অনলাইনে বিভিন্ন কাজের মাধ্যমে সামাজিক নেটওয়ার্কে একে অপরের সাথে বন্ধুত্ব গড়ে উঠে। এ ধরনের বন্ধুত্বের ক্ষেত্রে বেশির ভাগ সামাজিক নেটওয়ার্কের মাধ্যমে যোগাযোগ হয়ে থাকে। ফলে বাস্তবে একে অপরের মধ্যে সুখে-দুঃখে যে সখ্যতা তৈরি হওয়ার কথা তা কিন্তু বাস্তবের ন্যায় হয় না। কিন্তু সত্যিকারের বন্ধুকে সুখে-দুঃখে সব সময় পাশে পাওয়া যায় এবং বিভিন্ন বিষয়ে সহযোগিতার বন্ধন তৈরি হয়। এ ধরনের বন্ধুত্ব আরও বেশি আন্তরিক এবং অনেক বেশি বাস্তব। তাই বলা যায়, সামাজিক নেটওয়ার্কের বন্ধু আর সত্যিকারের বন্ধু কখনো এক হয় না।
Related Question
View Allইন্টারনেট একটি ভার্চুয়াল জগৎ। এখানে অনেক ধরনের মানুষের ভার্চুয়াল উপস্থিতি থাকে এবং তাদের উদ্দেশ্য ভিন্ন রকম। অপরিচিত মানুষের সাথে সরল বিশ্বাসে যোগাযোগ করে আমরা যদি নিজের ব্যক্তিগত তথ্য যেমন- ঠিকানা, ফোন নম্বর, ছবি দেই। অপরিচিত মানুষটি যদি সেই তথ্য ব্যবহার করে অপপ্রচার করে সেক্ষেত্রে আমাদের ক্ষতি হবে। যা বাস্তব জীবনে অনেক ক্ষতির কারণ হয়ে দাড়াবে। এ কারণে অপরিচিত কাউকে ব্যক্তিগত তথ্য দেওয়া যাবে না।
কম্পিউটারে ইন্টারনেট ব্যবহার করার সময় যে নিয়মগুলো মেনে চলতে হয় তা হলো-
১. ইন্টারনেট কখনো একা অন্যদের চোখের আড়ালে ব্যবহার না করা।
২. কোনো অবস্থাতেই অপরিচিত মানুষকে নিজের নাম, পরিচয়, ছবি বা পাসওয়ার্ড না দেওয়া।
৩. ইন্টারনেট ব্যবহার করতে হবে আনন্দের জন্য, কারও ক্ষতি করার জন্য নয়। কারো সাথে কখনো অসংযত, ৰূঢ়, অশালীন হওয়া যাবে না।
বর্তমান যুগে ইন্টারনেট যোগাযোগের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হলেও এতে অনেক প্রতারণার ঝুঁকি রয়েছে। অসাধু চক্র পরিচয় গোপন রেখে প্রতারণা করে এবং বিভ্রান্তি ছড়ায়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভার্চুয়াল বন্ধুদের থেকেও অনেকে প্রতারিত হয়। তাই ইন্টারনেট ব্যবহার সতর্কতার সঙ্গে করা উচিত এবং অপরিচিতদের সঙ্গে দূরত্ব বজায় রাখা উত্তম।
সামাজিক যোগাযোগ নেটওয়ার্ক আধুনিক যুগে তথ্য প্রচার ও মানুষের মধ্যে যোগাযোগের ক্ষেত্রে অমূল্য ভূমিকা পালন করছে। এর মাধ্যমে মুহূর্তের মধ্যে অসংখ্য মানুষের কাছে বার্তা বা তথ্য পৌঁছানো সম্ভব। এটি শুধুমাত্র ব্যক্তিগত সম্পর্ক বজায় রাখাই নয়, বরং সমাজ ও রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এই নেটওয়ার্ক মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি, সংগঠন গঠন এবং সামাজিক পরিবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
কম্পিউটার গেমের আসক্তি এবং মাদকাসক্তি উভয়ই ব্যক্তি ও তার আশপাশের মানুষের জীবনে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। মাদকাসক্তির মতো, গেম আসক্তির কারণে যুক্তিবোধ লোপ পায় এবং ব্যক্তি অপ্রয়োজনীয়ভাবে গেম খেলার জন্য সময় ও অর্থ ব্যয় করতে থাকে। তাই কম্পিউটার গেম বিনোদনের জন্য খেলা উচিত, তবে কখনোই তা মাত্রা ছাড়িয়ে আসক্তিতে পরিণত হওয়া উচিত নয়।
সামাজিক নেটওয়ার্কে আসক্তি হলো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অতিরিক্ত সময় ব্যয় করা, যেখানে ব্যক্তি অপ্রয়োজনীয়ভাবে অপরিচিত বা অর্ধ-পরিচিত ব্যক্তিদের সাথে তথ্য বিনিময় করে। এটি ব্যক্তিজীবনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে এবং সামাজিক ও পেশাগত দায়িত্ব পালন বাধাগ্রস্ত করে। আসক্তি মানুষের বাস্তব বন্ধুত্ব ও সম্পর্ক থেকে দূরে সরিয়ে দেয় এবং তাকে অসামাজিক করে তুলতে পারে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
