সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও সমাধান

Updated: 6 months ago
উত্তরঃ

নিচে তাপ ও তাপমাত্রার মধ্যে পার্থক্য দেওয়া হলো:

তাপতাপমাত্রা
১. তাপ এক প্রকার শক্তি।১. তাপমাত্রা বস্তুর তাপীয় অবস্থা।
২. তাপ হচ্ছে তাপমাত্রার কারণ।২. তাপমাত্রা তাপের ফল।
৩. তাপ পরিমাপের একক জুল, ক্যালরি ইত্যাদি।৩. তাপমাত্রা পরিমাপের একক কেলভিন, সেলসিয়াস, ফারেনহাইট ইত্যাদি।
৪. দুটি বস্তুর তাপমাত্রা এক হলেও এদের তাপের পরিমাণ ভিন্ন হতে পারে।৪. দুটি বস্তুতে তাপের পরিমাণ এক হলেও এদের তাপমাত্রা ভিন্ন হতে পারে।
৫. তাপ পরিমাপ করা হয় ক্যালরিমিটার যন্ত্রের সাহায্যে।৫. তাপমাত্রা পরিমাপ করা হয় থার্মোমিটার যন্ত্রের সাহায্যে।
Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

সূর্যের তাপে কিংবা যখন রেললাইনের উপর দিয়ে রেলগাড়ি চলে তখন রেলের চাকা ও লাইনের ঘর্ষণে অনেক তাপ উৎপন্ন হয়। ফলে, লাইন প্রসারিত হয়। ফাঁকা না রাখলে লাইন প্রসারণের জন্য পর্যাপ্ত জায়গা পেত না। এতে লাইন বেঁকে গিয়ে দুর্ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা থাকে। তাই রেললাইনের পাতের সংযোগস্থলে কিছুদূদ্র পরপর কিছুটা ফাঁকা রাখা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

পরিবহন ও বিকিরণ পদ্ধতিতে আগুন থেকে সমান দূরত্বে সবদিকেই মোটামুটি সমান পরিমাণ তাপ সঞ্চালিত হয়। আগুনের পাশে তাপ আসে বিকিরণ পদ্ধতিতে। এজন্য আগুনের পাশে দাঁড়ালে আমাদের কিছুটা গরম লাগে। কিন্তু আগুনের উপরে তাপ আসে বিকিরণ ও পরিচলন পদ্ধতিতে। পরিচলন পদ্ধতিতে বায়ুর কণা উত্তপ্ত হয়ে উপরের দিকে ওঠে, পাশে আসে না, ফলে আগুনের উপরে প্রচুর পরিমাণ তাপ সঞ্চালিত হয়। এজন্যই আগুনের পাশের থেকে উপরে বেশি তাপ অনুভূত হয় এবং বেশি গরম লাগে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

রান্না করার জন্য ব্যবহৃত হাড়িটি সাধারণত তাপ পরিবাহী পদার্থ দিয়ে তৈরি। তাই রান্নার সময় হাড়ির নিচে আগুন দেওয়ার কারণে হাড়ির নিচের অংশ তাপ গ্রহণ করে। সেই তাপ পরিবাহিত হয়ে হাড়ির উপরের অংশে চলে আসে। ফলে হাড়ি অত্যন্ত গরম হয়ে যায়। এ অবস্থায় হাড়িকে হাত দিয়ে ধরলে তাপ লেগে হাত পুড়ে যেতে পারে। কিন্তু কাপড়ের টুকরা দিয়ে ধরলে হাতে তাপ লাগে না। কারণ কাপড় তাপের কুপরিবাহী বলে কাপড়ের মধ্য দিয়ে সহজে তাপ পরিবাহিত হয় না। তাই রান্না করার গরম হাড়ি খালি হাতে না ধরে কাপড়ের টুকরা দিয়ে ধরা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

একক ক্ষেত্রফলের উপর বায়ু যে বল প্রয়োগ করে তাই বায়ুচাপ। বায়ু সবদিকে চাপ দেয়। কোনো স্থানের বায়ুচাপ নির্ভর করে সেখানকার তাপমাত্রার উপর। তাপমাত্রা বাড়লে কোনো বদ্ধপাত্রে বায়বীয় পদার্থের চাপ বেড়ে যায়। কিন্তু বায়ুমণ্ডলে তাপমাত্রা বাড়লে বায়ুচাপ কমে যায়। এর কারণ বায়ুমণ্ডল বদ্ধ পাত্র নয়, এটি খোলা। তাপ পেলে বায়ু হালকা হয়ে উপরে উঠে যায়। ফলে বায়ুর ঘনত্ব কমে যায় ও বায়ুচাপ কমে যায়। তাই কোনো স্থানে তাপমাত্রা বেড়ে গেলে বায়ুচাপ কমে যায় অর্থাৎ নিম্নচাপের সৃষ্টি হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

তাপ হলো এক ধরনের শক্তি যা ঠাণ্ডা বা গরমের অনুভূতি জাগায়। কোনো কিছু ঠান্ডা না গরম তার পেছনে মূল কারণ হলো তাপ। এই তাপের কারণে আমরা কোনো কিছুকে ঠান্ডা বা গরম বোধ করি। বস্তু যখন তাপ বর্জন করে তখন সেটি ঠান্ডা হয়। আবার বস্তু যখন তাপ গ্রহণ করে তখন সেটি গরম হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

আমরা জানি, তাপ হচ্ছে এক ধরনের শক্তি যা ঠান্ডা বা গরমের অনুভূতি জাগায়। যখন কোনো বস্তু তাপ বর্জন করে তখন বস্তুটিকে ঠান্ডা লাগে। বরফকে স্পর্শ করলে তা তাপ বর্জন করে। ফলে বরফ তাপ বর্জনে যে কাজ হয় সেটিই মূলত আমাদের শরীরে ঠান্ডা হওয়ার অনুভূতি জাগ্রত করে। তাই বরফ স্পর্শ করলে ঠান্ডা লাগে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

তাপের কারণে আমরা কোনো কিছুকে ঠান্ডা বা গরম অনুভব করি। যখন কোনো বস্তু তাপ গ্রহণ করে, তখন তা গরম হয়। গরম গ্লাসটি গরম পানি হতে তাপ গ্রহণ করে। এজন্য গ্লাসটিকে স্পর্শ করলে আমরা গরম অনুভব করি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

কোনো বস্তু কতটুকু গরম বা কতটুকু ঠান্ডা তা প্রকাশ করার মাত্রাকে তাপমাত্রা বা উষ্ণতা বলে। অর্থাৎ কতটুকু গরম বা ঠান্ডা বোঝাতে তাপমাত্রা ব্যবহার করা হয়। তাপমাত্রা বস্তুর তাপীয় অবস্থা প্রকাশ করে। বেশি গরম বস্তুর তাপমাত্রা বেশি; কম গরম বস্তুর তাপমাত্রা কম।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

তাপীয় অবস্থা বলতে তাপমাত্রাকে বোঝায়। কোনো বস্তু কতটুকু গরম বা ঠান্ডা তাই ঐ বস্তুর তাপীয় অবস্থা। তাপীয় অবস্থা তাপমাত্রা দিয়ে প্রকাশ করা হয়। যে বস্তুর তাপমাত্রা বেশি সেটি বেশি গরম আর যার তাপমাত্রা কম সেটি কম গরম। তাপ উচ্চতাপমাত্রা হতে নিম্নতাপমাত্রার দিকে প্রবাহিত হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

তাপ হলো এক ধরনের শক্তি, যার কারণে কোনো কিছুকে ঠান্ডা বা গরম লাগে। অন্যদিকে কোনো কিছু কতটুকু ঠাণ্ডা বা কতটুকু গরম তা প্রকাশ করার মাত্রা হচ্ছে তাপমাত্রা। তাই বলা যায় তাপ হচ্ছে কারণ এবং তাপমাত্রা হচ্ছে তার ফল।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

তাপ হলো একধরনের শক্তি যা ঠান্ডা বা গরমের অনুভূতি জাগায়। শক্তি হলো কাজ করার সামর্থ্য আর শক্তির একক জুল। তাই তাপশক্তি বা তাপের একককে জুল হিসেবে প্রকাশ করা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

গ্রীষ্মকালে সূর্যের প্রখর তাপ থাকে। ফলে তাপমাত্রা বেশি হওয়ার কারণে বায়ুর আর্দ্রতা বেশি হয়। অর্থাৎ বায়ুতে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। এজন্য গ্রীষ্মকালে গরম অনুভূত হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

যে যন্ত্রের মাধ্যমে কোনো উষ্ণ বা ঠান্ডা বস্তুর তাপমাত্রা পরিমাপ করা হয় তাকে থার্মোমিটার বলে। অর্থাৎ তাপমাত্রা পরিমাপের যন্ত্রের নাম হলো থার্মোমিটার। যেমন, থার্মোমিটার ব্যবহার করে মানুষের শরীরের তাপমাত্রা পরিমাপ করা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

তাপমাত্রা পরিমাপের যন্ত্রের নাম হলো থার্মোমিটার। থার্মোমিটার ব্যবহার করে মানুষের শরীরের তাপমাত্রা মাপা হয়। আবহাওয়াবিদগণ বায়ুর তাপমাত্রা মাপার জন্য থার্মোমিটার ব্যবহার করেন। এমনকি কল-কারখানাতেও তাপমাত্রা পরিমাপে থার্মোমিটার ব্যবহার করা হয়। তাই থার্মোমিটারের গুরুত্ব অপরিসীম।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

তাপমাত্রা পরিবর্তন করলে তরল পদার্থের আয়তন বাড়ে বা কমে। আর তরল পদার্থের আয়তন কতটুকু বাড়ে বা কমে তা মেপে তাপমাত্রা কতটুকু কমে বা বাড়ে তা পরিমাপ করা হয়। পারদ প্রকৃতিতে তরল এবং বিশুদ্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়। পারদ কাচের গায়ে লেগে থাকে না। তাই পরিমাপ নির্ভুল হয়। তাই থার্মোমিটারে পারদ ব্যবহার করা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

যে থার্মোমিটারে পারদ ব্যবহার করে তাপমাত্রা মাপা হয়, তাই পারদ থার্মোমিটার। জ্বর মাপার যন্ত্রটাই পারদ থার্মোমিটার। এই থার্মোমিটারে তাপমাত্রা বাড়লে পারদ উপরে উঠে যায়। পারদ নলের কোন দাগ পর্যন্ত উঠল তা দেখে বোঝা যায় তাপমাত্রা কতটুকু বাড়ছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

তাপমাত্রার স্কেল তৈরির জন্য দুটি নির্দিষ্ট তাপমাত্রাকে স্থির ধরে নেওয়া হয়। এই তাপমাত্রা দুটিকে স্থিরাঙ্ক বলা হয়। স্থিরাঙ্ক দুটিকে যথাক্রমে নিম্ন স্থিরাঙ্ক ও ঊর্ধ্ব স্থিরাঙ্ক বলে যা বিভিন্ন তাপমাত্রা স্কেলের জন্য বিভিন্ন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

স্বাভাবিক চাপে যে তাপমাত্রায় বিশুদ্ধ বরফ গলে পানিতে পরিণত হয় সেই তাপমাত্রাকে নিম্ন স্থিরাঙ্ক বলে। নিম্ন স্থিরাঙ্ক বিভিন্ন স্কেলে বিভিন্ন হয়। সেলসিয়াস স্কেলে নিম্নস্থিরাঙ্ক ০০। কিন্তু ফারেনহাইট স্কেলে নিম্ন স্থিরাঙ্ক 32°F।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

স্বাভাবিক চাপে যে তাপমাত্রায় বিশুদ্ধ পানি ফুটে বাষ্পে পরিণত হয় সেই তাপমাত্রাকে স্ফুটনাঙ্ক বলে। স্ফুটনাঙ্ককে ঊর্ধ্ব স্থিরাঙ্ক হিসেবে ব্যবহার করা হয়। যেমন পানি সেলসিয়াস স্কেলে ১০০°C তাপমাত্রায় ফুটে বাষ্পে পরিণত হয়। তাই সেলসিয়াস স্কেলে পানির স্ফুটনাঙ্ক ১০০°C।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

হিমাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্কের পার্থক্য নিম্নরূপ :

হিমাঙ্কস্ফুটনাঙ্ক
১. হিমাঙ্কের তাপমাত্রায় বরফ গলে পানিতে পরিণত হয়।১. স্ফুটনাঙ্কের তাপমাত্রায় পানি ফুটে বাষ্পে পরিণত হয়।
২. এটি নিম্নস্থিরাঙ্ক হিসেবে ব্যবহার করা হয়।২. এটি উর্ধ্বস্থিরাঙ্ক হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

যে স্কেলে নিম্ন স্থিরাঙ্ক 0 ডিগ্রি এবং ঊর্ধ্বস্থিরাঙ্ক 100 ডিগ্রি ধরা হয় তাকে সেলসিয়াস স্কেল বলা হয়। বিজ্ঞানী সেলসিয়াসের নাম অনুসারে এই স্কেলের নামকরণ করা হয়। বৈজ্ঞানিক কাজ ছাড়াও বাংলাদেশসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে এই স্কেল অন্যান্য কাজে ব্যবহার করা হয়। যেমন দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩০° সেলসিয়াস।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

সেলসিয়াস স্কেলে নিম্ন স্থিরাঙ্ককে (০° এবং ঊর্ধ্ব স্থিরাঙ্ককে 100° ধরা হয়। মধ্যবর্তী ব্যবধানকে সমান একশতভাগে ভাগ করা হয়। প্রতিটি ভাগকে এক ডিগ্রি সেলসিয়াস বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

Centi অর্থ একশত এবং grade অর্থ ভাগ। অর্থাৎ Centigrade (সেন্টিগ্রেড) অর্থ একশত ভাগ। তাই সেলসিয়াস স্কেলের ০° হতে 100° এর মধ্যবর্তী দূরত্বকে 100 ভাগে ভাগ করা হয় বলে সেলসিয়াস স্কেলকে সেন্টিগ্রেড স্কেল বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

যে স্কেলে নিম্ন স্থিরাঙ্ক ৩২ ডিগ্রি এবং ঊর্ধ্ব স্থিরাঙ্ক ২১২ ডিগ্রি ধরা হয় তাকে ফারেনহাইট স্কেল বলা হয়। এই স্কেলে মধ্যবর্তী ব্যবধানকে ১৮০ ভাগে ভাগ করা হয়। প্রত্যেক ভাগকে ১০ ফারেনহাইট বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

সেলসিয়াস ও ফারেনহাইট স্কেলের সম্পর্ক সমীকরণটি হলো-

C5= F - 329

এখানে,

C হলো সেলসিয়াম স্কেলে তাপমাত্রা

F হলো ফারেনহাইট স্কেলে তাপমাত্রা।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

এখানে,
C = 30° C
F =

আমরা জানি,
C5=F329\dfrac{C}{5}=\dfrac{F-32}{9}
বা, 305=F329\dfrac{30}{5}=\dfrac{F-32}{9}
বা, 6×9=F326\times 9=F-32
বা, F=54+32F=54+32
=86=86^\circ ফারেনহাইটি

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

আমরা জানি,

C5=F329\frac{C}{5} = \frac{F-32}{9}

বা, C5=98.4329\frac{C}{5} = \frac{98.4 - 32}{9} C5=66.49\frac{C}{5} = \frac{66.4}{9} 9C=66.4×59C = 66.4 \times 5

C=36.89C = 36.89^\circ

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

জ্যাম বা সসের বোতলের ধাতব মুখটি খুলতে মুখটিতে তাপ দেওয়া হয়। কারণ তাপ প্রয়োগ করলে ধাতব পদার্থের প্রসারণ হয়। এক্ষেত্রে ধাতব মুখটি তাপ পেয়ে প্রসারিত হয়। ফলে বোতল হতে মুখটা কিছুটা আলগা হয়ে যায় এবং সহজে মুখটি খুলে যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

যখন লাইনের উপর রেলগাড়ি চলে তখন রেলের লোহার চাকার সাথে ঘর্ষণে লোহার পাত গরম হয়ে যায়। এতে লোহার পাত কিছুটা প্রসারিত হয়। কারণ তাপ প্রয়োগে ধাতব পদার্থ বা কঠিন পদার্থের প্রসারণ হয়। লোহার পাতের সংযোগস্থলে ফাঁক না থাকলে তা বেঁকে যেত এবং রেল দূর্ঘটনা ঘটতো। এজন্য রেল লাইনের সংযোগস্থলে ফাঁক রাখা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

আটার সাথে পানি মিশিয়ে রুটি তৈরি করা হয়। তাপে রুটির ভেতরের পানি গরম হয়ে জলীয় বাষ্পে পরিণত হয়। জলীয়বাষ্প আরও তাপ পেয়ে প্রসারিত হয়। ফলে রুটি ফুলে ওঠে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

আমরা জানি,

C5=F329\frac{C}{5}=\frac{F-32}{9}

বা, C5=101329\frac{C}{5}=\frac{101-32}{9}

বা, 9C=69×59C=69\times5

বা, C=38.34CC=38.34^\circ C

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

বায়ুতে বায়ুর কণাগুলো ছুটোছুটি করতে থাকে। তাই তারা কোনো কিছুতে বাঁধা পেলে তাতে ধাক্কা দেয় বা বল প্রয়োগ করে। কোনো পাত্রের দেওয়ালে গ্যাস কণাসমূহ একক ক্ষেত্রফলে যে বল প্রয়োগ করে তাকে বায়ুর চাপ বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

গ্যাসের চাপ তাপমাত্রার উপর নির্ভরশীল। তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে বদ্ধ পাত্রে গ্যাসের চাপ বাড়ে। কারণ তাপমাত্রা বৃদ্ধির ফলে গ্যাসের অণুগুলোর সংঘর্ষ বেড়ে যায় এবং গ্যাসপাত্রে তা বেশি চাপ প্রয়োগ করে। কিন্তু বায়ুমণ্ডল মুক্ত হওয়ায় তাপ পেলে বায়ুর ঘনত্ব কমে যায় এবং বায়ু হালকা হয়ে উপরে উঠে যায়। ফলে বায়ুর চাপ কমে যায় কিন্তু বাড়ে না।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

বায়ুমণ্ডলবদ্ধ পাত্র নয় বরং এটি খোলা। তাপ পেলে বায়ুর ঘনত্ব কমে যায় এবং বায়ু হালকা হয়ে উপরে উঠে যায়। ফলে 'বায়ুচাপ কমে যায়। তাই কোনো স্থানে তাপমাত্রা বেড়ে গেলে বায়ুচাপ কমে যায় অর্থাৎ নিম্নচাপের সৃষ্টি হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

বায়ুতে জলীয়বাষ্পের পরিমাণকে বলা হয় বায়ুর আর্দ্রতা। বায়ুতে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ বেশি থাকলে বায়ুর আর্দ্রতা বেশি হয়। যদি জলীয়বাষ্প বায়ুতে কম পরিমাণে থাকে তবে বায়ুর আর্দ্রতা কম হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

আমরা জানি, ভূপৃষ্ঠের পানি বাষ্প হয়ে বায়ুতে মিশে যায়। বায়ুতে সবসময়ই এভাবে কিছু পরিমাণ জলীয়বাষ্প থাকে। তাপমাত্রা বেড়ে গেলে ভূপৃষ্ঠের পানি বেশি করে বাষ্প আকারে বায়ুতে মিশে যায়। যার ফলে বায়ুতে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ বেড়ে যায়। এজন্য তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে বায়ুর আর্দ্রতা বেড়ে যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

শ্রাবণ ও ভাদ্র মাসে মৌসুমি বায়ু বঙ্গোপসাগর হতে প্রচুর জলীয়বাষ্প উড়িয়ে নিয়ে আসে। বায়ুতে জলীয়বাষ্প বেশি থাকায় বায়ুর আর্দ্রতাও বেশি হয়। আর এই জলীয়বাষ্প বা আদ্রতা বেশি হওয়ার কারণে শ্রাবণ ও ভাদ্র মাসে ভ্যাপসা গরম পড়ে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

শীতকালে বায়ুতে জলীয়বাষ্প কম থাকে। ফলে বায়ুর আর্দ্রতা কম হয়। তাই বায়ুর আর্দ্রতা কম হওয়ায় শীতকালে ঘাম হয় না।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

তাপ উচ্চ তাপমাত্রার স্থান হতে নিম্ন তাপমাত্রার স্থানে সঞ্চালিত হওয়াকে তাপ সঞ্চালন বলে। যেমন গরম পানিকে একটি ঠান্ডা গ্লাসে ঢেলে দিলে গ্লাসটি ধীরে ধীরে গরম হয়। অর্থাৎ গ্লাসটিতে তাপের সঞ্চালন হয়েছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

তাপের সঞ্চালন তিনভাবে হয়। যথা-
১. পরিবহণ,
২. পরিচলন,
৩. বিকিরণ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

কঠিন পদার্থে তাপের সঞ্চালন পরিবহণ পদ্ধতিতে হয়। কঠিন পদার্থের কণাগুলো নিজেরা স্থান পরিবর্তন করতে পারে না। তাঁরা কেবল নিজেদের স্থানে থেকে কাঁপতে পারে। একটি কঠিন পদার্থের গরম অংশের দ্রুত কম্পমান কণাগুলো ঠান্ডা অংশের কণাগুলোকে কাঁপিয়ে তুলে, ফলে ঠান্ডা অংশ গরম হয়ে যায়। এভাবে কঠিন পদার্থ নিজেদের স্থান পরিবর্তন না করে তাপ গরম স্থান হতে ঠাণ্ডা স্থানে তাপ সঞ্চালন করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

বায়বীয় পদার্থ পরিচলন প্রক্রিয়ায় তাপ সঞ্চালন করে। পরিচলন পদ্ধতিতে বায়ুর কণা উত্তপ্ত হয়ে উপরের দিকে উঠে যায়, পাশে আসে না। তাই আগুনের উপরে হাত রাখলে পাশের থেকে বেশি গরম অনুভূত হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

উত্তপ্ত বস্তু বিকিরণ পদ্ধতিতে তাপ নির্গত করে। এক্ষত্রে তাপ বিকিরণের সময় তড়িৎচৌম্বকীয় তরঙ্গ আকারে সঞ্চালিত হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

কোনো পদার্থ তার তাপমাত্রার জন্য তাপ বিকিরণ করলে তাকে তাপীয় বিকিরণ বলে এবং ঐ পদার্থকে বিকিরক বলে। কোনো পদার্থ তার তাপমাত্রার জন্য তাপ শোষণ করলে তাকে তাপীয় শোষণ বলে এবং ঐ পদার্থকে শোষক বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

সূর্য হতে প্রাপ্ত তাপ বিকিরণ পদ্ধতিতে পৃথিবীকে উত্তপ্ত করে। দিনের বেলায় পৃথিবী তাপ বেশি শোষণ করে এবং কম বিকিরণ করে। কিন্তু রাতের বেলা পৃথিবী বেশি পরিমাণ তাপ বিকিরণ করে। বায়ুমণ্ডলের কিছু গ্যাস যেমন কার্বন ডাইঅক্সাইড, জলীয় বাষ্প, মিথেন ইত্যাদি তাপ বিকিরণে বাঁধা দেয় বলে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল উত্তপ্ত হয়। একে বৈশ্বিক উষ্ণায়ন বা গ্লোবাল ওয়ার্মিং বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

যে বাহ্যিক ভৌত কারণে অর্থাৎ যার ফলে কোনো বস্তু উষ্ণ বা শীতল অনুভূত হয় সেটিই হচ্ছে তাপ, যা এক প্রকার শক্তি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

কোনো কিছু কতটুকু ঠান্ডা বা গরম লাগছে তা প্রকাশ করার মাত্রাই তাপমাত্রা।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

তাপমাত্রা পরিমাপের যন্ত্রের নাম থার্মোমিটার।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

যে থার্মোমিটারে পারদ ব্যবহার করে তাপমাত্রা মাপা হয় তাই পারদ থার্মোমিটার।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

স্বাভাবিক চাপে যে তাপমাত্রায় বিশুদ্ধ বরফ গলে পানিতে পরিণত হয়, সেই তাপমাত্রাকে নিম্ন স্থিরাঙ্ক বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

স্বাভাবিক চাপে যে তাপমাত্রায় বিশুদ্ধ পানি ফুটে বাষ্পে পরিণত হয় সেই তাপমাত্রাকে ঊর্ধ্ব স্থিরাঙ্ক বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

ফারেনহাইট স্কেলের ঊর্ধ্ব ও নিম্ন স্থিরাঙ্কের মধ্যবর্তী ব্যবধান হলো ১৮০।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

সেলসিয়াস স্কেল এবং ফারেনহাইট স্কেলের মধ্যে সম্পর্ককারী সমীকরণটি হলো C5=F-329

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

বেশি তাপমাত্রার অঞ্চল থেকে কম তাপমাত্রার অঞ্চলের দিকে তাপের গমনকে তাপ সঞ্চালন বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

যেসব পদার্থ তাপ বিকিরণ করে তাদেরকে বিকিরক বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

আটার সাথে পানি মিশিয়ে রুটি তৈরি করা হয়। রুটির ভেতরের পানি গরম হয়ে জলীয় বাষ্পে পরিণত হয়। রুটি যখন গরম তাওয়ায় বসানো হয় তখন জলীয় বাষ্প আরও তাপ পেয়ে প্রসারিত হয়। এজন্য রুটি সেঁকার সময় ফুলে উঠে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

আমরা জানি, ভূ-পৃষ্ঠের পানি বাষ্প হয়ে বায়ুতে মিশে, বায়ুতে সবসময়ই এভাবে কিছু জলীয়বাষ্প থাকে যাকে বায়ুর আর্দ্রতা বলে। শীতকালে বায়ুর তাপমাত্রা কম থাকে, তাই পানি কম পরিমাণে জলীয় বাষ্পে পরিণত হয়। ফলে বায়ুর আর্দ্রতা কম থাকে। এ কারণেই শীতকালে ঠোঁট ফাটে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

কাচের বোতলে ধাতব মুখ আটকে গেলে ধাতব মুখটি গরম করা হয়। কারণ ধাতব মুখটি তাপ পেয়ে প্রসারিত হয়ে বোতল থেকে কিছুটা আলগা হয়। এ অবস্থায় মোচড় দিলে সহজেই মুখটি খুলে যায়।.

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

শীতকালে পশমের পোশাক পরার কারণ হলো, পশমের আঁশগুলো আলগাভাবে থাকে, পশমের ফাঁকে ফাঁকে বাতাস আটকে থাকে। পশম এবং বাতাস তাপ কুপরিবাহী বিধায় পশমের কাপড় পরলে দেহের তাপ বাইরে যেতে পারে না। তাই পশমের পোশাক পরলে আমরা গরম বোধ করি। এজন্য শীতকালে পশমের পোশাক পরা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

খড় দিয়ে অনেক সময় ঘরের চাল তৈরি করা হয়। এ চালে খড়ের সাথে অনেক বায়ুও আটকে থাকে। খড় ও বায়ু তাপ কুপরিবাহী। তাই গরমের দিনে বাইরে সূর্যের প্রচণ্ড তাপ খড়ের ভেতরে পরিবাহিত হয়ে আসতে পারে না। ফলে ঘর ঠান্ডা থাকে। আবার শীতকালে ঘরের ভিতরের তুলনায় বাইরে উষ্ণতা কম থাকে। ঘরের ভিতরের তাপ বাইরে যেতে পারে না বলে ঘর গরম থাকে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
No explanation available yet.
156

তাপ মানুষের জন্য অপরিহার্য একটি শক্তি। তাপ আমাদের গরমের অনুভূতি জন্মায়। আর কতটুকু গরম অনুভব করছি তা প্রকাশ করা হয় তাপমাত্রা দিয়ে। বেশি তাপমাত্রার স্থান থেকে কম তাপমাত্রার স্থানে তাপ তিনটি প্রক্রিয়ায় সঞ্চালিত হতে পারে। তাপ দিলে বা সরিয়ে নিলে অর্থাৎ তাপমাত্রা পরিবর্তনের ফলে বায়ুর চাপ ও আর্দ্রতার পরিবর্তন হয়, বিভিন্ন পদার্থ সম্প্রসারিত হয়। তাপের এমন প্রভাব আমাদেরকে নানা ভাবে প্রভাবিত করে।

এ অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা

  • তাপ ও তাপমাত্রার মধ্যে পার্থক্য করতে পারব।
  • ফারেনহাইট ও সেলসিয়াস স্কেলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করতে পারব।
  • থার্মোমিটার ব্যবহার করে সূক্ষ্মভাবে তাপমাত্রা পরিমাপ করতে পারব।
  • বায়ুর চাপ ও আর্দ্রতা ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • বায়ুর চাপ ও আর্দ্রতার উপর তাপমাত্রা পরিবর্তনের প্রভাব বিশ্লেষণ করতে পারব।
  • পদার্থের তাপীয় সম্প্রসারণ ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • তাপ সঞ্চালনের প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • চারপাশে সংঘটিত বিভিন্ন ঘটনার ক্ষেত্রে তাপ সঞ্চালন ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • বিকিরক ও শোষকের মধ্যে পার্থক্য করতে পারব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

কোনো কিছু কতটুকু ঠান্ডা বা গরম লাগছে তা প্রকাশ করার মাত্রাই হলো তাপমাত্রা।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
841
উত্তরঃ

পারদ থার্মোমিটারে পারদ ব্যবহারের সুবিধা নিম্নরূপ-

১. পারদ তাপ সুপরিবাহী পদার্থ বলে খুব সহজেই তাপ গ্রহণ করে বিভিন্ন অংশে ছড়িয়ে দিতে পারে এবং বস্তুর প্রকৃত তাপমাত্রা নির্দেশ করে।
২. পারদ বিশুদ্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়।
৩. পারদ কাচের গায়ে লেগে থাকে না।
৪. পারদ অস্বচ্ছ ও উজ্জ্বল পদার্থ বলে কাচের ভিতর দিয়ে এর উঠা-নামা বাইরে থেকে সহজেই দেখা যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
1k
উত্তরঃ

সেলসিয়াস স্কেলে শারমিনের গায়ের তাপমাত্রা C = ৩৭সেলসিয়াস। ধরি, ফারেনহাইট স্কেলে তার গায়ের তাপমাত্রা F.

আমরা জানি,

C=F-

বা, =F-

বা, ×(F - ) =×

বা, ×(F - ) =

বা, F-=

বা, F-৩২ = ৬৬.৬

বা, F= ৬৬.৬ +৩২

F = ৯৮.৬

অর্থাৎ, শারমিনের গায়ের তাপমাত্রা ফারেনহাইট স্কেলে ৯৮.৬°F ছিল।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
303
উত্তরঃ

ফারেনহাইট ও সেন্টিগ্রেড স্কেলের সম্পর্ক জানা থাকলে শারমিনের জ্বর আছে কী নেই তা জানতে পারতো। সেন্টিগ্রেড স্কেলে নিম্ন স্থিরাঙ্ককে ০ ডিগ্রি (০°) এবং ঊর্ধ্ব স্থিরাঙ্ককে ১০০ ডিগ্রি (১০০°) ধরা হয়। মধ্যবর্তী ব্যবধানকে সমান একশত ভাগে ভাগ করা হয়। প্রত্যেক ভাগকে এক ডিগ্রি সেলসিয়াস (১° সে.) বলা হয়। অপরদিকে ফারেনহাইট স্কেলে নিম্ন স্থিরাঙ্ককে ৩২ ডিগ্রি (৩২°) এবং ঊর্ধ্ব স্থিরাঙ্ককে ২১২ ডিগ্রি (২১২°) ধরা হয়। মধ্যবর্তী ভাগকে সমান ১৮০ ভাগে ভাগ করা হয়। প্রত্যেক ভাগকে এক ডিগ্রি ফারেনহাইট (১° ফা.) বলে।

সেন্টিগ্রেড স্কেলের তাপমাত্রাকে ফারেনহাইট স্কেলের তাপমাত্রায় রূপান্তরের সমীকরণটি হলো C=F- যেখানে C ও F যথাক্রমে সেন্টিগ্রেড ও ফারেনহাইট স্কেলের তাপমাত্রা। শারমিন সেন্টিগ্রেড স্কেলে তার শরীরের তাপমাত্রা ৩৭° সেলসিয়াস নির্ণয় করলো। কিন্তু শারমিন সেন্টিগ্রেড ও ফারেনহাইট স্কেলের সম্পর্ক না জানায় সে তার শরীরের সেন্টিগ্রেড স্কেলের নির্ণীত তাপমাত্রাকে ফারেনহাইট স্কেলের তাপমাত্রায় রূপান্তর করতে পারেনি। শারমিন যদি সেন্টিগ্রেড স্কেলের তাপমাত্রাকে ফারেনহাইট স্কেলে রূপান্তর করতে পারতো, তাহলে সে দেখতো তার শরীরের তাপমাত্রা ফারেনহাইট স্কেলে ৯৮.৬° ফারেনহাইট। তখন শারমিনকে চিন্তিত হতে হতো না এবং ডাক্তারের কাছে যেতে হতো না।

সুতরাং বলা যায়, ফারেনহাইট ও সেন্টিগ্রেড স্কেলের সম্পর্ক জানা থাকলে শারমিনকে ডাক্তারের কাছে যেতে হতো না।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
270
উত্তরঃ

সূর্যের তাপে কিংবা যখন রেললাইনের উপর দিয়ে রেলগাড়ি চলে তখন রেলের ঢাকা ও লাইনের ঘর্ষণে অনেক তাপ উৎপন্ন হয়। ফলে, লাইন প্রসারিত হয়। ফাঁকা না রাখলে লাইন প্রসারণের জন্য পর্যাপ্ত জায়গা পেত না। এতে লাইন বেঁকে গিয়ে দুর্ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা থাকে। তাই রেললাইনের সংযোগস্থলে কিছুদূর পরপর ফাঁক রাখা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
364
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews