'শতাব্দী' শব্দের অর্থ কী?

Updated: 7 months ago
উত্তরঃ

'শতাব্দী' শব্দের অর্থ একশ বছর।

224

কোথা থেকে এসেছে আমাদের বাংলা ভাষা? ভাষা কি জন্ম নেয় মানুষের মতো? বা যেমন বীজ থেকে গাছ জন্মে তেমনভাবে জন্ম নেয় ভাষা? না, ভাষা মানুষ বা তরুর মতো জন্ম নেয় না। বাংলা ভাষাও মানুষ বা তরুর মতো জন্ম নেয়নি, কোনো কল্পিত স্বর্গ থেকেও আসেনি। এখন আমরা যে বাংলা ভাষা বলি, এক হাজার বছর আগে তা ঠিক এমন ছিল না। এক হাজার বছর পরও ঠিক এমন থাকবে না। ভাষার ধর্মই বদলে যাওয়া । বাংলা ভাষার আগেও এদেশে ভাষা ছিল। সে ভাষায় এদেশের মানুষ কথা বলত, গান গাইত, কবিতা বানাত । মানুষের মুখে মুখে বদলে যায় ভাষার ধ্বনি। রূপ বদলে যায় শব্দের, বদল ঘটে অর্থের। অনেকদিন কেটে গেলে মনে হয় ভাষাটি একটি নতুন ভাষা হয়ে উঠেছে। আর সে ভাষার বদল ঘটেই জন্ম হয়েছে বাংলা ভাষার আজ থেকে একশ বছর আগেও কারও কোনো স্পষ্ট ধারণা ছিল না বাংলা ভাষার ইতিহাস সম্পর্কে। কেউ জানত না কত বয়স এ ভাষার। সংস্কৃত ভাষার অনেক শব্দ ব্যবহৃত হয় বাংলা ভাষায়। এক দল লোক মনে করতেন ওই সংস্কৃত ভাষাই বাংলার জননী। বাংলা সংস্কৃতের মেয়ে। তবে দুষ্টু মেয়ে, যে মায়ের কথা মতো চলেনি। না চলে চলে অন্য রকম হয়ে গেছে। তবে উনিশ শতকেই আরেক দল লোক ছিলেন, যাঁরা মনে করতেন বাংলার সাথে সংস্কৃতের সম্পর্ক বেশ দূরের। তাঁদের মতে, বাংলা ঠিক সংস্কৃতের কন্যা নয়। অর্থাৎ সরাসরি সংস্কৃত ভাষা থেকে উৎপত্তি ঘটেনি বাংলার। ঘটেছে অন্য কোনো ভাষা থেকে। সংস্কৃত ছিল সমাজের উঁচু শ্রেণির মানুষের লেখার ভাষা। তা কণ্ঠ্য ছিল না। কথা বলত মানুষেরা নানা রকম 'প্রাকৃত' ভাষায় ৷ প্রাকৃত ভাষা হচ্ছে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের কথ্য ভাষা। তাঁরা বিশ্বাস করতেন যে, সংস্কৃত থেকে নয়, প্রাকৃত ভাষা থেকেই উদ্ভব ঘটেছে বাংলা ভাষার ।

কিন্তু নানা রকম প্রাকৃত ছিল ভারতবর্ষের বিভিন্ন অঞ্চলে। তাহলে কোন প্রাকৃত থেকে উদ্ভব ঘটেছিল বাংলার? এ সম্পর্কে প্রথম স্পষ্ট মত প্রকাশ করেন জর্জ আব্রাহাম গ্রিয়ারসন। বহু প্রাকৃতের একটির নাম মাগধী প্রাকৃত। তাঁর মতে মাগধী প্রাকৃতের কোনো পূর্বাঞ্চলীয় রূপ থেকে জন্ম নেয় বাংলা ভাষা। পরে বাংলা ভাষার উদ্ভব ও বিকাশের বিস্তৃত ইতিহাস রচনা করেন ডক্টর সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় এবং আমাদের চোখে স্পষ্ট ধরা দেয় বাংলা ভাষার ইতিহাস। যে ইতিহাস বলার জন্য আমাদের একটু পিছিয়ে যেতে হবে। পিছিয়ে যেতে হবে অন্তত কয়েক হাজার বছর।

ইউরোপ ও এশিয়ার বেশ কিছু ভাষার ধ্বনিতে, শব্দে লক্ষ করা যায় গভীর মিল। এ ভাষাগুলো যে সব অঞ্চলে ছিল ও এখন আছে, তার সবচেয়ে পশ্চিমে ইউরোপ আর সবচেয়ে পূর্বে ভারত ও বাংলাদেশ। ভাষাতাত্ত্বিকেরা এ ভাষাগুলোকে একটি ভাষাবংশের সদস্য বলে মনে করেন। ওই ভাষাবংশটির নাম ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষাবংশ বা ভারতী-ইউরোপীয় ভাষাবংশ। ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষাবংশে আছে অনেকগুলো ভাষা-শাখা, যার একটি হচ্ছে ভারতীয় আর্যভাষা । ভারতীয় আর্যভাষার প্রাচীন ভাষাগুলোকে বলা হয় প্রাচীন ভারতীয় আর্যভাষা। প্রাচীন ভারতীয় আর্যভাষার প্রাচীন রূপ পাওয়া যায় ঋগ্বেদের মন্ত্রগুলোতে। এগুলো সম্ভবত লিখিত হয়েছিল যিশুখ্রিষ্টের জন্মেরও এক হাজার বছর আগে, অর্থাৎ ১০০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে। বেদের শ্লোকগুলো পবিত্র বিবেচনা করে তার অনুসারীরা সেগুলো মুখস্থ করে রাখত। শতাব্দীর পর শতাব্দী কেটে যেতে থাকে। মানুষ দৈনন্দিন জীবনে যে ভাষা ব্যবহার করত বদলে যেতে থাকে সে ভাষা। এক সময় সাধারণ মানুষের কাছে দুর্বোধ্য হয়ে ওঠে বেদের ভাষা বা বৈদিক ভাষা। তখন ব্যাকরণবিদরা নানা নিয়ম বিধিবদ্ধ করে একটি মানসম্পন্ন ভাষা সৃষ্টি করেন। এই ভাষার নাম ‘সংস্কৃত’, অর্থাৎ বিধিবদ্ধ, পরিশীলিত, শুদ্ধ ভাষা। খ্রিষ্টপূর্ব ৪০০ অব্দের আগেই এ ভাষা বিধিবদ্ধ হয়েছিল।

যিশুর জন্মের আগেই পাওয়া যায় ভারতীয় আর্য-ভাষার তিনটি স্তর। প্রথম স্তরটির নাম বৈদিক বা বৈদিক সংস্কৃত । খ্রিষ্টপূর্ব ১২০০ অব্দ থেকে খ্রিষ্টপূর্ব ৮০০ অব্দ এ ভাষার কাল। তারপর পাওয়া যায় সংস্কৃত। খ্রিষ্টপূর্ব ৮০০ অব্দের দিকে এটি সম্ভবত বিধিবদ্ধ হতে থাকে এবং খ্রিষ্টপূর্ব ৪০০ অব্দের দিকে ব্যাকরণবিদ পাণিনির হাতেই এটি চূড়ান্তভাবে বিধিবদ্ধ হয়। বৈদিক ও সংস্কৃতকে বলা হয় প্রাচীন ভারতীয় আর্যভাষা। প্রাকৃত ভাষাগুলোকে বলা হয় মধ্যভারতীয় আর্যভাষা। মোটামুটিভাবে খ্রিষ্টপূর্ব ৪৫০ অব্দ থেকে ১০০০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত এ ভাষাগুলো কথ্য ও লিখিত ভাষারূপে ভারতের বিভিন্ন স্থানে প্রচলিত থাকে। এ প্রাকৃত ভাষাগুলোর শেষ স্তরের নাম অপভ্রংশ অর্থাৎ যা খুব বিকৃত হয়ে গেছে। বিভিন্ন অপভ্রংশ থেকেই উৎপন্ন হয়েছে নানান আধুনিক ভারতীয় আর্যভাষা- বাংলা, হিন্দি, গুজরাটি, মারাঠি, পাঞ্জাবি প্রভৃতি ভাষা ।

ডক্টর সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় মনে করেন, পূর্ব মাগধী অপভ্রংশ থেকে উদ্ভূত হয়েছে বাংলা; আর আসামি ও ওড়িয়া ভাষা। তাই বাংলার সাথে খুব ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক আসামি ও ওড়িয়ার। আর কয়েকটি ভাষার ঘনিষ্ঠ আত্মীয়তা রয়েছে বাংলার সঙ্গে; কেননা সেগুলোও জন্মেছিল মাগধী অপভ্রংশের অন্য দুটি শাখা থেকে। ওই ভাষাগুলো হচ্ছে মৈথিলি,মাগধি, ভোজপুরিয়া। ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ বাংলা ভাষার উৎপত্তি সম্পর্কে অবশ্য একটু ভিন্ন মত পোষণ করেন। তিনি একটি প্রাকৃতের নাম বলেন গৌড়ী প্রাকৃত। তিনি মনে করেন, গৌড়ী প্রাকৃতেরই পরিণত অবস্থা গৌড়ী অপভ্রংশ থেকে উৎপত্তি ঘটে বাংলা ভাষার । 

Related Question

View All

'সংস্কৃত' শব্দের অর্থ কী? (জ্ঞানমূলক)

Updated: 7 months ago
উত্তরঃ

'সংস্কৃত' শব্দের আভিধানিক অর্থ মার্জিত, সংশোধিত বা পরিমার্জিত করা হয়েছে এমন।

572

একদল লোক বাংলাকে 'সংস্কৃতের মেয়ে' মনে করত কেন? (অনুধাবন)

Updated: 7 months ago
উত্তরঃ

সংস্কৃত ভাষার অনেক শব্দ বাংলা ভাষায় এসেছে, এ কারণেই একদল লোক বাংলাকে সংস্কৃতের মেয়ে মনে করত।

একদল লোক মনে করত বাংলা সংস্কৃতের দুষ্টু মেয়ে। সংস্কৃত শব্দ থেকেই জন্ম নেয় বাংলা শব্দ। তবে দুষ্টু মেয়ে মায়ের কথামতো চলেনি। ফলে পরিবর্তন হতে হতে অন্য রকম হয়ে গেছে। তবে বাংলা ভাষার বিবর্তনের ক্ষেত্রে অধিকাংশ ভাষাবিদ এ মত স্বীকার করেননি।

360

অনুচ্ছেদের ১ নং বৈশিষ্ট্যটির মধ্য দিয়ে 'বাংলা ভাষার জন্মকথা' প্রবন্ধের কোন দিকটি প্রকাশ পেয়েছে? ব্যাখ্যা কর। (প্রয়োগ)

Updated: 7 months ago
উত্তরঃ

অনুচ্ছেদের ১ নং বৈশিষ্ট্যটির মধ্য দিয়ে 'বাংলা ভাষার জন্মকথা' প্রবন্ধের ভাষার পরিবর্তনশীলতার দিকটি প্রকাশ পেয়েছে।

ভাষা নিয়ত পরিবর্তনশীল। সৃষ্টির শুরু থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত ভাষা সর্বদা পরিবর্তন হচ্ছে। এ কারণেই পূর্বে ভাষা যেমন ছিল বর্তমানে ঠিক তেমন নেই। ভাষার অনেক পরিবর্তন সাধিত হয়েছে।

'বাংলা ভাষার জন্মকথা' প্রবন্ধে হুমায়ুন আজাদ বলেছেন, 'ভাষার ধর্মই বদলে যাওয়া।' বর্তমানে আমরা যে বাংলা ভাষায় কথা বলি, পূর্বে তা এমন ছিল না, ভবিষ্যতেও আজকের মতো এমন থাকবে না। দিনের পর দিন মানুষের মুখে মুখে ভাষা ব্যবহৃত হতে হতে তার রূপ, অর্থ বা ধ্বনি বদলে যায়। আলোচ্য উদ্দীপকেও বলা হয়েছে, ভাষা যত কঠিনই হোক, ক্রমান্বয়ে ব্যবহারের ফলে তা সহজ ও সরল হয়ে ওঠে অর্থাৎ ভাষার শব্দগুলোর ধ্বনি বা রূপ পরিবর্তন হয়। যেমন- চক্র > চক্ক> চাকা। তাই বলা যায় যে, অনুচ্ছেদের ১ নং বৈশিষ্ট্যের মধ্য দিয়ে আলোচ্য প্রবন্ধের ভাষার পরিবর্তনশীলতার দিকটি প্রকাশ পেয়েছে।

179

ইফতি পিয়ার পঠিত ২ নং বৈশিষ্ট্যটি 'বাংলা ভাষার জন্মকথা' প্রবন্ধের আলোকে বিশ্লেষণ কর। (উচ্চতর দক্ষতা)

Updated: 7 months ago
উত্তরঃ

ইফতি পিয়ার পঠিত ২ নং বৈশিষ্ট্যটি 'বাংলা ভাষার জন্মকথা' প্রবন্ধের আলোকে যথার্থ।

ভাষা গতিশীল। মানুষের মুখে মুখে বদলাতে থাকে ভাষা। পৃথিবীর প্রতিটি ভাষার বর্তমান রূপ সেই ভাষার পূর্ব রূপের পরিবর্তিত ফল।

'বাংলা ভাষার জন্মকথা' প্রবন্ধটিতে লেখক বাংলা ভাষার উৎপত্তি ও বিকাশ সম্পর্কে আলোচনা করেছেন। লেখক বলেছেন, মানুষের মুখে মুখে বদলে যায় ভাষার ধ্বনি, রূপ বা অর্থ। বিভিন্ন স্তরের মধ্য দিয়ে ভাষার রূপ পরিবর্তন হয়, পরিবর্তন ঘটে স্থান ও কালের জন্য। এই বিষয়টি উদ্দীপকের ইফতি পিয়ার পঠিত ২. নং বৈশিষ্ট্যেও প্রকাশ পেয়েছে। সেখানে ইফতি পিয়া জেনেছে কালের পরিক্রমায় একটি ভাষার স্থানিক ও কালিক বৈশিষ্ট্য ধারণ করে বহুরূপী হয়ে ওঠে।

উদ্দীপকের ২ নং বৈশিষ্ট্যে প্রকাশ পেয়েছে ভাষার স্থানিক ও কালিক বৈশিষ্ট্য ধারণ করে বহুরূপী হয়ে ওঠার কথা। এছাড়াও বলা হয়েছে ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষাবংশের কথা। আলোচ্য প্রবন্ধেও বলা হয়েছে, ইউরোপ ও এশিয়ার বেশকিছু ভাষার ধ্বনিতে শব্দে মিল রয়েছে। ভাষাতাত্ত্বিকদের মতে, এ ভাষাবংশটির নাম ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষাবংশ। যে ভাষাবংশ থেকে সৃষ্টি হয়েছে হাজার হাজার ভাষা। অর্থাৎ স্থান ও কালের বৈশিষ্ট্যে ভাষার পার্থক্য সৃষ্টি হলেও একই ভাষাবংশের হওয়ায় এগুলোর মধ্যে গভীর মিলও পরিলক্ষিত হয়। তাই বলা যায় যে, ইফতি পিয়ার পঠিত ২ নং বৈশিষ্ট্যটি আলোচ্য প্রবন্ধের আলোকে যথার্থ।

152

'অলৌকিক ইস্টিমার' কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা কে? (জ্ঞানমূলক)

Updated: 7 months ago
উত্তরঃ

'অলৌকিক ইস্টিমার' কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা হুমায়ুন আজাদ।

134

এক হাজার বছর পর বাংলা ভাষা ঠিক এমন থাকবে না। কেন? বুঝিয়ে লেখ। (অনুধাবন)

Updated: 7 months ago
উত্তরঃ

ভাষার বদলে যাওয়া ধর্মের কারণে এক হাজার বছর পর বাংলা ভাষা বর্তমানে রূপে আছে ঠিক এমন থাকবে না।

ভাষার ধর্মই বদলে যাওয়া। বাংলা ভাষার জন্ম কোনো গাছ বা মানুষের মতো হয়নি বা কোনো কল্পিত স্বর্গ থেকেও আসেনি। ভাষার বদলের মধ্য দিয়েই জন্ম হয়েছে বাংলা ভাষার। মানুষের মুখে মুখে ব্যবহারের ফলে বদলে যায় ভাষার ধ্বনি। এখন আমরা যে বাংলা ভাষায় কথা বলি তা এক হাজার বছর আগে এমন ছিল না। আর এ কারণেই এক হাজার বছর পরও বাংলা ভাষা ঠিক এমন থাকবে না।

183
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews