লোকমান স্যার ক্লাসে ভূপৃষ্ঠ সংলগ্ন বায়ুস্তর ব্যাখ্যা করে বোঝালেন।
অতঃপর বায়ুমণ্ডলের ২০-২৫ কিলোমিটারের মধ্যে বিস্তৃত একটি গ্যাসীয় স্তরের, বৈশিষ্ট্য পড়ালেন। তিনি বলেন, এ স্তর না থাকলে প্রাণীর দেহ পুড়ে যেত এবং সমস্ত প্রাণিকুল অন্ধ হয়ে যেত।

Updated: 5 months ago
উত্তরঃ

বাতাসে নাইট্রোজেনের শতকরা হার ৭৮.০৮%।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

বায়ুমণ্ডলে প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ায় সংঘটিত কার্বনচক্রের মাধ্যমে কার্বন-ডাইঅক্সাইডের ভারসাম্য বজায় থাকে।

উদ্ভিদ সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় খাদ্য উৎপন্ন করে এবং প্রাণী ও উদ্ভিদ উভয়ই গ্লুকোজরূপে তা গ্রহণ করে। প্রাণী খাদ্য হিসেবে উদ্ভিদ গ্রহণ করে এবং উভয়ের দেহেই কার্বন যৌগ তথা গ্লুকোজ জারিত হয়ে কার্বন-ডাইঅক্সাইডরূপে প্রকৃতিতে ফিরে যায়। নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ার উদ্ভিদ CO2 গ্রহণ এবং প্রাণী CO2ত্যাগ করে। এভাবে উদ্ভিদ ও প্রাণীর মাধ্যমে বিভিন্ন প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ায় বায়ুমণ্ডলে কার্বন-ডাইঅক্সাইডের ভারসাম্য বজায় থাকে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত দ্বিতীয় আলোচিত স্তরটি হলো স্ট্রাটোস্ফিয়ার। এ স্তরটি ভূপৃষ্ঠ থেকে উর্ধ্বে প্রায় ২০ কি.মি. থেকে ৫০ কি.মি. পর্যন্ত বিস্তৃত।
ট্রপোপজের ওপর যে। বায়ুস্তর আছে তার নাম স্ট্রাটোস্ফিয়ার। ট্রপোস্ফিয়ারের উপর এবং ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৫০ কিমি. পর্যন্ত স্ট্রাটোস্ফিয়ার বিস্তৃত। এ স্তরের মধ্যে দিয়ে যতই উপরে ওঠা যায় তাপমাত্রা ক্রমশ বাড়তে থাকে এবং প্রায় ৫০ কিমি. উচ্চতায় বায়ুর তাপমাত্রা সবচেয়ে বেশি প্রায় ১০° সে হয়। এ স্তরে বাতাস অত্যন্ত হালকা, বাতাসের ঊর্ধ্ব বা নিম্ন গতি নেই। কিন্তু সমান্তরাল গতি দেখা যায়। স্ট্রাটোস্ফিয়ারের মধ্যে তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ার প্রধান কারণ ওজোনস্তরের (ওজোন গ্যাস) অস্তিত্ব। ওজোনের জন্য শুধু যে তাপমাত্রা বাড়ে তাই নয়, বায়ুমণ্ডলের এ অংশে ওজোন গ্যাসের স্তরটি আছে বলেই সূর্য থেকে যেসব ক্ষতিকারক অতিবেগুনি রশ্মি বিচ্ছুরিত হয়, সেগুলো ভূপৃষ্ঠে পৌছাতে পারে না।
শুধু তাই নয়, বায়ুমণ্ডলের এ স্তরটি না থাকলে সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মির দহনে প্রাণীর দেহ পুড়ে যেত এবং সমস্ত প্রাণিকুল অন্ধ হয়ে যেত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে প্রথম আলোচিত স্তরটি হলো ট্রপোস্ফিয়ার এবং দ্বিতীয় স্তরটি হলো স্ট্রাটোস্ফিয়ার।

এ দুটি স্তরের মধ্যে গভীর আন্তঃসম্পর্ক রয়েছে। বায়ুমণ্ডলের নিচের দুটি স্তর অর্থাৎ ট্রপোমণ্ডল ও স্ট্রাটোমণ্ডল সমমণ্ডলের অন্তর্ভুক্ত। অর্থাৎ এ স্তর দুটিতে বিভিন্ন গ্যাসের অনুপাত একই রকম থাকে। বায়ুমণ্ডলের প্রতিটি গ্যাসীয় উপাদান এ দুই স্তরে সমানভাবে বিদ্যমান থাকে। বিশেষ করে নাইট্রোজেন ও অক্সিজেন। এ দুটি স্তরে বিভিন্ন গ্যাসের সংমিশ্রণ ছাড়াও রয়েছে বিশুদ্ধ বাতাস, জলীয়বাষ্প ও ধূলিকণা, তাপ ও চাপের বিভিন্নতার জন্য এ দুটি স্তরের উপরে, নিচে ও পাশে বায়ুপ্রবাহ দৃশ্যমান হয়। পৃথিবীর সন্ধ্যাকাশের যে গোধূলীর আলো তা এ দুই স্তরের মধ্যেই স্থির থাকে। প্রাণিকুলের বেঁচে থাকার জন্য এ দুই স্তরের গুরুত্বই সমান। আবহাওয়া ও জলবায়ুর যাবতীয় প্রক্রিয়া এ দুই স্তরের মধ্যেই সংঘটিত হয়। বায়ুমণ্ডলের উপরে স্ট্রাটোস্ফিয়ার পর্যন্ত তাপমাত্রার খুব একটা পরিবর্তন হয় না বায়ুমণ্ডলের প্রতিটি স্তরের মধ্যে নিচের দুটি স্তর অর্থাৎ ট্রপোস্ফিয়ার ও স্ট্রাটোস্ফিয়ারের বৈশিষ্ট্যগত ও উপাদানগত অনেক মিল রয়েছে যা জীবকুলের বেঁচে থাকার জন্য জরুরি।.
তাই বলা যায়, বায়ুমণ্ডলের ট্রপোস্ফিয়ার ও স্ট্রাটোস্ফিয়ারের মধ্যে গভীর আন্তঃসম্পর্ক বিদ্যমান।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
47
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

জীবের বেঁচে থাকার জন্য বায়ুমণ্ডলের ট্রপোমণ্ডল স্তরটি অধিক গুরুত্বপূর্ণ।

এটি বায়ুমণ্ডলের সর্বনিম্ন স্তর। এ স্তরে নাইট্রোজেন, অক্সিজেন, কার্বন-ডাইঅক্সাইড, ধূলিকণা প্রভৃতি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান থাকে যা প্রাণী ও উদ্ভিদের জন্য খুবই প্রয়োজন। এছাড়া এ স্তরে মেঘ, বৃষ্টিপাত, বায়ুপ্রবাহ, কুয়াশা, ঝড়, বজ্রবিদ্যুৎ প্রভৃতি সবকিছুই ঘটে। পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের শতকরা ৮০ ভাগ বায়ু এ স্তর ধারণ করায় এ স্তরের নিচে উদ্ভিদ ও প্রাণীর অস্তিত্ব দেখা যায়। তাই ট্রপোমণ্ডল স্তরটি জীবের বেঁচে থাকার জন্য অধিক গুরুত্বপূর্ণ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
155
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত দূষণটি হলো বায়ুদূষণ। নিচে মানবস্বাস্থ্যের ওপর বায়ুদূষণের প্রভাব বিশ্লেষণ করা হলো-

বায়ুদূষণের অন্যতম দূষক হচ্ছে সালফার ডাইঅক্সাইড (SO2), নাইট্রোজেন ডাইঅক্সাইড (NO2) যা ব্রঙ্কাইটিস সৃষ্টি করে। ব্রঙ্কাইটিসের প্রধান উপসর্গ দীর্ঘস্থায়ী কাশি, অত্যধিক মিউকাস ক্ষরণ ও সঞ্চয় এবং বিঘ্নিত শ্বসন। বায়ুদূষণ এবং ধূমপান ফুসফুস ক্যানসারের প্রধান কারণ। শহরের বায়ুদূষণ তীব্র হওয়ায় গ্রামের তুলনায় শহরে ফুসফুস ক্যান্সারে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা অনেক বেশি। উৎপাদন স্থলে বা অট্টালিকা নির্মাণের সময় অ্যাজবেস্টাসের প্রভাবে ফুসফুসীয় কলা অমসৃণ হয় এবং দীর্ঘস্থায়ী প্রভাবে ফুসফুসে ক্ষতের সৃষ্টি হয়। ফুসফুসের এরূপ অস্বাভাবিক অবস্থাকে অ্যাজবেস্টোসিস বা ফুসফুসীয় ফাইব্রোসিস বলে। বায়ুতে বিভিন্ন ধরনের তেজস্ক্রিয় উপাদানের উপস্থিতির কারণে অতিশয় মন্দ প্রভাব
যথা- অ্যানিমিয়া, লিউকেমিয়া এবং ক্যান্সার সৃষ্টি হতে পারে। তেজস্ক্রিয় আইসোটোপের প্রভাবে এর মিউটেশন, বন্ধ্যাত্ব, ভ্রূণের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি ও বিকাশ এবং জন্মত্রুটি ঘটতে পারে। উদ্দীপকে নজীব দীর্ঘ দশ বছর পর যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস থেকে ঢাকায় আসে। এখানকার গাড়ির কালো ধোঁয়া, কলকারখানায় নির্গত গ্যাস ব্যাপকভাবে বায়ু দূষণ সৃষ্টি করে। যা মানব স্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য ব্যাপক ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
81
উত্তরঃ

উদ্দীপকে সৃষ্ট দূষণটি হলো বায়ুদূষণ যা মানব স্বাস্থ্যের ওপর ব্যাপক প্রভাব সৃষ্টি করে।

নিচে, বায়ুদূষণ প্রতিরোধে করণীয় পদক্ষেপ সম্পর্কে আলোচনা করা হলো- সমাজের সকল স্তরের মানুষকে বায়ুদূষণের কারণ ও প্রভাব সম্পর্কে সচেতন করতে হবে। বায়ুদূষণের বর্তমান অবস্থা পরিমাপের জন্য ব্যাপক জরিপ ও পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থা রাখতে হবে। জনসাধারণকে বায়ুদূষণের ফলে মানুষের স্বাস্থ্য ও সম্পদের কী ক্ষতি হতে পারে সে সম্বন্ধে পরিচিতি প্রদান করতে হবে।
পরিবেশে জনসংখ্যা ভার কমাতে হবে। পরিবেশ বান্ধব প্রযুক্তি ব্যবহারে মানুষকে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। বায়ুদূষণ প্রতিরোধে দেশে বিদ্যমান আইন যথাযথভাবে মেনে চলতে হবে। সম্পদের যথাযথ ব্যবহার করতে হবে। ইটের ভাটায় কাঠের পরিবর্তে কয়লা ব্যবহার করতে হবে। যানবাহনে ডিজেলের পরিবর্তে সিএনজির ব্যবহার বৃদ্ধি করতে হবে। নির্বিচারে গাছ কাটা বন্ধ করে বনায়ন করতে হবে। পরিশেষে বলা যায়, জাতিসংঘের পরিবেশ সংশ্লিষ্ট বিশেষ করে বায়ুদূষণ প্রতিরোধে গৃহীত বিভিন্ন এজেন্ডা বাস্তবায়নের দেশকে যথার্থ ভূমিকা পালন করতে হবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
78
উত্তরঃ

বায়ুমণ্ডলে প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ায় সংঘটিত কার্বনচক্রের মাধ্যমে কার্বন-ডাইঅক্সাইডের ভারসাম্য বজায় থাকে।

উদ্ভিদ সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় খাদ্য উৎপন্ন করে এবং প্রাণী ও উদ্ভিদ উভয়ই গ্লুকোজরূপে তা গ্রহণ করে। প্রাণী খাদ্য হিসেবে উদ্ভিদ গ্রহণ করে এবং উভয়ের দেহেই কার্বন যৌগ তথা গ্লুকোজ জারিত হয়ে কার্বন-ডাইঅক্সাইডরূপে প্রকৃতিতে ফিরে যায়। নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ার উদ্ভিদ CO2 গ্রহণ এবং প্রাণী CO2ত্যাগ করে। এভাবে উদ্ভিদ ও প্রাণীর মাধ্যমে বিভিন্ন প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ায় বায়ুমণ্ডলে কার্বন-ডাইঅক্সাইডের ভারসাম্য বজায় থাকে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
91
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews