
পণ্য বিক্রয় ও বিভিন্ন আয়ের জন্য যে ভাউচার ব্যবহার করা হয়, তাকে ক্রেডিট ভাউচার বলা হয়। ক্রেডিট ভাউচারের সাথে চালানের কপি, ক্যাশমেমো ইত্যাদি সংযুক্ত করে তাতে ধারাবাহিকভাবে ক্যাশবুকের ডেবিট দিকে (অর্থাৎ প্রাপ্তির দিকে) লিপিবদ্ধ করা হয়।
ডেবিট ভাউচার ও ক্রেডিট ভাউচারের মধ্যে দুটি পার্থক্য হলো-
ডেবিট ভাউচার | ক্রেডিট ভাউচার |
i. পণ্য ক্রয় এবং বিভিন্ন ব্যয়ের স্বপক্ষে ডেবিট ভাউচার ব্যবহৃত হয়। ii. ডেবিট ভাউচার নগদান বইয়ের ক্রেডিট দিক বা খরচের দিকে লিপিবদ্ধ করা হয়। | i. পণ্য বিক্রয় ও বিভিন্ন আয়ের জন্য ক্রেডিট ভাউচার ব্যবহৃত হয়। ii. ক্রেডিট ভাউচার নগদান বইয়ের ডেবিট দিকে প্রাপ্তির দিকে লিপিবদ্ধ করা হয়। |
নগদ মূল্যে পণ্য ক্রয়-বিক্রয়ের ক্ষেত্রে ক্যাশমেমো ব্যবহৃত হয়। পণ্য বিক্রেতা পণ্য ক্রেতাকে ক্যাশমেমো দিয়ে থাকে। ক্যাশমেমোর উপরিভাগে বিক্রয় প্রতিষ্ঠানের নাম ও ঠিকানা মুদ্রিত থাকে। পণ্য বিক্রেতা বিক্রীত পণ্যের নাম, পরিমাণ, দর মোট মূল্য, নিট মূল্য, কমিশন ইত্যাদি উল্লেখপূর্বক স্বাক্ষর করে ক্রেতাকে প্রদান করে। ক্রেতা ক্যাশমেমো অনুসারে পণ্যমূল্য পরিশোধ করে পণ্য গ্রহণ করে থাকে।
ক্রয়কৃত পণ্য ফরমায়েশ অনুযায়ী না হলে অথবা নিম্নমানের হলে ক্রেতা বিক্রেতাকে বর্ণিত পণ্য ফেরত পাঠায়। এভাবে বিক্রীত পণ্য যখন কোনো কারণে সংশ্লিষ্ট বিক্রেতার নিকট ফেরত আসে, তখন ক্রেতা উক্ত ফেরত মালের পূর্ণ বিবরণ যথা- পণ্যের পরিমাণ, দর, মূল্য ইত্যাদি একখানা কাগজে লিখে ফেরত পণ্যের সাথে বিক্রেতার নিকট প্রেরণ করে। নোটের মাধ্যমে বিক্রেতাকে জানিয়ে দেওয়া হয় যে, তার বা তাদের হিসাব খাত উক্ত ফেরত পণ্যের জন্য ডেবিট করা হয়েছে। এরূপ নোটকে ডেবিট নোট বলা হয়। ডেবিট নোট ক্রেতা তৈরি করে থাকেন।
বিক্রেতার কাছে বিক্রীত পণ্য ফেরত এলে বিক্রেতা প্রাপ্ত মালের পূর্ণ বিবরণ যথা: মালের পরিমাণ, দর, মূল্য একটি কাগজে লিখে ক্রেতার নিকট প্রেরণ করে জানিয়ে দেয় যে, তার বা তাদের হিসাব খাত উক্ত ফেরত মালের মূল্যের জন্য ক্রেডিট করা হয়েছে। এরূপ নোটকে ক্রেডিট নোট বলা হয়। ক্রেডিট নোট বিক্রেতা তৈরি করে থাকে।
ডেবিট নোট ও ক্রেডিট নোটের মধ্যে দুটি পার্থক্য হলো-
ডেবিট নোট | ডেবিট নোট |
i. ডেবিট নোট ক্রেতা তৈরি করে। | i. ক্রেডিট নোট বিক্রেতা তৈরি করে। ii. ক্রেডিট নোট দ্বারা বিক্রয় ফেরত জাবেদা প্রস্তুত করা হয়। |
সেলিম ট্রেডার্স।
চালান
চালান নং- ০৮৯ তারিখ: ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪
ক্রেতার নাম: জবা ব্রাদার্স
ঠিকানা:………
| ক্রমিক নং | মালের বিবরণ | দর টাকা | পরিমাণ | পরিমাণ টাকা |
| ১ | আতপ চাল (-) কারবারি বাট্টা | ১১০ | ৩৫ | ৩,৮৫০ ৩৮৫ ৩,৪৬৫ |
টাকা (কথায়): তিন হাজার চারশত পঁয়ষট্টি টাকা মাত্র। বিক্রয় শর্ত:………. বি.দ্র.: ভুলত্রুটি সংশোধনযোগ্য। বিক্রেতার স্বাক্ষর- | ||||
হিসাবরক্ষণের মূলভিত্তি লেনদেন।
লেনদেনের উৎপত্তি অর্থসম্পর্কীয় ঘটনা থেকে।
হিসাবের বইতে লিপিবদ্ধ করা হয় অর্থসম্পর্কিত ঘটনা।
লেনদেন শব্দটির অভিধানগত অর্থ গ্রহণ ও প্রদান।
লেনদেন দুই ধরনের। যথা- (১) বাহ্যিক লেনদেন, (২) অভ্যন্তরীণ লেনদেন।
সব ধরনের ঘটনা লেনদেন নয়।
লেনদেনের বৈশিষ্ট্য সাতটি।
প্রত্যেক লেনদেন ঘটনা কিন্তু সব ঘটনা লেনদেন নয় এটি লেনদেনের বৈশিষ্ট্য।
ঘটনা ও লেনদেন একই অর্থবোধক নয়।
লেনদেন সর্বদা পরিবর্তন আনে আর্থিক অবস্থার।
প্রতিটি লেনদেন পরিমাপযোগ্য টাকায়।
প্রতিটি লেনদেনে জড়িত থাকে দুটি পক্ষ।
লেনদেনের পক্ষ দুটি হলো দাতা ও গ্রহীতা।
লেনদেনের দ্বৈতসত্তা দুটি পক্ষ বা হিসাব।
অবচয় অদৃশ্য লেনদেন।.
লেনদেনসংক্রান্ত ঘটনা দৃশ্যমান এবং অদৃশ্যমান উভয়ই হতে পারে।
হিসাব সমীকরণের A উপাদান প্রকাশ করে সম্পদ (Assets)।
হিসাব সমীকরণের E উপাদান প্রকাশ করে মালিকানাস্বত্ব (Equity)
হিসাব সমীকরণের L উপাদান প্রকাশ করে দায় (Liabilities)।
মোট সম্পদের ওপর তৃতীয়পক্ষের দাবিই হচ্ছে দায়।
ব্যবসায়ে মুনাফা অর্জনের কাজে ব্যবহৃত হয় সম্পদ।
মালিকানাস্বত্ব সম্পত্তির ওপর মালিকের অধিকার।
হিসাব সমীকরণের সঠিক সমীকরণ A=L+E।
হিসাব সমীকরণ হলো সম্পত্তি =দায় + মালিকানাস্বত্ব
প্রতিটি লেনদেনই প্রভাববিস্তার করে হিসাব সমীকরণে।
হিসাব সমীকরণের বর্ধিত রূপ
কারবারের লাভ হলে স্বত্বাধিকার বা মালিকানাস্বত্ব বৃদ্ধি পায়।
কারবারে ক্ষতি হলে স্বত্বাধিকার বা মালিকানাস্বত্ব হ্রাস পায়।
হিসাব সমীকরণের বর্ধিত রূপ সম্পদ = দায় + মূলধন + রেভিনিউ-খরচ-উত্তোলন।
মালিকানাস্বত্বকে প্রভাবিত করে ৪টি উপাদান।
মোট সম্পদ বাড়লে মোট দায় অথবা মালিকানাস্বত্ব বাড়বে।
মোট সম্পদ কমলে মোট দায় অথবা মালিকানাস্বত্ব কমবে।
একটি সম্পদ বাড়লে অপর একটি সম্পদ কমবে।
মালিকানাস্বত্ব বাড়লে মোট দায় কমবে।
মালিকানাস্বত্ব কমলে মোট দায় বাড়বে।
ঐতিহাসিক ঘটনা, হলো অনাদায়ি পাওনা সঞ্চিতি, বাট্টা সঞ্চিতি।
মাল ক্রয় ও বিক্রয়ের প্রামাণ্য দলিল হলো চালান।
চালানের ওপর ভিত্তি করে লেখা হয় ক্রয় জাবেদা ও বিক্রয় জাবেদা।
চালান বহিতে স্বাক্ষর থাকে বিক্রেতার।
চালান বিক্রেতার নিকট বহিঃচালান।
চালান ক্রেতার নিকট আন্তঃচালান।
বিক্রীত মূল্যের মোট মূল্যের ওপর যে পরিমাণ টাকা মওকুফ করা হয় তাকে কারবারি বাট্টা বলে।
চালান তৈরি করে বিক্রেতা।
ক্যাশমেমো সাধারণত তৈরি হয় তিন সেট।
আয়-ব্যয়সংক্রান্ত দলিলকে বলা হয় ভাউচার।
ভাউচার দুই প্রকার। যথা- (ক) ডেবিট ভাউচার, (খ) ক্রেডিট ভাউচার।
ভাউচার হচ্ছে লেনদেনের প্রমাণপত্র।
ডেবিট ও ক্রেডিট ভাউচারে অবশ্যই প্রদান করতে হয় ধারাবাহিক নম্বর।
ক্যাশবুকের ক্রেডিট দিকে লেখা হয় ডেবিট ভাউচার।
পণ্য বিক্রয় ও আয়ের জন্য ব্যবহৃত ভাউচার হলো ক্রেডিট ভাউচার।
ক্রেডিট ভাউচার-এর সাথে যুক্ত করে ক্যাশবুকে লেখা হয় চালানের কপি ও ক্যাশমেমো।
ক্রেডিট ভাউচারকে ক্যাশবুকে লেখা হয় ডেবিট দিকে।
ভাউচারে স্বাক্ষর থাকে চার জনের।
ভাউচার প্রস্তুত করে ক্যাশিয়ার।
ক্যাশমেমোর প্রথম সেট সরবরাহ করা হয় ক্রেতাকে।
ক্যাশমেমোর দ্বিতীয় সেট বিক্রয় প্রতিষ্ঠানে হিসাব বিভাগে -সংক্ষেত গ্রাকে।
ক্যাশমেমোর তৃতীয় সেট বিক্রয় প্রতিষ্ঠানের বিক্রয় বিভাগে সংরক্ষিত থাকে।
ক্যাশমেমোতে ঘর থাকে ৫টি।
ডেবিট নোটের সাহায্যে লেখা হয় ক্রয় ফেরত বই।
ডেবিট নোট বা দেনালিপি তৈরি করেন ক্রেতা বা ক্রয় ব্যবস্থাপক।
ক্রেডিট নোটের সাহায্যে লেখা হয় বিক্রয় ফেরত বই।
ক্রেডিট নোট বা পাওনা লিপি তৈরি করেন বিক্রেতা বা বিক্রয় ব্যবস্থাপক।
ক্যাশমেমোর বিক্রয় প্রতিষ্ঠানের নাম ও ঠিকানা মুদ্রিত থাকে উপরিভাগে।
মানুষ সুপ্রাচীনকাল থেকেই দৈনন্দিন জীবনে হিসাবব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে আসছে। আদিকালে প্রত্যেকে তার প্রাত্যহিক জীবনের প্রয়োজনগুলো মেটানোর জন্য নিজেদের মধ্যে পণ্য বিনিময় করত। যে ঘটনাগুলো কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের আর্থিক অবস্থার পরিবর্তন করে কেবল ঐ ঘটনাগুলো থেকেই লেনদেনের জন্ম হয়। সুতরাং দেখা যাচ্ছে সকল ঘটনাই লেনদেন হবে না। ব্যবসায়ের প্রকৃত আর্থিক চিত্র পাওয়ার জন্য শুধু অর্থ সম্পর্কিত ঘটনাগুলোই ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের লেনদেন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।

এই অধ্যায় শেষে আমরা-
- লেনদেনের ধারণা ব্যাখ্যা করতে পারব।
- লেনদেনের প্রকৃতি শনাক্ত করতে পারব।
- হিসাব সমীকরণ বিশ্লেষণ করতে পারব ।
- হিসাব সমীকরণে ব্যবসায়িক লেনদেনের প্রভাব ব্যাখ্যা করতে পারব।
- ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের লেনদেনের উৎস দলিলাদি তালিকা তৈরি করে বর্ণনা করতে পারব।
- লেনদেনের সমর্থনে প্রয়োজনীয় দলিলাদি যথাযথভাবে প্রস্তুত করতে পারব।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

