শিষ্যদের জন্য যীশুর ঐশগুণ হলো ন্যায়, দয়া, বিশ্বাস, ক্ষমাশীলতা ও সত্যনিষ্ঠার মাধ্যমে জীবনযাপন করা। যীশু শিষ্যদের শিখিয়েছেন কেবল ঈশ্বরের প্রতি বিশ্বাস রাখা নয়; বরং মানুষের প্রতি সহানুভূতি, সহায়তা ও ভালোবাসা প্রকাশ করাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যীশুর শিষ্যরা তাঁর বহু ঐশগুণ অনুসরণ করতেন। তারা দয়া ও করুণা শেখে, যাতে অন্যের প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশ পায়। তারা অনন্দকে দৃষ্টিদান করেছেন, বিপদে মানুষকে সাহায্য করেছেন। শিষ্যরা সত্যনিষ্ঠা ও সততার মূল্য বোঝেছেন, যা তাদের জীবনকে সততা এবং ন্যায়পরায়ণতার সাথে সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা করেছে। তারা বিনয়ী এবং নম্র হওয়ার চেষ্টা করেছেন, যাতে আত্মকেন্দ্রিকতা দূরে থাকে। তাছাড়া শিষ্যরা ক্ষমাশীল হতে শিখেছেন। তারা পাপীকে ক্ষমা করতে সক্ষম হন। পরোপকার ও সৎকর্মের মাধ্যমে তারা সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন নিয়ে আসেন। সারা পৃথিবীতে ভালোবাসার দৃষ্টান্ত স্থাপন করে গেছেন। এছাড়া যীশুর ঐশগুণ সবার মাঝে প্রচার করেছেন।
Related Question
View Allযীশুখ্রীষ্ট ঈশ্বর -ছিলেন।
জীবন মানুষের আলো ছিল।
জগৎ তার দ্বারা অস্তিত্ব পেয়েছিল।
সবাইকে তিনি ঈশ্বর সন্তান হওয়ার অধিকার l
যীশু পিতা-মাতাকে সাহায্য করতেন।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!