শরিফের উদ্যোগ দেশের উন্নয়নে বেশি ভূমিকা রাখতে সক্ষম"- বক্তব্যটি যথার্থ বলে আমি মনে করি।
ব্যবসায় উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের বেকারত্ব কমে। এছাড়া সম্পদের যথাযথ ব্যবহার, ভোক্তার চাহিদা পূরণ, উৎপাদন বাড়ানোর ক্ষেত্রে ব্যবসায় উদ্যোগের ভূমিকা আছে। এর মাধ্যমে দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে ব্যবসায় উদ্যোগের অবদান ফুটে ওঠে।
উদ্দীপকের মি. মুহিদুল চিংড়ি চাষ করেন। তার চিংড়ি ইউরোপ- আমেরিকাসহ বিভিন্ন দেশে রপ্তানি হয়। অন্যদিকে, শরিফ পোলট্রি ও ডেইরি ফিড তৈরির কারখানা গড়ে তোলেন। তার উৎপাদিত পণ্যের চাহিদা বর্তমানে আশপাশের অঞ্চলে বিস্তৃত হচ্ছে।
শরিফ তার পোলট্রি ও ডেইরি ফিড তৈরির কারখানার মাধ্যমে অনেক মানুষের কর্মসংস্থান তৈরি করেছেন। এতে দেশের বেকারত্বের হার কমছে। এছাড়া তার উৎপাদিত পোলট্রি ও ডেইরি ফিড দেশের মানুষের খাবারের চাহিদা পূরণ করছে। ফলে তাদের বাইরে থেকে খাবার আনতে হচ্ছে না। তার ব্যবসায়ের সফলতা দেখে আশপাশের অনেকেই তার মতো ব্যবসায় প্রতিষ্ঠা করতে অনুপ্রেরণা পাবে। এতে দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন আরও গতিশীল হবে। অন্যদিকে, মি. মুহিদুলের ব্যবসায় বৈদেশিক মুদ্রার মাধ্যমে জাতীয় আয় বাড়াচ্ছে। উল্লিখিত দুটি ব্যবসায়ই দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তবে শরিফ দেশের উন্নয়নে বেশি ভূমিকা রাখছে।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
