শুদ্ধ করে লিখুন (যে কোনো দশটি)

Updated: 3 years ago
উত্তরঃ

মনস্কামনা পূর্ণ না হওয়ায় সে মনস্তাপে ভুগছে।

মনোস্তাপ> মনস্তাপে

BIJON RAY SHUVO
BIJON RAY SHUVO
2 years ago
উত্তরঃ অত্যন্ত গরমে কষ্ট পাচ্ছি, বাতাস বইছে না কেন?

প্রদত্ত বাক্যটিতে "বাতাস করিতেছে না কেন?" অংশটি ব্যাকরণগতভাবে অশুদ্ধ। এর দুটি প্রধান কারণ রয়েছে:

        
  • ক্রিয়ার ভুল প্রয়োগ: বাতাসের ক্ষেত্রে "করা" ক্রিয়াটি প্রযোজ্য নয়। বাতাস "বহে" বা "চলাচল করে"। তাই "করিতেছে" ক্রিয়াপদটি এখানে অনুপযুক্ত। বাতাসের প্রবাহ বোঝাতে "বহা" (to blow) ক্রিয়ার বর্তমান অনুজ্ঞা বা ঘটমান বর্তমান রূপ "বইছে" ব্যবহার করা অধিকতর শুদ্ধ ও স্বাভাবিক।
  •     
  • ক্রিয়ার সাধু রূপের অসামঞ্জস্য: "করিতেছে" একটি সাধু ভাষার ক্রিয়াপদ। যদিও "কষ্ট পাচ্ছি" চলিত রূপ, বাক্যটিতে সাধু ও চলিত ভাষার মিশ্রণ না ঘটলেও, "করিতেছে" এর চেয়ে আধুনিক চলিত রূপে "করছে" ব্যবহার করা যেতে পারতো, কিন্তু বাতাসের ক্ষেত্রে "করছে"ও সঠিক নয়।

সুতরাং, বাক্যটির শুদ্ধ রূপ হবে: "অত্যন্ত গরমে কষ্ট পাচ্ছি, বাতাস বইছে না কেন?" এখানে "বইছে" ক্রিয়াপদটি বাতাসের স্বাভাবিক গতির সাথে সঙ্গতিপূর্ণ এবং চলিত ভাষার রীতি অনুযায়ী সঠিক। কর্মক্ষেত্রে বা আনুষ্ঠানিক যোগাযোগে বাংলা ভাষার শুদ্ধ প্রয়োগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, বিশেষত ক্রিয়াপদের সঠিক ব্যবহার এবং সাধু ও চলিত ভাষার অমিশ্রিত ব্যবহার নিশ্চিত করা অপরিহার্য।

Satt AI
Satt AI
2 hours ago
উত্তরঃ

আমাদের দৈন্যতা দৃষ্টি তোমার পুলকের কারণ কী?

= আমাদের দীনতা দৃষ্টে তোমার পুলকের কারণ কি?

BIJON RAY SHUVO
BIJON RAY SHUVO
2 years ago
উত্তরঃ মিথ্যে আর মরিচিকার পিছু ধাওয়া করা একই কথা।

প্রদত্ত বাক্যটি একটি শব্দপ্রয়োগজনিত ভুল ধারণ করে। বাক্যটিতে 'পিপিলিকা' শব্দের ব্যবহার অনুপযুক্ত। 'পিপিলিকা' অর্থ পিঁপড়া, যা একটি ক্ষুদ্র প্রাণী। এর পিছু ধাওয়া করা হয়তো তুচ্ছ বা অনর্থক হতে পারে, কিন্তু এটি 'মরিচিকা'র (মায়া বা অলীক বস্তু) পিছু ধাওয়া করার মতো অলীকতা বা অস্তিত্বহীনতাকে বোঝায় না।

বাক্যটির মূল উদ্দেশ্য হলো এমন দুটি বিষয়ের তুলনা করা যা উভয়ই অলীক, অপ্রাপ্য বা মিথ্যা এবং যার পিছু ধাওয়া করা নিরর্থক। এই প্রসঙ্গে 'মিথ্যে' শব্দটি 'মরিচিকা'র সাথে একটি অর্থপূর্ণ সাদৃশ্য তৈরি করে। 'মিথ্যে' (মিথ্যা) বলতে অসত্য বা বানোয়াট বিষয়কে বোঝায়, যা 'মরিচিকা'র মতো বাস্তবতাহীন।

সুতরাং, 'পিপিলিকা' এর স্থলে 'মিথ্যে' ব্যবহার করলে বাক্যটি অর্থগতভাবে সঠিক ও সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়। সংশোধিত বাক্যটি "মিথ্যে আর মরিচিকার পিছু ধাওয়া করা একই কথা" দ্বারা বোঝানো হয় যে, মিথ্যা এবং অলীক কিছুর পেছনে ছোটা উভয়ই সমানভাবে নিষ্ফল প্রচেষ্টা।

Satt AI
Satt AI
2 hours ago
উত্তরঃ

বাবু চলিলেন, যেন গজেন্দ্রগামিনী

= বাবু চলিলেন, যেন গজেন্দ্রগমন |

BIJON RAY SHUVO
BIJON RAY SHUVO
2 years ago
উত্তরঃ ইতিমধ্যে যা ঘটেছে তাতেই তার মনোবিকার দেখা দিয়েছে।

প্রদত্ত বাক্যে 'মনবিকার' শব্দটি অশুদ্ধ। এর শুদ্ধ রূপ হলো 'মনোবিকার'। এটি বাংলা ভাষার শব্দগঠন প্রক্রিয়ার একটি অংশ, যেখানে 'মনঃ' (বিসর্গযুক্ত শব্দ) এবং 'বিকার' শব্দদ্বয়ের সমন্বয়ে 'মনোবিকার' গঠিত হয়। এটি বিসর্গ সন্ধির একটি উদাহরণ, যেখানে বিসর্গ লুপ্ত হয়ে পূর্ববর্তী স্বরের সাথে 'ও' কার যুক্ত হয়েছে। বাংলা ব্যাকরণের শুদ্ধ প্রয়োগে এই ধরনের বিষয়গুলো লক্ষ্য রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, বিশেষ করে লিখিত পরীক্ষার ক্ষেত্রে।

Satt AI
Satt AI
2 hours ago
উত্তরঃ সর্বদেহে অসহ্য ব্যথা, ওষুধ দেব কোথায়?

প্রদত্ত বাক্যটিতে দুটি প্রধান ভুল ছিল: শব্দ প্রয়োগে এবং বানানগত।

        
  • প্রথমত, 'অসহ্যনীয়' কোনো সঠিক বাংলা শব্দ নয়। এটি 'অসহ্য' (যা সহ্য করা যায় না) এবং 'সহনীয়' (যা সহ্য করা যায়) শব্দ দুটির ভুল মিশ্রণ। ব্যথার ক্ষেত্রে সঠিক প্রয়োগ হলো 'অসহ্য'।
  •     
  • দ্বিতীয়ত, 'ঔষুধ' বানানটি ভুল। সঠিক বানান হলো 'ওষুধ'।
  •     
  • তৃতীয়ত, 'সর্বদেহ' একটি বিশেষ্য পদ, কিন্তু ব্যথার ক্ষেত্রে এটি কোথায় হচ্ছে তা বোঝাতে locative case বা স্থানবাচক বিভক্তি ব্যবহার করা উচিত। তাই 'সর্বদেহ' এর পরিবর্তে 'সর্বদেহে' (অর্থাৎ 'সারাদেহে' বা 'সারা শরীরে') ব্যবহার করা অধিকতর সঠিক।

অতএব, ব্যাকরণগতভাবে এবং বানানগতভাবে শুদ্ধ বাক্যটি হলো: "সর্বদেহে অসহ্য ব্যথা, ওষুধ দেব কোথায়?"

Satt AI
Satt AI
2 hours ago
উত্তরঃ কালক্রমে আমি সবই জানিতে পারিব, কিন্তু তখন আর উপায় থাকিবে না।

প্রদত্ত বাক্যটিতে মূলত সাধু ও চলিত ভাষার মিশ্রণজনিত ত্রুটি এবং ক্রিয়াপদের ভুল প্রয়োগ রয়েছে। বাক্যটিকে শুদ্ধ করতে হলে নিম্নলিখিত বিষয়গুলি বিবেচনা করা হয়েছে:

        
  • "কালানুক্রমানুসারে" এর পরিবর্তে "কালক্রমে": "কালানুক্রমানুসারে" শব্দটি দীর্ঘ ও কিছু ক্ষেত্রে অপ্রয়োজনীয়। "কালক্রমে" শব্দটি ব্যবহার করলে বাক্যের অর্থ অক্ষুণ্ণ থাকে এবং এটি আরও সংক্ষিপ্ত ও শ্রুতিমধুর হয়। এটি 'সময়ান্তরে' বা 'ধীরে ধীরে' অর্থ প্রকাশ করে।
  •     
  • "জানিতে পারিবত" এর পরিবর্তে "জানিতে পারিব": "জানিতে পারিবত" ক্রিয়াপদটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল। 'আমি' উত্তম পুরুষের ক্রিয়াপদ সাধু ভাষায় ভবিষ্যৎকালে "জানিতে পারিব" হয়। এখানে অতিরিক্ত 'ত' বর্ণটি ভুল।
  •     
  • "থাকবে না" এর পরিবর্তে "থাকিবে না": যেহেতু বাক্যের প্রথম অংশ ("জানিতে পারিব") সাধু ভাষায় রয়েছে, তাই বাক্যের শেষ অংশটিও সাধু ভাষায় থাকা আবশ্যক। "থাকবে না" চলিত ভাষার রূপ, যার সাধু রূপ হলো "থাকিবে না"। সাধু ও চলিত ভাষার মিশ্রণ বাংলা ব্যাকরণে একটি গুরুতর ত্রুটি।

এই পরিবর্তনগুলির মাধ্যমে বাক্যটি ব্যাকরণগতভাবে শুদ্ধ ও ভাষারীতিসম্মত হয়।

Satt AI
Satt AI
2 hours ago
উত্তরঃ বিস্ময়ভিভূত হতবাক চিত্তে আমি তখন তোমাকে দেখিতেছিলাম।

প্রদত্ত বাক্যে "হতবা" শব্দটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল। সঠিক শব্দটি হলো "হতবাক", যার অর্থ বিস্ময়ে বা ভয়ে কিংকর্তব্যবিমূঢ় বা বাকরুদ্ধ হয়ে যাওয়া। "হতবাক" শব্দটি "হত" (হারানো) এবং "বাক" (কথা) এই দুটি শব্দের সমন্বয়ে গঠিত, যার দ্বারা কথা বলার শক্তি হারানোর অবস্থা বোঝায়। "হতবা" শব্দটি প্রমিত বাংলা অভিধানে নেই এবং এটি একটি প্রচলিত ভুল। তাই, বাক্যটিকে শুদ্ধ করতে "হতবা"-এর পরিবর্তে "হতবাক" ব্যবহার করতে হবে।

Satt AI
Satt AI
2 hours ago
উত্তরঃ

মনোনীত কবিতা হইতে একটি বেছে নাও এবং আবৃত্তি করিয়া পড়।

= মনোনীত কবিতা হতে একটি বেছে নাও এবং আবৃতি কর|

BIJON RAY SHUVO
BIJON RAY SHUVO
2 years ago
উত্তরঃ মাননীয় সভানেত্রী এবং উপস্থিত সকল শিক্ষককে লক্ষ করে তিনি কথাগুলো বললেন।

প্রদত্ত বাক্যটিতে দুটি প্রধান ব্যাকরণগত ত্রুটি রয়েছে, যা সংশোধন করা হয়েছে:

        
  • শব্দগত ত্রুটি: মূল বাক্যে "শিক্ষাগণকে" শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে। এখানে "শিক্ষক" শব্দের সাথে "গণ" প্রত্যয় যুক্ত হয়ে "শিক্ষকগণ" হয়, যার অর্থ শিক্ষকবৃন্দ। "শিক্ষা" বলতে জ্ঞান বা বিদ্যা বোঝায়, শিক্ষক নয়। তাই, "শিক্ষাগণকে" এর পরিবর্তে "শিক্ষকগণকে" হওয়া উচিত।
  •     
  • বাহুল্য দোষ (Redundancy): "সকল শিক্ষকগণকে" অংশটি বাহুল্য দোষে দুষ্ট। "সকল" শব্দের অর্থই হচ্ছে 'সমস্ত' বা 'সব'। এর পরে "গণ" প্রত্যয় ব্যবহার করলে একই অর্থের পুনরাবৃত্তি ঘটে। বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী, "সকল" এবং "গণ" একসাথে ব্যবহার করা অনুচিত। তাই, হয় "সকল শিক্ষককে" অথবা "শিক্ষকগণকে" ব্যবহার করা যেতে পারে। বাক্যটির স্বাভাবিকতা ও শ্রুতিমাধুর্য রক্ষায় "সকল শিক্ষককে" ব্যবহার করা অধিক সমীচীন।

সংশোধিত বাক্যটিতে এই ত্রুটিগুলো পরিহার করে সঠিক ও স্বাভাবিক প্রকাশভঙ্গি নিশ্চিত করা হয়েছে।

Satt AI
Satt AI
2 hours ago
উত্তরঃ

আমি চিরদিন তোমাকে স্মরণ করবো।


প্রদত্ত বাক্য "অনাদি অনন্তকাল ধরে আমি চিরদিন তোমাকে স্মরণ করবো।" -এ বাহুল্য দোষ (redundancy) বিদ্যমান। 'অনাদি অনন্তকাল ধরে' এবং 'চিরদিন' উভয় পদই একই অর্থ, অর্থাৎ 'সবসময়' বা 'অনন্তকাল ধরে', প্রকাশ করে। একই বাক্যে সমার্থক দুটি বাচনভঙ্গি ব্যবহার করলে তা বাক্যের সৌন্দর্য ও প্রাঞ্জলতা নষ্ট করে এবং বাক্যকে অপ্রয়োজনীয় দীর্ঘ করে তোলে। এটি এক প্রকার শব্দের অপচয়।

বাক্যকে শুদ্ধ ও সুসংহত করার জন্য এই ধরনের পুনরাবৃত্তি পরিহার করা উচিত। এক্ষেত্রে, যেকোনো একটি পদ বর্জন করে বাক্যটিকে সংক্ষিপ্ত ও সুস্পষ্ট করা সম্ভব। শুদ্ধরূপটি হতে পারে:

        
  • "আমি চিরদিন তোমাকে স্মরণ করবো।" (এটি অপেক্ষাকৃত সংক্ষিপ্ত ও প্রচলিত।)
  •     
  • "অনাদি অনন্তকাল ধরে আমি তোমাকে স্মরণ করবো।" (এটিও ব্যাকরণগতভাবে শুদ্ধ, তবে 'চিরদিন' ব্যবহার বাক্যকে অধিকতর সাবলীল করে।)

সাধারণত, বাংলা ব্যাকরণে বাক্য গঠনের ক্ষেত্রে বাহুল্য দোষ পরিহার করে অর্থকে সুনির্দিষ্ট ও সরল রাখা বাঞ্ছনীয়। সংশোধিত বাক্যটি এই নীতি অনুসরণ করে অর্থকে অক্ষুণ্ণ রেখেছে এবং বাক্যকে আরও মার্জিত করেছে।

Satt AI
Satt AI
2 hours ago
উত্তরঃ রাষ্ট্রপ্রধানগণ আপাতত ঐক্যমতে পৌঁছালেন, তবু আগামীতে কী ঘটবে বলা যায় না।

প্রদত্ত বাক্যটিতে দুটি প্রধান ভুল ছিল। প্রথমত, 'পৌছলেন' ক্রিয়াপদটির ব্যবহার ভুল। 'পৌঁছা' ক্রিয়ার সঠিক সম্পন্ন অতীত কালের রূপ হবে 'পৌঁছালেন' (তারা পৌঁছালেন), যা সম্মানসূচক বহুবচনে ব্যবহৃত হয়। দ্বিতীয়ত, 'ঐক্যমত' একটি বিশেষ্য পদ যার অর্থ সর্বসম্মত মত। যখন 'ঐক্যমতে পৌঁছানো' বোঝানো হয়, তখন 'ঐক্যমত' শব্দটির সঙ্গে সপ্তমী বিভক্তি 'এ' বা 'তে' যুক্ত হয়ে 'ঐক্যমতে' রূপটি গঠন করে। এটি দ্বারা 'ঐক্যমতের উপর বা দিকে পৌঁছানো' বোঝায়, যা বাংলা ব্যাকরণ ও প্রয়োগগত দিক থেকে অধিকতর সঠিক ও মার্জিত।

Satt AI
Satt AI
2 hours ago
উত্তরঃ

অনোন্যপায়ী হইয়া আমি তোমার সরনাপন্ন হইলাম

= অনোন্যপায় হয়ে আমি তোমার শরণাপন্ন হলাম|

BIJON RAY SHUVO
BIJON RAY SHUVO
2 years ago
313

বানান শুদ্ধিকরণ

বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের রয়েছে হাজার বছরেরও বেশি দিনের গৌরবময় ইতিহাস; অথচ বাংলা বানানের ইতিহাস এখনো দুইশ বছরও হয়নি। উনিশ শতকের পূর্বে বাংলা বানানের নিয়ম বলতে তেমন কিছু ছিল না। উনিশ শতকের শুরুর দিকে যখন বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগের সূত্রপাত ঘটে এবং ঐ সাহিত্যের বাহন হিসেবে সাহিত্যিক গদ্যের উন্মেষ হয়, তখন বাংলা বানানের একটি নিয়ম নির্ধারণ করা হয়। উল্লেখ্য যে, এই বানানের নিয়ম সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম মেনে রচনা করা হয়েছিল।

পরবর্তীতে বিশ শতকের বিশের দশকে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় এবং ১৯৩৬ সালে কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগে বাংলা বানানের নিয়ম প্রবর্তিত হলেও বাংলা বানানের সমতা প্রতিষ্ঠিত হয়নি। ১৯৮৮ সালে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড কর্মশালা করে ও বিশেষজ্ঞ কমিটির মাধ্যমে বাংলা বানানের নিয়মের একটি খসড়া প্রস্তুত করে। বিশ্বভারতী, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড ইত্যাদি প্রতিষ্ঠানের অনুসৃত বাংলা বানানের নিয়মের আলোকে ১৯৯২ সালে বাংলা একাডেমি 'প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম' প্রণয়ন করে।

বাংলা একাডেমির 'প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম' ভাবনা-কেন্দ্রে রেখে বাংলা বানানের প্রধান নিয়মগুলো সংক্ষেপে আলোচনা করা হলো:

ই-কার যুক্ত শব্দ:

শব্দের শেষে জগৎ, বাচক, বিদ্যা, সভা, ত্ব, তা, নী, ণী, পরিষদ, তত্ত্ব ইত্যাদি থাকলে তার পূর্বে ঈ-কার না হয়ে সাধারণত ই-কার হয়। যেমন-

অগ্নিবীণাঅধিকারিণীটিপ্পনীতপস্বিনী
প্রাণিবিদ্যাপ্রতিদ্বন্দ্বিতাপুনর্মিলনীপ্রণয়িনী
প্রাণিবাচকপ্রতিদ্বন্দ্বিতাভবিষ্যদ্বাণীমন্ত্রিপরিষদ
সহযোগিতাসহপাঠিনীস্থায়িত্বস্বয়ম্ভু

ঈ-কার যুক্ত শব্দ:

→ পুংলিঙ্গ শব্দ: গুণী, সুখী, মেধাবী, বাগ্মী, কর্মী, জয়ী, শ্রমী ইত্যাদি।

→ স্ত্রীলিঙ্গ শব্দ: যামিনী, সখী, ব্যাঘ্রী, নদী, তরী, রজনী, ইন্দ্রাণী ইত্যাদি।

ঈ-কার যুক্ত বিবিধ শব্দ:

অঙ্গীকারইদানীংঅন্তরীপঅবীরা
অভীষ্টঅলীকঅধীনআত্মীয়
আভীরআশীর্বাদঈপ্সাঈপ্সিত
ঈর্ষাঈশ্বরঈষৎউড্ডীন
উদীচীউদীয়মানউন্মীলিতউড়িয়া/উড়ীয়া
উন্মীলনউশীরএকান্নবর্তীকরণীয়
কালীনকীচককীটকীদৃশ
কীর্তনকীর্তিকুলীনকীদৃশ
কৌপীনক্ষীণজীবীক্ষুৎপীড়িতগরীয়ান
গরীয়সীগম্ভীরগীতিকাগরীয়ান
গীষ্পতিগ্রীবাগ্রীষ্মচীন
চীবরচীরজিজীষাটীকা
তন্ত্রীতীর্ণতিতীর্ষুতিস্তিড়ী
তীক্ষ্ণতীব্রদধীচিদিলীপ
দীধিতিদীপ্তদ্বিতীয়দ্বীপ (দ্বিপ: হস্তী)
ধীরবনিমীলিতনিপীড়িতনিরীক্ষণ
নিরীহনিশীথনিশীথিনীনিষ্ঠীবন
নীচনিবীতনীড়নীহার
নীরবনীরসনীরোগপ্রতীক্ষা
পরীক্ষাপ্রতীয়মানপ্রবীণপীড়া
পিপীলিকাপ্রাচীনপীঠপ্রীত
প্রতীচ্যপৃথিবীপ্রতীকপ্রীতি
বীথিপ্রতীচীপ্রতীতিবিপরীত
বিবাদীবীপ্সাবাল্মীকিবুদ্ধিজীবী
বল্মীকবীভৎসবাণীব্রীহি
বীণাবীরবিকীর্ণবেণী
ভীরুবীজব্যতীতবীজন
ভীষণভীতভগীরথভাগীরথী
মহীভীমমঞ্জুরীমরীচিকা
শরীরমহীয়ানমীমাংসাশ্লীপদ
শর্বরীশিরীষশীঘ্রশীল
শালীনশীকরশীতলশীতাতপ
সীমাশীর্ণসীতাসুধী
স্ফীতসম্মুখীনসমীরণসরীসৃপ
সীমন্তসমীপসমীহসমীচীন
সুশ্রীহরীতকী

ঊ বা ঊ-কার যুক্ত স্ত্রীবাচক শব্দ: বধূ, শ্বশ্রু ইত্যাদি।

ঊ-কার যুক্ত বিবিধ শব্দ:

অনসূয়াঅসূয়াআহূতউলূক
ঊর্মিঊর্ণাঊর্ণনাভঊরু
উদূখলঊনঊঢ়ঊর্ধ্ব
ঊর্মিলাঊষরঊষাঊর্বর (উর্বর)
ঊহ্যকূটকূর্মকূল
কৌতূহলগণ্ডুষগূঢ়গোধূম
ঘূর্ণিঘূর্ণনঘূর্ণায়মানঘূর্ণমান/ঘূর্ণ্যমান
চূড়াচূতচূর্ণচূষ্য
জাগরূকজীমূতজ্ঞানভূষিততাম্রকূট
তূণতাম্বূলতূণীরতূর্ষ
তূর্ণতূলিকাতূলীত্যূষ (প্রত্যুষ)
দূরীভূতদূতদুকূলদূর্বা
দূষণীয়দূষকদূষিতদূর
দ্যূতধূমধূমধূপ
ধূর্জটিধূর্তধূলিধূসর
নিষ্ঠ্যূতনিব্যূঢ়নূতননূপুর
ন্যূনতমপূর্তিপূষাপূর্ব
প্রতিভূপ্রসূপ্রসূতপ্রসূতি
প্রসূয়পীযূষপূপপূরণ
পূতিপূতপূরকপূতিকা
বিদূষকব্যূহবাবদূকভূমি
ভূভূমাভূতভূয়ঃ
ভূতিভূষণভ্রূভ্রূণ
মূঢ়মূত্রমূর্ছামূল্য
ময়ূরমূর্খমূর্তমূষিক
মুহূর্তমুমূর্ষুমূর্তিমন্ডূক
মূকমরুভূমিমূর্ধন্যমন্ডূর
ময়ূখযবাগূযূথযূথিকা
যূনীযূপযূষরূপ
রূঢ়শার্দূলশূকশুশ্রূষা
শূদ্রশূন্যশূকরশূল
সূক্তসূচনাসূত্রসূপ
সূক্ষ্মসিন্দূরসূদনসূর
সূচিসূচকসদ্ভূয়সূর্য
সূতস্তূপসমূহস্ফূর্তি
সম্ভূয়হূন

অদ্ভুত, ভুতুড়ে ছাড়া সব ভূত উ-কার হবে। যেমন- উদ্ভূত, পরাভূত, দূরীভূত, কিম্ভুত, অভূতপূর্ব প্রভৃতি।

চন্দ্রবিন্দু-যুক্ত শব্দ: মূল শব্দে ঙ, ঞ, ণ, ন, ম থাকলে তার পূর্বস্বরে চন্দ্রবিন্দু যুক্ত হয়। যেমন-

আঁধারআঁক (অঙ্ক)গোঁফকাঁটা (কণ্টক)
ছেঁড়াছোঁয়াছোঁছোঁয়াচে
দাঁতদাঁড়িধাঁধাপাঁচ
পাঁজিবাঁকাবাঁশশাঁখ
হাঁটাহাঁস

ড়-কার যুক্ত শব্দ: আগড়, কড়াই, কড়া, পড়া (পাঠ), পাহাড়, বড়, বুড়া প্রভৃতি।

ব-ফলা যুক্ত কয়েকটি শব্দ। যেমন-

উচ্ছ্বাসউজ্জ্বলপার্শ্বদ্বন্দ্ব
প্রজ্বলিতপ্রতিদ্বন্দ্বীবিশ্বাসপক্ব
বিদ্বানবিশ্বস্তশ্বাসবন্ধুত্ব
মহত্ত্বরৌদ্রকরোজ্জ্বলস্বাদশাশ্বত
শ্বশ্রূশ্বশুরস্বত্বসান্ত্বনা
স্বচ্ছস্বাতন্ত্র্যস্বাধীনস্বায়ত্ত
স্বচ্ছন্দসরস্বতীস্বস্তিস্বায়ত্তশাসন
স্বীকারস্বরূপস্বাক্ষরসত্ব (সত্তা)
স্বতন্ত্রস্বার্থ (সার্থক)
  • বিস্ময়সূচক অব্যয় (যেমন- বাঃ/ ছিঃ / উঃ ইত্যাদি) ছাড়া শব্দের শেষে বিসর্গ (ঃ) থাকবে না। যেমন-

অশুদ্ধ

শুদ্ধ

অশুদ্ধ

শুদ্ধ

প্রধানতঃপ্রধানতবস্তুতঃবস্তুত
প্রায়শঃপ্রায়শকার্যতঃকার্যত
  • বিসর্গ (ঃ) যুক্ত শুদ্ধ শব্দ:
অতঃপরইতঃপূর্বেদুঃসময়দুঃসহ
দুঃস্বপ্নদুঃশাসনদুঃসাধ্যনিঃসন্দেহ
মনঃকষ্টমনঃক্ষুন্নশিরঃপীড়াস্বতঃস্ফূর্ত
  • যে-কোনো দেশ, ভাষা ও জাতির নাম লিখতে ই-কার (ি) হবে। যেমন-

দেশ: আমেরিকা, গ্রিস, জার্মানি, ইতালি, হাঙ্গেরি।

[ব্যতিক্রম: চীন, শ্রীলংকা, মালদ্বীপ]

ভাষা: আরবি, হিন্দি, ফারসি, ইংরেজি, গ্রিক ইত্যাদি।

জাতি: বাঙালি, পর্তুগিজ, তুর্কি, বিহারি, ইরানি, আফগানি।

  • অপ্রাণিবাচক শব্দ ও ইতর প্রাণিবাচক অ-তৎসম শব্দের শেষে ই-কার ((ি) হবে। যেমন-

অপ্রাণিবাচক শব্দ : বাড়ি, গাড়ি, শাড়ি, চাবি ইত্যাদি।

ইতর প্রাণিবাচক শব্দ: পাখি, হাতি, মুরগি, চড়ুই ইত্যাদি।

  • তৎসম স্ত্রীবাচক শব্দের শেষে সর্বদা ঈ-কার হবে। যেমন-জননী, স্ত্রী, নারী, সাধ্বী ইত্যাদি।
  • বিদেশি শব্দের বানানে (ষ, ণ, ছ, ঢ়, ড়) এই পাঁচটি বর্ণ ব্যবহার করা যাবে না। যেমন-

অশুদ্ধ

শুদ্ধ

অশুদ্ধ

শুদ্ধ

ইছলামইসলামকর্ণেলকর্নেল
ব্যারিষ্টারব্যারিস্টারবামুণবামুন
ষ্টডিওস্টুডিওষ্টেশনস্টেশন
পোষ্টপোস্ট
  • বাংলা বানান রীতি অনুযায়ী একই শব্দের দুটি বানানই শুদ্ধ।
অন্তরীক্ষ-অন্তরিক্ষঅন্তঃস্থ-অন্তস্থঈর্ষা-ঈর্ষ্যা
কুমির-কুমীরকলস-কলশকিশলয়-কিসলয়
কুটির-কুটীরকুটির-কুটীরতরণি-তরণী
দেবকী-দৈবকীদাদি-দাদীদিঘি-দীঘি
নিমিষ-নিমেষপাখি-পাখীপ্রতিকার-প্রতীকার
বাড়ি-বাড়ীবাঁশি-বাঁশীমসুর-মসূর
মর্ত-মর্ত্যরজনি-রজনীশ্রেণি-শ্রেণী
সূচি-সূচীস্বামি-স্বামীহাতি-হাতী

স্ক/ষ্ক সংক্রান্ত সমস্যা:

ক. ই/উ যুক্ত বিসর্গ (ঃ) এর পর ক, খ, প, ফ থাকলে সাধারণত 'ষ' হবে। যেমন- আবিষ্কার, পরিষ্কার, দুষ্কর, দুষ্কার্য, নিষ্কলঙ্ক, নিষ্কর, জ্যোতিষ্ক প্রভৃতি।

খ. অ-যুক্ত বা মুক্ত বর্ণের পরে সাধারণত 'স' হবে। যেমন-নমস্কার, তিরস্কার, কুসংস্কার।

  • আলি প্রত্যয়যুক্ত শব্দে সর্বদা ই-কার হবে। যেমন-

অশুদ্ধ

শুদ্ধ

অশুদ্ধ

শুদ্ধ

খেয়ালীখেয়ালিগীতালীগীতালি
বর্ণালীবর্ণালিমিতালীমিতালি
রূপালীরূপালিসোনালীসোনালি
  • রেফ এর পরে ব্যঞ্জনবর্ণে দ্বিত্ব হবে না। যেমন-

অশুদ্ধ

শুদ্ধ

অশুদ্ধ

শুদ্ধ

কার্ত্তিককার্তিককার্য্যকার্য
ধর্মসভাধর্মসভানিদ্দিষ্টনির্দিষ্ট
পর্ব্বতপর্বতমাধুর্য্যমাধুর্য
  • নিম্নলিখিত শব্দসমূহে কখনোই 'ং' প্রযুক্ত হবে না; কেবল 'ঙ' ব্যবহৃত হবে। যেমন-
অঙ্কঅঙ্গআঙ্গুলকঙ্কাল
অপাঙ্ক্তেয়অনুপুঙ্খআশঙ্কাগঙ্গা
অঙ্গীকারআকাঙ্ক্ষাইঙ্গিতপঙ্কিল
শৃঙ্খলশিক্ষাঙ্গনশঙ্কা
  • নিম্নলিখিত শব্দসমূহে কখনোই ও প্রযুক্ত হবে না; কেবল ং ব্যবহৃত হবে। যেমন-
অংশুঅংশবংশবারংবার
সংজ্ঞাসংবরণসংবর্ধনাসংবাদ
সংবিধানসংসারসংলাপহিংসা

নিম্নলিখিত শব্দসমূহে ঙ এবং ং উভয়ই ব্যবহৃত হবে।

অলঙ্কারঅলংকারঅহঙ্কারঅহংকার
পংক্তিপঙ্ক্তিভয়ঙ্করভয়ংকর
রঙরংশুভংকরশুভঙ্কর
সঙ্গীতসংগীতসংঘটনসঙ্ঘটন
  • লিঙ্গ-ঘটিত অশুদ্ধি:

অশুদ্ধ

শুদ্ধ

অশুদ্ধ

শুদ্ধ

অধীনীঅধীনাঅনাথিনীঅনাথা
অভাগিনীঅভাগাঅর্ধাঙ্গিনীঅর্ধাঙ্গী
অপ্সরীঅপ্সরাগোপিনীগোপী
চাতকিনীচাতকীচতুর্থাচতুর্থী (কন্যা)
দিগম্বরীদিগম্বরানিরাপরাধিনীনিরাপরাধা
নাগিনীনাগীনির্দোষিনীনির্দোষা
পণ্ডিতানীপণ্ডিতাপিশাচিনীপিশাচী
বন্দিনীবন্দীবৈবাহিকাবৈবাহিকী
বিহঙ্গিনীবিহঙ্গীবিষহরীবিষহরা
ভুজঙ্গিনীভুজঙ্গারজকিনারজকী/রজকিনী
শিষ্যাণীশিষ্যাশুদ্রাণীশূদ্রা/শূদ্রী
সর্পিনীসর্পীসুকেশীনীসুকেশী/সুকেশা
  • সন্ধি-ঘটিত অশুদ্ধি

অশুদ্ধ

শুদ্ধ

অশুদ্ধ

শুদ্ধ

অধঃগতিঅধোগতিঅদ্যপিঅদ্যাপি
উপরোক্তউপর্যুক্তএতদ্বারাএতদ্‌দ্বারা
কিম্বাকিংবাকিম্বদন্তিকিংবদন্তি
চক্ষুন্মীলনচক্ষুরুন্মীলনজ্যোতীন্দ্রজ্যোতিরিন্দ্র
জগৎবন্ধুজগবন্ধুজগচন্দ্রজগৎচন্দ্র
তেজচন্দ্রতেজশ্চন্দ্রতিরষ্কারতিরস্কার
তেজেন্দ্রতেজ-ইন্দ্রদুরাদৃষ্টদুরদৃষ্ট
দুরাবস্থাদুরবস্থানিরসনীরস
নিরোগনীরোগনিস্ফলনিষ্ফল
পশ্বাধমপশ্বধমবাগেশ্বরীবাগীশ্বরী
ব্যাবসাব্যবসাব্যাবধানব্যবধান
ব্যপারব্যাপারবন্দোপাধ্যায়বন্দ্যোপাধ্যায়
বশম্বদবশংবদমন্তোষমনস্তোষ
মরুদ্যানমরূদ্যানমনরথমনোরথ
মনোকষ্টমনঃকষ্টমনমোহনমনোমোহন
মনযোগমনোযোগমৃতে্যুত্তীর্ণমৃত্যুত্তীর্ণ
মনান্তরমনোন্তরযশলাভযশোলাভ
যশপ্রভাযশঃপ্রভালজ্জাস্করলজ্জাকর
শিরোপরিশিরউপরিশরচন্দ্রশরচ্চন্দ্র
শরদেন্দুশরবিন্দুশিরচ্ছেদশিরশ্ছেদ
শিরোপীড়াশিরঃপীড়াশ্রদ্ধাঞ্জলীশ্রদ্ধাঞ্জলি
সন্মুখসম্মুখস্বয়ম্বরস্বয়ংবর
  • প্রত্যয়-ঘটিত অশুদ্ধিঃ

অশুদ্ধ

শুদ্ধ

অশুদ্ধ

শুদ্ধ

আলসতাআলস্যঐক্যতাঐক্য/একতা
উৎকর্ষতাউৎকর্ষদারিদ্রতাদারিদ্র্য
দোষণীয়দূষণীয়নিন্দুকনিন্দক
পরিত্যজ্যপরিত্যাজ্যপ্রযুজ্যপ্রযোজ্য
বিদ্যানবিদ্বানবরিতবৃত
ভাগ্যমানভাগ্যবানমহিমাময়মহিমময়
লক্ষ্মীমানলক্ষ্মীবানশমতাশম
সখ্যতাসখ্যসৌজন্যতাসৌজন্য
সিঞ্চিতসিক্তসিঞ্চিনসেচন
সৃজিতসৃষ্ট

বচন-ঘটিত অশুদ্ধি: একই সাথে দুবার বহুবচন বাচক প্রত্যয় বা শব্দ ব্যবহৃত হয় না। যেমন-

অশুদ্ধ

শুদ্ধ

একশ বালকগণএকশ বালক
নানাবিধ পক্ষীগণনানাবিধ পক্ষী
প্রমুখ বিশিষ্ট ব্যক্তিবৃন্দপ্রমুখ বিশিষ্ট ব্যক্তিবৃন্দ
ব্রাহ্মণগণেরাব্রাহ্মণগণ
যাবতীয় লোকসমূহযাবতীয় লোক
যাবতীয় ভদ্রমহোদয়গণযাবতীয় ভদ্রমহোদয়/ভদ্রমহোদয়গণ
সকল শিক্ষকগণসকল শিক্ষক / শিক্ষকগণ
সকল পরীক্ষকগণসকল পরীক্ষক / পরীক্ষকগণ
সব মাছগুলিসব মাছ / মাছগুলি
সকল ছাত্ররাসকল ছাত্ররা
সুন্দর-সুন্দর বইগুলিসুন্দর বইগুলি / সুন্দর সুন্দর বই

Related Question

View All
উত্তরঃ

লেখাপড়ায় তার মনোযোগ নেই

= লেখাপড়ায় তার মনোযোগ নেয়।

Shamim Reza
Shamim Reza
3 years ago
1.1k
উত্তরঃ

তার মত ত্বরিতকর্মী লােক আর হয় না। = তার মত ত্বরিতকর্মী লোক আর নেই।

Arif Hossain
Arif Hossain
2 years ago
1.3k
উত্তরঃ

সে দলের মধ্যে শ্রেষ্ঠ খেলােয়াড়= সে দলের সেরা খেলোয়াড় /সে দলের অন্যতম সেরা খেলোয়াড়।

Arif Hossain
Arif Hossain
2 years ago
1k
উত্তরঃ

বিবাদমান দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়।

অন্যান্য বিকল্প:

  • "বিবাদমান দুই পক্ষের মধ্যে লড়াই হয়।"
  • "বিবাদমান দুই পক্ষের মধ্যে মুখোমুখি সংঘাত হয়।"
Arif Hossain
Arif Hossain
2 years ago
1k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews