শিশুদের প্রাথমিক শিক্ষালয় কোনটি? (জ্ঞানমূলক)

Updated: 1 year ago
উত্তরঃ

শিশুদের প্রাথমিক শিক্ষালয় হলো পরিবার।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 years ago
274

উদ্দেশ্য

এ পাঠ অধ্যয়ন করে আপনি

  • ইসলামি শিক্ষার পরিচয় দিতে পরবেন
  • ইসলামি শিক্ষার উদ্দেশ্য বর্ণনা করতে পারবেন
  • ইসলামি শিক্ষার বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করতে পারবেন।

১. ইসলামি শিক্ষার পরিচয়

“যে শিক্ষা ব্যবস্থায় সৃষ্টিকর্তাকে জানার এবং ইসলামকে একটি পরিপূর্ণ জীবনাদর্শ হিসেবে শিক্ষা দেওয়ার ও গ্রহণ করার ব্যবস্থা আছে, তাই ইসলামি শিক্ষা"। এ শিক্ষা ব্যবস্থায় একজন শিক্ষার্থী ইসলামের গুরুত্ব অনুধাবন করে জীবনের সর্বক্ষেত্রে তার প্রয়োগ করার সুযোগ পায়। শিক্ষাথীরা ইসলামি চেতনা ও আদর্শে গড়ে উঠে এবং ব্যক্তি পরিবার, সমাজ, ও রাষ্ট্রীয় জীবনে ইসলামের আদর্শ অনুযায়ী জীবন পরিচালনার যোগ্যতা অর্জন করে। এ শিক্ষার মূল ভিত্তি হলো আল কুরআন এবং মহানবি (স.) এর সুন্নাহ। এ শিক্ষা আদর্শ জীবন ও সমাজ গঠনের যুগোপযোগী শিক্ষা। এ শিক্ষা গ্রহণ করা প্রতিটি মুসলিম নর-নারীর উপর ফরয।

২. ইসলামি শিক্ষার উদ্দেশ্য

সৃষ্টিকর্তা, পালনকর্তা ও ইলাহকে সঠিকভাবে জানা এবং স্রষ্টার সাথে সৃষ্টির সম্পর্ক কী হবে তা জানার জন্য ইসলামি শিক্ষা গ্রহণ করা অপরিহার্য। প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ (স.) এর জীবন পদ্ধতি সম্পর্কে জানার জন্যও ইসলামি শিক্ষা গ্রহণ করতে হবে। ইসলামি শিক্ষার মাধ্যমে মানুষ স্রষ্টার সঠিক পরিচয় লাভ করে, তাঁর উদ্দেশ্যে সঠিকভাবে ইবাদকরতে সক্ষম হয়। ইসলামি সভ্যতা, সংস্কৃতি, শিল্প-সাহিত্য ও জ্ঞান বিজ্ঞানের অফুরন্ত ভাণ্ডারের সাথে পরিচয়ের জন্য ইসলামি শিক্ষা অত্যাবশ্যক। মানুষ আল্লাহর খলিফা হিসেবে তার দায়িত্ব সম্পর্কে অবহিত হওয়ার জন্য ইসলামি শিক্ষা লাভ করা অতীব জরুরি।

৩. ইসলামি শিক্ষার বৈশিষ্ট্য অহী ভিত্তিক শিক্ষা

ইসলামি শিক্ষার মূল ভিত্তি হলো আল-কুরআন। ইসলামি শিক্ষার দ্বিতীয় ভিত্তি হচ্ছে মহানবি (স.) এর হাদিস। তাই এ শিক্ষা অন্যান্য শিক্ষা ব্যবস্থা থেকে স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যের অধিকারী। এ শিক্ষার মাধ্যমে আল্লাহ তাআলার পরিচয় জানা যায় এবং মানুষের প্রতি আল্লাহর অধিকার এবং আল্লাহর প্রতি মানুষের যে অধিকার রয়েছে তা জানা যায়।
ইসলামি শিক্ষা সম্পূর্ণরূপে আল্লাহ তাআলার একত্ববাদের উপর প্রতিষ্ঠিত। আল্লাহ তাআলার পরিচয়, রিসালাত, মুআমালাত ও মুআশারাত সংক্রান্ত শিক্ষা বাদ দিয়ে ইসলামি জীবন ও সমাজ কল্পনা করা যায় না। আল-কুরআনের প্রথম বাণীই হলো সৃষ্টিকর্তার নামে শিক্ষা গ্রহণ করার নির্দেশ সম্বলিত। আল্লাহ তাআলা বলেন,

اقْرَأْ بِاسْمِ رَبِّكَ الَّذِي خَلَقَ

"পড়ো, তোমার প্রভুর নামে যিনি সৃষ্টি করেছেন”। (সূরা আলাক-৯৬:১)
ইসলামের সকল শিক্ষাই কুরআন-হাদিসের আলোকে রচিত। মানুষের পার্থিব জীবনে যে শিক্ষার প্রয়োজন হয়, তা কুরআন সুন্নাহর নির্দেশনা অনুযায়ী করলে তা ইসলামি শিক্ষায় পরিণত হয়।
আল্লাহ তাআলা বলেন,

وَمَا اتْكُمُ الرَّسُولُ فَخُذُوهُ وَمَا نَهُكُمْ عَنْهُ فَانْتَهُوا

"রাসূল যা নিয়ে এসেছেন তা গ্রহণ করো এবং যা থেকে বিরত করেন তা বর্জন করো"। (সূরা হাশর ৫৯:৭) মহানবি (স.) বলেন-
"আমি তোমাদের কাছে দু'টো জিনিস রেখে যাচ্ছি- যতো দিন তোমরা তা দৃঢ়ভাবে আঁকড়ে ধরে রাখবে, ততদিন তোমরা পথভ্রষ্ট হবে না। তা হ'ল আল্লাহর কিতাব আর তাঁর রাসূলের সুন্নাহ।” (মুয়াত্তা)

নৈতিকতা সম্বলিত শিক্ষা

ইসলামি শিক্ষার মাধ্যমে একজন মানুষ ইসলামি বিশ্বাস ও মূল্যবোধের আলোকে সকল কাজ কর্মে আল্লাহর কাছে জবাবদিহিতার চেতনা লাভ করে। এ নৈতিক শিক্ষা মানুষকে সকল প্রকার অন্যায়-অসত্য, জুলুম, নির্যাতন করা থেকে পুত-পবিত্র রাখে। মানুষের চিন্তা-চেতনা, বিশ্বাস ও চরিত্রকে পরিশুদ্ধ করে।

ইহকাল ও পরকালের কল্যাণময় শিক্ষা

ইসলামি আকিদা বিশ্বাস অনুযায়ী একজন মুসলমানকে দুনিয়া ও আখিরাত এই উভয় জগতের মঙ্গল ও শান্তির জন্য দুনিয়াতেই কাজ করতে হয়। ইসলামি শিক্ষা দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণের বিষয়ে শিক্ষা প্রদান করে। অন্যান্য শিক্ষায় শুধু জাগতিক কল্যাণের দিকটা প্রাধান্য পায়। আল্লাহ তাআলা মুমিনদেরকে দু'আ করার বিষয়বস্তু শিখাতে গিয়ে এভাবে বলেছেন-

رَبَّنَا آتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً وَفِي الْآخِرَةِ حَسَنَةً

"হে আমাদের প্রভু। আমাদের দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ দান কর"। (সূরা বাকারা ২: ২০১) মানুষকে ইহকালে সুখ-সমৃদ্ধি লাভের কথা যেমন ভাবতে হয়, তেমনি পরকালের কথাও চিন্তা করতে হয়। ইসলামি শিক্ষা শুধু বৈষয়িক কিংবা ধর্মীয় কোন শিক্ষা নয়। মানব জাতির গোটা জীবন ব্যবস্থা তথা পার্থিব ও পারলৌকি প্রয়োজন পূরণ করার জন্য এ শিক্ষা অপরিহার্য।

