শিক্ষায় যেসব বিষয় সবচেয়ে সাহায্য করতে পারে তার মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে ইন্টারনেট। ইন্টারনেট শুধু যে সরাসরি শিক্ষার ব্যাপারে সাহায্য করে তা নয়। এটি স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো যেন ঠিকমতো কাজ করতে পারে সেখানেও পরোক্ষভাবে শিক্ষার কাজে সাহায্য করে। বর্তমানে ছাত্র-ছাত্রীরা শিক্ষাবিষয়ক বিভিন্ন তথ্য ইন্টারনেট থেকে পেয়ে থাকে। অনলাইন পরীক্ষার মাধ্যমে নিজেকে যাচাই করতে পারে। এভাবে শিক্ষাক্ষেত্রে ইন্টারনেট অনন্য ভূমিকা রাখছে।

এই অধ্যায় শেষে আমরা-
১. শিক্ষাক্ষেত্রে ইন্টারনেটের গুরুত্ব বিশ্লেষণ করতে পারব;
২. শিক্ষাক্ষেত্রে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারব;
৩. ওয়েব ব্রাউজার ব্যবহার করে শিক্ষা সংশ্লিষ্ট (পাঠ্য বিষয়ের) তথ্য অনুসন্ধান করতে পারব।
Related Question
View Allসকল শ্রেণির সকল পাঠ্যপুস্তক NCTB-এর ওয়েবসাইটে দেওয়া আছে। এজন্য আমাকে যে কোনো ইন্টারনেট যুক্ত কম্পিউটারে ওয়েবব্রাউজারে গিয়ে NCTB নির্ধারিত ওয়েবসাইট ঠিকানা লিখে এন্টার দিতে হবে। তারপর ওয়েবসাইটে সকল শ্রেণির পাঠ্যপুস্তক দেখা যাবে। সেখান থেকে নির্দিষ্ট বাংলা বই সিলেক্ট করে ডাউনলোড করতে হবে। এভাবে আমি ইন্টারনেট থেকে বই ডাউনলোড করে উপকৃত হতে পারি।
শিক্ষকবিহীন পরীক্ষার পূর্ব প্রস্তুতি মূল্যায়ন করার মাধ্যম হলো ইন্টারনেট। এটির মাধ্যমে যে কোনো শিক্ষার্থী অনলাইন পরীক্ষা দিয়ে তার প্রস্তুতি মূল্যায়ণ করতে পারে। এ ক্ষেত্রে একজন শিক্ষার্থী ঘরে বসেই ইন্টারনেট ব্যবহার করে পরীক্ষা দিতে পারে। এজন্য শিক্ষার্থীকে অনলাইনে নির্দিষ্ট পরীক্ষা ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে নিজের প্রস্তুতি যাচাই করতে পারে। এভাবেই একজন শিক্ষার্থী ইন্টারনেট সহজেই তার পরীক্ষার পূর্ব প্রস্তুতি মূল্যায়ণ করতে পারে।
ভার্চুয়াল ক্লাসরুম হলো একটি অনলাইন লার্নিং শিক্ষা ব্যবস্থা, যেখানে অডিও ভিজুয়াল সিস্টেমের মাধ্যমে মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর নির্ভর ক্লাসের ব্যবস্থা বিদ্যমান থাকে। ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে শিক্ষার্থীরা শ্রেণিকক্ষে উপস্থিত না থেকেও লেকচার শুনতে পারে।
শিক্ষার্থীরা ভার্চুয়াল ক্লাসরুমের মাধ্যমে ঘরে বসে শিক্ষা গ্রহণ করতে পারে। সম্প্রতি শিক্ষা ও গবেষণার মান উন্নত করার লক্ষ্যে শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রথম ভার্চুয়াল ক্লাসরুম তৈরি করে। ভার্চুয়াল ক্লাসরুমের সুবিধার ফলে মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীরা অনেক দূর থেকে জটিল অপারেশন নিজের চোখে দেখতে পারে। আধুনিক কোনো ল্যাবরেটরির এক্সপেরিমেন্ট ঘরে বসে করতে পারে। এভাবেই ভার্চুয়াল ক্লাসরুম শিক্ষা গ্রহণে ভূমিকা রাখছে।
বর্তমানে স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি কার্যক্রম ইন্টারনেটের মাধ্যমে করা হয়। ইন্টারনেট ব্যবহার করে ঘরে বসেই ভর্তি পরীক্ষার জন্য আবেদন ফরম পূরণ করে প্রবেশপত্র প্রিন্ট করে সংগ্রহ করা যায়। ফলে শুধুমাত্র নির্দিষ্ট পরীক্ষার দিন প্রবেশপত্র নিয়ে পরীক্ষা দিলেই হয়। বার বার ভর্তিচ্ছুক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দৌড়াদৌড়ি করতে হয় না। এমনকি পরীক্ষার ফলাফলও ইন্টারনেটে সহজে পাওয়া যায়। এ জন্য ভর্তি পরীক্ষায় ইন্টারনেটের ভূমিকা অপরিসীম।
ই-বুক হলো মুদ্রিত বইয়ের ডিজিটাল রূপ। ডিজিটাল মাধ্যমে প্রকাশিত হয় বলে শব্দ, অডিও ও এনিমেশন যুক্ত করা যায়। এ ধরনের বইগুলো কম্পিউটারের পর্দায় পড়া যায়, পাতা উল্টানো যায়, যেকোনো পাতায় চলে যাওয়া যায়। বাংলাদেশে এই রকম একটি ই-বুক সাইটের নাম হলো:
http://www.ebook.com.bd। এটি বাংলাদেশের ই-বুকের সমাহার।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!