আত্মাহুতি -নিজের জীবন বিসর্জন
চিরদিন -চিরকাল
নির্মম -নিষ্ঠুর, মমতাশূন্য
আক্রমণ - অন্যের ওপর হামলা
কেল্লা - দুর্গ, সুরক্ষিত আশ্রয়
অভ্যুত্থান - গণআন্দোলন, বিদ্রোহ
ক্যান্টনমেন্ট - সেনানিবাস
আন্দোলন - কোনো লক্ষ অর্জনের উদ্দেশ্যে প্রচার; সংঘবদ্ধ বিক্ষোভ
বৈষম্য - অসমতা
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Related Question
View Allযাঁরা ন্যায়ের পথে যুদ্ধ করতে গিয়ে মারা যান, তাঁদের আমরা শহিদ বলি।
তিতুমীর ইংরেজদের আক্রমণ প্রতিহত করার জন্য বাঁশের কেল্লা বানিয়েছিলেন।
সূর্যসেনকে আটক করার পর তাঁকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে হত্যা করা হয়।
সালাম, বরকত, রফিক, জব্বার শহিদ হন বায়ান্নোর ভাষা আন্দোলনে
ভাষা শহিদের স্মৃতি রক্ষার্থে নির্মাণ করা হয় শহিদ মিনার
১৯৬৯ সালে একটি গণঅভ্যুত্থান হয়েছিল ।
সরকারি বাহিনী নির্মমভাবে সেই আন্দোলন দমন করতে চায়।
রংপুরে ছাত্রনেতা আবু সাঈদ দুই হাত প্রসারিত করে দাঁড়ান।
আজ থেকে প্রায় দুশো বছর আগে ইংরেজদের নির্যাতন থেকে এ দেশের কৃষকদের বাঁচাতে গিয়ে যুদ্ধ করেছিলেন তিতুমীর। ইংরেজ আক্রমণ প্রতিহত করার জন্য তিনি বাঁশের কেল্লা বানিয়েছিলেন। সেই কেল্লায় তিনি কৃষক সৈন্যদের সাথে নিয়ে যুদ্ধ করতে করতে শহিদ হয়েছিলেন। আমরা তাঁকে কখনো ভুলব না।
তিতুমীর যুদ্ধ করেছিলেন এ দেশের কৃষককে বাঁচাতে।
সূর্যসেনকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে হত্যা করা হয়।
ভারত ও পাকিস্তান স্বাধীন হয় ১৯৪৭ সালে।
ভাষা শহিদদের স্মরণে তৈরি হয়েছে শহিদ মিনার।
পুলিশের গুলির মুখে আবু সাঈদ দুই হাত প্রসারিত করে দাঁড়ান।
প্রায় দুশো বছর ইংরেজরা এ দেশ শাসন করেছিল। তারা এ দেশের কৃষকদের নির্যাতন করত। তিতুমীর কৃষকদের বাঁচাতে যুদ্ধ করেছিলেন। এমনকি সে যুদ্ধে ইংরেজদের আক্রমণ প্রতিহত করতে তিনি বাঁশের কেল্লা নির্মাণ করেন। এ যুদ্ধে নির্ভীক তিতুমীর কৃষক সৈনিকদের সাথে নিয়ে লড়াই করতে করতে শহিদ হন।
প্রায় দুশো বছর ইংরেজরা এ দেশ শাসন করেছে। সূর্যসেন ও প্রীতিলতা ইংরেজ শাসকদের হাত থেকে এ দেশকে মুক্ত করার জন্য যুদ্ধ করেছিলেন। ইংরেজ শাসকরা সূর্যসেনকে আটক করে তাকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে হত্যা করে। অন্যদিকে প্রীতিলতা ইংরেজদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের সময় নিজের জীবন আত্মাহুতি দেন।
পাকিস্তানি সরকার আমাদের ভাষার অধিকার হরণ করতে চেয়েছিল। তাই বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি ছাত্র-জনতা আন্দোলন করেছিলেন। সেই আন্দোলনে সালাম, বরকত, রফিক, জব্বারসহ নাম না জানা অনেকে শহিদ হন। মূলত বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে তাঁরা প্রাণ দিয়েছিলেন। তাঁদের স্মরণ করেই শহিদ মিনার নির্মিত হয়। প্রতিবছর ২১শে ফেব্রুয়ারিতে আমরা ভাষা শহিদদের শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করি ।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!