'শিষ্টাচার' নিয়ে পাঁচটি বাক্য লেখ। 

Updated: 10 months ago
উত্তরঃ

১) শিষ্ঠাচার মানব চরিত্রের একটি মহৎগুণ বা অন্তরের অলংকার যা বাহ্যিক ভাবে দেখা যায় না। ২) পারিবারিক,সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় জীবনকে সর্বাত্মক সুন্দর করে তুলার জন্যে। ৩)জাতিতে জাতিতে বিরোধ, দ্বন্দ্ব থেকে পরিত্রান পেতে। ৫) অপরের সুবিধা-অসুবিধা, মতামত ও অনুভূতির প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে চলার জন্য।

Sumaiya Mim
Sumaiya Mim
1 year ago
252

Related Question

View All
উত্তরঃ

অন্ধকার রাতে বেদের দল উত্তর দেশে পালিয়ে যায়

Shafin
Shafin
3 years ago
10.7k
উত্তরঃ

'মহুয়া পালা'র হুমরা বেদে নদের চাঁদের হাতে মহুয়াকে তুলে দিতে সম্মত ছিলেন না এর পেছনে বেশ কিছু যুক্তিসঙ্গত কারণ বিদ্যমান ছিল। এই কারণগুলো মহুয়ার প্রতি হুমরা বেদের গভীর স্নেহ, সামাজিক অবস্থান এবং বেদে সম্প্রদায়ের নিজস্ব জীবনবোধের সঙ্গে সম্পর্কিত।

প্রথমত, হুমরা বেদে ছিলেন বেদে সম্প্রদায়ের সর্দার এবং মহুয়া ছিল তার পালিত কন্যা। নদের চাঁদ ছিলেন একজন জমিদারপুত্র। বেদে সম্প্রদায়ের সঙ্গে জমিদার সমাজের ছিল বিশাল সামাজিক ও অর্থনৈতিক বৈষম্য। হুমরা বেদে জানতেন যে, এই ভিন্ন সামাজিক অবস্থানের কারণে মহুয়ার সঙ্গে নদের চাঁদের সম্পর্ক কখনোই মসৃণ হবে না এবং ভবিষ্যতে মহুয়াকে অনেক দুর্ভোগ পোহাতে হতে পারে। তার আশঙ্কা ছিল যে, নদের চাঁদ হয়তো সাময়িক ভালোবাসায় মোহিত হয়ে মহুয়াকে গ্রহণ করলেও পরবর্তীতে তাকে ত্যাগ করতে পারেন, যা মহুয়ার জীবনকে দুর্বিষহ করে তুলবে।

দ্বিতীয়ত, বেদে সম্প্রদায়ের নিজস্ব সম্মান ও মর্যাদা ছিল। হুমরা বেদে অনুভব করতেন যে, জমিদারপুত্র নদের চাঁদের কাছে মহুয়াকে তুলে দেওয়া তাদের সম্প্রদায়ের জন্য অপমানজনক হতে পারে। তিনি তার সম্প্রদায়ের স্বতন্ত্র জীবনযাত্রা ও আত্মমর্যাদাকে অক্ষুণ্ণ রাখতে বদ্ধপরিকর ছিলেন। তিনি হয়তো ভেবেছিলেন যে, একজন জমিদার মহুয়াকে বিয়ে না করে শুধুমাত্র ভোগ করতে চাইবেন, যা তাদের সম্প্রদায়ের সম্মানহানি ঘটাবে।

তৃতীয়ত, হুমরা বেদে মহুয়াকে নিজের মেয়ের মতোই ভালোবাসতেন। তিনি মহুয়ার ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা ও সুখ নিয়ে চিন্তিত ছিলেন। তিনি চাইতেন না মহুয়া কোনো অনিশ্চিত সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ুক। নদের চাঁদের প্রতি তার অবিশ্বাস ছিল যে, নদের চাঁদ মহুয়ার প্রতি সত্যিকারের শ্রদ্ধাবোধ ও ভালোবাসা নাও দেখাতে পারেন। এই গভীর পিতৃসুলভ ভালোবাসাই তাকে মহুয়াকে নদের চাঁদের হাতে তুলে দিতে বাধা দিয়েছিল।

চতুর্থত, বেদে সম্প্রদায়ের নিজস্ব রীতিনীতি ও জীবনধারা ছিল। তারা সাধারণত নিজেদের সম্প্রদায়ের বাইরে সম্পর্ক স্থাপনকে সমর্থন করতেন না। হুমরা বেদে তার সম্প্রদায়ের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে রক্ষা করতে চেয়েছিলেন। তাই, ভিন্ন সংস্কৃতির নদের চাঁদের সঙ্গে মহুয়ার সম্পর্ক তিনি কোনোভাবেই মেনে নিতে পারেননি। এই সকল কারণে হুমরা বেদে নদের চাঁদের কাছে মহুয়াকে তুলে দিতে রাজি ছিলেন না।

Satt AI
Satt AI
20 hours ago
5k
উত্তরঃ

দুলি ও মহুয়া উভয়ই বাংলা সাহিত্যের দুটি কালজয়ী প্রেমিকা চরিত্র, যাদের জীবন গভীর প্রেম, সামাজিক বাধা অতিক্রমের চেষ্টা এবং শেষ পর্যন্ত করুণ পরিণতির এক মর্মস্পর্শী দৃষ্টান্ত। তাদের মধ্যে বেশ কিছু সাদৃশ্য পরিলক্ষিত হয়।

দুলি চরিত্রটি একটি প্রচলিত কাহিনীর উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে, যেখানে সাগরের সাথে তার প্রেম সমাজের চোখে অগ্রহণযোগ্য ছিল। সমাজ ও পরিবারের প্রবল আপত্তির মুখে দুলিকে তার বাবা অন্যত্র বিয়ে দেন। কিন্তু দুলি তার প্রেমকে ভুলতে পারেননি। সাগর যখন ফেরিওয়ালার বেশে তার শ্বশুরবাড়িতে হাজির হন, তখন দুলির পুরনো প্রেম পুনরায় জেগে ওঠে। সমাজকে উপেক্ষা করে তারা একসাথে পালিয়ে যান, যা তাদের প্রেমের প্রতি অবিচল আস্থা ও সাহসকে নির্দেশ করে। কিন্তু সমাজ তাদের এই মিলনকে মেনে নেয়নি এবং তাদের পিছু নেয়। শেষ পর্যন্ত, সমাজের চোখরাঙানি ও বিচ্ছিন্ন হওয়ার ভয় থেকে মুক্তি পেতে দুলি ও সাগর একসাথে আত্মাহুতি দেন। তাদের এই আত্মত্যাগ তাদের প্রেমকে অমরত্ব দান করে, যা এক মহৎ কিন্তু বিয়োগান্তক প্রেমের প্রতিচ্ছবি।

অন্যদিকে, মহুয়া ময়মনসিংহ গীতিকার এক অবিস্মরণীয় চরিত্র। বেদে কন্যা মহুয়ার সাথে জমিদার নদের চাঁদের প্রেম ছিল সামাজিক শ্রেণিভেদের কারণে অগ্রহণযোগ্য। নদের চাঁদের প্রতি মহুয়ার হৃদয় নিবেদন এবং সমাজের বাধা উপেক্ষা করে তাদের পলায়ন দুলির কাহিনীর সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। মহুয়াও তার ভালোবাসার জন্য নিজের জীবন, পরিবার ও পরিচিত জগৎ ত্যাগ করতে প্রস্তুত ছিলেন। তাদের প্রেমের পথেও সমাজের প্রথা ও আত্মীয়-স্বজনের বাধা এসেছিল। এই বাধা তাদের প্রেমকে আরও তীব্র করে তুলেছিল। মহুয়ার প্রেমও দুলির মতোই ট্র্যাজিক পরিণতি লাভ করে, যেখানে সামাজিক ও ব্যক্তিগত দ্বন্দ্বের কারণে তাদের মিলন সম্ভব হয় না এবং মহুয়ার জীবনও বিয়োগান্তক পরিসমাপ্তি ঘটে।

সুতরাং, দুলি ও মহুয়া উভয় চরিত্রেই নিষিদ্ধ প্রেমের আকর্ষণ, সামাজিক ও পারিবারিক প্রথার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ, ভালোবাসার জন্য আত্মত্যাগ এবং শেষ পর্যন্ত এক বিয়োগান্তক পরিণতি দেখা যায়। তাদের উভয় চরিত্রই প্রমাণ করে যে, প্রকৃত প্রেম কখনও কখনও সমাজের বাঁধাধরা নিয়মের ঊর্ধ্বে উঠে আসে, কিন্তু প্রায়শই তার মূল্য দিতে হয় জীবন দিয়ে। তাদের প্রেমময় জীবনের এই করুণ সমাপ্তিই তাদের চরিত্রের মূল সাদৃশ্য।

Satt AI
Satt AI
20 hours ago
2.4k
উত্তরঃ

"মহুয়া" বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত প্রশংসিত রচনা, যা সাধারণত প্রেমের গল্প হিসেবে পরিচিত। এই রচনায়, সাগর ও দুলির প্রেমের গল্প পাঠকের মনে এক অমোচনীয় ছাপ ফেলে। তাদের প্রেমের গল্প শুধু একটি সাধারণ প্রেম কাহিনী নয়, বরং এটি আরও গভীর অর্থ ও মানবিক সম্পর্কের বিভিন্ন দিক উপস্থাপন করে।

এই মন্তব্যটি বলতে চায় যে, "মহুয়া" গ্রন্থে সাগর ও দুলির প্রেমের যে চিত্রণ করা হয়েছে, তা কেবল একটি প্রেমের গল্প নয়, বরং এটি প্রেমের এক শাশ্বত রূপের প্রকাশ। এই গল্পে প্রেম কেবল দুই মানুষের মধ্যেকার আকর্ষণ বা ভালোবাসার অনুভূতি হিসেবেই উপস্থাপিত হয় না, বরং এটি সমাজ, সংস্কৃতি, এবং মানব সম্পর্কের বৃহত্তর প্রসঙ্গে প্রেমের অবস্থান ও প্রভাবকে তুলে ধরে।

এই প্রেম কাহিনীর মাধ্যমে লেখক প্রেমের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন, যেমন- প্রেমের শক্তি, ত্যাগ, সংঘাত, বিচ্ছেদের বেদনা, এবং চিরন্তনতা। এই গল্পের মাধ্যমে পাঠক বুঝতে পারেন যে, প্রেম কেবল আনন্দের নয়, বরং বেদনা ও ত্যাগের মাধ্যমেও প্রকাশ পায়।

সুতরাং, এই মন্তব্যটির যথার্থতা হলো যে, "মহুয়া" গ্রন্থে সাগর-দুলির প্রেমের গল্প শুধুমাত্র একটি গল্প নয়, এটি প্রেমের এক শাশ্বত ও বহুমাত্রিক রূপের উপস্থাপন। এর মাধ্যমে প্রেমের গভীরতা, প্রেমের বিভিন্ন অভিব্যক্তি, এবং মানবিক সম্পর্কের জটিলতা তুলে ধরা হয়।

2.3k
উত্তরঃ

মূলভাব

মলাটবদ্ধ নির্জীব বিদ্যা মানুষ আত্মস্থ না করলে তা যেমন অর্থহীন, তদ্রপ সম্পদ নিজের করায়ত্তে না থাকলে তাও নিরর্থক।

সম্প্রসারিত ভাব

বিদ্যা ও ধন মানবজীবনের অতি প্রয়ােজনীয় অমূল্য সম্পদ। সাধনা ও পরিশ্রমের মাধ্যমে মানুষকে এগুলাে অর্জন করতে হয়। বিদ্যা মানুষের অজ্ঞানতা দূর করে, শাশ্বত সুন্দরের পথ নির্দেশ করে, ব্যক্তিকে করে তােলে আত্মনির্ভরশীল, সংযমী ও আদর্শবান।। কিন্তু বিদ্যা যদি অর্জিত না হয়ে গ্রন্থের ভেতরেই মলাটবদ্ধ হয়ে নির্জীব পড়ে থাকে, তবে সে বিদ্যা মূলত বিদ্যাই নয়। অনুরূপভাবে নিজের অর্জিত ধন-সম্পদ যদি অন্যের কাছে রক্ষিত থাকে, তাহলে তাও সময় মতাে, প্রয়ােজন মতাে কাজে লাগানাে যায় না।

গ্রন্থের মধ্যে সঞ্জিত জ্ঞানকে আয়ত্ত করে, নিজের কল্যাণে নিয়ােগ করে জীবনকে সুন্দর ও গতিশীল করার পাশাপাশি সমাজ ও দেশকে উন্নত ও সমৃদ্ধ করার কাজে ব্যবহার করতে পারাই হচ্ছে বিদ্যাচর্চার সার্থকতা। কেননা কঠিন পরিশ্রম ও ত্যাগ-তিতিক্ষার দ্বারা ধন-সম্পদ অর্জন করে নিজের কল্যাণ ও সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যের কাজে না লাগাতে পারলে সে সম্পদ অর্জনের প্রয়ােজনীয়তাই বা কী? ইংরেজিতে একটি প্রবাদ আছে, “A bird in hand is worth two in the bush.” তাই গ্রন্থগত বিদ্যা আর পরের হাতে ধন রেখে তার গৌরবে গৌরবান্বিত হওয়া নিরর্থক। বিদ্যাকে গ্রন্থের মধ্যে সীমাবদ্ধ বলে মনে না করে বিদ্যানুশীলনের মাধ্যমে আমাদের আত্মমুক্তির পথ খুঁজতে হবে। মানুষের মঙ্গলার্থে অর্জিত বিদ্যা ও ধন-সম্পদের ব্যবহারে সমর্থ হতে হবে। 

মন্তব্য

গ্রন্থগত বিদ্যা এবং পরের হাতে রক্ষিত ধন অব্যবহৃত থাকে বলেই এগুলাে বিদ্যা বা ধন নয়। এগুলােকে নিজের সম্পদ হিসেবে অর্জন করার মধ্যেই সার্থকতা ও স্বকীয়তা বিদ্যমান।

Sakam meen
Sakam meen
3 years ago
20k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র

Related Question

মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews