শিলাবৈশিষ্ট্য
Aউত্তপ্ত
Bনরম
Cকঠিন

Updated: 1 year ago
উত্তরঃ

ভূমিকম্প বা আগ্নেয়গিরির অগ্নুৎপাতের কারণে সৃষ্ট বিশাল সামুদ্রিক ঢেউকে সুনামি বলে।

উত্তরঃ

ভঙ্গিল পর্বতে জীবাশ্ম থাকে।

কোমল পাললিক শিলায় ভাঁজ পড়ে যে পর্বত গঠিত হয় তাকে ভঙ্গিল পর্বত বলে। পাললিক শিলার মধ্যে নানা প্রকার উদ্ভিদ ও জীবজন্তুর দেহাবশেষ বা জীবা দেখা যায়। এ কারণে ভঙ্গিল পর্বতে জীবাশ্ম থাকে।

উত্তরঃ

উদ্দীপকের B শিলাটি পাললিক শিলা। পাললিক শিলা নরম প্রকৃতির।

পলি সঞ্চিত হয়ে পাললিক শিলা গঠিত হয়। বৃষ্টি, বায়ু, তুষার, তাপ, সমুদ্রের ঢেউ প্রভৃতি শক্তির প্রভাবে আগ্নেয় শিলা ক্ষয়প্রাপ্ত ও বিচূণীভূত হয়ে রূপান্তরিত হয় এবং কাঁকর, কাদা, বালি ও ধুলায় পরিণত হয়। ক্ষয়িত শিলাকণা জলস্রোত, বায়ু এবং হিমবাহ দ্বারা পরিবাহিত হয়ে পলল বা তলানিরূপে কোনো নিম্নভূমি, হ্রদ এবং সাগরগর্ভে সঞ্চিত হতে থাকে। পরবর্তীতে ঐসব পদার্থ ভূগর্ভের উত্তাপে ও উপরের শিলাস্তরের চাপে জমাট বেঁধে কঠিন শিলায় পরিণত হয়। পলল বা তলানি থেকে গঠিত হয় বলে এরূপ শিলাকে পাললিক শিলা বলে। স্তরে স্তরে সঞ্চিত হয় বলে একে স্তরীভূত শিলাও বলে।

পাললিক শিলা যৌগিক, জৈবিক বা রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় গঠিত হতে পারে। অনেক পাললিক শিলার মধ্যে নানাপ্রকার উদ্ভিদ ও জীবজন্তুর দেহাবশেষ বা জীবাশ্ম দেখা যায়।

উত্তরঃ

উদ্দীপকের শিলা হলো আগ্নেয় শিলা এবং C হলো রূপান্তরিত শিলা।

আগ্নেয় ও রূপান্তরিত শিলার বৈশিষ্ট্যগত বেশ কিছু মিল রয়েছে। আগ্নেয় শিলা পৃথিবীর প্রথম পর্যায়ে সৃষ্টি হয়েছে তাই একে প্রাথমিক শিলাও বলে। আগ্নেয়শিলা স্ফটিকাকার, কঠিন ও কম ভঙ্গুর এবং অপেক্ষাকৃত ভারী। এছাড়া আগ্নেয় শিলায় কোনো জীবাশ্ম দেখা যায় না। অপরদিকে, আগ্নেয় ও পাললিক শিলা যখন প্রচণ্ড চাপ, উত্তাপ এবং রাসায়নিক ক্রিয়ার ফলে রূপ পরিবর্তন করে নতুন রূপ ধারণ করে তখন তাকে রূপান্তরিত শিলা বলে। রূপান্তরিত শিলা স্ফটিকযুক্ত, খুব কঠিন হয়। এ শিলায়ও আগ্নেয় শিলার মতো জীবাশ্ম দেখা যায় না।
উপরোক্ত আলোচনা থেকে দেখা যাচ্ছে আগ্নেয় শিলা ও রূপান্তরিত শিলার মধ্যে বৈশিষ্ট্যগত বেশ কিছু: যেমন- স্কটিকাকার, কঠিন, জীবশোর অনুপস্থিতি এসব বৈশিষ্ট্যে মিল রয়েছে।

175

সৃষ্টির শুরুতে পৃথিবী ছিল এক উত্তপ্ত গ্যাসপিণ্ড। এই গ্যাসপিণ্ড ক্রমে ক্রমে শীতল হয়ে ঘনীভূত হয়। এ সময় এর উপর যে আস্তরণ পড়ে তা হলো ভূত্বক। ভূগর্ভের রয়েছে তিনটি স্তর। অশ্মমণ্ডল, গুরুমণ্ডল ও কেন্দ্রমণ্ডল। ভূত্বক যেসব উপাদান দিয়ে তৈরি তার সাধারণ নাম শিলা। পৃথিবীতে কার্যরত বিভিন্ন ভূমিরূপ প্রক্রিয়া শিলা ও খনিজের ধরন দ্বারা প্রভাবিত হয়। ভূপৃষ্ঠ সর্বদা পরিবর্তনশীল। এ পরিবর্তন দুরকম। ধীর পরিবর্তন ও আকস্মিক পরিবর্তন। এ অধ্যায়ে আমরা পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক গঠন, বিভিন্ন রকম শিলা, ভূপৃষ্ঠের ধীর ও আকস্মিক পরিবর্তন এবং বিভিন্ন ভূমিরূপ নিয়ে আলোচনা করব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

যে খাতের মধ্য দিয়ে নদী প্রবাহিত হয় সে খাতকে নদী উপত্যকা বলে। 

Tanima Promy
Tanima Promy
1 year ago
1.7k
উত্তরঃ

উর্ধ্বগতি অবস্থায় নদীর স্রোতের বেগ প্রবল হওয়ার কারণে নদী বড় বড় শিলাখন্ডকে বহন করে নিচের দিকে অগ্রসর হয়। পর্বতগুলো কঠিন শিলা দ্বারা গঠিত হলেও মাঝে মাঝে নরম শিলাও থাকে। নদীখাতে পার্শ্ব অপেক্ষা নিম্নদিকের শিলা বেশি কোমল বলে পার্শ্বক্ষয় অপেক্ষা নিম্নক্ষয় বেশি হয়। এভাবে ক্রমশ ক্ষয়ের ফলে নদী উপত্যকা অনেকটা ইংরেজি 'V' আকৃতির হয়।তাই একে 'V' উপত্যকা বলা হয়।

 

Tanima Promy
Tanima Promy
1 year ago
3.6k
উত্তরঃ

বিধান ও হিমেলের দেখা ভূমিরূপটি হলো আগ্নেয়গিরি (Volcano)। পৃথিবীর ভূ-অভ্যন্তরের উত্তপ্ত গলিত শিলা, ছাই, গ্যাস প্রভৃতি ভূত্বকের ফাটল বা দুর্বল অংশ দিয়ে ভূপৃষ্ঠে বেরিয়ে এসে যে মোচাকৃতির বা খাড়া ঢালবিশিষ্ট ভূমিরূপ গঠন করে, তাকে আগ্নেয়গিরি বলে। ভূত্বকের দুর্বল স্থান বা ফাটল বরাবর ভূ-অভ্যন্তরের উত্তপ্ত ম্যাগমা (Magma) প্রচণ্ড চাপ ও তাপে ভূপৃষ্ঠের উপরে লাভা (Lava), ছাই, গ্যাস, জলীয় বাষ্প ইত্যাদি রূপে নির্গত হয় এবং চারপাশে স্তূপীকৃত হয়ে আগ্নেয়গিরি সৃষ্টি করে।

উদ্দীপকে বিধান ও হিমেল ইতালিতে ঘুরতে গিয়ে যে স্থানটি দেখতে পান, তা "খাড়া ঢালবিশিষ্ট এবং দেখতে অনেকটা মোচাকৃতির"। এই বর্ণনা একটি আগ্নেয়গিরির ভূপ্রাকৃতিক গঠনকে নির্দেশ করে। ইতালিতে একাধিক সক্রিয় ও সুপ্ত আগ্নেয়গিরি রয়েছে, যেমন মাউন্ট ভিসুভিয়াস ও মাউন্ট এটনা। তাদের দেখা ভূমিরূপটি নিঃসন্দেহে একটি আগ্নেয়গিরি, যা ইতালির ভূপ্রকৃতির অন্যতম বৈশিষ্ট্য।

আগ্নেয়গিরির ভূপ্রাকৃতিক গঠন বৈশিষ্ট্যগুলো নিম্নরূপ:

        
  • মোচাকৃতি (Conical Shape): আগ্নেয়গিরির প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এর মোচাকৃতির বা শঙ্কু আকৃতির গঠন। ভূ-অভ্যন্তর থেকে নির্গত লাভা, ছাই ও অন্যান্য পদার্থ চারপাশে জমা হয়ে এই আকৃতি ধারণ করে।
  •     
  • খাড়া ঢাল (Steep Slope): লাভা, ছাই ও প্রস্তর খণ্ড দ্রুত জমা হওয়ায় আগ্নেয়গিরির ঢাল সাধারণত বেশ খাড়া হয়, যা উদ্দীপকের বর্ণনার সাথে সঙ্গতিপূর্ণ।
  •     
  • ক্রেটার বা জ্বালামুখ (Crater): আগ্নেয়গিরির চূড়ায় একটি ফানেলাকৃতির গর্ত থাকে, যাকে জ্বালামুখ বা ক্রেটার বলে। এটি দিয়ে ম্যাগমা নির্গত হয়।
  •     
  • আগ্নেয় গ্রীবা (Volcanic Neck): আগ্নেয়গিরির অভ্যন্তরীণ অংশে যে নালী দিয়ে ম্যাগমা উপরে উঠে আসে, তাকে আগ্নেয় গ্রীবা বলে।
  •     
  • লাভা প্রবাহ (Lava Flow): আগ্নেয়গিরি থেকে নির্গত উত্তপ্ত গলিত পদার্থকে লাভা বলে। এই লাভা শীতল ও কঠিন হয়ে পাহাড়ের চারপাশে জমা হয় এবং নতুন শিলাস্তর গঠন করে।
  •     
  • ছাই ও গ্যাস নির্গমন (Ash and Gas Emission): লাভা ছাড়াও আগ্নেয়গিরি থেকে প্রচুর পরিমাণে ছাই, ধূলিকণা এবং বিভিন্ন ধরনের গ্যাস (যেমন - সালফার ডাই অক্সাইড, কার্বন ডাই অক্সাইড) নির্গত হয়।
Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
1.8k
উত্তরঃ

বাংলাদেশের ভূমিরূপ অত্যন্ত বৈচিত্র্যময়। পার্বত্যভূমি, সমভূমি ও প্লাবনভূমি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ভিন্ন ভিন্ন বৈশিষ্ট্য নিয়ে গঠিত। বিধানের বাড়ি বান্দরবান এবং হিমেলের বাড়ি খুলনা বাংলাদেশের দুটি ভিন্ন ভূমিরূপের প্রতিনিধিত্ব করে, যাদের গঠনগত বৈশিষ্ট্য সম্পূর্ণ আলাদা।

উদ্দীপকে বিধান ও হিমেল ইতালিতে মোচাকৃতির খাড়া ঢালবিশিষ্ট ভূমি দেখলেও তাদের নিজ দেশ বাংলাদেশের বাড়ি দুটি দুটি ভিন্ন প্রাকৃতিক অঞ্চলে অবস্থিত। বিধানের বাড়ি বান্দরবান দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় পাহাড়ি এলাকার অংশ, যেখানে উঁচু-নিচু ভূমির প্রাধান্য বেশি। অন্যদিকে, হিমেলের বাড়ি খুলনা বঙ্গোপসাগরের নিকটবর্তী এক বিস্তীর্ণ সমভূমি অঞ্চল, যা গাঙ্গেয় বদ্বীপের অংশ।

বিধানের বাড়ি বান্দরবান বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পার্বত্যভূমি অঞ্চলের অন্তর্গত। এই অঞ্চলের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো খাড়া ঢালযুক্ত উঁচু পাহাড় ও পর্বতশ্রেণি। এখানে অসংখ্য ছোট-বড় পাহাড়, উপত্যকা ও গভীর গিরিখাত দেখা যায়। এখানকার মাটি সাধারণত বেলে ও কর্দমাক্ত শিলার সমন্বয়ে গঠিত এবং তেমন উর্বর নয়। অসংখ্য পাহাড়ি ছড়া ও নদী (যেমন সাঙ্গু, মাতামুহুরী) আঁকাবাঁকা পথে প্রবাহিত হয়। এ অঞ্চলের ভূমির উচ্চতা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে অনেক বেশি এবং এটি জীববৈচিত্র্যে সমৃদ্ধ ঘন বনভূমি দ্বারা আবৃত।

অপরদিকে, হিমেলের বাড়ি খুলনার অবস্থান বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে, গাঙ্গেয় বদ্বীপের সমভূমি অঞ্চলে। এ অঞ্চলের ভূমি খুবই নিচু, সমতল এবং ঢাল অত্যন্ত মৃদু। অসংখ্য নদ-নদী, খাল-বিল দ্বারা এ অঞ্চল জালের মতো বেষ্টিত। পলিমাটি দ্বারা গঠিত হওয়ায় এখানকার ভূমি অত্যন্ত উর্বর। সমুদ্রের কাছাকাছি হওয়ায় জোয়ার-ভাটার প্রভাব সুস্পষ্ট এবং লবণাক্ততা একটি উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য। বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবন এই জেলা ও এর আশেপাশে অবস্থিত, যা এই অঞ্চলের ভূমিরূপকে আরও বিশেষত্ব দান করেছে।

সুতরাং, বিধানের বাড়ি বান্দরবান যেখানে উঁচু-নিচু পাহাড়ি ভূমিরূপ, খাড়া ঢাল ও কম উর্বর মাটির বৈশিষ্ট্য নিয়ে গঠিত, সেখানে হিমেলের বাড়ি খুলনা একটি নিচু, সমতল, উর্বর পলিমাটি দ্বারা গঠিত এবং অসংখ্য নদ-নদী ও জলাভূমি সমৃদ্ধ বদ্বীপ অঞ্চল। এই দুটি অঞ্চল ভৌগোলিক অবস্থান, ভূমির গঠন ও প্রকৃতির দিক থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন এবং প্রাকৃতিক বৈচিত্র্যের এক চমৎকার উদাহরণ।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
1.1k
উত্তরঃ

ঊর্ধ্বগতিতে নদীর পার্শ্বক্ষয় অপেক্ষা নিম্নক্ষয় বেশি হয় বলে উপত্যকা 'V' আকৃতির হয়।

ঊর্ধ্বগতি অবস্থায় নদীর স্রোতের বেগ প্রবল হওয়ায় তা বড় বড় শিলাখণ্ডকে বহন করে নিচের দিকে অগ্রসর হয়। পর্বতগুলো কঠিন শিলা দ্বারা গঠিত হলেও মাঝে মাঝে নরম শিলাও থাকে। নদীখাতে নিচের শিলা বেশি কোমল বলে পার্শ্ব অপেক্ষা নিম্নক্ষয় বেশি হয়। এভাবে ক্রমশ ক্ষয়ের ফলে নদী উপত্যকা অনেকটা ইংরেজি 'V' আকৃতির হয়।

1.7k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews