শব্দগুলো কোন উপায়ে গঠিত লিখুন এবং গঠনরূপ ভেঙে দেখান:

Updated: 6 months ago
উত্তরঃ তদ্ধিত প্রত্যয় যোগে। মায়া + বী = মায়াবী।

যে প্রত্যয় ধাতু বা ক্রিয়ামূলের পরে না বসে নামশব্দ (বিশেষ্য, বিশেষণ, অব্যয়) বা শব্দের শেষে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে, তাকে তদ্ধিত প্রত্যয় বলে। তদ্ধিত প্রত্যয় সাধিত শব্দ সর্বদাই বিশেষ্য বা বিশেষণ পদ হয়।

এখানে 'মায়া' একটি বিশেষ্য পদ। এর সাথে 'বী' (বাংলা তদ্ধিত প্রত্যয়) যুক্ত হয়ে 'মায়াবী' শব্দটি গঠিত হয়েছে। 'মায়াবী' একটি বিশেষণ পদ, যা 'মায়া' অর্থে ব্যবহৃত হয়। যেমন: মায়াবী রাত (enchanting night)।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
উত্তরঃ

ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস


বিশ্বাসযোগ্য শব্দটি ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস প্রক্রিয়ার মাধ্যমে গঠিত। এটি একটি সমাসবদ্ধ পদ, যেখানে পূর্বপদ এবং পরপদের মধ্যে অর্থগত সম্পর্ক স্থাপিত হয়েছে।

এর গঠনরূপ নিম্নরূপ:

        
  • ব্যাস বাক্য: বিশ্বাসের যোগ্য
  •     
  • সমস্যমান পদ: বিশ্বাস (পূর্বপদ) + যোগ্য (পরপদ)

ব্যাখ্যা:

তৎপুরুষ সমাসে সাধারণত পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান রূপে প্রতিভাত হয়। যখন পূর্বপদের সঙ্গে ষষ্ঠী বিভক্তি (যেমন 'এর' বা 'র') যুক্ত থাকে এবং সমাস গঠনের সময় সেই বিভক্তি লোপ পায়, তখন তাকে ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস বলে। এখানে, 'বিশ্বাসের' পদ থেকে 'এর' ষষ্ঠী বিভক্তিটি লোপ পেয়ে 'বিশ্বাসযোগ্য' শব্দটি গঠিত হয়েছে। এই পদটিতে 'যোগ্য' (অর্থাৎ, 'যোগ্যতা') অর্থটিই প্রধান।

উল্লেখ্য, 'যোগ্য' শব্দটি নিজেই একটি কৃত প্রত্যয়ান্ত পদ (যুজ্ ধাতু + ঘ্যণ প্রত্যয়)। তবে, 'বিশ্বাসযোগ্য' পদটিকে ব্যাকরণগতভাবে 'বিশ্বাসের যোগ্য' এই ব্যাসবাক্যের সাহায্যে একটি সমাসবদ্ধ পদ হিসেবেই বিশ্লেষণ করা হয়, যা শব্দের অর্থ ও গঠন উভয়েরই স্পষ্ট ধারণা দেয়।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
উত্তরঃ

উদ্ধার শব্দটি একটি তৎসম শব্দ, যা উপসর্গকৃৎপ্রত্যয় যোগে গঠিত হয়েছে।

এর গঠনরূপটি নিম্নরূপ:
উৎ (উপসর্গ) + √হৃ (ধাতু) + (কৃৎপ্রত্যয়) = উদ্ধার

এখানে, 'উৎ' একটি সংস্কৃত উপসর্গ, যা 'ওপর', 'ঊর্ধ্ব' বা 'শ্রেষ্ঠত্ব' বোঝায়। '√হৃ' হলো সংস্কৃত ধাতু, যার অর্থ 'হরণ করা' বা 'বহন করা'। এবং 'অ' হলো একটি কৃৎপ্রত্যয় (সংস্কৃতের ভাববাচ্যের নিষ্পন্ন বিশেষ্যপদ তৈরির প্রত্যয়)। এই উপাদানগুলো একত্রিত হয়ে 'উদ্ধার' শব্দটি গঠিত হয়েছে, যার অর্থ কোনো বিপদ থেকে মুক্তি দান বা ফিরিয়ে আনা।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
উত্তরঃ

প্রত্যেক শব্দটি সন্ধির মাধ্যমে গঠিত। এটি যণ-সন্ধির একটি উদাহরণ।

গঠনরূপ:

প্রতি + এক = প্রত্যেক

ব্যাখ্যা:

দুটি সন্নিহিত ধ্বনির মিলনকে সন্ধি বলে। সন্ধির ফলে উচ্চারণে শ্রুতিমধুরতা আসে এবং নতুন শব্দ গঠিত হতে পারে। 'প্রত্যেক' শব্দটি স্বরসন্ধির অন্তর্ভুক্ত যণ-সন্ধির নিয়মে গঠিত হয়েছে।

যণ-সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, ই-কার (ই) বা ঈ-কারের (ঈ) পর ই বা ঈ ভিন্ন অন্য কোনো স্বরধ্বনি থাকলে ই বা ঈ স্থানে 'য' হয় এবং পরবর্তী স্বরধ্বনি 'য'-এর সাথে যুক্ত হয়। একইভাবে, উ-কার (উ) বা ঊ-কারের (ঊ) পর উ বা ঊ ভিন্ন অন্য কোনো স্বরধ্বনি থাকলে উ বা ঊ স্থানে 'ব' হয়; ঋ-কারের পর ঋ ভিন্ন অন্য কোনো স্বরধ্বনি থাকলে ঋ স্থানে 'র' হয়।

'প্রত্যেক' শব্দটির ক্ষেত্রে:

        
  • 'প্রতি' শব্দের শেষের ই-কার ('তি'-এর 'ই')
  •     
  • 'এক' শব্দের শুরুর এ-কার ('এ')

এখানে ই-কারের পর ভিন্ন স্বরধ্বনি 'এ' এসেছে। তাই, ই + এ > য + এ = 'যে' (য-ফলা এবং এ-কার) হয়ে 'প্রত্যেক' শব্দটি গঠিত হয়েছে। এটি বাংলা ব্যাকরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা প্রায়শই বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় দেখা যায়।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
উত্তরঃ

জলবায়ু শব্দটি দ্বন্দ্ব সমাস প্রক্রিয়ায় গঠিত।

এর গঠনরূপ ভেঙে দেখালে হয়: জল ও বায়ু।


বাংলা ব্যাকরণে, সমাস হলো পরস্পর সম্পর্কযুক্ত একাধিক পদের একপদীকরণ প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে বাক্যের সংক্ষেপণ ঘটে এবং অর্থগত গভীরতা বৃদ্ধি পায়। 'জলবায়ু' শব্দটি দ্বন্দ্ব সমাসের একটি প্রকৃষ্ট উদাহরণ।

দ্বন্দ্ব সমাস-এর মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ হলো:

        
  • যে সমাসে সমস্যমান প্রত্যেকটি পদের অর্থ সমানভাবে প্রধান থাকে, তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলে। এখানে কোনো পদ অন্য পদের অর্থকে গৌণ করে না।
  •     
  • এই সমাসে ব্যাসবাক্যে সাধারণত 'ও', 'এবং', 'আর' এই অব্যয় পদগুলো ব্যবহৃত হয় এবং সমাসবদ্ধ পদে সেগুলো লুপ্ত থাকে।
  •     
  • 'জলবায়ু' শব্দটিতে 'জল' এবং 'বায়ু' উভয় পদের অর্থই সমাসবদ্ধ পদে প্রধান রূপে বজায় থাকে এবং এদের সম্মিলিত অবস্থাই পৃথিবীর আবহাওয়া ও পরিবেশের মূল উপাদানকে নির্দেশ করে।

অন্যান্য দ্বন্দ্ব সমাসের উদাহরণ:

        
  • মা-বাবা (ব্যাসবাক্য: মা ও বাবা)
  •     
  • ভাই-বোন (ব্যাসবাক্য: ভাই ও বোন)
  •     
  • ভালো-মন্দ (ব্যাসবাক্য: ভালো ও মন্দ)
  •     
  • আয়-ব্যয় (ব্যাসবাক্য: আয় ও ব্যয়)

সুতরাং, 'জলবায়ু' শব্দটি 'জল' এবং 'বায়ু' নামক দুটি পদের 'ও' অব্যয় দ্বারা সংযুক্ত হয়ে এবং উভয় পদের অর্থ প্রাধান্য পেয়ে দ্বন্দ্ব সমাস গঠন করেছে, যা জল ও বায়ুর সম্মিলিত অবস্থাকে বোঝায়।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
উত্তরঃ প্রত্যয় সাধিত শব্দ (তদ্ধিত প্রত্যয়যোগে গঠিত)।

“মতলববাজ” শব্দটি তদ্ধিত প্রত্যয় যোগে গঠিত।

গঠনরূপ ভেঙে দেখালে: মতলব + বাজ = মতলববাজ।

        
  • এখানে, 'মতলব' হলো মূল শব্দ, যার অর্থ হলো উদ্দেশ্য বা অভিসন্ধি।
  •     
  • 'বাজ' হলো একটি ফারসি তদ্ধিত প্রত্যয়। এই প্রত্যয়টি যখন কোনো শব্দের সাথে যুক্ত হয়, তখন সেটি 'কোনো কিছুতে লিপ্ত বা পারদর্শী' অথবা 'সেই গুণের অধিকারী' বোঝায়। যেমন: ধোকাবাজ (ধোকা দিতে লিপ্ত), দাবাবাজ (দাবা খেলায় পারদর্শী)।

অতএব, 'মতলববাজ' বলতে এমন ব্যক্তিকে বোঝানো হয়, যার কোনো অসৎ উদ্দেশ্য বা গোপন অভিসন্ধি থাকে এবং যে সেই উদ্দেশ্য পূরণের জন্য কাজ করে। এটি একটি বিশেষণের মতো ব্যবহৃত হয়, যা কোনো ব্যক্তির উদ্দেশ্যমূলক বা চতুর প্রকৃতির ইঙ্গিত দেয়।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
175

Related Question

View All
উত্তরঃ

বাক্যে বিভিন্ন ধরনের ভুল হয়ে থাকে যা অর্থের বিকৃতি ঘটায়, যোগাযোগে বাধা সৃষ্টি করে এবং লেখার মান কমিয়ে দেয়। চাকরিপ্রার্থীদের জন্য সঠিক ও নির্ভুল বাক্য ব্যবহার অত্যন্ত জরুরি। প্রধানত নিম্নলিখিত ভুলগুলো দেখা যায়:

১. ব্যাকরণগত ভুল (Grammatical Errors):

        
  •         লিঙ্গঘটিত ভুল: বাংলা বাক্যে বিশেষ্য ও বিশেষণ পদে লিঙ্গ পরিবর্তনের নিয়ম রয়েছে।         
    ভুল: বিদুসী মহিলা।         
    শুদ্ধ: বিদুষী মহিলা। (অথবা বিদু্যৎসাহী পুরুষ)।     
  •     
  •         বচনঘটিত ভুল: একবচন বা বহুবচন ব্যবহারের ক্ষেত্রে ভুল।         
    ভুল: সকল ছাত্ররা মাঠে আছে।         
    শুদ্ধ: সকল ছাত্র মাঠে আছে। (অথবা ছাত্ররা মাঠে আছে)।     
  •     
  •         পুরুষঘটিত ভুল: ক্রিয়াপদের সঙ্গে পুরুষ অনুযায়ী সঠিক রূপের ব্যবহার না করা।         
    ভুল: আমি কালকে যাবো। (যদি প্রথম পুরুষের ক্রিয়াপদ না হয়)         
    শুদ্ধ: আমি কালকে যাব। (যদি উত্তম পুরুষের ক্রিয়াপদ হয়)         
    ভুল: তুমি কোথায় গিয়েছিস?         
    শুদ্ধ: তুমি কোথায় গিয়েছ? (বা তুই কোথায় গিয়েছিস?)     
  •     
  •         কারক ও বিভক্তিঘটিত ভুল: কারক ও বিভক্তির ভুল প্রয়োগ।         
    ভুল: তাকে দিয়ে কাজটি করা কঠিন।         
    শুদ্ধ: তার দ্বারা কাজটি করা কঠিন।     
  •     
  •         ক্রিয়াপদঘটিত ভুল: ক্রিয়ার কাল, পুরুষ বা বাচ্যের ভুল প্রয়োগ।         
    ভুল: সে বই পড়েছিল। (যদি বর্তমান কাল বোঝায়)         
    শুদ্ধ: সে বই পড়ছে।     
  •     
  •         বিশেষণ ও বিশেষ্য পদঘটিত ভুল: বিশেষণ পদের সঙ্গে বিশেষ্য পদের সঠিক ব্যবহার না করা।         
    ভুল: দীর্ঘজীবী হও। (প্রাপ্যতা অনুযায়ী)         
    শুদ্ধ: দীর্ঘায়ু হও।     
  •     
  •         বাক্যগঠন রীতিঘটিত ভুল (Anacoluthon): বাক্যের এক অংশের সঙ্গে অন্য অংশের সঙ্গতি না থাকা।         
    ভুল: যেহেতু সে গরিব, তবুও সে সৎ।         
    শুদ্ধ: যেহেতু সে গরিব, সেহেতু সে সৎ। (অথবা, সে গরিব, তবুও সে সৎ।)     

২. শব্দপ্রয়োগঘটিত ভুল (Word Usage Errors):

        
  •         গুরুচণ্ডালী দোষ: সাধু ও চলিত ভাষার মিশ্রণ।         
    ভুল: সকল ছাত্রগণ বই হাতে নিয়া স্কুলে চলিল।         
    শুদ্ধ: সকল ছাত্রগণ বই হাতে নিয়ে স্কুলে চলল। (চলিত)         
    শুদ্ধ: সকল ছাত্রগণ পুস্তক হস্তে লইয়া বিদ্যালয়ে চলিল। (সাধু)     
  •     
  •         দ্বিরুক্তি দোষ: একই অর্থের একাধিক শব্দ পাশাপাশি ব্যবহার করা।         
    ভুল: কেবলমাত্র শুধুমাত্র তিনিই এ কাজ করতে পারেন।         
    শুদ্ধ: শুধুমাত্র তিনিই এ কাজ করতে পারেন। (অথবা কেবলমাত্র তিনিই এ কাজ করতে পারেন।)     
  •     
  •         বাগধারা/প্রবাদ প্রবচন ভুল প্রয়োগ: প্রচলিত বাগধারা বা প্রবাদের অর্থ বিকৃত করে ব্যবহার করা।         
    ভুল: সে কান পাতলে সব কথা শুনতে পায়।         
    শুদ্ধ: সে কান খাড়া করলে সব কথা শুনতে পায়।     
  •     
  •         বানান ভুল: শব্দের বানান ভুল লেখা।         
    ভুল: নদি, জাতিয়         
    শুদ্ধ: নদী, জাতীয়     
  •     
  •         পরিভাষা ভুল: ভুল পরিভাষা বা শব্দ ব্যবহার।         
    ভুল: তোমার পঠনটি ভালো হয়েছে।         
    শুদ্ধ: তোমার পাঠটি ভালো হয়েছে।     

৩. যতিচিহ্ন প্রয়োগঘটিত ভুল (Punctuation Errors):

        
  • বাক্যে কমা, সেমিকোলন, দাঁড়ি, প্রশ্নচিহ্ন ইত্যাদির ভুল বা অনুপস্থিত ব্যবহার।         
    ভুল: তুমি কি খাবে না যাবে?         
    শুদ্ধ: তুমি কি খাবে, না যাবে?     

৪. অর্থগত ভুল (Semantic Errors):

        
  •         অস্পষ্টতা (Ambiguity): বাক্যের একাধিক অর্থ হওয়ার কারণে অর্থ অস্পষ্ট থাকা।         
    ভুল: সে তার ভাইয়ের সাথে খেলছিল। (কার ভাই? নিজের না অন্য কারোর?)         
    শুদ্ধ: সে নিজের ভাইয়ের সাথে খেলছিল।     
  •     
  •         প্রয়োজনহীন শব্দ ব্যবহার (Redundancy): অপ্রয়োজনীয় শব্দ ব্যবহার করে বাক্যকে ভারাক্রান্ত করা।         
    ভুল: সকল দর্শকরাই উপস্থিত ছিলেন।         
    শুদ্ধ: সকল দর্শক উপস্থিত ছিলেন। (বা দর্শকরা উপস্থিত ছিলেন।)     

এই ভুলগুলো পরিহার করে সঠিক ও কার্যকরী যোগাযোগ স্থাপন করা যায়, যা পেশাগত জীবনে সাফল্যের জন্য অপরিহার্য।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
1k
উত্তরঃ

অকর্মার ঢেঁকি


প্রদত্ত বাক্যটিতে "ওকে দিয়ে কোনো কাজই হবে না, ও একটা কলুর বলদ" – এখানে "কলুর বলদ" প্রবাদটির ব্যবহার অর্থগত দিক থেকে ভুল।

        
  • কলুর বলদ: এই প্রবাদটি এমন ব্যক্তিকে বোঝায় যে নিরলসভাবে, একঘেয়ে ও উদ্দেশ্যহীনভাবে পরিশ্রম করে, অনেকটা যন্ত্রের মতো, কিন্তু তার কাজের কোনো নিজস্ব ফল বা সার্থকতা থাকে না। এটি সাধারণত কঠোর পরিশ্রমী কিন্তু নির্বোধ বা পরাধীন কর্মীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। যেমন: "সে কলুর বলদের মতো খেটে সারা জীবন কাটিয়ে দিল।"
  •     
  • অকর্মার ঢেঁকি: প্রদত্ত বাক্যের প্রথম অংশ "ওকে দিয়ে কোনো কাজই হবে না" দ্বারা ব্যক্তির অকর্মণ্যতা, অযোগ্যতা বা সম্পূর্ণ অকেজো অবস্থা বোঝানো হয়েছে। এই অর্থের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ সঠিক প্রবাদ হলো "অকর্মার ঢেঁকি"। এই প্রবাদটি এমন অলস ও অকেজো ব্যক্তিকে নির্দেশ করে, যে সমাজের বা পরিবারের বোঝা স্বরূপ।

অতএব, বাক্যটির অর্থগত শুদ্ধতার জন্য "কলুর বলদ" এর পরিবর্তে "অকর্মার ঢেঁকি" প্রবাদটি ব্যবহার করা উচিত।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
উত্তরঃ

আঙুল ফুলে কলাগাছ


প্রদত্ত প্রবাদটি হলো আঙুল ফুলে কলাগাছ। এই প্রবাদটির অর্থ হলো অত্যন্ত দরিদ্র বা সাধারণ অবস্থা থেকে আকস্মিকভাবে বিত্তশালী বা ক্ষমতাশালী হয়ে ওঠা। এটি সাধারণত অপ্রত্যাশিত বা অনায়াসলব্ধ সাফল্যের ক্ষেত্রে, কিংবা রাতারাতি ভাগ্য পরিবর্তনের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। এই প্রবাদটি সাধারণত ইতিবাচক অর্থে হঠাৎ করে বড়লোক হয়ে যাওয়াকে বোঝায়, যদিও এর মধ্যে শ্রমহীনতা বা অপ্রত্যাশিত প্রাপ্তির ইঙ্গিত থাকে।

প্রশ্নোক্ত বাক্যে, "আমি জানতাম তার এই দুর্গতিই হবে, কথায় বলে না- আঙুল ফুলে কলাগাছ!" – এখানে "দুর্গতি" (খারাপ অবস্থা বা দুর্ভাগ্য) বোঝানোর জন্য প্রবাদটি ভুলভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। "আঙুল ফুলে কলাগাছ" কোনো দুর্গতি বা খারাপ পরিণতিকে নির্দেশ করে না, বরং আকস্মিক ভালো ভাগ্য বা উন্নতিকে বোঝায়। সুতরাং, প্রবাদটি গঠনগতভাবে শুদ্ধ হলেও, প্রদত্ত বাক্যে এর প্রায়োগিক ক্ষেত্রে ভুল হয়েছে। দুর্গতি বোঝাতে অন্য কোনো প্রবাদ বা বাগধারা (যেমন: 'কপালের ফের', 'ভাগ্য বিড়ম্বনা') ব্যবহার করা অধিকতর উপযুক্ত হতো।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
উত্তরঃ

সময় থাকতে সাধো, সময় গেলে কাঁদো।


প্রদত্ত বাক্যটিতে "বসন্তের কোকিলের মতো ঘোরা" এই উক্তিটি প্রচলিত কোনো প্রবাদ বা বাগধারা নয় এবং এখানে এর প্রয়োগ প্রসঙ্গ-বহির্ভূত। বাংলায় "বসন্তের কোকিল" একটি প্রবাদ হিসেবে সুসময়ের বন্ধু বা সুবিধাবাদী ব্যক্তি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা শুধু ভালো সময়ে পাশে থাকে এবং খারাপ সময়ে থাকে না। এটি আলস্য বা অকর্মণ্যতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয় না।

পরীক্ষার পূর্বে বা কোনো গুরুত্বপূর্ণ কাজের আগে সময় অপচয় না করে প্রস্তুতি নেওয়া এবং কর্তব্যে অবহেলা না করা অর্থে সবচেয়ে উপযুক্ত ও প্রচলিত প্রবাদ হলো: "সময় থাকতে সাধো, সময় গেলে কাঁদো।"

এই প্রবাদটির মাধ্যমে বোঝানো হয় যে, উপযুক্ত সময়ে কোনো কাজ সম্পন্ন না করলে বা প্রস্তুতি গ্রহণ না করলে পরবর্তীতে অনুশোচনা করতে হয়। পরীক্ষার আগে পড়াশোনা না করে ঘুরে বেড়ানো বা আলস্যে সময় কাটানো এবং পরবর্তীতে ব্যর্থতার জন্য অনুতপ্ত হওয়ার পরিস্থিতি বোঝাতে এই প্রবাদটি যথাযথ ও শিক্ষণীয়।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
উত্তরঃ সাপের পাঁচ পা দেখা

প্রদত্ত বাক্যটিতে একটি বাগধারার ব্যবহার করা হয়েছে। যদিও প্রশ্নে এটিকে 'প্রবাদ' বলা হয়েছে, এটি আসলে একটি প্রচলিত বাগধারা

সাপের পাঁচ পা দেখা বাগধারার অর্থ হলো: অসম্ভব বা অবিশ্বাস্য কিছু দেখা; অপ্রত্যাশিত ও গোপন তথ্য বা কোনো ব্যক্তির আসল, সাধারণত নেতিবাচক, রূপ প্রকাশ পেয়ে যাওয়া। যেহেতু সাপের পা থাকে না, সেহেতু তার পাঁচটি পা দেখা অসম্ভব ঘটনাকে বোঝায়, যা কোনো গুরুতর বা অপ্রত্যাশিত সত্যের উন্মোচনকে ইঙ্গিত করে।

প্রদত্ত বাক্যে, 'ছোট একটা তদন্তে হাত দিয়েছিলাম, এখন দেখছি সাপের পাঁচ পা বেরিয়ে গেল!'—এর মাধ্যমে বোঝানো হয়েছে যে একটি ছোট তদন্ত অপ্রত্যাশিতভাবে কোনো গুরুতর বা গোপন সত্য ফাঁস করে দিয়েছে।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
উত্তরঃ ধরি মাছ, না ছুঁই পানি

প্রবাদটি হলো "ধরি মাছ, না ছুঁই পানি"। এটি একটি জনপ্রিয় বাংলা প্রবাদ যার অর্থ হলো, কৌশলে বা চতুরতার সাথে কোনো কাজ সম্পন্ন করা যাতে কোনো ঝুঁকি বা বিপদের সম্মুখীন হতে না হয় অথবা কোনো কাজের দায়ভার বা ঝক্কি এড়ানো যায়। অর্থাৎ, কাজটি থেকে সুবিধা গ্রহণ করা কিন্তু তার ফলস্বরূপ সম্ভাব্য জটিলতা, দায়বদ্ধতা বা ঝুঁকি থেকে নিজেকে নিরাপদ রাখা। এই প্রবাদটি সাধারণত এমন ব্যক্তিকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয় যে নিজের স্বার্থ সিদ্ধির জন্য পরোক্ষ কৌশল অবলম্বন করে এবং সরাসরি কোনো ঝুঁকি বা দায়িত্ব নিতে অনিচ্ছুক থাকে।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
59
উত্তরঃ তাড়াতাড়ি করার সময় সাবধান হও।

বাক্য রূপান্তর হলো অর্থের পরিবর্তন না ঘটিয়ে বাক্যের গঠন পরিবর্তন করা। প্রদত্ত বাক্যটি একটি না-সূচক অনুজ্ঞাবাচক বাক্য (নেতিবাচক)। এটিকে অস্তিবাচক বাক্যে রূপান্তরের সময় মূল ভাব 'তাড়াহুড়োর কারণে ভুল না করা' অক্ষুণ্ণ রাখতে হবে। 'তাড়াতাড়ি করতে গিয়ে ভুল কোরো না' বাক্যটির অস্তিবাচক রূপ হবে এমন একটি বাক্য যা সরাসরি ভুল না করার নির্দেশনাকে ইতিবাচক ভঙ্গিতে প্রকাশ করে। এর একটি উপযুক্ত রূপান্তর হলো 'তাড়াতাড়ি করার সময় সাবধান হও'। এখানে 'সাবধান হওয়া' ক্রিয়াটি 'ভুল না করা'র ইতিবাচক দিককে নির্দেশ করে এবং বাক্যের মূল অর্থ অপরিবর্তিত থাকে।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
উত্তরঃ না দাঁড়ালে বিপদে পড়বে।

প্রদত্ত বাক্য "দাঁড়াও, নইলে বিপদে পড়বে" একটি যৌগিক বাক্য। এটিকে সরল বাক্যে রূপান্তর করতে বলা হয়েছে।

  • সরল বাক্য: যে বাক্যে একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া (finite verb) থাকে এবং একটি মাত্র উদ্দেশ্য (subject) ও একটি মাত্র বিধেয় (predicate) থাকে, তাকে সরল বাক্য বলে।
  • যৌগিক বাক্য: যে বাক্যে একাধিক স্বাধীন বা নিরপেক্ষ বাক্য সংযোজক অব্যয় (যেমন: ও, এবং, আর, কিন্তু, অথবা, নতুবা, নইলে, অথচ, তবু ইত্যাদি) দ্বারা যুক্ত হয়ে একটি পূর্ণ বাক্য গঠন করে, তাকে যৌগিক বাক্য বলে।

প্রদত্ত যৌগিক বাক্যটিতে "দাঁড়াও" এবং "বিপদে পড়বে" দুটি স্বাধীন বাক্য "নইলে" সংযোজক অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়েছে, যা একটি শর্ত বা বিকল্প বোঝায়। যৌগিক বাক্যকে সরল বাক্যে রূপান্তরের সময়, একাধিক স্বাধীন খণ্ডবাক্যকে একটি খণ্ডবাক্যে পরিণত করতে হয়, যেখানে শুধুমাত্র একটি সমাপিকা ক্রিয়া থাকে এবং অন্য ক্রিয়া(গুলি) অসমাপিকা ক্রিয়ায় রূপান্তরিত হয়।

এক্ষেত্রে, "নইলে" দ্বারা সৃষ্ট শর্তমূলক অংশটিকে "না দাঁড়ালে" নামক অসমাপিকা ক্রিয়ার সাহায্যে একটি সরল বাক্যে রূপান্তরিত করা হয়েছে। এখানে "পড়বে" ক্রিয়াটি সমাপিকা ক্রিয়া হিসাবে মূল ভাব প্রকাশ করছে।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
উত্তরঃ অলস ব্যক্তিরা ছাড়া আর কেউ ঘুমাতে পছন্দ করে না।

বাক্য রূপান্তর বাংলা ব্যাকরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যেখানে একটি বাক্যের অর্থ অক্ষুণ্ণ রেখে তার গঠন পরিবর্তন করা হয়। প্রদত্ত বাক্যটি একটি হ্যাঁ-সূচক বাক্য, যা 'অলস ব্যক্তিরাই' শব্দটি ব্যবহারের মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট শ্রেণীর মানুষের প্রতি এই গুণের একচেটিয়া অধিকার নির্দেশ করছে। এটিকে নেতিবাচক বাক্যে রূপান্তরিত করার জন্য, অর্থের পরিবর্তন না করে বোঝাতে হবে যে অলস ব্যক্তি ছাড়া অন্য কোনো ব্যক্তি ঘুমাতে পছন্দ করে না। এর জন্য 'ছাড়া' এবং 'না' ব্যবহার করে একটি নেতিবাচক বাক্য গঠন করা হয়েছে, যা মূল অর্থের যথার্থতা বজায় রেখেছে।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
উত্তরঃ

তিনি কি কোনোভাবেই এ কাজ করতে পারেন?


প্রশ্নবাচক বাক্য হলো সেই বাক্য, যা দ্বারা কোনো কিছু জিজ্ঞাসা করা হয় বা কোনো বিষয়ে কৌতূহল প্রকাশ করা হয়। যখন একটি না-বোধক নির্দেশক বাক্যকে প্রশ্নবাচক বাক্যে রূপান্তর করা হয় এবং মূল অর্থ অক্ষুণ্ন রাখতে হয়, তখন সাধারণত 'না' পদটি বাদ দিয়ে 'কি' পদটি যোগ করে প্রশ্ন করা হয়। এই ধরনের প্রশ্ন দ্বারা একটি পরোক্ষ নেতিবাচক উত্তর বোঝানো হয়, অর্থাৎ বক্তা জানেন যে উত্তর 'না' হবে।

        
  • মূল বাক্য: "তিনি কোনোভাবেই এ কাজ করতে পারেন না।" এটি একটি না-বোধক নির্দেশক বাক্য যা দৃঢ়ভাবে কাজটি করার অসম্ভবতা প্রকাশ করছে। এখানে 'কোনোভাবেই' শব্দটি এই অসম্ভবতাকে আরও জোরদার করেছে।
  •     
  • রূপান্তরের নিয়ম: না-বোধক নির্দেশক বাক্যকে যখন প্রশ্নবাচক বাক্যে রূপান্তর করা হয়, তখন 'না' পদটি বাদ দেওয়া হয় এবং বাক্যের ক্রিয়াপদের পূর্বে 'কি' পদটি যোগ করে প্রশ্নবোধক চিহ্ন (?) ব্যবহার করা হয়। এতে মূল বাক্যের নেতিবাচক ভাবটি অক্ষুণ্ন থাকে, অর্থাৎ প্রশ্ন করা হলেও এর দ্বারা মূল বাক্যের নেতিবাচক ভাবটিই নিশ্চিত করা হয়।
  •     
  • উদাহরণ বিশ্লেষণ: প্রদত্ত বাক্যে 'না' বাদ দিয়ে 'কি' যোগ করে "তিনি কি কোনোভাবেই এ কাজ করতে পারেন?" প্রশ্নটি করা হয়েছে। এর মাধ্যমে এটিই বোঝানো হচ্ছে যে, তিনি কোনোভাবেই এই কাজটি করতে পারবেন না, অর্থাৎ এর উত্তর 'না' হওয়ার সম্ভাবনাই প্রবল। এটি পরোক্ষভাবে মূল নেতিবাচক অর্থকেই প্রকাশ করে।
Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
119
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews