শৈলী ব্যাংক-এ শৌখিন ব্যাংক-এর মত ইলেকট্রনিক ব্যাংকিং সেবা চালু করা পুরোপুরি যুক্তিযুক্ত হবে বলে আমি মনে করি।
যে ব্যাংকিং কার্যক্রমে ইলেকট্রনিক পদ্ধতি ব্যবহার করা হয় তাকে ইলেকট্রনিক ব্যাংকিং সেবা বলা হয়। এর মাধ্যমে ২৪ ঘণ্টা ব্যাংকিং সেবা দিয়ে গ্রাহক সন্তুষ্টি লাভ করা যায়।
উদ্দীপকে শৈলী ব্যাংক ও শৌখিন ব্যাংক দুটি বাণিজ্যিক ব্যাংক। দুটি ব্যাংকই একই ধরনের প্রতিষ্ঠান হলেও কাজ পরিচালনায় রয়েছে ভিন্নতা। একদিকে শৈলী সনাতন পদ্ধতিতে এবং অন্যদিকে শৌখিন ব্যাংক ইলেকট্রনিক ব্যাংকিং সেবার মাধ্যমে গ্রাহকদের সেবা দিয়ে আসছে। বর্তমানে শৈলী ব্যাংকের পরিচালকরা শৌখিন ব্যাংকের মতো সেবা চালু করতে চাচ্ছেন।
শৈলী ব্যাংক ও শৌখিন ব্যাংকের উভয়ের মূলধন ও পরিচালন ব্যয় একই হলেও গ্রাহকদের সেবা দেওয়ায় ভিন্নতা রয়েছে। শৌখিন ব্যাংক বিভিন্ন প্রকার ইলেকট্রনিক ব্যাংকিং সেবা যেমন: ডেবিট কার্ড, ক্রেডিট কার্ড, এনি ব্রাঞ্চ ব্যাংকিং ইত্যাদির মাধ্যমে সেবা দিচ্ছে। তাই বছর
শেষে দেখা যায়, মূলধন ও পরিচালন ব্যয় একই হলেও শৌখিন ব্যাংক-এর মুনাফার পরিমাণ বেশি। কেননা ইলেকট্রনিক ব্যাংকিং সেবার মাধ্যমেই বেশি গ্রাহক আকৃষ্ট হয়। সুতরাং শৈলী ব্যাংক-এর ই-ব্যাংকিং সেবা চালু করা উচিত।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
