শিউলি আক্তার শ্রেণিতে পরিবেশ পরিচিতি পড়াচ্ছেন। তিনি বলেন, পরিবেশের অনেক উপাদান আছে। এসব উপাদানের মধ্যে যাদের প্রাণ আছে সেগুলো জীব। আর পরিবেশের যেসব উপাদানের প্রাণ নেই সেগুলো জড়। তার বক্তব্যে শিক্ষার্থীরা পরিবেশের দুটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান জানতে পারে।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

কোনো মূলসূত্রের ভিত্তিতে একটি বৃহত্তম জাতি বা শ্রেণিকে তার অন্তর্গত বিভিন্ন ক্ষুদ্র উপজাতি বা উপশ্রেণিতে বিভক্ত করায় প্রক্রিয়াকে যৌক্তিক বিভাগ বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

শ্রেণিকরণ যৌক্তিক বিভাগের সাথে সম্পর্কিত, কারণ উভয়ই জাতি বা শ্রেণির সাথে জড়িত। যেমন: যৌক্তিক বিভাগে কোনো একটি মূলসূত্রের ভিত্তিতে একটি জাতি বা শ্রেণিকে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র উপজাতি যা উপশ্রেণিতে বিভক্ত করা হয়। একইভাবে শ্রেণিকরণে মৌলিক ও গুরুত্বপূর্ণ সাদৃশ্যের ভিত্তিতে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র উপশ্রেণি বা উপজাতিকে একত্রিত করে বৃহৎ জাতি বা শ্রেণি গঠন করা হয়। অর্থাৎ উভয়ই বিপরীত প্রক্রিয়ায় একই লক্ষ্যে উপনীত হয়। সুতরাং শ্রেণিকরণ ও যৌক্তিক বিভাগ একে অপরের সাথে সম্পর্কিত।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে জনাব শিউলি আক্তারের শ্রেণিকরণ প্রাকৃতিক শ্রেণিকরণ। নিচে তা নিরূপণ করা হলো :

সাধারণত বৈজ্ঞানিক উদ্দেশ্য সাধনের লক্ষ্যে প্রাকৃতিক শ্রেণিকরণ করা হয়। কাজেই বৈজ্ঞানিক উদ্দেশ্য সাধনের নিমিত্তে এবং সাধারণ জ্ঞান অর্জনের উদ্দেশ্যে মৌলিক, গুরুত্বপূর্ণ ও অপরিহার্য সাদৃশ্যের ভিত্তিতে জাগতিক বস্তু বা ঘটনাবলিকে বিভিন্ন শ্রেণিতে বিন্যস্ত করার মানসিক প্রক্রিয়াকে প্রাকৃতিক শ্রেণিকরণ বলে। প্রাকৃতিক শ্রেণিকরণের সংজ্ঞা প্রসঙ্গে বলা যায়, কোনো উদ্দেশ্যের কথা স্মরণ রেখে বিজ্ঞানীরা যখন শ্রেণিকরণ করেন তখন তাকে বৈজ্ঞানিক শ্রেণিকরণ, সাধারণ শ্রেণিকরণ, তত্ত্বীয় শ্রেণিকরণ বা প্রাকৃতিক শ্রেণিকরণ বলা হয়। কোনো বিষয় সম্বন্ধে জ্ঞান লাভের উদ্দেশ্যে সেই বিষয়ের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য সাদৃশ্য অনুসারে বস্তুকে শ্রেণিবদ্ধ করার নাম বৈজ্ঞানিক শ্রেণিকরণ, সাধারণ শ্রেণিকরণ বা প্রাকৃতিক শ্রেণিকরণ। বস্তুত প্রাকৃতিক শ্রেণিকরণে বৈজ্ঞানিক উদ্দেশ্য নিহিত থাকে বলে একে বৈজ্ঞানিক শ্রেণিকরণ বলা হয়। আবার এরূপ শ্রেণিকরণের মাধ্যমে শ্রেণিবদ্ধ বস্তুসমষ্টি সম্পর্কে সাধারণ জ্ঞান অর্জিত হয় বলে একে সাধারণ শ্রেণিকরণও বলা হয়। মূলত তত্ত্বগত জ্ঞান অর্জন এবং সেই তত্ত্বকে সুসংবদ্ধকরণই এরূপ শ্রেণিকরণের প্রধান কাজ। তাই একে তাত্ত্বিক শ্রেণিকরণ বলেও অভিহিত করা হয়। সর্বোপরি, এরূপ শ্রেণিকরণকে প্রাকৃতিক শ্রেণিকরণ বলা হয় এজন্য যে, এক্ষেত্রে শ্রেণিকরণের ভিত্তি হিসেবে সাদৃশ্যের বিষয়সমূহ প্রকৃতির মাঝেই নিহিত থাকে, যেগুলোকে কৃত্রিমভাবে সৃষ্টি করার কোনো প্রয়োজন হয় না। উদাহারণস্বরূপ, বস্তুজগতের মধ্যে প্রাণের উপস্থিতির সাদৃশ্যের ভিত্তিতে 'জীব' শ্রেণিটি গঠন করা হয়েছে এবং প্রাণের অনুপস্থিতির সাদৃশ্যের ভিত্তিতে 'জড়' শ্রেণিটি গঠন করা হয়েছে। এরূপ শ্রেণিকরণই হচ্ছে প্রাকৃতিক শ্রেণিকরণ। কারণ এক্ষেত্রে সাদৃশ্যের বিষয় হিসেবে প্রাণের উপস্থিতি বা অনুপস্থিতির বিষয়টি প্রকৃতি প্রদত্ত, মানবসৃষ্ট নয়। আর এরূপ শ্রেণিকরণ করা হয়েছে মূলত মানুষের বৈজ্ঞানিক জ্ঞান অর্জনের সাধারণ উদ্দেশ্য সাধনের নিমিত্তে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের শিউলি আক্তারের শ্রেণিকরণের আলোকে প্রাকৃতিক শ্রেণিকরণের নিয়মগুলো বিশ্লেষণ করা হলো :

এক. যেসব বস্তুর মধ্যে সর্বাধিকসংখ্যক ও সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ অভিন্ন গুণাবলি রয়েছে, সেগুলোকে একই শ্রেণিতে অবস্থান দিতে হবে।

এই নিয়ম অনুসারে, প্রাকৃতিক বস্তুসমূহকে শ্রেণিকরণ করতে হবে বস্তুগুলোর অন্তর্গত অধিকসংখ্যক গুরুত্বপূর্ণ সাদৃশ্যের ভিত্তিতে। যুক্তিবিদ বেইন প্রাকৃতিক শ্রেণিকরণের এই নিয়মটিকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম হিসেবে উল্লেখ করেছেন। 

দুই. শ্রেণিসমূহকে তাদের সাদৃশ্যের মাত্রা অনুসারে বিন্যস্ত করতে হবে। এ নিয়ম অনুসারে, বস্তুসমূহের মধ্যে কোনো একটি বিশেষ গুণ বিভিন্ন মাত্রায় উপস্থিত থাকলে, সেই মাত্রার সাদৃশ্যের ক্রম অনুসারে বস্তুসমূহকে শ্রেণিবিন্যাস করতে হয়। যেমন : 'প্রাণ' গুণটির উপস্থিতির মাত্রাগত সাদৃশ্যের ক্রম অনুসারে প্রথমে মানুষ, এরপর অন্যান্য জীব এবং সবশেষে উদ্ভিদকে শ্রেণিবিন্যাস করা হয়। উল্লেখ্য যে, এই নিয়মটির প্রয়োগেই মূলত 'ক্রমিক শ্রেণিকরণ' গঠিত হয়ে থাকে।

তিন. সর্বোচ্চ শ্রেণিতে উপনীত না হওয়া পর্যন্ত শ্রেণিকরণকে ক্রমানুসারে ঊর্ধ্বমুখে এগিয়ে যেতে হবে। এই নিয়ম অনুসারে, শ্রেণিকরণের ক্ষেত্রে ছোট শ্রেণিগুলোকে তার চেয়ে বড় কোনো শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত করা হয়। আর এভাবে গঠিত কয়েকটি বড় শ্রেণিকে আবার তার চেয়ে বৃহত্তম শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

এভাবে সর্বোচ্চ শ্রেণিতে উপনীত না হওয়া পর্যন্ত শ্রেণিকরণের প্রক্রিয়াটি ক্রমান্বয়ে ঊর্ধ্বমুখে অগ্রসর হতে থাকে।

উল্লেখ্য যে, প্রাকৃতিক শ্রেণিকরণের যথার্থতা প্রতিপাদনের ক্ষেত্রে আলোচ্য নিয়মগুলোর প্রয়োগ অত্যন্ত জরুরি। বস্তুত এই নিয়মগুলো পালনের মাধ্যমেই একটি সাধারণ শ্রেণিকরণ বৈজ্ঞানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়ে প্রাকৃতিক শ্রেণিকরণের রূপ লাভ করতে সক্ষম হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
125
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

বিশেষ কোনো উদ্দেশ্য সাধনের নিমিত্তে জাগতিক বিষয়বস্তুকে তাদের মধ্যকার পারস্পরিক সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্যের ভিত্তিতে মানসিকভাবে একত্রিত করার প্রক্রিয়াই হচ্ছে শ্রেণিকরণ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
754
উত্তরঃ

শ্রেণিকরণের স্বরূপ বিশ্লেষণ করলে এর গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি বৈশিষ্ট্য পাওয়া যায়। যথা : (১) শ্রেণিকরণ এক ধরনের মানসিক প্রক্রিয়া। (২) শ্রেণিকরণের ভিত্তি হলো সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্য। (৩) শ্রেণিকরণ হলো শৃঙ্খলাবদ্ধকরণ বা সুবিন্যস্তকরণ। (৪) শ্রেণিকরণে বিশেষ কোনো উদ্দেশ্য নিহিত থাকে। (৫) শ্রেণিকরণ প্রক্রিয়াটি ব্যাখ্যার সাথে জড়িত।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
545
উত্তরঃ

উদ্ভিদবিদ্যার অধ্যাপক রহমান সাহেব সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে হাঁটতে এসে বিভিন্ন গাছপালা দেখেন। এর মধ্যে কিছু গাছে ফুল ফোটে, কিছু গাছে ফল ধরে, আবার কিছু গাছ ফুল-ফল ছাড়াই মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে। প্রকৃতির এ বৈচিত্র্যপূর্ণ গাছপালা দেখেই তিনি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলেন যে, উদ্যানে দুই শ্রেণির উদ্ভিদ রয়েছে। যার কিছু সপুষ্পক উদ্ভিদ এবং কিছু অপুষ্পক উদ্ভিদ। রহমান সাহেব তার ব্যবহারিক সুবিধা বা বিশেষ উদ্দেশ্য সাধনের জন্য এই শ্রেণিকরণটি করেছেন।

সাধারণত ব্যবহারিক সুবিধা বা বিশেষ উদ্দেশ্য সাধনের জন্য গুরুত্বহীন ও বাহ্যিক সাদৃশ্যের ভিত্তিতে জাগতিক বস্তু বা ঘটনাবলিকে বিভিন্ন শ্রেণিতে বিন্যস্ত করার মানসিক প্রক্রিয়াকে কৃত্রিম শ্রেণিকরণ বলে। বস্তুত কৃত্রিম শ্রেণিকরণে কোনোরূপ প্রাকৃতিক বা বৈজ্ঞানিক নিয়ম অনুসরণ করা হয় না। এ জন্য একে অবৈজ্ঞানিক শ্রেণিকরণ বলা হয়। মূলত ব্যবহারিক বা প্রায়োগিক সুবিধা সৃষ্টি করা হচ্ছে এরূপ শ্রেণিকরণের প্রধান কাজ।

সর্বোপরি সব দৃষ্টিকোণ থেকে দেখা যায়, রহমান সাহেবের শ্রেণিকরণটি কৃত্রিম।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
220
উত্তরঃ

প্রাকৃতিক ও কৃত্রিম শ্রেণিকরণের মধ্যকার পার্থক্যকে আমি যুক্তিসংগত বলে স্বীকার করি না। কারণ প্রাকৃতিক ও কৃত্রিম শ্রেণিকরণের পার্থক্যসমূহ গুণগত নয়, উদ্দেশ্যগত। এজন্য এদের মধ্যে সুনির্দিষ্ট কোনো রেখা টানাও ঠিক নয়। 

বস্তুত বিশেষ দৃষ্টিকোণ থেকে এক অর্থে সব শ্রেণিকরণই প্রাকৃতিক, আবার অন্য অর্থে সব শ্রেণিকরণই কৃত্রিম। সব শ্রেণিকরণই প্রাকৃতিক হওয়ার কারণ হিসেবে বলা যায়, যেকোনো বিষয়ের শ্রেণিকরণ করতে গিয়ে প্রযোজ্য সাদৃশ্যের বিষয়গুলোকে আমরা আমাদের মনের উপর নির্ভরশীল বলে মনে করি। প্রকৃতপক্ষে সেগুলো প্রকৃতিতেই বিদ্যমান থাকে। অর্থাৎ এসব সাদৃশ্য মনবহির্ভূত এবং এগুলো বহির্জগতে স্বাধীন ও স্বতন্ত্রভাবে বিরাজ করে। আমাদের মন কেবল সাদৃশ্যের বিষয়গুলোকে নির্বাচন করে সেগুলোর ভিত্তিতে জাগতিক বস্তুসমষ্টি বা ঘটনাবলিকে শ্রেণিবদ্ধ করে মাত্র। অন্যদিকে সব শ্রেণিকরণকেই কৃত্রিম বলার কারণ হিসেবে বলা যায়, সব শ্রেণিকরণই মানুষ কর্তৃক সৃষ্ট। অর্থাৎ মানুষই নিজেদের প্রযোজন অনুযায়ী প্রকৃতিতে বিদ্যমান বস্তু বা ঘটনাবলিকে নির্বাচন করে সেগুলোকে শ্রেণিবদ্ধ করে। কারণ প্রকৃতির এমন কোনো নিজস্ব শক্তি নেই, যার ফলে প্রকৃতির বস্তুসমষ্টি বা ঘটনাবলি নিজে নিজেই শ্রেণিবদ্ধ হতে পারে। এককথায়, প্রকৃতিতে বস্তু বা ঘটনাবলি যেভাবে থাকার সেভাবেই থাকে। এমনকি মানুষও তাদেরকে বিভিন্ন জায়গা থেকে তুলে এনে পাশাপাশি শ্রেণিবদ্ধ করে না; বরং এগুলোকে মানুষ শ্রেণিবদ্ধ করে মনে মনে। কাজেই শ্রেণিকরণটি ঘটে মানুষের মনে মনে, বাস্তবে নয়। আর এদিক থেকেই বলা যায়, সব শ্রেণিকরণই মানুষ কর্তৃক সৃষ্ট, সুতরাং তা কৃত্রিম।

তাই প্রাকৃতিক ও কৃত্রিম শ্রেণিকরণের মধ্যে পার্থক্যকে আমি যথার্থ বলে মনে করি না।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
231
উত্তরঃ

শ্রেণিকরণের ভিত্তি হচ্ছে সংজ্ঞা, কিন্তু মতান্তরে লক্ষণ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
299
উত্তরঃ

শ্রেণিকরণের মাধ্যমে কোনো বিশেষ উদ্দেশ্য সাধনের নিমিত্তে জাগতিক বস্তু বা ঘটনাবলিকে সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্যের ভিত্তিতে বিভিন্ন শ্রেণিতে বিন্যস্ত করা হয়। তবে অনেক সময় কয়েকটি শ্রেণির মধ্যে একই গুণ বিভিন্ন মাত্রায় বিদ্যমান থাকে। এ অবস্থায় সেই শ্রেণিগুলোকে আবার গুণের মাত্রা অনুসারে শ্রেণিবিন্যাস করা হয়। আর এভাবে শ্রেণিবিন্যাস করার প্রক্রিয়াই হচ্ছে ক্রমিক শ্রেণিকরণ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
331
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews