ভারতীয় অঞ্চলে প্রতিষ্ঠিত প্রথম আধুনিক ব্যাংক হলো 'দি হিন্দুস্তান ব্যাংক'।
দ্রব্যের বিনিময়ে দ্রব্যের আদান-প্রদানকে বিনিময় প্রথা বা Barter System বলে।
প্রথম দিকে মানুষের চাহিদা ছিল খুব সীমিত। সভ্যতা বিবর্তনের সাথে মানুষের প্রয়োজন, কর্মকান্ড বাড়ে। ফলে তারা তাদের প্রয়োজনের অতিরিক্ত দ্রব্যাদি পরস্পরের মধ্যে বিনিময়ের মাধ্যমে চাহিদা নির্বাহ করতো। এই প্রথাটি বিনিময় প্রথা হিসেবে পরিচিত।
মুদ্রা আবিষ্কারের পর পর ব্যবসায় বাণিজ্যের প্রসার, লেনদেন ও মুদ্রার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তা থেকে ব্যাংক ব্যবস্থার উদ্ভব হয়।
মানব সভ্যতার প্রথমদিকে প্রচলিত বিনিময় প্রথার কিছু সীমাবদ্ধতা ছিল। এগুলোর সমাধান করে মুদ্রার আবির্ভাব হয়। এর পরপরই ব্যাংক ব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। এজন্য মুদ্রাকে ব্যাংক ব্যবস্থার জননী বলা হয়। উদ্দীপকে শাওনের বাবা একজন ব্যাংকার। ইদ উপলক্ষ্যে তার বাবা তাকে কিছু নতুন নোট দিলো। এখানে এই নোটগুলো হলো মুদ্রা। মুদ্রার প্রচলনের পর লেনদেনে, ব্যবসায়-বাণিজ্যে এর ব্যাপক ব্যবহার হয়। ফলে এই লেনদেন ব্যবস্থাপনা ও মুদ্রার নিরাপত্তার প্রয়োজন দেখা দেয়। এভাবে ব্যাংকিং ব্যবস্থার সূচনা হয়। সুতরাং বলা যায়, মুদ্রা ব্যবস্থা থেকেই ব্যাংকিংয়ের উদ্ভব হয়।
শাওনের বাবার মতে মুদ্রার ইতিহাস খুবই বিচিত্র।
বিনিময়ের ক্ষেত্রে একটি বিনিময় মাধ্যম হিসেবে মুদ্রার আবির্ভাব হয়।
ইতিহাস থেকে দেখা যায় বিভিন্ন সময় বিভিন্ন আকার এবং প্রকৃতির মুদ্রা ব্যবহার করা হতো। মুদ্রা হিসেবে কড়ি, পাথর, ঝিনুক, তামা, রূপা ও সোনার ব্যবহার লক্ষ করা যায়।
উদ্দীপকে শাওন তার বাবার কাছ থেকে ইদ উপলক্ষ্যে কিছু নতুন নোট পেলো। তার বাবা একজন ব্যাংকার। এজন্য শাওন তার বাবার কাছে নোট বা মুদ্রার ইতিহাস জানতে চাইলো। তার বাবা মুদ্রার বিচিত্র ইতিহাস বুঝিয়ে বললো।
প্রথম দিকে মুদ্রা হিসেবে কড়ি, পাথর, হাঙ্গরের দাঁত, ঝিনুক ব্যবহার করা হতো। মানুষ এগুলো সংগ্রহ করে মুদ্রা হিসেবে ব্যবহার করতো।
এক্ষেত্রে এর সঠিক ব্যবস্থাপনা ছিল না। পরবর্তীতে ধাতব মুদ্রা হিসেবে তামা, রূপা, সোনার কয়েন ব্যবহার হতো। তবে ব্যবহার, স্থানান্তর, বহন ও অন্যান্য প্রয়োজনের কারণে ধাতব মুদ্রার ব্যবহার বেশি দিন স্থায়িত্ব লাভ করতে পারেনি। উনবিংশ শতাব্দীতে কাগজি মুদ্রার প্রচলন
শুরু হয়। বর্তমানে নিয়ন্ত্রিত ও নিরাপদ মুদ্রা ব্যবস্থা প্রচলিত রয়েছে।
Related Question
View Allভব্যের বিনিময়ে দ্রব্য লেনদেন করে চাছিদা পূরণ করাই হলো দ্রব্য।
মুদ্রাকে ব্যাংক বাবসায়ের জননী বলা হয়।
মুদ্রা প্রানান হবার পরই ব্যাংক ব্যবস্থার উৎপত্তি হয়েছে। ব্যাংক মুদ্রার মাধ্যমে আমানর সংগ্রহ করে ও ঋণ দেয়। এ কারণেই মুদ্রা ব্যাংক ব্যবসায়ের প্রধান উপাদান হিসেবে ব্যবহার হয়ে আসছে। এককথায় ব্যাংক সাবস্থার উৎপরি ও ক্রমবিকাশ হয়েছে মুদ্রাকে ঘিরে। মুদ্রা ছাড়া ব্যাংক ব্যবসায় অচল। আবার ব্যাংক স্বাড়া মুদ্রার ব্যবহারও সীমিত। অর্থাৎ একটি আরেকটির সাথে প্রতপ্রোতভাবে জড়িত
ব্যাংকির ও ব্যাংকার। একে অপরের সাথে নিবিড়ভাবে সম্পর্কযুক্ত'-বক্তব্যটি যথার্থ।
ব্যাংকের সব আইনসঙ্গত কাজকে ব্যাংকিং বলে। ব্যাংকিং ব্যবসায় যারা পরিচালনা করেন তাদেরকে বলা হয় ব্যাংকার।
উদ্দীপকে আজমি নর নবম শ্রেণির একজন শিক্ষার্থী। সে বিভাগে পড়াশোনা করে। তার বাধা ব্যাংকের একজন উচ্চ পর্যয়ের কর্মকর্তী। তিনি সবসময় ব্যাংকের বিভিন্ন কাজ নিয়ে ব্যয় বাতেন এক্ষেত্রে আজমির বানা একজন ব্যাংকার। আর তার করা কাজগুলে হলো ব্যাকিং। অর্থাৎ ব্যাংকারের কাজই ব্যাংকিং। সুতরাং বলা বাহ ব্যাংকিং ও ব্যাংকার একে অপরের সাথে নিবিড়ভাবে সম্পর্কযুক্ত।
উদ্দীপকে আজমি নূর নবম শ্রেণির একজন শিক্ষার্থী। সে বাণিজ্য বিভাগে পড়াশোনা করে। তার বাবা ব্যাংকের একজন উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তা। তিনি সবসময় ব্যাংকের বিভিন্ন কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকেন। এক্ষেত্রে আজমির বাবা একজন ব্যাংকার। আর তার করা কাজগুলো হলো ব্যাংকিং। অর্থাৎ ব্যাংকারের কাজই ব্যাংকিং। সুতরাং বলা যায়, ব্যাংকিং ও ব্যাংকার একে অপরের সাথে নিবিড়ভাবে সম্পর্কযুক্ত।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
