লেনিন গ্রাম থেকে ঢাকা শহরে বেড়াতে এসে গ্রামীণ ও শহরের বসতির মধ্যে বেশ পার্থক্য লক্ষ করল। তবে একটা বিষয় দেখে সে অবাক হলো যে, বড় বড় দালানোর পাশেই রয়েছে বস্তি বসতি।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

কোনো একস্থানে নিবিড়ভাবে বেশ কয়েকটি পরিবারের বসতি গড়ে উঠলে তকে পুঞ্জিভূত বসতি বলে।

উত্তরঃ

প্রাকৃতিক প্রতিকূল পরিস্থিতি থেকে রক্ষা পাওয়া এবং নিরাপদ জীবন নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই মানুষ বসতি গড়ে তোলে।
প্রাচীনকালে মানুষ খোলা আকাশের নিচে, বনেজঙ্কালে ঘুরে বেড়াত। সেখানে নানা ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ যেমন- ঝড়, বৃষ্টি, প্রখর রৌদ্র প্রভৃতি সহ্য করতে হতো। এছাড়া হিংস্র পশু মাঝে মাঝে আক্রমণ করতো। এরপর থেকে তারা বসতি নির্মাণ করতে শুরু করল।

উত্তরঃ

গ্রামীণ বসতি

শহর বা নগর বসতি

১.
যে বসতির সংখ্যাগরিষ্ঠ ব্যক্তি ১ম পর্যায়ের অর্থনৈতিক কর্মকান্ডে নিয়োজিত তাকে গ্রামীণ বসতি বলে।

যে বসতি অঞ্চলে অধিকাংশ অধিবাসী প্রত্যক্ষ ভূমি ব্যবহার ব্যতীত অন্যান্য পেশায় নিয়োজিত তাকে নগর বসতি বলে।

২.
এই বসতি কৃষির নির্ভরশীল। উপর

এই বসতি অকৃষিকার্য পেশা যেমন- কৃষিজাত উৎপাদিত পণ্য শিল্পজাতকরণ, পরিবহন, ক্রয়- বিক্রয় প্রভৃতি কাজে নিয়োজিত।

৩.
গ্রামীণ বসতিতে পথঘাটের প্রাধান্য কম।

নগর বসতিতে অনেক রাস্তাঘাট ও আকাশচুম্বী অট্টালিকা দেখা যায়

৪.
গ্রামীণ বাড়িঘরগুলো বসতিতে অনেক খোলামেলা জায়গায় তৈরী হয়।

নগর বসতির একটি অন্যতম সমস্যা হলো আবাসিক সমস্যা। তাই ঘরবাড়িগুলো খোলামেলা জায়গায় হয় না। ততটা

৫.
জীবিকার উৎস অনুসারে গ্রামীণ বসতিগুলোকে বিভিন্ন নামে চিহ্নিত করা হয়। যেমন- জেলে গ্রাম, কুমার পাড়া, কামারপাড়া ইত্যাদি।

বড় বড় শহরের বিভিন্ন অংশে নানা ধরনের কর্মকাণ্ড চলে।

৬.
গ্রামীণ বসতি গোষ্ঠীবদ্ধ, বিক্ষিপ্ত ও বিচ্ছিন্ন বা রৈখিক হতে পারে।

নগর বসতি বিভিন্ন প্রকার হতে পারে যেমন- প্রশাসনিক নগর, বাণিজ্যভিত্তিক নগর, শিল্পভিত্তিক নগর।

উত্তরঃ

বস্তি হচ্ছে নিম্নমানের লোকজনের এক ধরনের বসতি। এগুলো সাধারণত শহরের বসতিতে দেখা যায়। ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা ও সিলেট

শহরে বস্তি বেশি দেখা যায়। আমাদের দেশে কোনো একটি শহরের লক্ষণ বা উপসর্গ হচ্ছে ঐ শহরে বস্তি দৃষ্টিগোচর হওয়া। সাধারণত শহরে ফাঁকা জমিজমা থাকে না। দরিদ্র শ্রেণির লোকদের
বসতি নির্মাণে অনেক বেশি অসুবিধা হয়। ফলে তারা রেল লাইনের দু'পাশে এবং নোংরা, পরিত্যক্ত জায়গায় আবার কোথাও কোথাও আবাসিক এলাকার রাস্তার পাশ দিয়ে বসতি গড়ে তুলে। এদের ঘরগুলো সন্তা বা ফেলে দেওয়া নির্মাণসামগ্রী দিয়ে তৈরি দুর্বল কাঠামোর। সেখানে বাতাস চলাচলের কোনো ব্যবস্থা নেই, স্বাস্থ্যসম্মত পর্যাপ্ত সংখ্যক ল্যাট্রিন নেই এবং বিশুদ্ধ খাবার পানির কোনো ব্যবস্থা নেই। গ্রাম থেকে বেশির ভাগ দরিদ্র শ্রেণির লোক শহরে এসে এখানে আশ্রয় গ্রহণ করে। কারণ যারা শহরে আসে তারা কেউ ঠেলাগাড়ি চালক, কেউ রিকশা চালক, কেউ তরকারি বিক্রেতা, কেউ ফেরিওয়ালা, কেউবা আবার কুলি মজুর, কেউ আবার গার্মেন্টসে কাজ করে। এদের অধিকাংশেরই আয় খুবই নিম্ন। যার কারণে এদের শহরে এসে বাসা ভাড়া করে থাকার মতো অর্থ থাকে না। তাই বস্তিতে এরা বাস করে। অর্থাৎ বস্তিই হচ্ছে এদের একমাত্র আশ্রয়স্থল। কোনো একটি শহরে যখন আমরা যাবো তখন সর্বপ্রথম এ দৃশ্যই আমাদের চোখে পড়বে।

এদের ঘরবাড়িগুলো অন্যান্য বিলাসবহুল ঘরবাড়ির চেয়ে ব্যতিক্রম।
এদের ঘরবাড়িতে বসবাস উপযোগী সামান্য সুযোগ-সুবিধা নেই। বিভিন্ন রকম প্রতিকূলতা উপেক্ষা করে এরা এখানে বসবাস করে। গ্রাম থেকে এসব দরিদ্র শ্রেণির লোকেরা শহরে আসে শুধু উপার্জন করার নিমিত্তে। কিন্তু তাদের যা আয় হয় তা দিয়ে ভালোভাবে থাকার মতো আয় হয় না। তাই তাদের সর্বশেষ আশ্রয়স্থল এই বস্তি।
তাছাড়া ধনী, মধ্যবিত্ত শ্রেণির লোকদের বিভিন্ন ধরনের কাজে সহযোগিতা করে এসব নিম্নশ্রেণির লোক। এ কারণে শহরে এসব বস্তির দৃশ্য সর্বদাই দৃশ্যমান হয়। এই দৃশ্য দেখেই আমরা শহরকে চিনতে পারব। সুতরাং বলা যায় যে, "বস্তি হচ্ছে শহরের উপসর্গ"।

117

কোনো একটি নির্দিষ্ট স্থানে মানুষ একত্রিত হয়ে স্থায়ীভাবে বসবাস করলে তাকে মানব বসতি বলে। প্রকৃতির সঙ্গে নিজেকে উপযোগী করে চলার এটাই প্রথম অবস্থা। পরিবেশের সঙ্গে মানুষের অভিযোজনের প্রথম পদক্ষেপ হলো বসতি স্থাপন। মানুষ প্রাকৃতিক অনুকূল অবস্থাকে কাজে লাগিয়ে এবং প্রতিকূল পরিস্থিতি থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য মানব বসতি গড়ে তোলে। পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে প্রাকৃতিক ভিন্নতার জন্য বিভিন্ন ধরনের বসতি গড়ে উঠেছে, যেমন- যে দেশীয় জলবায়ু অঞ্চলের এস্কিমোরা বরফের ঘরে এবং বাংলাদেশের অধিকাংশ গ্রামীণ বসতিতে দোচালা ও চৌচালা ধরনের ঘরে বাস করতে দেখা যায়। আর বিশ্বের বিভিন্ন শহরের বসতিতে আধুনিক নকশা ও নির্মাণসামগ্রী প্রয়োগ করে উচ্চ অট্টালিকা তৈরি হচ্ছে। জনসংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে প্রামীণ ও শহর উভয় স্থানে বসতি বৃদ্ধির হার বেড়েই চলেছে। অপরিকল্পিত নগরায়ণের ফলে পরিবেশ দূষণ ব্যাপকভাবে হচ্ছে।

Related Question

View All
উত্তরঃ

মুসলিম সভ্যতায় (অষ্টম শতাব্দী থেকে) নগরায়ণের প্রসার ঘটে।

982
উত্তরঃ

মাটির উর্বরাশক্তির ওপর নির্ভর করে বসতি স্থাপন করা হয়।

উর্বর মাটিতে পুঞ্জীভূত বসতি গড়ে ওঠে। মানুষ কৃষিজমির পাশে বসতি গড়ে তোলে যাতে করে সহজে ও কম খরচে ফসল ফলাতে পারে এবং খাদ্যের চাহিদা মেটাতে পারে। যেমন- যমুনা নদীর তীরবর্তী অঞ্চল। কিন্তু মাটি অনুর্বর বা অসমতল হলে বিক্ষিপ্ত জনবসতি গড়ে ওঠে। যেমন- চট্টগ্রামের পাহাড়ি অঞ্চল।

865
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews