উদ্দীপক অনুসারে শফিকের বিজ্ঞান শিক্ষকের মন্তব্য হচ্ছে-মাইক্রোফোন ও স্পিকারের কার্যক্রম একটি আরেকটির বিপরীত।
মাইক্রোফোনের সামনে ধাতুর একটি পাতলা পাত বা ডায়াফ্রাম থাকে।
ডায়াফ্রামের সাথে একটা চলকুণ্ডলী লাগানো থাকে যেটি একটি চৌম্বকীয় ক্ষেত্রের ভেতর নড়াচড়া করতে পারে। যখন কেউ এই মাইক্রোফোনের সামনে কথা বলে তখন ডায়াফ্রামটি শব্দ তরঙ্গের কম্পনের সাথে কাঁপতে থাকে। ডায়াফ্রামের সাথে লাগানো চলকুণ্ডলীটিও চৌম্বক ক্ষেত্রে সামনে পেছনে নড়তে থাকে। চৌম্বক ক্ষেত্রে একটি চলকুণ্ডলী নড়াচড়া করলে সেখানে একটি বিদ্যুৎ শক্তির আবেশ হয়। এভাবে মাইক্রোফোন শব্দ শক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তর করে।
অন্যদিকে স্পিকারে চৌম্বকক্ষেত্রের মধ্যে থাকা চলকুণ্ডলীটি কাগজ বা হালকা ধাতুর তৈরি একটি কোন বা শঙ্কুর সাথে লাগানো থাকে। যখন শব্দ থেকে তৈরি বৈদ্যুতিক সিগন্যালকে এমপ্লিফায়ার দিয়ে বিবর্ধিত করে স্পিকারে পাঠানো হয় তখন শত্রুটি সামনে পেছনে কম্পিত হয়ে যথাযথ শব্দ তৈরি করে। এভাবে স্পিকার বৈদ্যুতিক শক্তিকে শব্দ শক্তিতে রূপান্তর করে।
উপরের আলোচনা থেকে বলা যায়, মাইক্রোফোন ও স্পিকারের কার্যক্রম একটি আরেকটির বিপরীত। অর্থাৎ শফিকের বিজ্ঞান শিক্ষকের মন্তব্যটি যথার্থ।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!