লালশাকের একটি জাতের নাম হলো আলতাপাটি।
মাঠ ফসলের ২টি বৈশিষ্ট্য :
১. মাঠ ফসল বৃহত্তর পরিসরে চাষাবাদ করা হয়।
২. মানুষ ও পশু খাদ্যের জন্য চাষ করা হয়।
লালশাকের বীজ বপনের জন্য শফিককে প্রথমে ৪-৫টি চাষ ও মই দিয়ে জমি ঝুরঝুরা করে তৈরি করতে হবে। এরপর প্রয়োজনীয় সার প্রয়োগের পর বীজ বপন করতে হবে। বীজ বপনের পদ্ধতি নিম্নরূপ হবে-
লালশাকের বীজ ছিটিয়ে ও সারিতে বপন করা যায়। সারিতে বপন করলে পরিচর্যা করা সুবিধাজনক এবং ফলনও বেশি হয়। বর্ষার সময় চাষ করলে এক মিটার চওড়া এবং ১৫ সে.মি. উঁচু বেড করে বীজ বপন করতে হয়। সেক্ষেত্রে দুটি বেডের মাঝে ৩০ সে.মি. সেচ নালা রাখতে হয়। বপনের সময় বালির সাথে মিশিয়ে বপন করলে বীজ সব জায়গায় সমভাবে পড়তে পারে। প্রতি শতক জমিতে ১০ গ্রাম বীজ হলেই চলে। সারিতে বপন করলে, ২০ সে.মি. দূরে দূরে কাঠির সাহায্যে ১.৫-২.০ সে.মি. গভীর করে লাইন টেনে লাইনে বীজ ছিটিয়ে মাটি সমান করে দিতে হবে।
সাধারণত সবার বাড়ির পাশেই কিছু না কিছু খালি জায়গা বা জমি থাকে। এসব জায়গা সাধারণত অব্যবহৃতই পড়ে থাকে। কিন্তু যদি এ ধরনের খালি জায়গায় শাকসবজি ও ফল জাতীয় গাছ লাগানো হয় তবে তা একদিকে যেমন পারিবারিক পুষ্টির উৎস হিসেবে কাজ করবে তেমনি তা অর্থনৈতিকভাবেও লাভজনক হবে। শফিকের বাড়ির পাশে যে জমি আছে শফিক সেখানে লালশাক চাষের সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং এ ব্যাপারে একজন কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শও নিয়েছে। লালশাকে প্রচুর ভিটামিন আছে আবার বাজারে এর চাহিদাও রয়েছে। শফিক যেহেতু কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শ অনুযায়ী লালশাক চাষ করছে এক্ষেত্রে তার সফলতার সম্ভাবনাও বেশি। চাষকৃত লালশাক একদিকে যেমন শফিকের পরিবারের পুষ্টির উৎস হিসেবে কাজ করবে তেমনি অতিরিক্ত লালশাক বাজারে বিক্রি করে সে আর্থিকভাবেও লাভজনক হতে পারবে। সুতরাং শফিকের সিদ্ধান্তটি যথার্থ।
Related Question
View Allবসতবাড়ির আশপাশের উঁচু জমিতে বাগান করে যে ফুল, ফল,, শাকসবজি ইত্যাদি ফলানো হয় তাকে উদ্যান ফসল বলে।
লালশাকের বীজ অত্যন্ত ছোট বলে সঠিকভাবে বপন করা যায় না। তাই বপনের সময়ে বীজ যাতে সব জায়গায় সমভাবে পড়ে তা নিশ্চিত করার জন্য বীজের সাথে বালি বা ছাই মিশিয়ে নেওয়া হয়।
রওশন আরার টমেটো চাষের জমির পরিমাণ ৩ শতাংশ।
আমরা জানি,
১ শতাংশ জমিতে গোবর সার লাগে ৩০ – ৫০ কেজি
৩ শতাংশ জমিতে গোবর সার লাগবে (৩০-৫০) ৩
= ৯০ – ১৫০ কেজি
সুতরাং ৯০ – ১৫০ কেজি গোবর সার প্রয়োগ করেছিল।
একজন পূর্ণ বয়স্ক ব্যক্তির দৈনিক ২৭৫ গ্রাম শাকসবজি খাওয়া উচিত। অথচ বেশিরভাগ মানুষই অর্থ ও সচেতনতার অভাবে এ চাহিদা পূরণ করতে ব্যর্থ হয়। আমাদের প্রত্যেকের বাড়ির পাশে কিছু না কিছু খালি জায়গা পড়ে থাকে। আমরা যদি এ খালি জায়গায় নানা রকম শাকসবজি চাষ করি তবে খুব সহজেই আমরা আমাদের প্রতিদিনের প্রয়োজনীয় পুষ্টি চাহিদা পূরণ করতে পারি। অথচ শুধুমাত্র উদ্যোগের অভাবে আমরা এ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছি। যেমন উদ্যোগ নিয়েছেন রওশন আরা। তার শাকসবজি চাষের উদ্যোগটি তার পরিবারের পুষ্টি চাহিদা পূরণে যথেষ্ট হবে। অধিকন্তু অতিরিক্ত সবজি বিক্রি করে সে টাকা দিয়ে তিনি নানা রকম ফল ক্রয় করতে পারেন। যা তার পরিবারের সদস্যদের দৈনিক ফলের চাহিদাও পূরণ করবে।
অর্থাৎ দেখা যাচ্ছে পারিবারিক খাদ্য ও পুষ্টি চাহিদা পূরণে রওশন আরার উদ্যোগটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
যে সকল মাছের পোনা সহজলভ্য, তাড়াতাড়ি বাড়ে, পুষ্টিমান ভালো ও খেতে সুস্বাদু সেসব মাছকেই চাষযোগ্য মাছ বলে ।
বাজারে মাছের চাহিদা প্রচুর। তাই যে কেউ মাছ চাষ করে অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হতে পারে। একই সাথে দেশীয় অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
