শীতকালে পশমের পোশাক পরার কারণ হলো, পশমের আঁশগুলো আলগাভাবে থাকে, পশমের ফাঁকে ফাঁকে বাতাস আটকে থাকে। পশম এবং বাতাস তাপ কুপরিবাহী বিধায় পশমের কাপড় পরলে দেহের তাপ বাইরে যেতে পারে না। তাই পশমের পোশাক পরলে আমরা গরম বোধ করি। এজন্য শীতকালে পশমের পোশাক পরা হয়।
Related Question
View Allনিচে তাপ ও তাপমাত্রার মধ্যে পার্থক্য দেওয়া হলো:
| তাপ | তাপমাত্রা |
| ১. তাপ এক প্রকার শক্তি। | ১. তাপমাত্রা বস্তুর তাপীয় অবস্থা। |
| ২. তাপ হচ্ছে তাপমাত্রার কারণ। | ২. তাপমাত্রা তাপের ফল। |
| ৩. তাপ পরিমাপের একক জুল, ক্যালরি ইত্যাদি। | ৩. তাপমাত্রা পরিমাপের একক কেলভিন, সেলসিয়াস, ফারেনহাইট ইত্যাদি। |
| ৪. দুটি বস্তুর তাপমাত্রা এক হলেও এদের তাপের পরিমাণ ভিন্ন হতে পারে। | ৪. দুটি বস্তুতে তাপের পরিমাণ এক হলেও এদের তাপমাত্রা ভিন্ন হতে পারে। |
| ৫. তাপ পরিমাপ করা হয় ক্যালরিমিটার যন্ত্রের সাহায্যে। | ৫. তাপমাত্রা পরিমাপ করা হয় থার্মোমিটার যন্ত্রের সাহায্যে। |
সূর্যের তাপে কিংবা যখন রেললাইনের উপর দিয়ে রেলগাড়ি চলে তখন রেলের চাকা ও লাইনের ঘর্ষণে অনেক তাপ উৎপন্ন হয়। ফলে, লাইন প্রসারিত হয়। ফাঁকা না রাখলে লাইন প্রসারণের জন্য পর্যাপ্ত জায়গা পেত না। এতে লাইন বেঁকে গিয়ে দুর্ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা থাকে। তাই রেললাইনের পাতের সংযোগস্থলে কিছুদূদ্র পরপর কিছুটা ফাঁকা রাখা হয়।
পরিবহন ও বিকিরণ পদ্ধতিতে আগুন থেকে সমান দূরত্বে সবদিকেই মোটামুটি সমান পরিমাণ তাপ সঞ্চালিত হয়। আগুনের পাশে তাপ আসে বিকিরণ পদ্ধতিতে। এজন্য আগুনের পাশে দাঁড়ালে আমাদের কিছুটা গরম লাগে। কিন্তু আগুনের উপরে তাপ আসে বিকিরণ ও পরিচলন পদ্ধতিতে। পরিচলন পদ্ধতিতে বায়ুর কণা উত্তপ্ত হয়ে উপরের দিকে ওঠে, পাশে আসে না, ফলে আগুনের উপরে প্রচুর পরিমাণ তাপ সঞ্চালিত হয়। এজন্যই আগুনের পাশের থেকে উপরে বেশি তাপ অনুভূত হয় এবং বেশি গরম লাগে।
রান্না করার জন্য ব্যবহৃত হাড়িটি সাধারণত তাপ পরিবাহী পদার্থ দিয়ে তৈরি। তাই রান্নার সময় হাড়ির নিচে আগুন দেওয়ার কারণে হাড়ির নিচের অংশ তাপ গ্রহণ করে। সেই তাপ পরিবাহিত হয়ে হাড়ির উপরের অংশে চলে আসে। ফলে হাড়ি অত্যন্ত গরম হয়ে যায়। এ অবস্থায় হাড়িকে হাত দিয়ে ধরলে তাপ লেগে হাত পুড়ে যেতে পারে। কিন্তু কাপড়ের টুকরা দিয়ে ধরলে হাতে তাপ লাগে না। কারণ কাপড় তাপের কুপরিবাহী বলে কাপড়ের মধ্য দিয়ে সহজে তাপ পরিবাহিত হয় না। তাই রান্না করার গরম হাড়ি খালি হাতে না ধরে কাপড়ের টুকরা দিয়ে ধরা হয়।
একক ক্ষেত্রফলের উপর বায়ু যে বল প্রয়োগ করে তাই বায়ুচাপ। বায়ু সবদিকে চাপ দেয়। কোনো স্থানের বায়ুচাপ নির্ভর করে সেখানকার তাপমাত্রার উপর। তাপমাত্রা বাড়লে কোনো বদ্ধপাত্রে বায়বীয় পদার্থের চাপ বেড়ে যায়। কিন্তু বায়ুমণ্ডলে তাপমাত্রা বাড়লে বায়ুচাপ কমে যায়। এর কারণ বায়ুমণ্ডল বদ্ধ পাত্র নয়, এটি খোলা। তাপ পেলে বায়ু হালকা হয়ে উপরে উঠে যায়। ফলে বায়ুর ঘনত্ব কমে যায় ও বায়ুচাপ কমে যায়। তাই কোনো স্থানে তাপমাত্রা বেড়ে গেলে বায়ুচাপ কমে যায় অর্থাৎ নিম্নচাপের সৃষ্টি হয়।
তাপ হলো এক ধরনের শক্তি যা ঠাণ্ডা বা গরমের অনুভূতি জাগায়। কোনো কিছু ঠান্ডা না গরম তার পেছনে মূল কারণ হলো তাপ। এই তাপের কারণে আমরা কোনো কিছুকে ঠান্ডা বা গরম বোধ করি। বস্তু যখন তাপ বর্জন করে তখন সেটি ঠান্ডা হয়। আবার বস্তু যখন তাপ গ্রহণ করে তখন সেটি গরম হয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!