সংক্ষিপ্ত-উত্তর প্রশ্ন

Updated: 7 months ago
উত্তরঃ

ইন্টারনেট একটি ভার্চুয়াল জগৎ। এখানে অনেক ধরনের মানুষের ভার্চুয়াল উপস্থিতি থাকে এবং তাদের উদ্দেশ্য ভিন্ন রকম। অপরিচিত মানুষের সাথে সরল বিশ্বাসে যোগাযোগ করে আমরা যদি নিজের ব্যক্তিগত তথ্য যেমন- ঠিকানা, ফোন নম্বর, ছবি দেই। অপরিচিত মানুষটি যদি সেই তথ্য ব্যবহার করে অপপ্রচার করে সেক্ষেত্রে আমাদের ক্ষতি হবে। যা বাস্তব জীবনে অনেক ক্ষতির কারণ হয়ে দাড়াবে। এ কারণে অপরিচিত কাউকে ব্যক্তিগত তথ্য দেওয়া যাবে না।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

কম্পিউটারে ইন্টারনেট ব্যবহার করার সময় যে নিয়মগুলো মেনে চলতে হয় তা হলো-
১. ইন্টারনেট কখনো একা অন্যদের চোখের আড়ালে ব্যবহার না করা।
২. কোনো অবস্থাতেই অপরিচিত মানুষকে নিজের নাম, পরিচয়, ছবি বা পাসওয়ার্ড না দেওয়া।
৩. ইন্টারনেট ব্যবহার করতে হবে আনন্দের জন্য, কারও ক্ষতি করার জন্য নয়। কারো সাথে কখনো অসংযত, ৰূঢ়, অশালীন হওয়া যাবে না।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

বর্তমান যুগে ইন্টারনেট যোগাযোগের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হলেও এতে অনেক প্রতারণার ঝুঁকি রয়েছে। অসাধু চক্র পরিচয় গোপন রেখে প্রতারণা করে এবং বিভ্রান্তি ছড়ায়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভার্চুয়াল বন্ধুদের থেকেও অনেকে প্রতারিত হয়। তাই ইন্টারনেট ব্যবহার সতর্কতার সঙ্গে করা উচিত এবং অপরিচিতদের সঙ্গে দূরত্ব বজায় রাখা উত্তম।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

সামাজিক যোগাযোগ নেটওয়ার্ক আধুনিক যুগে তথ্য প্রচার ও মানুষের মধ্যে যোগাযোগের ক্ষেত্রে অমূল্য ভূমিকা পালন করছে। এর মাধ্যমে মুহূর্তের মধ্যে অসংখ্য মানুষের কাছে বার্তা বা তথ্য পৌঁছানো সম্ভব। এটি শুধুমাত্র ব্যক্তিগত সম্পর্ক বজায় রাখাই নয়, বরং সমাজ ও রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এই নেটওয়ার্ক মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি, সংগঠন গঠন এবং সামাজিক পরিবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

কম্পিউটার গেমের আসক্তি এবং মাদকাসক্তি উভয়ই ব্যক্তি ও তার আশপাশের মানুষের জীবনে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। মাদকাসক্তির মতো, গেম আসক্তির কারণে যুক্তিবোধ লোপ পায় এবং ব্যক্তি অপ্রয়োজনীয়ভাবে গেম খেলার জন্য সময় ও অর্থ ব্যয় করতে থাকে। তাই কম্পিউটার গেম বিনোদনের জন্য খেলা উচিত, তবে কখনোই তা মাত্রা ছাড়িয়ে আসক্তিতে পরিণত হওয়া উচিত নয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

সামাজিক নেটওয়ার্কে আসক্তি হলো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অতিরিক্ত সময় ব্যয় করা, যেখানে ব্যক্তি অপ্রয়োজনীয়ভাবে অপরিচিত বা অর্ধ-পরিচিত ব্যক্তিদের সাথে তথ্য বিনিময় করে। এটি ব্যক্তিজীবনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে এবং সামাজিক ও পেশাগত দায়িত্ব পালন বাধাগ্রস্ত করে। আসক্তি মানুষের বাস্তব বন্ধুত্ব ও সম্পর্ক থেকে দূরে সরিয়ে দেয় এবং তাকে অসামাজিক করে তুলতে পারে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

কম্পিউটার গেইম আসক্তি ও সামাজিক নেটওয়ার্কে আসক্তির মধ্যে তুলনা নিম্নরূপ-

বিষয়

কম্পিউটার গেম আসক্তি

সামাজিক নেটওয়ার্কে আসক্তি

সংজ্ঞাগেম খেলার প্রতি অতিরিক্ত আসক্তি, যা সময় ও অর্থের অপচয় ঘটায়।সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারে অতিরিক্ত আসক্তি।
প্রভাবশারীরিক, মানসিক ও সামাজিক ক্ষতি, যেমন স্বাস্থ্যহানি।সামাজিক ও পেশাগত দায়িত্বে ব্যাঘাত এবং সম্পর্কের অবনতি।
আসক্তির লক্ষণঘুমের ঘাটতি, কাজ বা পড়াশোনায় মনোযোগ হারানো।ব্যক্তিগত সময় সম্পর্কে উপেক্ষা করা।
Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

কিছুতে আসক্ত হয়ে গেলে কিছু লক্ষণ প্রকাশ পায়। লক্ষণগুলো হলো-

  • কোনো কাজে অতিরিক্ত সময় ব্যয় করা।
  • সেই কাজ ছাড়া অন্য কিছুতে আগ্রহ হারানো।
  • দৈনন্দিন কাজকর্ম ও সম্পর্কের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়া।
  • কাজটি না করতে পারলে অস্বস্তি বা বিরক্তি অনুভব করা।
Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

অনেক বেশি ইন্টারনেট ব্যবহার করলে সেটি আসক্তিতে পরিণত হয়। বিনা প্রয়োজনে অতিরিক্ত কম্পিউটার ব্যবহার হলো কম্পিউটার আসক্তি। এই ধরনের আসক্তির ফলে যেসকল সমস্যা তৈরি হয় যেমন-কম্পিউটারের বাইরে চিন্তা করা যায় না, প্রচুর সময় ও অর্থ ব্যয় হয় এবং কাজকর্ম, খাওয়া-দাওয়া, ঘুম, লেখাপড়া কোনোটাই ঠিক মতো করা যায় না। ফলে তাদের পৃথিবী, মানসিকতা এবং চিন্তাজগৎ সংকীর্ণ হয়ে আসে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

কম্পিউটার আসক্তি থেকে মুক্তি পাওয়ার সহজ উপায় হচ্ছে খেলাধুলা। এছাড়াও কতক্ষণ সে কম্পিউটার ব্যবহার করবে নির্ধারণ করে দেওয়া। মাঝেমাঝে সুন্দর জায়গায় ঘুরতে নিয়ে যাওয়া। মজার মজার গল্পের বই কিনে দেওয়া এবং নিয়মিত তাকে যথাযথভাবে পর্যবেক্ষণ করলে কম্পিউটার আসক্তি থেকে রক্ষা পাবে। মনে রাখতে হবে- কম্পিউটার খুব চমৎকার একটা যন্ত্র। আমরা সেটাকে ব্যবহার করব, কিন্তু সেটা যেন কখনো আমাদের ব্যবহার না করে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

ইন্টারনেটে একে অপরের সাথে ভাববিনিময়, ভিডিও ও চ্যাটিং করার জন্য যে সকল ওয়েবসাইট ব্যবহৃত হয় সেগুলোই সামাজিক যোগাযোগ নেটওয়ার্ক। এরকম কিছু সামাজিক যোগাযোগ নেটওয়ার্ক হচ্ছে ফেসবুক, এক্স, লিংকড-ইন, ইউটিউব ইত্যাদি। সামাজিক যোগাযোগ নেটওয়ার্কগুলো আমাদের সামাজিক বন্ধনকে আরো সহজ করছে। ফলে আমরা একে অপরের সাথে একটি সামাজিক নেটওয়ার্কে আবদ্ধ হচ্ছি।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

অনলাইনে বিভিন্ন কাজের মাধ্যমে সামাজিক নেটওয়ার্কে একে অপরের সাথে বন্ধুত্ব গড়ে উঠে। এ ধরনের বন্ধুত্বের ক্ষেত্রে বেশির ভাগ সামাজিক নেটওয়ার্কের মাধ্যমে যোগাযোগ হয়ে থাকে। ফলে বাস্তবে একে অপরের মধ্যে সুখে-দুঃখে যে সখ্যতা তৈরি হওয়ার কথা তা কিন্তু বাস্তবের ন্যায় হয় না। কিন্তু সত্যিকারের বন্ধুকে সুখে-দুঃখে সব সময় পাশে পাওয়া যায় এবং বিভিন্ন বিষয়ে সহযোগিতার বন্ধন তৈরি হয়। এ ধরনের বন্ধুত্ব আরও বেশি আন্তরিক এবং অনেক বেশি বাস্তব। তাই বলা যায়, সামাজিক নেটওয়ার্কের বন্ধু আর সত্যিকারের বন্ধু কখনো এক হয় না।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

সৃজনশীল সৃষ্টিকর্মের কপি বা পুনরুৎপাদন, অবৈধ ব্যবহার ইত্যাদি বন্ধের জন্য যে আইনের বিধান রাখা হয়েছে তাকে কপিরাইট আইন বলে। লেখকদের অধিকার সংরক্ষণের জন্য সর্বপ্রথম যুক্তরাজ্যে ১৬৬২ সালে কপিরাইট আইন চালু হয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

সৃজনশীল বা বুদ্ধিভিত্তিক সম্পদ ব্যবহার করার স্বাধীনতা থাকে। বিশেষ করে একাডেমিক বা পড়ালেখার কাজে সৃজনশীল কাজ কপি করা যায়। অর্থাৎ পড়ালেখার কাজে কোনো বইয়ের ফটোকপি করলে তাতে কপিরাইট আইন ভঙ্গ হয় না। এরকম ব্যবহারকে 'ফেয়ার ইউজ' বলা হয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

মুক্ত দর্শনের আওতায় যে কম্পিউটার সফটওয়্যারগুলো প্রকাশিত হয় সেগুলোকে ওপেন সোর্স সফটওয়‍্যার বলা হয়। এ সফটওয়‍্যারগুলো সহজে একজন অন্যজনকে কপি করে দিতে পারে, ব্যবহারও করতে পারে। তবে যেহেতু সবাই বিনামূল্যে কপি এবং পরিবর্তন করতে পারে তাই সারা বিশ্বের ব্যবহারকারীরা মিলে এই সফটওয়্যারগুলোকে খুবই শক্তিশালী হিসেবে গড়ে তুলে। যা একটি মুক্ত দর্শণ বা ওপেন সোর্স ফিলসফি এর একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

কপিরাইট আইনের প্রয়োজনীয়তা বেশ কিছু কারণে গুরুত্বপূর্ণ। যেমন-

  • সৃজনশীলতা এবং উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করে।
  • অবৈধ কপি এবং চুরি রোধ করে।
  • ব্যবসা ও শিল্পের বাণিজ্যিক স্বার্থ রক্ষা করে।
  • সামাজিক ও সাংস্কৃতিক উন্নয়ন ঘটায়।
Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

ওপেন সোর্স ফিলোসফি বলতে এমন একটি দর্শনকে বুঝানো হয় যেখানে সৃজনশীল বা প্রযুক্তিগত কাজ (যেমন সফটওয়‍্যার) সবাইকে কপি, ব্যবহার এবং পরিবর্তন করার স্বাধীনতা দেওয়া হয়। এই দর্শনে সৃজনশীল কাজের স্রষ্টা তার কাজকে কিছু শর্তে উন্মুক্ত করে দেয়, যাতে কেউ তার তৈরি করা কন্টেন্ট বা সফটওয়‍্যারকে আরও উন্নত বা পরিবর্তিত করতে পারে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো সাধারণ মানুষকে সৃজনশীল কাজের ব্যবহার এবং উন্নতির সুযোগ দেওয়া, যাতে সেই কাজ আরও শক্তিশালী এবং কার্যকরী হয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

সৃজনশীল কাজের স্রষ্টা সবাইকে যদি তার কাজ কপি করার সানন্দ অনুমতি দেন তবে তাকে কপিলেফট বলে। কপিরাইটের একেবারে উল্টোটি হলো কপিলেফট। কপিরাইট আর কপিলেফটের মাঝখানে রয়েছে সৃজনী সাধারণ বা ক্রিয়েটিভ কমন্স। সৃজনী সাধারণ লাইসেন্সের বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে কর্মস্রষ্টার কিছু কিছু অধিকার সংরক্ষিত হয়ে থাকে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

Mydom ও Melissa দুটিই কম্পিউটার ভাইরাস। এগুলো কম্পিউটার নেটওয়ার্ক তথা শক্তিশালী সাইবার জগৎকে আক্রমণ করে ক্ষতি সাধন করে। Mydom নামক কম্পিউটার ভাইরাসটি ২০০৪ সালে জানুয়ারি মাসে একদিনে আড়াই লক্ষ কম্পিউটারকে আক্রান্ত করেছিল। অন্যদিকে ১৯৯৯ সালে Melissa নামে ভাইরাসটি প্রভাবের কারণে মাইক্রোসফটের মতো বড় কোম্পানির ই-মেইল সার্ভারকে বন্ধ রাখতে সক্ষম ছিল।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

কোনো সিস্টেম বা ওয়েবসাইটের নিজস্ব বা গোপন অংশটুকু দেখা এবং পরিবর্তন করাই হচ্ছে হ্যাকিং। বর্তমানে নিয়মিতভাবে কম্পিউটারের ওয়েবসাইট হ্যাকিং হচ্ছে। সাধারণত ওয়েবসাইটে আমাদের যতটুকু তথ্য দরকার ততটুকুই আমরা দেখতে পাই। ওয়েবসাইটের গোপন অংশটুকু আমাদের প্রয়োজন নেই। অনেকে এ সকল গোপন অংশটুকুতে হ্যাকিং-এর মাধ্যমে ঢুকে কোনো কিছু পরিবর্তন বা নষ্ট করে চলে আসে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

বিনা অনুমতিতে কারো কম্পিউটার বা ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে ডিভাইস বা তথ্যের ক্ষতি করাকে হ্যাকিং বলে। যিনি হ্যাকিং করে তাকে হ্যাকার বলে। সাধারণত দুই ধরনের হ্যাকার পাওয়া যায়। যথা-হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার ও ব্ল‍্যাক হ্যাট হ্যাকার।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার (White hat hacker): যারা শুধুমাত্র অন্যের কম্পিউটার বা ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে বিভিন্ন বিষয় দেখে কিন্তু কোনো কিছুর ক্ষতি বা পরিবর্তন না করে বের হয়ে আসে তাদেরকে White hat hacker বলে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

যেসব হ্যাকার অন্যের কম্পিউটার সিস্টেমে বা ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে সিস্টেম নষ্ট বা তথ্যের বিকৃতি ও ক্ষতি করে তাদেরকে ব্ল‍্যাক হ্যাট হ্যাকার বলে

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে ইন্টারনেটে প্রতারণা ঘটে যখন অপরাধীরা ক্রেডিট কার্ডের নম্বর বা তথ্য চুরি করে এবং তা অবৈধভাবে টাকা তোলার জন্য ব্যবহার করে। অপরাধীরা সাধারণত বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠানের মতো ভুয়া ইমেইল বা মেসেজ পাঠায়, যেখানে ক্রেডিট কার্ডের তথ্য বা লগইন তথ্য চাওয়া হয়। এটি সাধারণত খুবই বিশ্বাসযোগ্য মনে হয়, কিন্তু আসলে এটি একটি ধোঁকাবাজি। তাছাড়া তারা ভূয়া ওয়েবসাইট বা বিভিন্ন ধরনের ম্যালওয়‍্যার বা ভাইরাস ব্যক্তির ডিভাইসে ইনস্টল করে ক্রেডিট কার্ডের তথ্য চুরি করতে পারে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

ইন্টারনেটে অসংখ্য তথ্য রয়েছে। সেখান থেকে হুবহু কোনো কিছু কপি করে নিজের নামে জমা দেওয়াকে প্লেজারিজম বলে। প্লেজারিজম খুব বড় ধরনের অনৈতিক কাজ। প্লেজারিজমের অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন সাংবাদিক ফরিদ জাকারিয়াকে তার দায়িত্ব থেকে অব্যহতি দেয়া হয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

বর্তমান তথ্য প্রযুক্তির যুগে প্লেজারিজম যেমন বেড়েছে ঠিক সেরকম প্লেজারিজম ধরার কৌশলও অনেক বেড়েছে। সফটওয়্যার ব্যবহার করে ডকুমেন্টের কোন অংশ ইন্টারনেটের কোনো জায়গা থেকে হুবহু কপি করে এনেছে সেটা সহজেই ধরা যায়। তাই বিভিন্ন গবেষণা, প্রজেক্ট পেপার ইত্যাদির ডকুমেন্ট তৈরিতে প্লেজারিজম থেকে দূরে থাকতে হবে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
248

এই অধ্যায় শেষে আমরা-

১. মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহারের ক্ষতিকর দিকগুলো ব্যাখ্যা করতে পারব;
২. সামাজিক ক্ষেত্রে এর প্রভাব বর্ণনা করতে পারব;
৩. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহার সম্পর্কিত আইন ব্যাখ্যা করতে পারব;
৪. নিরাপদ ও নৈতিক ব্যবহারের প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করতে পারব;
৫. মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহারের পরিণতি সম্পর্কে কার্টুন আঁকতে পারব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

ইন্টারনেট একটি ভার্চুয়াল জগৎ। এখানে অনেক ধরনের মানুষের ভার্চুয়াল উপস্থিতি থাকে এবং তাদের উদ্দেশ্য ভিন্ন রকম। অপরিচিত মানুষের সাথে সরল বিশ্বাসে যোগাযোগ করে আমরা যদি নিজের ব্যক্তিগত তথ্য যেমন- ঠিকানা, ফোন নম্বর, ছবি দেই। অপরিচিত মানুষটি যদি সেই তথ্য ব্যবহার করে অপপ্রচার করে সেক্ষেত্রে আমাদের ক্ষতি হবে। যা বাস্তব জীবনে অনেক ক্ষতির কারণ হয়ে দাড়াবে। এ কারণে অপরিচিত কাউকে ব্যক্তিগত তথ্য দেওয়া যাবে না।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
601
উত্তরঃ

কম্পিউটারে ইন্টারনেট ব্যবহার করার সময় যে নিয়মগুলো মেনে চলতে হয় তা হলো-
১. ইন্টারনেট কখনো একা অন্যদের চোখের আড়ালে ব্যবহার না করা।
২. কোনো অবস্থাতেই অপরিচিত মানুষকে নিজের নাম, পরিচয়, ছবি বা পাসওয়ার্ড না দেওয়া।
৩. ইন্টারনেট ব্যবহার করতে হবে আনন্দের জন্য, কারও ক্ষতি করার জন্য নয়। কারো সাথে কখনো অসংযত, ৰূঢ়, অশালীন হওয়া যাবে না।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
1.4k
উত্তরঃ

বর্তমান যুগে ইন্টারনেট যোগাযোগের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হলেও এতে অনেক প্রতারণার ঝুঁকি রয়েছে। অসাধু চক্র পরিচয় গোপন রেখে প্রতারণা করে এবং বিভ্রান্তি ছড়ায়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভার্চুয়াল বন্ধুদের থেকেও অনেকে প্রতারিত হয়। তাই ইন্টারনেট ব্যবহার সতর্কতার সঙ্গে করা উচিত এবং অপরিচিতদের সঙ্গে দূরত্ব বজায় রাখা উত্তম।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
409
উত্তরঃ

সামাজিক যোগাযোগ নেটওয়ার্ক আধুনিক যুগে তথ্য প্রচার ও মানুষের মধ্যে যোগাযোগের ক্ষেত্রে অমূল্য ভূমিকা পালন করছে। এর মাধ্যমে মুহূর্তের মধ্যে অসংখ্য মানুষের কাছে বার্তা বা তথ্য পৌঁছানো সম্ভব। এটি শুধুমাত্র ব্যক্তিগত সম্পর্ক বজায় রাখাই নয়, বরং সমাজ ও রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এই নেটওয়ার্ক মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি, সংগঠন গঠন এবং সামাজিক পরিবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
528
উত্তরঃ

কম্পিউটার গেমের আসক্তি এবং মাদকাসক্তি উভয়ই ব্যক্তি ও তার আশপাশের মানুষের জীবনে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। মাদকাসক্তির মতো, গেম আসক্তির কারণে যুক্তিবোধ লোপ পায় এবং ব্যক্তি অপ্রয়োজনীয়ভাবে গেম খেলার জন্য সময় ও অর্থ ব্যয় করতে থাকে। তাই কম্পিউটার গেম বিনোদনের জন্য খেলা উচিত, তবে কখনোই তা মাত্রা ছাড়িয়ে আসক্তিতে পরিণত হওয়া উচিত নয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
440
উত্তরঃ

সামাজিক নেটওয়ার্কে আসক্তি হলো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অতিরিক্ত সময় ব্যয় করা, যেখানে ব্যক্তি অপ্রয়োজনীয়ভাবে অপরিচিত বা অর্ধ-পরিচিত ব্যক্তিদের সাথে তথ্য বিনিময় করে। এটি ব্যক্তিজীবনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে এবং সামাজিক ও পেশাগত দায়িত্ব পালন বাধাগ্রস্ত করে। আসক্তি মানুষের বাস্তব বন্ধুত্ব ও সম্পর্ক থেকে দূরে সরিয়ে দেয় এবং তাকে অসামাজিক করে তুলতে পারে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
403
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews