শস্য-শ্যামলা এই মাটি মা'র অঙ্গ পুষ্ট করে 

আনিবে অটুট স্বাস্থ্য, সবল দেহ-মন ঘরে ঘরে। 

তোমাদের গানে, কলকল তানে উছসি উঠিবে নদী-

সরস করিয়া তৃণ ও তরুরে বহিবে সে নিরবধি। 

তোমরা আনিবে ফুল ও ফসল, পাখী-ডাকা রাঙা ভোর 

জগৎ করিবে মধুময়, প্রাণে প্রাণে বাঁধি ডোর।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

রঙিন ঘুড়ির পেছনে বালক ছোটে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

ফুলের স্বাভাবিক সৌন্দর্য বিকশিত হোক- এই প্রত্যাশায় কবি ফুল.বাগানে গোলাপকে ফুটতে দিতে বলেছেন।

ফুল সৌন্দর্যের প্রতীক। ফুলের সৌন্দর্যে মানুষের জীবন বিকশিত হয়। প্রকৃতির অনেক আশীর্বাদের মধ্যে ফুল অন্যতম। কিন্তু এই ফুলকে যদি যথার্থভাবে ফুটতে না দেওয়া হয়, তার বিকশিত হওয়ার পথকে বাধা দেওয়া হয়, তাহলে শুধু তার সৌন্দর্যই ক্ষুণ্ণ হবে না; বরং প্রকৃতির বিকাশও বাধাপ্রাপ্ত হবে। তাই ফুলের স্বাভাবিক সৌন্দর্য বিকাশের জন্য কবি ফুলবাগানে গোলাপকে ফুটতে দিতে বলেছেন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের কবিতাংশে 'বাঁচতে দাও' কবিতার শিশুর সুস্থ স্বাভাবিক বিকাশের আকাঙ্ক্ষার দিকটির প্রতিফলন ঘটেছে।

একটি শিশুর সুস্থ-স্বাভাবিকভাবে বেড়ে ওঠার জন্য চারপাশের পরিবেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এজন্য সুন্দর প্রকৃতির প্রত্যাশা সবাই করে। সুন্দর প্রাকৃতিক পরিবেশ এক্ষেত্রে তাই অপরিহার্য বিষয়।

'বাঁচতে দাও' কবিতায় কবি শামসুর রাহমান শিশুর সুস্থ-স্বাভাবিক বিকাশের প্রতি গুরুত্ব দিয়েছেন। এজন্য প্রকৃতির উপযোগী পরিবেশ অত্যন্ত প্রয়োজন। প্রকৃতির সুন্দর পরিবেশের প্রত্যাশা থেকেই কবি আজ প্রকৃতির বিপর্যয়ে শঙ্কিত। কারণ এসব বিপর্যয় শিশুর স্বাভাবিক বিকাশ ব্যাহত করবে। উদ্দীপকের কবিতাংশেও শিশুর সুস্থ বিকাশে সুন্দর প্রকৃতির প্রত্যাশার দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে। এখানে কবি অটুট স্বাস্থ্যের অধিকারী শিশুর প্রত্যাশা করেছেন। যারা আপন নিয়মে বিকশিত হয়ে প্রকৃতির সৌন্দর্যের সঙ্গে নিজেদের একাত্ম করবে। আর এভাবেই উদ্দীপকের কবিতাংশে আলোচ্য কবিতার শিশুর সুস্থ-স্বাভাবিক বিকাশের আকাঙ্ক্ষার দিকটির প্রতিফলন ঘটেছে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

"উদ্দীপকের কবির প্রত্যাশা এবং 'বাঁচতে দাও' কবিতার কবির আহ্বান এক ও অভিন্ন।”- মন্তব্যটি যথার্থ।

প্রতিটি সচেতন মানুষই প্রত্যাশা করেন শিশুরা যেন 'এই পৃথিবীতে সুস্থ-স্বাভাবিকভাবে বেড়ে ওঠার সুযোগ পায়। চারপাশের পরিবেশ ভালো না হলে শিশুদের স্বাভাবিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হয়। পৃথিবীতে সুন্দর ও উপযুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত হলেই শিশুরা স্বাভাবিকভাবে বেড়ে উঠবে।

উদ্দীপকের কবিতাংশে কবির প্রত্যাশায় শিশুর সুস্থ বিকাশের দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে। কবি এখানে শিশুর অটুট স্বাস্থ্য, সবল দেহ-মনের প্রত্যাশা করেছেন। যে শিশু সুন্দরভাবে বিকশিত হয়ে প্রকৃতির বিভিন্ন অনুষঙ্গের মাঝে নিজেকে একাত্ম করবে। তাদের বিকাশের ধারায় জগৎ করবে মধুময়। 'বাঁচতে দাও' কবিতায়ও কবি প্রকৃতির ফুল, পাখি, নদী ইত্যাদির মতো সবাইকে-স্ব-স্ব অবস্থানে, অটল থাকতে আহ্বান জানিয়েছেন।

'বাঁচতে দাও' কবিতা ও উদ্দীপক উভয় ক্ষেত্রেই কবির আহ্বানে উঠে এসেছে শিশুর সুস্থ বিকাশে সুন্দর প্রকৃতির প্রত্যাশার বিষয়টি। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের কবিতাংশে প্রতিফলিত কবির প্রত্যাশা এবং 'বাঁচতে দাও' কবিতার কবির আহ্বান এক ও অভিন্ন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
108

বাঁচতে দাও

শামসুর রাহমান

এই তো দ্যাখো ফুলবাগানে গোলাপ ফোটে,
ফুটতে দাও।
রঙিন কাটা ঘুড়ির পিছে বালক ছোটে,
ছুটতে দাও।
নীল আকাশের সোনালি চিল মেলছে পাখা,
মেলতে দাও।
জোনাক পোকা আলোর খেলা খেলছে রোজই,
খেলতে দাও।
মধ্য দিনে নরম ছায়ায় ডাকছে ঘুঘু,
ডাকতে দাও।
বালির ওপর কত্ত কিছু আঁকছে শিশু,
আঁকতে দাও।
কাজল বিলে পানকৌড়ি নাইছে সুখে,
নাইতে দাও।
গহিন গাঙে সুজন মাঝি বাইছে নাও,
বাইতে দাও।
নরম রোদে শ্যামা পাখি নাচ জুড়েছে,
নাচতে দাও।
শিশু, পাখি, ফুলের কুঁড়ি-সবাইকে আজ
বাঁচতে দাও।

Related Question

View All
উত্তরঃ

কাজল বিলে পানকৌড়িকে নাইতে দেওয়ার আহ্বান দ্বারা কবি প্রাণিজগতের স্বাভাবিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত না করার কথা বুঝিয়েছেন।

প্রকৃতি ও পরিবেশ প্রাণিজগতের বেঁচে থাকার প্রধান আশ্রয়। কিন্তু মানুষের হাতেই দিন দিন এগুলো ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। ফলে বিপন্ন হচ্ছে প্রাণীর জীবন। পানকৌড়ি জলচর প্রাণী। বিলে-ঝিলে তাদের জীবনের স্বাভাবিক বিকাশ ঘটে। কিন্তু বিল ভরাট করা হলে তাদের বিকাশ বাধাগ্রস্ত হবে। তাই বিলে যেন পানকৌড়ি নাইতে পারে তার ব্যবস্থা করার কথা বলা হয়েছে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
441
উত্তরঃ

উদ্দীপকের সাঁতার কাটার সঙ্গে 'বাঁচতে দাও' কবিতার শিশুর কাজটির সাদৃশ্য রয়েছে।

প্রকৃতির সঙ্গে মানুষের সহজ-স্বাভাবিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে। প্রকৃতি ও পরিবেশ মানুষের বেড়ে ওঠার পথে সহায়ক ভূমিকা রাখে।

উদ্দীপকে নাজির সাহেব ছোটবেলায় সাঁতার শিখেছিলেন। গ্রামের বাড়িতে আগের মতো খাল-বিল-পুকুর না থাকাতে সন্তানদের সাঁতার কাটা শেখাতে পারছেন না। 'বাঁচতে দাও' কবিতায়- কবি শিশুর স্বাভাবিক বিকাশের কথা বলেছেন। শিশু তার স্বাভাবিক পরিবেশ পেলে সুস্থভাবে বেড়ে উঠবে। এসব দিক দিয়েই উদ্দীপকের সাঁতার কাটার সঙ্গে 'বাঁচতে দাও' কবিতার শিশুর কাজে সাদৃশ্য রয়েছে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
212
উত্তরঃ

উদ্দীপকের নাজির সাহেবের আক্ষেপের মধ্যে 'বাঁচতে দাও' 'কবিতার মূল সুরটি ফুটে উঠেছে।- মন্তব্যটি যথার্থ।

আধুনিক জীবনযাপনের জন্য মানুষ নগরায়নের দিকে ঝুঁকছে। আর এই নগরায়নসহ মনুষ্যসৃষ্ট নানা কারণে পরিবেশ বিপর্যস্ত হচ্ছে।

উদ্দীপকের নাজির সাহেব নিজে সাঁতার কাটা শিখতে পেরেছিলেন, কিন্তু তার সন্তানদের শেখাতে পারছেন না। কারণ বর্তমানে মানুষ তার প্রয়োজনে অপ্রয়োজনে প্রাকৃতিক পরিবেশের বিপর্যয় ঘটাচ্ছে, যার ফলে প্রাকৃতিক দুর্যোগে মানুষের দুর্গতি বাড়ছে। 'বাঁচতে দাও' কবিতায় কবি পরিবেশের যে বিপর্যয় অবস্থা এটার ক্ষতিকর দিকটা উপস্থাপন করেছেন। প্রকৃতি তার আপন নিয়মে চলে। এ নিয়মের ব্যতিক্রম ঘটলে মানুষের জন্য বিপর্যয় ডেকে আনে।

উদ্দীপকে বলা হয়েছে, এক সময় নদী-নালা-খাল-বিল-পুকুরে ভরা ছিল এদেশ। কিন্তু বিভিন্ন কারণে পরিবেশের বিপর্যয় ঘটেছে। উদ্দীপকের নাজির সাহেবের এই আক্ষেপে 'বাঁচতে দাও' কবিতার কবির পরিবেশ সম্পর্কে আশঙ্কা প্রতিধ্বনিত হয়েছে। তাই বলা যায়, মন্তব্যটি যথার্থ।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
199
উত্তরঃ

'ফুটতে দাও, ছুটতে দাও'- এ কথাগুলো দ্বারা কবি জীবনের স্বাভাবিক বিকাশের পথে বাধাহীনতার কথা বোঝাতে চেয়েছেন।

প্রত্যেক মানুষ ও প্রাণী তার উপযোগী পরিবেশেই বসবাস করে। আর সেই পরিবেশ যদি পরিবর্তন হয়ে যায় তবে তার বেঁচে থাকার আনন্দই বৃথা হয়ে যাবে। তাই গোলাপ যেভাবে ফোটে, তাকে সেভাবে। ফুটতে দিতে হবে এবং বালক যেভাবে ঘুড়ির পেছনে ছোটে, তাকে সেভাবেই ছুটতে দিতে হবে, তা না হলে উভয়ের স্বাভাবিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হবে। আলোচ্য কথাগুলো দ্বারা কবি এটিই বোঝাতে চেয়েছেন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
378
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews