যেসব উদ্ভিদের কান্ড মাটির উপরে ছড়িয়ে পড়ে কিন্তু পর্ব থেকে মূল বের হয় না তা শয়ান উদ্ভিদ। যথা- পুঁই, মটরশুঁটি। এদের ব্যবহারিক দিকসমূহ নিম্নরূপ-
পুঁই: পুই সবজি হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
মটরশুঁটি: সবজি ও ডাল জাতীয় খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
Related Question
View Allযেসব উদ্ভিদের দেহে মূল, কান্ড ও পাতা থাকে এবং ফুল, ফল ও বীজ হয় সেসব উদ্ভিদকে সপুষ্পক উদ্ভিদ বলে।
উদ্ভিদের যে অংশগুলো মাটির উপরে থাকে তাদের একত্রে বিটপ বলে। বিটপে কান্ড, পাতা, ফুল ও ফল থাকে।
চিত্রের A ও B চিহ্নিত অংশ দুটি উদ্ভিদের কান্ড ও মূল। নিচে এদের পার্থক্য তুলে ধরা হলো-
A (কান্ড) | B (মূল) |
১. কান্ড ভ্রূণের ভূণমুকুল থেকে উৎপন্ন হয়। | ১. মূল ভ্রূণের ভ্রূণমূল থেকে উৎপন্ন হয়। |
২. উদ্ভিদদেহের ঊর্ধ্বগামী অঙ্গ গঠন করে। | ২. উদ্ভিদের নিম্নগামী অঙ্গ গঠন করে। |
৩. এতে পর্ব ও মধ্যপর্ব থাকে এবং শাখা-প্রশাখা, পাতা, ফুল, ফল ধারণ করে। | ৩. এতে পর্ব ও মধ্যপর্ব থাকে না। কেবল শাখা-প্রশাখা, মূল ধারণ করে। |
৪. এর অগ্রভাগে মূলত্রের পরিবর্তে অগ্রমুকুল থাকে। | ৪. এর অগ্রভাগে মূলত্র থাকে। |
৫. কাণ্ডের বর্ণ সাধারণত সবুজ, অবস্থা বিশেষে বর্ণহীন। | ৫. মূল সাধারণত বর্ণহীন; অবস্থা বিশেষে বর্ণ যুক্ত হয়। |
চিত্রের A ও B চিহ্নিত অংশগুলো যথাক্রমে উদ্ভিদের কান্ড ও মূল। নিচে এদের গুরুত্ব আলোচনা করা হলো-
কান্ডের গুরুত্ব:.
১. কাণ্ড পাতা, ফুল ও ফল এবং শাখা-প্রশাখার ভার বহন করে।
২. উদ্ভিদের কান্ড থেকে আমরা আসবাবপত্র, খুঁটি ইত্যাদি তৈরি করি।
৩. অনেক উদ্ভিদের কাণ্ড আমরা খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করি।
৪. কাণ্ডের মধ্য দিয়ে মূল দ্বারা শোষিত পানি, খনিজ লবণ ইত্যাদি উদ্ভিদের শাখা-প্রশাখা, পাতায়, ফুলে এবং ফলে বাহিত হয়।
৫. এটি পাতায় প্রস্তুত খাদ্য দেহের সর্বত্র ছড়িয়ে পড়তে সহায়তা করে।
মূলের গুরুত্ব:
১. মূল উদ্ভিদটিকে মাটির সাথে শক্তভাবে আটকে রাখে ফলে ঝড় বাতাসে সহজে হেলে পড়ে না।
২. মূল মাটি থেকে পানি ও খনিজ লবণ শোষণ করে। মূলে মূলরোম অঞ্চল বলে একটি অংশ থাকে। এখানে অসংখ্য সূক্ষ্ম সূক্ষ্ম রোম উৎপন্ন হয়, যার মাধ্যমে উদ্ভিদ পানি ও খনিজ পদার্থ সংগ্রহ করে।
৩. কিছু কিছু উদ্ভিদ যেমন- মুলা, শালগম, গাজর ইত্যাদির মূল আমরা খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করি।
৪. অনেক উদ্ভিদের মূল থেকে ভেষজ ঔষধ তৈরি করা হয়। উপরের আলোচনা থেকে বলা যায়, A ও B অর্থাৎ, কাণ্ড ও মূলের অপরিসীম গুরুত্ব রয়েছে।
উদ্ভিদের যে অংশ পর্ব, পর্বমধ্য ও অগ্রমুকুলবিহীন তাকে মূল বলে।
আম পাতার বৃন্তের উপরে একটি মাত্র ফলক থাকে। তাই একে সরলপত্র বলে। আম পাতার ফলকটি অখণ্ডিত। এ পাতার মধ্যশিরাকে প্রধান শিরা বলে যা থেকে শিরা, উপশিরাগুলো বের হয়ে আসে। আমপাতার কিনারা অখন্ডিত বা অসম্পূর্ণভাবে খন্ডিত থাকে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