সারসংক্ষেপ

যে শিক্ষা ব্যবস্থায় মানুষ তার সৃষ্টিকর্তাকে জানার এবং ইসলামকে একটি পরিপূর্ণ জীবনাদর্শ হিসেবে শিক্ষা দেওয়ার ও গ্রহণ করার ব্যবস্থা রয়েছে, তাই ইসলামি শিক্ষা। ইসলামি শিক্ষা গ্রহণ করা প্রত্যেক মুসলমান নর-নারীর উপর ফরয। দোলনা থেকে কবর পর্যন্ত পর্যন্ত শিক্ষা গ্রহণ করার নির্দেশ রয়েছে ইসলামে। আল্লাহর দ্বিনকে সমুন্নত রাখার এবং প্রচারের জন্য প্রত্যেক মুসলমানকে ইসলামি শিক্ষা গ্রহণ করতে হয়। ইসলামি শিক্ষা অহী ভিত্তিক শিক্ষা। ইসলামি সভ্যতা, সংস্কৃতি, শিল্প, সাহিত্য ও জ্ঞান-বিজ্ঞানের অফুরন্ত ভাণ্ডারের সাথে পরিচিত হওয়ার জন্যও ইসলামি শিক্ষা অপরিহার্য। ইসলামি শিক্ষায় শিক্ষিত ব্যক্তি অপরাধ কর্ম থেকে সহজে বিরত থাকতে পারে। তাই ইসলামি শিক্ষার গুরুত্ব অপরিসীম।

ইসলাম শিক্ষা-১ম পত্র-ড. মোঃ আমির হোসেন সরকার স্যারে লেখা বই

Related Question

View All
উত্তরঃ

ইসলামি পরিবারের সদস্যদের মধ্যে পারস্পরিক ভালোবাসা ও কর্তব্যপরায়ণতা বজায় থাকায় সেখানে সুখ-শান্তি বিরাজ করে। ইসলামের আদর্শ ও মূল্যবোধের ওপর ভিত্তি করে ইসলামি পরিবার গড়ে উঠে। এ পরিবারের সদস্যদের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা-স্নেহ, মায়া-মমতা ও ভালোবাসা বজায় থাকে। ইসলামি পরিবারে স্বামী-স্ত্রী, পিতামাতা, সন্তান এবং ভাইবোন প্রত্যেকেই নিজের অধিকার ও কর্তব্য সম্পর্কে সচেতন থাকে। ইসলামি শরিয়তের আলোকে এবং আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে তাদের দৈনন্দিন বিভিন্ন কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয়। এসব কারণে ইসলামি পরিবারে শান্তি বজায় থাকে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 years ago
897
উত্তরঃ

ফরহাদ সাহেবের সন্তানদের আচরণে পিতামাতার প্রতি কর্তব্য পালনের বিধান লঙ্ঘিত হয়েছে। ইসলামি পরিবারে মাতাপিতার প্রতি সন্তানকে অনেক দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করতে হয়। মাতাপিতার জীবদ্দশায় তাদের প্রতি সন্তানের কর্তব্যসমূহ হলো- তাদের সাথে সদাচরণ করা, তাদের অবাধ্য না হওয়া, অসুস্থ হলে তাদের সেবাযত্ন ও সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করা ইত্যাদি। পিতামাতার মৃত্যুর পর সন্তানের জন্য অপরিহার্য কর্তব্য হলো তাদের দাফন-কাফনের ব্যবস্থা করা, ওয়াসিয়ত পূর্ণ করা, ঋণ পরিশোধ করা এবং তাদের জন্য দোয়া ও ইসতিগফার করা ইত্যাদি। ফরহাদ সাহেবের সন্তানদের আচরণে মাতাপিতার প্রতি এসব কর্তব্যে অবহেলার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে।

উদ্দীপকের ফরহাদ সাহেবের সন্তানরা পাশ্চাত্য শিক্ষা অর্জন করে নিজ নিজ ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত হয়ে পরিবার নিয়ে আলাদা বসবাস করে। তারা ফরহাদ সাহেবের কোনো খোঁজখবর রাখে না। তিনি অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হলেও সন্তানরা তার কোনো খোঁজখবর নেয়নি। এমনকি তার মৃত্যুর সংবাদ তাদেরকে জানালে তারা ব্যস্ততার কথা বলে বাবার লাশ 'আনজুমানে মুফিদুল ইসলাম'কে দিয়ে দিতে বলে। তাদের এ ধরনের আচরণে স্পষ্ট বোঝা যায় যে, তারা তাদের পিতার প্রতি সঠিকভাবে কর্তব্য পালন করেনি। অথচ মাতাপিতার প্রতি কর্তব্য পালন করতে আল্লাহ তায়ালা নির্দেশ দিয়েছেন। সুতরাং বলা যায়, ফরহাদ সাহেবের সন্তানরা মাতাপিতার প্রতি কর্তব্য পালনে অবহেলা করে আল্লাহর নির্দেশ অমান্য করেছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 years ago
362
উত্তরঃ

ইসলাম শিক্ষার অভাব ফরহাদ সাহেবের সন্তানদের পিতামাতার প্রতি কর্তব্যে অবহেলার জন্য দায়ী। পৃথিবীতে প্রত্যেক মানুষের কিছু দায়িত্ব ও কর্তব্য রয়েছে। যেমন- পিতামাতা, ভাইবোন, স্বামী-স্ত্রী, সন্তান, আত্মীয়-স্বজন ও প্রতিবেশীর প্রতি মানুষের বিশেষ কর্তব্য রয়েছে। ইসলাম শিক্ষা একজন ব্যক্তিকে এসব দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে সচেতন ও নিষ্ঠাবান করে তোলে। এসব কর্তব্য পালনে অবহেলার পরিণতি সম্পর্কেও সতর্ক করে। ইসলামি জীবনব্যবস্থায় প্রত্যেক ব্যক্তিকে - তার দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে আল্লাহর কাছে জবাবদিহি করতে - হবে। যারা ইসলামের সঠিক শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হয় তারা - নিজেদের দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে উদাসীন থাকে। ইসলাম শিক্ষার অভাবে তারা পিতামাতা, পরিবার, আত্মীয়-স্বজন ও প্রতিবেশীর প্রতি দায়িত্বহীন হয়ে উঠে, যেমনটি ফরহাদ সাহেবের  সন্তানদের ক্ষেত্রে লক্ষ করা যায়।

উদ্দীপকের ফরহাদ সাহেবের সন্তানরা পাশ্চাত্য শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে পরিবার নিয়ে আলাদা বসবাস করে। তারা তাদের পিতার প্রতি কোনো কর্তব্য পালন করে না। ফরহাদ সাহেব অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হলেও সন্তানরা তার কোনো খোঁজখবর নেয়নি। এমনকি তার মৃত্যুর সংবাদ সন্তানদের জানালে তারা ব্যস্ততার কথা বলে বাবার লাশ 'আনজুমানে মুফিদুল ইসলাম'কে দিয়ে দিতে বলে। তাদের এ ধরনের আচরণে পিতার প্রতি কর্তব্যে অবহেলা বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। আর এর মূল কারণ হলো ইসলাম শিক্ষার অভাব। উপরের আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, ইসলামের সঠিক শিক্ষা একজন ব্যক্তিকে তার দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনে সচেতন করে তোলে। ফরহাদ সাহেবের সন্তানরা ইসলাম শিক্ষার অভাবে তাদের পিতার প্রতি কর্তব্য পালনে অবহেলা করেছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 years ago
319
উত্তরঃ

ইসলামকে সঠিকভাবে জানা এবং তা মানার মাধ্যমে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করাই ইসলাম শিক্ষার উদ্দেশ্য।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 years ago
580
উত্তরঃ

ইসলামি পরিবারব্যবস্থায় মোহরানার গুরুত্ব অপরিসীম। মোহরানা মুসলিম স্ত্রীর ন্যায়সংগত ও আল্লাহ প্রদত্ত অধিকার। ইসলামি বিবাহরীতিতে স্বামীর প্রথম কর্তব্য হলো স্ত্রীর মোহরানা আদায় করা। স্বামী নিজের সামর্থ্য ও স্ত্রীর যোগ্যতা অনুযায়ী মোহরানা নির্ধারণ করবে এবং খুশি মনে তা পরিশোধ করবে। এ সম্পর্কে আল্লাহ বলেন- 'তোমরা সন্তুষ্টচিত্তে স্ত্রীদের মোহরানা আদায় করো' (সুরা আন-নিসা: ৪)।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 years ago
475
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews