মোল হলো রাসায়নিক পদার্থ পরিমাপের একক। কোনো পদার্থের যে পরিমাণের মধ্যে টি পরমাণু, অণু বা আয়ন থাকে সেই পরিমাণকে ঐ পদার্থের মোল বলা হয়। উদাহরণস্বরূপ, টি = 1 মোল
অ্যাভোগেড্রো সংখ্যা মূলত কোনো পদার্থের এক মোলে কতগুলো পরমাণু, অণু বা আয়ন থাকে, সেই সংখ্যাকে নির্দেশ করে। অর্থাৎ, যদি আমরা কোনো পদার্থের এক মোল নিই, তাহলে সেখানে প্রায় টি কণা থাকবে। এই সংখ্যাকেই অ্যাভোগেড্রো সংখ্যা বলে। উদাহরণস্বরূপ, এক মোল কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাসে টি অণু থাকবে।
রাসায়নিক পদার্থের (পরমাণুর ক্ষেত্রে) পারমাণবিক ভর অথবা (অণুর ক্ষেত্রে) আণবিক ভরকে গ্রাম এককে প্রকাশ করলে যে পরিমাণ পাওয়া যায় তাকে ঐ পদার্থের এক মোল বলা হয়। যেমন কার্বনের পারমাণবিক ভর 12। অতএব 12 গ্রাম C পরমাণু । মোল C পরমাণু। অর্থাৎ 12 গ্রাম কার্বনে টি পরমাণু থাকবে।
কোনো রাসায়নিক পদার্থের যে পরিমাণে অ্যাভোগেড্রো সংখ্যক অণু, পরমাণু বা আয়ন থাকে তাকে পদার্থের এক মোল বলে। একে গ্রাম আণবিক ভরও বলা হয়। এক মোল বলতে বুঝায় এতে এর টি অণু বিদ্যমান। আবার এক মোল বলতে কেও বুঝানো হয়।
তে একটি ১ এবং দুইটি ০ পরমাণু আছে।
সুতরাং এর আণবিক ভর
= ( এর পারমাণবিক ভর) + ( এর পারমাণবিক ভর)
"সুতরাং, এর আণবিক ভর
এর আণবিক ভর
28 g নাইট্রোজেনের গ্যাসে অণুর সংখ্যা টি
‘’ ‘’ ‘’ ‘’
টি
নাইট্রোজেন গ্যাসে টি অণু আছে।
1 মোল
32 গ্রামে আছে টি অণু
‘’ ‘’ অণু
টি অণু আছে।
18 g পানিতে অণুর সংখ্যা টি
5 g ‘’ ‘’ ‘’
5g পানিতে টি অণু আছে।
পানির অণুর আণবিক ভর = 18
অণুর ভর 18g
1 ‘’ ‘’ ‘’ g
1টি পানির অণুর ভর
জানা আছে
12 গ্রাম কার্বনে আছে টি পরমাণু
1 ‘’ ‘’ ‘’ ‘’
টি পরমাণু
1 গ্রাম কার্বনে টি পরমাণু আছে।
হীরক কার্বনের একটি রূপভেদ।
কার্বনের পারমাণবিক ভর = 12
অতএব, অ্যাভোগেড্রোর সূত্রানুসারে,
12g C-এ পরমাণু সংখ্যা টি
Ig C ‘’ ‘’ = টি
1g হীরকে টি কার্বন পরমাণু বিদ্যমান।
5g অক্সিজেনে আছে।
এর গ্রাম আণবিক ভর = 44 g
এবং অ্যাভোগাড্রো সংখ্যা, N=
এ অণু বিদ্যমান টি
‘’ ‘’ ‘’ টি
টি
জানা আছে
1 মোল
সুতরাং টি অণুর ভর 44 g
1টি অণুর ভর
জানা আছে
1 মোল
সুতরাং তে অণু সংখ্যা টি
তে অণু সংখ্যা টি
টি
জানা আছে
1 মোল
সুতরাং মোল
মোল =0.22 মোল
প্রমাণ অবস্থা বলতে একটি নির্দিষ্ট তাপমাত্রা ও চাপের সেই অবস্থাকে বোঝায়, যেখানে গ্যাসের আচরণ সবচেয়ে সহজে পূর্বাভাস করা যায়। সেন্টিগ্রেড তাপমাত্রা এবং । বায়ুমণ্ডল চাপকে একত্রে প্রমাণ তাপমাত্রা ও চাপ বা আদর্শ তাপমাত্রা ও চাপ বা সংক্ষেপে আদর্শ বা প্রমাণ অবস্থা বলা হয়। প্রমাণ অবস্থায়। মোল গ্যাসের আয়তন হয় 22.4 লিটার।
গ্যাসের মোলার আয়তন বলতে কোনো নির্দিষ্ট তাপমাত্রা ও চাপে এক মোল গ্যাস যে আয়তন দখল করে, তাকে বোঝায়। সাধারণত, ০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা এবং। বায়ুমুল চাপে (যাকে প্রমাণ অবস্থা বলে) এক মোল যেকোনো গ্যাস প্রায় 22.4 লিটার আয়তন দখল করে। মোলার আয়তন গ্যাসের পরিমাণ নির্ণয় করতে এবং বিভিন্ন গ্যাসের বৈশিষ্ট্য তুলনা করতে সাহায্য করে।
এক মোল পরিমাণ কোনো পদার্থের আয়তনকে মোলার আয়তন বলে। এর এক মোল = g বা 64 g। সুতরাং প্রমাণ তাপমাত্রা ও চাপে . গ্যাসের আয়তনকে তার মোলার আয়তন বলা যাবে। অ্যাভোগেড্রো সূত্রানুসারে, STP তে এক মোল বা গ্যাসের আয়তন হবে 22.4 L l
সুতরাং, গ্যাসের মোলার আয়তন 22.4 L l
মোল গ্যাসীয় পদার্থ যে আয়তন দখল করে তাকে ঐ গ্যাসের মোলার আয়তন বলে.। 0° C তাপমাত্রা এবং l বায়ুমণ্ডল চাপকে একত্রে প্রমাণ অবস্থা বলা হয়। প্রমাণ অবস্থায় । মোল গ্যাসের আয়তন হয় 22.4 লিটার। প্রমাণ অবস্থায় নাইট্রোজেনের ডাইঅক্সাইড () তথা গ্যাসের মোলার আয়তন 22.4 লিটার।
এর আণবিক ভর = 44 g
STP তে গ্যাসের আয়তন = 22.4 L
STP তে 100 g গ্যাসের আয়তন =
জানা আছে, 1 মোল এর STP তে আয়তন 22.4 Lটি
সুতরাং, STP তে তে অণু সংখ্যা টি টি
I গ্যাসে অণু থাকে টি
টি
অ্যামোনিয়া গ্যাসের আণবিক ভর
S. T. P.-তে,
22400 mL. গ্যাসের ভর এর গ্রাম আণবিক ভর
= 17.024 g
10 ‘’ ‘’ ‘’
প্রমাণ অবস্থায় 10 mL. আয়তনের অ্যামোনিয়া গ্যাসের ভর
S.T.P তে
22.4L মিথেন গ্যাসে অণুর সংখ্যা টি
2L ‘’ ‘’ ‘’ ‘’ টি
প্রমাণ তাপমাত্রা ও চাপে 2L মিথেন গ্যাসে অণুর সংখ্যা টি অণু আছে।
মিথেনের আণবিক ভর
আমরা জানি, S.T.P তে
16 গ্রামে এ আছে টি অণু
2 ‘’ ‘’ ‘’ ‘’
প্রমাণ চাপে ও তাপে 2 গ্রাম মিথেন গ্যাসে টি অণু আছে।
S.T.P-তে
22400 গ্যাসে থাকে টি অণু
250 ‘’ ‘’ ‘’ ‘’
= টি অণু
নাইট্রোজেন গ্যাসে টি অণু থাকে।
STP-তে
22400 mL গ্যাসে থাকে টি অণু
1 ‘’ ‘’ ‘’ ‘’ টি অণু
টি অণু
STP তে 1.0 গ্যাসে অণুর সংখ্যা টি
STP-তে
22400 mL গ্যাসে থাকে টি অণু
1 ‘’ ‘’ ‘’ ‘’ টি অণু
টি অণু
গ্যাসে অণুর সংখ্যা টি।
খাদ্য লবণের আণবিক সংকেত হল NaCl। এই সংকেত থেকে প্রাপ্ত তথ্যগুলো নিম্নরূপ-
(i) খাদ্য লবণের রাসায়নিক সংকেত NaCl |
(ii) খাদ্য লবণ সোডিয়াম (Na) এবং ক্লোরিন (CI) এর সমন্বয়ে গঠিত।
(iii) 1 মোল খাদ্য লবণে টি অণু থাকে, যার মোট ভর g |
দ্রব হলো এমন একটি পদার্থ যা কোনো দ্রাবকের মধ্যে দ্রবীভূত হয়ে দ্রবণ তৈরি করে। দ্রবণে দ্রাবকের পরিমাণের তুলনায় দ্রবের পরিমাণ সাধারণত কম থাকে। দ্রব কঠিন, তরল বা গ্যাসীয় অবস্থায় থাকতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, চিনির দ্রবণে চিনিই হলো দ্রব।
দ্রাবক হলো এমন একটি পদার্থ যা অন্য কোনো পদার্থকে নিজের মধ্যে দ্রবীভূত করে দ্রবণ তৈরি করে। সাধারণত, দ্রাবকের পরিমাণ দ্রবণে বেশি থাকে। দ্রাবকের উদাহরণ হিসেবে পানি অ্যালকোহল, বেনজিন ইত্যাদি উল্লেখ করা যায়।
দ্রবণ হলো দুই বা ততোধিক পদার্থের এমন একটি সমসত্ত্ব মিশ্রণ, যেখানে একটি পদার্থ (দ্রাবক) অন্য একটি বা ততোধিক পদার্থ (দ্রব) কে সম্পূর্ণরূপে দ্রবীভূত করে। দ্রবণে দ্রাব্য পদার্থের কণাগুলো অণু বা আয়ন আকারে থাকে এবং দ্রাবকের মধ্যে সমানভাবে বিস্তৃত থাকে। একটি দ্রবণে দ্রাবক/দ্রব পদার্থের পরিমাণ বাড়িয়ে বা কমিয়ে দ্রবণের ঘনমাত্রা পরিবর্তন করা যায়।
একটি নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় 1 লিটার দ্রবণের মধ্যে যদি এক মোল দ্রব দ্রবীভূত থাকে, তাকে ঐ দ্রবণের মোলার দ্রবণ বা এক মোলার দ্রবণ বলা হয়। অর্থাৎ । লিটার দ্রবণে যদি 58.5 g NaCl দ্রবীভূত থাকে, তবে উক্ত দ্রবণটি একটি মোলার দ্রবণ হবে।
প্রমাণ তাপমাত্রা ও চাপে কোনো দ্রবণের ঘনমাত্রা প্রতি লিটারে যদি 0.1 মোলার হয়, তবে ঐ দ্রবণের ঘনমাত্রাকে ডেসিমোলার দ্রবণ বলে। উদাহরণস্বরূপ: NaCl এর এক মোল= 58.5g এবং 0.1 মোল = 5.85 g। অতএব NaCl 1 লিটারে দ্রবণে যদি 5.85 g দ্রব দ্রবীভূত থাকে তবে ঐ দ্রবণকে NaCl এর 0.1 M বা ডেসিমোলার দ্রবণ বলা হয়।
একটি নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় 1 লিটার দ্রবণের মধ্যে যত মোল দ্রব দ্রবীভূত থাকে, তাকে ঐ দ্রবণের মোলারিটি বলা হয়। মোলারিটির একক হল মোল প্রতি লিটার (mol/L) এবং একে সাধারণত M দিয়ে প্রকাশ করা হয়। উদাহরণস্বরূপ, 2 M সোডিয়াম ক্লোরাইড দ্রবণ বলতে বোঝায় এক লিটার দ্রবণে 2 মোল সোডিয়াম ক্লোরাইড দ্রবীভূত আছে।
মোলারিটি তাপমাত্রার উপর নির্ভরশীল। কারণ মোলারিটি নির্ণয়ে দ্রব এবং দ্রাবক উভয়ই প্রয়োজন। দ্রবের ভরের উপর তাপমাত্রার কোনো প্রভাব না থাকলেও দ্রবণের আয়তনের উপর তাপমাত্রার প্রভাব বিদ্যমান এবং দ্রবণের আয়তন তাপমাত্রা নির্ভর। এজন্য মোলারিটিও তাপমাত্রা নির্ভর।
দ্রবণের ঘনমাত্রা নির্ণয়ের সূত্র: S । এখানে V হলো দ্রবণের আয়তন। তাপমাত্রার পরিবর্তনে দ্রবণের আয়তনে উল্লেখযোগ্য হারে পরিবর্তন হয় বলে দ্রবণের ঘনমাত্রা তাপমাত্রার উপর নির্ভর করে।
নরমাল দ্রবণ হলো এমন একটি দ্রবণ যার এক লিটারে দ্রবের এক গ্রাম-তুল্যাঙ্ক পরিমাণ থাকে। গ্রাম-তুল্যাঙ্ক হলো কোনো পদার্থের একটি নির্দিষ্ট ভর যা এক মোল হাইড্রোজেন আয়নের সাথে বিক্রিয়া করতে পারে। নরমালিটি (N) দিয়ে নরমাল দ্রবণের ঘনমাত্রা প্রকাশ করা হয়।
গ্রাম-তুল্যাঙ্ক ভর হলো কোনো পদার্থের এমন একটি ভর, যা এক মোল হাইড্রোজেন আয়নের সাথে সম্পূর্ণরূপে বিক্রিয়া করতে পারে। অন্য কথায়, এটি হলো কোনো পদার্থের এমন একটি ভর যা. এক মোল ইলেকট্রন গ্রহণ বা ত্যাগ করতে পারে। গ্রাম-তুল্যাঙ্ক ভর, - পদার্থের আণবিক ভরকে তার যোজ্যতা দ্বারা ভাগ করে পাওয়া যায়।
নরমালিটি দ্রবণের ঘনমাত্রা নির্ণয়ের একটি পদ্ধতি। এক কেজি দ্রবণে দ্রবের যত গ্রাম-তুল্যাঙ্ক পরিমাণ দ্রবীভূত থাকে, তাকে ঐ দ্রবণের নরমালিটি বলে। উদাহরণস্বরূপ, IN সালফিউরিক এসিড দ্রবণ বলতে বোঝায়, এক লিটার দ্রবণে। গ্রাম-তুল্যাঙ্ক আছে।
এক কেজি দ্রবণে দ্রবের দ্রবীভূত গ্রাম-তুল্যাঙ্ক পরিমাণকে নরমালিটি বলে। নরমালিটি মূলত দ্রবণ এবং দ্রবের ভরকে ভিত্তি করে গণনা করা হয়, আর ভর সাধারণত তাপমাত্রা পরিবর্তনের সাথে পরিবর্তিত হয় না। এ কারণে নরমালিটি তাপমাত্রার উপর নির্ভরশীল নয়।
যে দ্রবণের ঘনমাত্রা পূর্বে থেকে জানা থাকে, তাকে প্রমাণ দ্রবণ বলা হয়। অর্থাৎ, এই দ্রবণে নির্দিষ্ট আয়তনে কত পরিমাণ দ্রব দ্রবীভূত আছে তা আগে থেকেই জানা থাকে। উদাহরণস্বরূপ, 0.1 মোলার সোডিয়াম কার্বনেট দ্রবণ একটি প্রমাণ দ্রবণ। প্রমাণ দ্রবণ বিভিন্ন রাসায়নিক পরীক্ষা, বিশেষ করে আয়তনমাত্রিক বিশ্লেষণে অজানা ঘনমাত্রার দ্রবণের ঘনমাত্রা নির্ণয় করা হয়।
যে দ্রবণের ঘনমাত্রা সঠিকভাবে জানা থাকে তাকে প্রমাণ দ্রবণ বলে। দ্রবণের ঘনমাত্রা প্রকাশের মোলার একক অনুযায়ী, দ্রবণে। mol দ্রব দ্রবীভূত থাকলে উৎপন্ন দ্রবণের ঘনমাত্রা । মোলার হয়। যেহেতু মোলার দ্রবণে দ্রাবকের নির্দিষ্ট আয়তনে দ্রবের উপস্থিতির পরিমাণ সঠিকভাবে জানা থাকে, কাজেই মোলার দ্রবণ একটি প্রমাণ দ্রবণ।
কোনো দ্রবণের প্রতি লিটারে দ্রবের সেমি মোল বা 0.5 মোল পরিমাণ দ্রবীভূত থাকলে উৎপন্ন দ্রবণের ঘনমাত্রা সেমিমোলার (0.5M) হয়। যেহেতু এই দ্রবণের প্রতি লিটারে দ্রবের নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থাৎ অর্ধেক মোল দ্রবীভূত থাকে এবং দ্রবের এই পরিমাণ নির্দিষ্টভাবে জানা থাকে। তাই সেমিমোলার দ্রবণ একটি প্রমাণ দ্রবণ।
0.25 মোলার NaOH বলতে বুঝায় । লিটার NaOH এর দ্রবণে 0.25 mol বা 40 g NaOH দ্রবীভূত আছে। নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় কোনো দ্রবণের প্রতি লিটার আয়তনে 0.25 mol দ্রব দ্রবীভূত থাকলে, সেই দ্রবণকে 0.25 মোলার দ্রবণ বলে।
এর আণবিক ভর g
1000 mL 1 M বলতে বুঝায়=
250 mL 2বলতে বুঝায় =
সুতরাং, 250 mL 2বলতে বুঝায় ঐ ভরের মধ্যে 250 mL 2 M দ্রবীভূত থাকে।
দ্রবণ দ্বারা এর ডেসিমোলার দ্রবণকে বোঝায়। নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় কোন দ্রবণের প্রতি লিটার আয়তনে 0.1 mole দ্রব দ্রবীভূত থাকলে, সে দ্রবণকে ঐ দ্রব্যের দশমাংশ মোলার বা ডেসিমোলার দ্রবণ বলা হয়। অর্থাৎ। লিটার এর দ্রবণে 0.1 mol বা 10.6 g , দ্রবীভূত থাকলে তাকে দ্রবণ বলা হয়
জানা আছে,
এখানে,
দ্রবণের ঘনমাত্রা,
M দ্রবণের আয়তন,
এর আণবিক ভর,
দ্রবের ভর, w = ?
জানা আছে
এখানে
দ্রবণের আয়তন,
NaOH এর আণবিক ভর, M = 40
দ্রবের ভর, w = 10 g
দ্রবণের ঘনমাত্রা, S = ?
মোল সংখ্যা

দ্রবণের ঘনমাত্রা. 1.5 M।
এখানে
এর পরিমাণ,
এর আণবিক ভর
দ্রবণের আয়তন,
দ্রবণের মোলার ঘনমাত্রা, M = ?
আমরা জানি, দ্রবণের মোলারিটি,
অতএব, দ্রবণটির ঘনমাত্রা 0.4 M।
গ্লুকোজের মোল সংখ্যা =
দ্রবণের আয়তন = 500 mL =

নির্ণেয় মোলারিটি 1.4 M।
এখানে, এর পরিমাণ, w = 28g
এর আণবিক ভর, M = 98
দ্রবণের আয়তন
আমরা জানি
অতএব, দ্রবণের মাত্রা 0.1428M।
কোনো যৌগের 100 গ্রামের মধ্যে কোনো মৌল যত গ্রাম থাকে, তাকে ঐ মৌলের শতকরা সংযুতি বলে। যৌগের আণবিক সংকেত থেকে ঐ যৌগে বিদ্যমান মৌলসমূহের শতকরা সংযুতি বের করা যায়। কোনো যৌগে একটি মৌলের শতকরা সংযুতি

জানা আছে, মৌলের শতকরা সংযুতি

H মৌলের শতকরা সংযুতি =
সোডা ক্ষার এর আণবিক সংকেত
সুতরাং, সোডা ক্ষারের আণবিক ভর আণবিক সংকেত অনুসারে,
286 g সোডা ক্ষারে পানির পরিমাণ = 180 g
100 g সোডা ক্ষারে পানির পরিমাণ:
অতএব, সোডা ক্ষারে পানির শতকরা পরিমাণ 62.94%।

C মৌলের শতকরা সংযুতি = % = 75%
দ্রাবকের মধ্যে যে পদার্থ দ্রবীভূত করে দ্রবণ প্রস্তুত করা হয় তাকে দ্রব বলে।
মৌলের শতকরা সংযুক্তি =
এখানে, n = দ্রবের আণবিক সংকেতে মৌলের পরমাণুর সংখ্যা
A= মৌলের পারমাণবিক ভর
M = দ্রবের আণবিক ভর
যে সংকেত দ্বারা অণুতে বিদ্যমান পরমাণুগুলোর অনুপাত প্রকাশ করে, তাকে স্থূল সংকেত বলে। এটি যৌগের আপবিক সংকেতের সরলতম রূপ। স্থূল সংকেত থেকে যৌগে উপস্থিত বিভিন্ন মৌলের পরমাণুগুলোর অনুপাত জানা যায়, কিন্তু আসল সংখ্যা জানা যায় না। উদাহরণস্বরূপ, গ্লুকোজের স্থূল সংকেত যার মানে গ্লুকোজে কার্বন, হাইড্রোজেন এবং অক্সিজেন পরমাণু 1:2:1 অনুপাতে আছে।
যে সংকেত দ্বারা অণুতে বিদ্যমান পরমাণুসমূহের ক্ষুদ্রতম পূর্ণ অনুপাত প্রকাশ করে তাকে স্থূল সংকেত বলে। একই স্কুল সংকেত একাধিক যৌগের হতে পারে। যেমন- বেনজিন ও অ্যাসিটিলিন উভয় যৌগের স্কুল সংকেত CH। কিন্তু বেনজিনের আণবিক সংকেত এবং অ্যাসিটিলিনের সংকেত এজন্য বলা যায়, একই স্কুল সংকেত একাধিক যৌগের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
স্থূল সংকেত যৌগের অণুতে বিদ্যমান মৌলসমূহের পরমাণুর সংখ্যার অনুপাত প্রকাশ করে। ফলে ভিন্ন আণবিক ভর বিশিষ্ট দুটি যৌগের স্কুল সংকেত এক হতে পারে। বেনজিনের আণবিক সংকেত অ্যাসিটিলিনের আণবিক সংকেত উভয়েরই পরমাণু সংখ্যার অনুপাত C: H=1:1। ফলে উভয়েরই স্থূল সংকেত একই (CH) হয়। অর্থাৎ দুটি ভিন্ন যৌগের স্থূল সংকেত একই হতে পারে।
বেনজিনের আণবিক সংকেত , অ্যাসিটিলিনের আণবিক সংকেত উভয়েরই পরমাণুর সংখ্যার অনুপাত C: H=1:1। ফলে উভয়েরই স্থূল সংকেত একই (CH) হয়। অর্থাৎ বেনজিন ও অ্যাসিটিলিনের স্থূল সংকেত একই হলেও আণবিক সংকেত ভিন্ন তথা অভিন্ন।
আণবিক সংকেত জানার জন্য স্থূল সংকেত প্রয়োজন। কারণ, যৌগের আণবিক সংকেত তার স্থূল সংকেতের যেকোনো সরল. ( গুণিতক। কোনো কোনো ক্ষেত্রে যৌগের স্থূল সংকেত ও আণবিক সংকেত অভিন্ন। অর্থাৎ, যৌগের আণবিক সংকেত = (যৌগের স্থূল

কোনো যৌগের অণুস্থিত প্রতিটি মৌলের পরমাণুগুলোর প্রকৃত সংখ্যাকে প্রতীকের মাধ্যমে সংক্ষিপ্ত রূপে প্রকাশ করাকে যৌগটির আণবিক সংকেত বলে। এটি রাসায়নিকভাবে কোনো যৌগকে নির্দেশ করে। উদাহরণস্বরূপ, পানির আণবিক সংকেত H₂O, যা বোঝায় পানির একটি অণুতে দুটি হাইড্রোজেন পরমাণু এবং একটি অক্সিজেন পরমাণু আছে।
প্রশ্ন অনুসারে
বা, 13n = 26
বা
বা, n = 2
সুতরাং, যৌগটির আণবিক সংকেত
স্থূল সংকেত ও আণবিক সংকেতের মধ্যে দুইটি পার্থক্য নিম্নরূপ:
| স্থূল সংকেত | আণবিক সংকেত |
| ১. স্কুল সংকেত হতে যৌগের বিভিন্ন মৌলের পরমাণুসমূহের প্রকৃত সংখ্যা জানা যায় না। | ১. আণবিক সংকেত হতে যৌগের বিভিন্ন মৌলের পরমাণুসমূহের প্রকৃত সংখ্যা জানা যায়। |
| ২. স্কুল সংকেত কেবল যৌগের ক্ষেত্রে হতে পারে, মৌলের ক্ষেত্রে হয় না। | ২. আণবিক সংকেত যৌগ ও মৌল উভয়ের ক্ষেত্রে হতে পারে। |
যে প্রক্রিয়ায় এক বা একাধিক মৌল বা যৌগ রাসায়নিক পরিবর্তনের মাধ্যমে নতুন এক বা একাধিক মৌল বা যৌগে পরিণত হয় তাকে রাসায়নিক বিক্রিয়া বলে। রাসায়নিক বিক্রিয়াকে সংক্ষেপে উপস্থাপন করার জন্য সমীকরণ ব্যবহার করা হয়, যাকে বলা হয় বাসায়নিক সমীকরণ। একে প্রকাশ করার জন্য প্রতীক, সংকেত ও চিহ্ন ব্যবহার করা হয়।
সমতাকৃত রাসায়নিক সমীকরণ হলো এমন একটি রাসায়নিক সমীকরণ, যেখানে বিক্রিয়ক ও উৎপাদ পদার্থের পরমাণুর সংখ্যা সমান থাকে। অর্থাৎ, বিক্রিয়ার আগে এবং পরে পরমাণুর সংখ্যা ও ধরন একই থাকে। সমতাকৃত সমীকরণ ভর সংরক্ষণের সূত্রের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ।
হাইড্রোজেন ও অক্সিজেনের বিক্রিয়া থেকে পানি উৎপন্ন হয়। একে সমতাকৃত রাসায়নিক সমীকরণ আকারে এভাবে লেখা হয়: এই সমীকরণে দেখা যায়, বিক্রিয়ার আগে এবং পরে হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন পরমাণুর সংখ্যা (4ও 2) অপরিবর্তনীয় থাকে।
উত্তপ্ত জলীয় বাষ্পের সাথে লোহার গুঁড়ার রাসায়নিক বিক্রিয়ায় ফেরোসোফেরিক অক্সাইড বা আয়রনের চৌম্বকীয় অক্সাইড উৎপন্ন হয়। রাসায়নিক বিক্রিয়ার সমতাকৃত সমীকরণটি হচ্ছে
প্রশ্নানুসারে বিক্রিয়াটি নিম্নরূপ-
বিক্রিয়াটির সমতাকৃতরূপ:
অর্থাৎ 4 মোল Na এর সাথে । মোল বিক্রিয়া করে।
। মোল Na এর সাথে মোল = মোল = 0.25 মোল বিক্রিয়া করে।
সংশ্লিষ্ট বিক্রিয়া:
উত্তপ্ত করলে পাওয়া যায় 56g CaO
‘’ ‘’ ‘’
কে উত্তপ্ত করলে 5.6 g CaO উৎপন্ন হবে।
অর্থাৎ, 12 g C হতে পাওয়া যায় =
‘’ ‘’
উৎপন্ন এর আয়তন 2.8L।
রাসায়নিক সমীকরণ থেকে মোলের হিসাব সংক্রান্ত যে তথ্যসমূহ লেখা হয় তা ঐ বিক্রিয়ার স্টয়কিওমিতি (Stoichiometry)। বিক্রিয়ার স্টয়কিওমিতি হতে জানা যায়, বিক্রিয়ায় কতটি বিক্রিয়ক বিক্রিয়া করে কতটি উৎপাদ উৎপন্ন করেছে, কত মোল/গ্রাম বিক্রিয়ক বিক্রিয়া করে কত মোল/গ্রাম উৎপাদ উৎপন্ন করেছে।
সংশ্লিষ্ট বিক্রিয়া:
71 g উৎপাদন করতে HCI প্রয়োজন
উৎপাদন করতে HCI প্রয়োজন
উৎপাদন করতে 30.8 g HCI প্রয়োজন।
12 g কার্বনকে দহন করে প্রমাণ অবস্থায়পাওয়া যায়
7.5 g ‘’ ‘’ ‘’ ‘’ ‘’ ‘’
7.5 g কার্বনকে দহন করে প্রমাণ অবস্থায় পাওয়া যাবে।
প্রশ্নানুসারে বিক্রিয়াটি নিম্নরূপ-
বিক্রিয়া অনুসারে,
এর সাথে বিক্রিয়া করে
বা. এর সাথে বিক্রিয়া করে
এর সাথে
সংশ্লিষ্ট বিক্রিয়া:
3 মোল O₂ অণু থেকে SO, অণু গঠন করা সম্ভব 2টি
টি
g
12 টি অণু থেকে অণু গঠন করা সম্ভব
=-টি = ৪ টি
12 g কার্বনকে দহন করে প্রমাণ অবস্থায় পাওয়া যায়
7.5 g ‘’ ‘’ ‘’ ‘’ ‘’ ‘’
সংশ্লিষ্ট বিক্রিয়া:
170 g 58.5 g 143.5 g
; হতে অধঃক্ষিপ্ত হয় 143.5 g AgCl
10 g ‘’ ‘’ ‘’ ‘’
= 8.44g AgCl
8.44 g AgCl অধঃক্ষিপ্ত হবে।
সংশ্লিষ্ট বিক্রিয়া :
71 gউৎপাদন করতে HCI প্রয়োজন
উৎপাদন করতে HCI প্রয়োজন
উৎপাদন করতে 30.8 g HCI প্রয়োজন
রাসায়নিক বিক্রিয়ায় যে বিক্রিয়ক বিক্রিয়া করে শেষ হয়ে যায় সেই বিক্রিয়ককে লিমিটিং বিক্রিয়ক বলে। উদাহরণস্বরূপ, । মোল ও। মোল এর বিক্রিয়ায় বিক্রিয়কটি আগে শেষ হয়ে যাবে। এক্ষেত্রে লিমিটিং বিক্রিয়ক হবে এবং উৎপাদিত পানির পরিমাণ হাইড্রোজেনের পরিমাণের উপর নির্ভর করবে।
রাসায়নিক বিক্রিয়ার সময় একাধিক বিক্রিয়কের মধ্যে যে বিক্রিয়ক অবশিষ্ট থাকে না তাকে লিমিটিং বিক্রিয়ক বলে। লিমিটিং বিক্রিয়ক বিক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে। কারণ একটি বিক্রিয়ায় যখন কোনো একটি বিক্রিয়ক শেষ হয়ে যায় তখন বিক্রিয়াটি আর চলতে পারে না। অর্থাৎ লিমিটিং বিক্রিয়ক বিক্রিয়াকে নিয়ন্ত্রণ করে।
সংশ্লিষ্ট বিক্রিয়া:
বিক্রিয়া থেকে
বিক্রিয়া করে = এর সাথে
‘’ ‘’ এর সাথে
কিন্তু বিক্রিয়ায় দেওয়া আছে অর্থাৎ বিক্রিয়ার পরও অবশিষ্ট থেকে যায়। কিন্তু সম্পূর্ণ শেষ হয়ে যায়। তাই হলো লিমিটিং বিক্রিয়ক।
সংশ্লিষ্ট বিক্রিয়া:
অর্থাৎ, , বিক্রিয়া করে 80 g NaOH এর সাথে
" ‘’
বা ,
কিন্তু দ্রবণে উপস্থিত NaOH এর পরিমাণ=
অতএব, বিক্রিয়ার সময় NaOH এর পরিমাণ নিঃশেষ হয়ে যাবে। অর্থাৎ NaOH লিমিটিং বিক্রিয়ক হিসেবে কাজ করবে।
রাসায়নিক বিক্রিয়ায় ব্যবহৃত বিক্রিয়কসমূহ 100% বিশুদ্ধ না হওয়ায় উৎপাদের পরিমাণ লিমিটিং বিক্রিয়ক থেকে হিসাবকৃত পরিমাণ থেকে কম হয়। কী পরিমাণ উৎপাদ কম পাওয়া যায় তা উৎপাদের শতকরা পরিমাণের 'মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়।

অ্যানালার গ্রেড পদার্থ হলো এমন একটি রাসায়নিক পদার্থ যার বিশুদ্ধতার মাত্রা অত্যন্ত উচ্চ, সাধারণত 99% বা তার চেয়ে বেশি। এই ধরনের পদার্থ বিভিন্ন রাসায়নিক পরীক্ষা, বিশ্লেষণ এবং গবেষণায় ব্যবহৃত হয়। অ্যানালার গ্রেড পদার্থের বিশুদ্ধতা এত উচ্চ হওয়ার কারণে এতে অন্যান্য অশুদ্ধ খুবই কম থাকে, ফলে পরীক্ষার ফলাফল নির্ভরযোগ্য হয়।
বিক্রিয়া হতে পাই,
56 g CaO পাওয়া যায় = থেকে
120 g CaO পাওয়া যায় = থেকে
এ ভেজালের পরিমাণ=
ভেজালের শতকরা পরিমাণ
যেহেতু অ্যানালার হলো সবচেয়ে বিশুদ্ধ পদার্থ, সেহেতু 38.77% ভেজাল থাকায় বিক্রিয়কটি অ্যানালার হবে না।
জানা আছে, 1 মোল বা 102g অ্যালুমিনা থেকে 2 মোল বা 54 g অ্যালুমিনিয়াম পাওয়া যায়।
অর্থাৎ 102 g অ্যালুমিনা 54g অ্যালুমিনিয়াম
26 g ‘’
কিন্তু 26 g অ্যালুমিনা থেকে 10.2g অ্যালুমিনিয়াম পাওয়া যায়
উৎপাদের শতকরা পরিমাণ=
= 74.12%
কোনো পদার্থের যে পরিমাণের মধ্যে টি পরমাণু, অণু বা আয়ন থাকে সেই পরিমাণকে ঐ পদার্থের মোল বলা হয়।
একটি নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় 1 লিটার দ্রবণের মধ্যে যত মোল দ্রব দ্রবীভূত থাকে তাকে ঐ দ্রবণের মোলারিটি বলা হয়।
এক মোল পরিমাণ পদার্থের আয়তনকে মোলার আয়তন বলে।
। লিটার দ্রবণের মধ্যে 0.5 মোল দ্রব দ্রবীভূত থাকলে ঐ দ্রবণকে সেমিমোলার দ্রবণ বলা হয়।
একটি নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় । লিটার দ্রবণের মধ্যে যদি এক মোল দ্রব দ্রবীভূত থাকে তাকে ঐ দ্রবণকে মোলার দ্রবণ বা এক মোলার দ্রবণ বলা হয়।
। লিটার দ্রবণের মধ্যে যদি 0.1 মোল দ্রব দ্রবীভূত থাকে তবে ঐ দ্রবণকে ডেসিমোলার দ্রবণ বলে।
অ্যাভোগেড্রো সংখ্যার মান
ppm মানে parts per million. 1 ppm = 1 mg/L
দ্রবণের ঘনমাত্রা প্রকাশের জন্য মোলারিটি, মোলালিটি, নরমালিটি, মোল ভগ্নাংশ প্রভৃতি রীতি ব্যবহার করা হয়।
রাসায়নিক পদার্থ পরিমাপের একক মোল (mol)।
পানির আণবিক ভর 18।
প্রমাণ অবস্থায়। মোল গ্যাসের আয়তন 22.4 L
এক মোল পানিতে সংখ্যক অণু থাকে।
কার্বন ডাইঅক্সাইডে কার্বন ও অক্সিজেনের ভরের অনুপাত 3:81
দ্রাবকে যে পদার্থ দ্রবীভূত করে দ্রবণ প্রস্তুত করা হয় তাকে দ্রব বলে।
পদার্থের আয়তন চাপ ও তাপমাত্রার উপর নির্ভরশীল
0°C বা 273 K তাপমাত্রাকে প্রমাণ তাপমাত্রা বলে!
যে সংকেত দ্বারা অণুতে বিদ্যমান পরমাণুগুলোর অনুপাত প্রকাশ করে তাকে স্কুল সংকেত বলে।
কোনো যৌগের অণুস্থিত প্রতিটি মৌলের পরমাণুগুলোর প্রকৃত সংখ্যাকে প্রতীকের মাধ্যমে সংক্ষিপ্ত রূপে প্রকাশ করাকে যৌগটির আণবিক সংকেত বলে।
কোনো যৌগের 100 গ্রামের মধ্যে কোনো মৌল যত গ্রাম থাকে তাকে ঐ মৌলের শতকরা সংযুতি বলে।
যৌগে মৌলসমূহের শতকরা সংযুক্তির যোগফল 100।
ইথিনের স্থূল সংকেত হচ্ছে-
রাসায়নিক সমীকরণ থেকে মোলের হিসাব সংক্রান্ত যে
তথ্যসমূহ লেখা হয় তা ঐ বিক্রিয়ার স্টয়কিওমিতি (Stoichiometry)।
যে প্রক্রিয়ায় এক বা একাধিক মৌল বা যৌগ রাসায়নিক পরিবর্তনের মাধ্যমে নতুন এক বা একাধিক মৌল বা যৌগে পরিণত হয় তাকে রাসায়নিক বিক্রিয়া বলে।
রাসায়নিক বিক্রিয়ায় যে বিক্রিয়ক বিক্রিয়া করে শেষ হয়ে যায় সেই বিক্রিয়ককে লিমিটিং বিক্রিয়ক বলে।
রাসায়নিক বিক্রিয়ায় ব্যবহৃত যে বিক্রিয়ক সবচেয়ে বেশি (99%) বিশুদ্ধ তাকে অ্যানালার বলে।
আর্দ্র বা সোদক কেলাসের প্রতি অণুতে যুক্ত নির্দিষ্ট সংখ্যক পানির অণুকে কেলাস পানি বলে।
সবচেয়ে বেশি (99%) বিশুদ্ধ রাসায়নিক পদার্থকে অ্যানালার গ্রেড পদার্থ বলে।
উৎপাদের শতকরা পরিমাণ

পানিযুক্ত কপার সালফেটের বর্ণ নীল।
কঠিন পদার্থের অণুগুলো সুনির্দিষ্ট ত্রিমাত্রিক কাঠামো লাভ করে। দানাদার কঠিন পদার্থের অণুগুলো নির্দিষ্ট ক্রমে সজ্জিত হয়ে নির্দিষ্ট ত্রিমাত্রিক জ্যামিতিক আকার লাভ করে; এরূপ গঠনকে স্ফটিক বলে।
রাসায়নিক পদার্থ পরিমাপের একক মোল l
1 মোল অণুতে টি অণু থাকে l
1 মোল আয়নে টি আয়ন থাকে l
মোল পরমাণুতে টি পরমাণু থাকে l
অ্যাভোগেড্রোর সংখ্যার মান l
12 g কার্বন এর মধ্যে টি কার্বন পরমাণু থাকে l
মোল H₂O = 18 g গ্রাম H₂O l
এর আণবিক ভর 71 l
NaCl এর আণবিক ভর 58.5 l
মোল তুঁতের আণবিক ভর 249.5 g l
টি অণুর ভর l
gএর এর অণু আছে l
3 g এর 0.166 মোল মোল বিদ্যমান l
পারমাণবিক ভর অথবা আণবিক ভরকে গ্রামে প্রকাশ করলে যে পরিমাণ পাওয়া যায় তাকে এক মোল বলে l
5g HCl এ টি গুলো HCI অণু আছে l
প্রমাণ তাপমাত্রার মান সেন্ট্রিগ্রেড l
প্রমাণ অবস্থায় 1 মোল গ্যাসের আয়তন 22.4 লিটার l
আদর্শ তাপমাত্রা ও চাপে 1 লিটার গ্যাসে টি অণু আছে?
4 মোল গ্যাসের প্রমাণ অবস্থায় আয়তন 89.6 লিটার
প্রমাণ অবস্থায় 7g হাইড্রোজেন গ্যাসের আয়তন 156.8 লিটার l
গ্রাম আণবিক ভর পানি বলতে বুঝায় l
মোল অণুতে হাইড্রোজেন পরমাণুর সংখ্যা টি l
মোল অণুতে অক্সিজেন পরমাণুর সংখ্যা টি
2 মোল অণুতে সালফার পরমাণুর সংখ্যা টি
লিটার দ্রবণে 2 মোল দ্রব দ্রবীভূত থাকলে ঐ দ্রবণের ঘনমাত্রা 2 মোলার l
লবণ পানির সমসত্ত্ব মিশ্রণে দ্রাবক পানি l
চিনি পানির মিশ্রণে দ্রব চিনি l
পানিকে দ্রাবক হিসেবে ব্যবহার করলে সেই দ্রবণকে জলীয় দ্রবণ বলে l
250 মিলিলিটার পানির মধ্যে 10 g NaCl মিশ্রিত থাকলে দ্রবণকে লঘু দ্রবণ বলা হয় l
একটি নির্দিষ্ট তাপমাত্রায়। লিটার দ্রবণের মধ্যে ও মোল দ্রব দ্রবীভূত থাকলে ঐ দ্রবণের মোলারিটি 3 l
সেমিমোলার দ্রবণের মোলারিটি 0.5 l
ডেসিমোলার দ্রবণের মোলারিটি 0.1 l
250 মিলিলিটার আয়তনিক ফ্লাস্কে 0.5 মোলার NaCl দ্রবণ প্রস্তুতিতে 7.313 gপরিমাণ দ্রব প্রয়োজন l
2 লিটার 0.2 মোলার , দ্রবণের মধ্যে 42.4 g পরিমাণ দ্রব আছে l
। 250 mL দ্রবণে 10 g থাকলে দ্রবণের মোলারিটি 0.377 মোলার l
100 mL. সেমিমোলার NaCl দ্রবণ প্রস্তুতিতে 2.925 g পরিমাণ দ্রব প্রয়োজন l
1g কার্বনে মোট পরমাণুর সংখ্যা টি l
2 g KOH-এ পরমাণুর সংখ্যা l
100 mL. দ্রবণে 4g NaOH থাকলে দ্রবণের মোলারিটি 1M l
যৌগের শতকরা সংযুতি 100 g গ্রাম যৌগের মধ্যে হিসাব করা হয় l
কোনো যৌগে বিদ্যমান মৌলসমূহের শতকরা সংযুতি বের করতে যৌগের আণবিক সংকেত জানা প্রয়োজন l
HCI এর আণবিক ভর 36.5 l
যৌগে অ্যালুমিনিয়ামের শতকরা সংযুতি 15.78% l
যৌগে হাইড্রোজেনের শতকরা সংযুতি 11.11% l
যৌগে সালফারের শতকরা সংযুতি 32.65% l
যৌগে অক্সিজেনের শতকরা সংযুতি 45.28% l
একটি অণুতে বিভিন্ন পরমাণুর সংখ্যার অনুপাত বোঝাতে স্থূল সংকেত প্রবর্তন করা হয়েছে l
একটি অণুতে বিভিন্ন পরমাণুর সংখ্যার অনুপাত বোঝাতে স্থূল সংকেত প্রবর্তন করা হয়েছে l
একটি অণুতে বিভিন্ন পরমাণুর সংখ্যার অনুপাত বোঝাতে স্থূল সংকেত প্রবর্তন করা হয়েছে l
NaOH এ OH যৌগমূলকের শতকরা সংযুতি 42.50% l
NaOH অণুতে অক্সিজেনের শতকরা সংযুতি 40.00% l
বেনজিনের স্থূল সংকেত CH l
বেনজিনের আণবিক ভর 78 l
বেনজিনের স্থূল সংকেতের ভর 13 l
গ্লুকোজ, পানি, বেনজিন যৌগগুলোর মধ্যে পানি স্থূল সংকেত ও আণবিক সংকেত একই l
গ্লুকোজের স্থূল সংকেত l
মিথেনের অণুতে কার্বন ও হাইড্রোজেন পরমাণুর অনুপাত. 1: 4 l
CH বেনজিন ও ইথাইন দুটি যৌগের স্থূল সংকেত l
যৌগের আণবিক সংকেত তার স্থূল সংকেতের- সরল গুণিতক l
কোনো যৌগের স্থূল সংকেত CH ও আণবিক ভর 78 হলে আণবিক সংকেত l
এর আপেক্ষিক আণবিক ভর 98 l
একটি যৌগের স্থূল সংকেত CH এবং আণবিক ভর 26 হলে আণবিক সংকেত l
সালফিউরিক এসিডের স্থূল সংকেত l
কোনো যৌগে কার্বনের সংযুতি 92.31% এবং হাইড্রোজেনের 7.69% হলে যৌগটির স্থূল সংকেত CH ।
ইথিনের স্থূল সংকেত l
ম্যাগনেসিয়াম অক্সাইডে অক্সিজেনের শতকরা সংযুক্তি 40.0%l
অ্যামোনিয়ার স্থূল সংকেত ও আণবিক সংকেত (অভিন্ন l
রাসায়নিক বিক্রিয়া প্রক্রিয়ায় রাসায়নিক পরিবর্তন ঘটে l
রাসায়নিক সমীকরণ রাসায়নিক বিক্রিয়াকে সংক্ষেপে উপস্থাপন l
যে সকল পদার্থ নিয়ে রাসায়নিক বিক্রিয়া শুরু করা হয় তাকে বিক্রিয়ক বলে l
বিক্রিয়ার ফলে নতুন ধর্মবিশিষ্ট যে পদার্থ উৎপন্ন হয় তাকে উৎপাদ বলে l
রাসায়নিক সমীকরণে বিক্রিয়ক বা উৎপাদের কঠিন অবস্থা প্রকাশ করতে (s )চিহ্ন ব্যবহৃত হয় l
কোনো পদার্থের জলীয় দ্রবণ বোঝাতে (aq)চিহ্ন ব্যবহৃত হয় l
রাসায়নিক সমীকরণে উৎপাদ ও বিক্রিয়কের মাঝখানে ব্যবহৃত হয় (=) বা (→) চিহ্ন l
কঠিন কার্বন, অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়ায় কার্বনের অবস্থা বোঝাতে (s) চিহ্ন ব্যবহৃত হয় l
কোনো রাসায়নিক বিক্রিয়া তাপ প্রয়োগে সংঘটিত হলে সেক্ষেত্রে তীরের উপর চিহ্ন ব্যবহৃত হয় l
রাসায়নিক বিক্রিয়াকে রাসায়নিক সমীকরণের সাহায্যে সংক্ষেপে প্রকাশ করা হয় l
ম্যাগনেসিয়াম ও হাইড্রোক্লোরিক এসিডের বিক্রিয়ায় হাইড্রোজেন গ্যাস উৎপন্ন হয়l
সোডিয়াম কার্বনেট ও হাইড্রোক্লোরিক এসিডের বিক্রিয়ায় সমতাকৃত সমীকরণ লিখ l
রসায়নের স্টয়কিওমিতি শাখায় বিক্রিয়কের এবং উৎপাদের পরিমাণ হিসাব করা হয়l
5 g Mg ধাতু 3.33 g গ্রাম অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়া করে MgO তৈরি করেl
3g Mg ধাতুর সাথে প্রয়োজনীয় পরিমাণ অক্সিজেন সরবরাহ করলে 5 g গ্রাম MgO উৎপন্ন হয় l
4 টি অণু থেকে 4 টি অণু উৎপন্ন হবে l
বিক্রিয়ায় টি হাইড্রোজেন অণু অংশগ্রহণ করেl
রাসায়নিক বিক্রিয়ায় যে সকল পদার্থ অংশগ্রহণ করে তাদেরকে বিক্রিয়ক বলে l
বিক্রিয়ার সময় একাধিক বিক্রিয়কের মধ্যে যে বিক্রিয়ক অবশিষ্ট থাকে না তাকে লিমিটিং বিক্রিয়ক বলে l
, উৎপাদের জন্য 30 এবং 6 gসরবরাহ করা হলে লিমিটিং বিক্রিয়ক l
রাসায়নিক বিক্রিয়ার বিক্রিয়কের পরিমাণ বিক্রিয়কটি লিমিটিং বিক্রিয়ক হবে তা কীসের উপর নির্ভর করে l
4g Mg পরমাণুর মধ্যে 4 টি অণু মিশ্রিত করা হলে ম্যাগনেসিয়াম (Mg) লিমিটিং বিক্রিয়কl
অ্যানালার পদার্থের বিশুদ্ধতার সর্বোচ্চ হার 99% l
যে বিক্রিয়ক সবচেয়ে বেশি বিশুদ্ধ তাকে অ্যানালার গ্রেড বলে l
2g ম্যাগনেসিয়াম ধাতু প্রয়োজনীয় পরিমাণ অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়া করে 3.25 g MgO উৎপন্ন করে। উৎপাদের শতকরা পরিমাণ 97.6% l
2g ম্যাগনেসিয়াম থেকে 3.33 g পরিমাণ ম্যাগনেসিয়াম অক্সাইড উৎপন্ন হয় l
প্রাইমারি স্ট্যান্ডার্ড পদার্থ ধরনের পদার্থ l
250 mL আয়তনিক ফ্লাস্কে 0.1 মোলার সোডিয়াম কার্বনেটের দ্রবণ তৈরি করতে 2.65 gপরিমাণ দ্রব প্রয়োজন l
এর বাণিজ্যিক নাম তুঁতে l
তুঁতের। অণুতে যুক্ত পানির আণবিক ভর 90 g l
এ কেলাস পানির শতকরা সংযুক্তি 36.07% l
পানিবিহীন এর বর্ণ সাদা l
আর্দ্র তুঁতের বর্ণ নীল l
নীল বর্ণের কপার সালফেটকে উত্তপ্ত করলে তা সাদা বর্ণ ধারণ করার কারণ পানি বাষ্পীভূত হয় l
তুঁতের রাসায়নিক নাম পেন্টাহাইড্রেট কপার সালফেট l
তুঁতের 1 অণুতে অক্সিজেনের সংযুতি 57.72% l
তুঁতের আণবিক ভর 249.5 l
HCI অণুতে ক্লোরিনের সংযুক্তি 97.26% l
তুঁতেতে 5 অণু অণু পানি থাকে l
। তুঁতেতে কেলাস পানির শতকরা সংযুতি 36.07%
Related Question
View Allপারমাণবিক ভর বা আণবিক ভরকে গ্রামে প্রকাশ করলে যে পরিমাণ পাওয়া যায় তা-ই সংশ্লিষ্ট পদার্থের এক মোল।
যে সংকেত দ্বারা কোনো যৌগের অণুতে বিদ্যমান পরমাণুসমূহের অনুপাত প্রকাশ পায় তাকে ঐ যৌগের স্থূল সংকেত বলে। যেমন-হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড যৌগের অণুতে হাইড্রোজেন ও অক্সিজেনের পরমাণু সংখ্যার অনুপাত হলো 2 : 2 বা 1 : 1 । অর্থাৎ হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড যৌগের স্থূল সংকেত হলো HO । আবার যে সংকেত দ্বারা কোনো যৌগের অণুতে বিদ্যমান পরমাণুসমূহের প্রকৃত সংখ্যা প্রকাশ পায় তাকে ঐ যৌগের আণবিক সংকেত বলে। যেমন- হাইড্রোজেন পারঅক্সাইডের আণবিক সংকেত হলো H2O2।
উদ্দীপকের দ্রবণদ্বয় হলো হাইড্রোক্লোরিক এসিড ও সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড নামক ক্ষারের দ্রবণ। এ দ্রবণদ্বয়কে একত্রে মিশ্রিত করলে প্রশমন বিক্রিয়ার মাধ্যমে এসিড ও ক্ষারের বিক্রিয়ায় সোডিয়াম ক্লোরাইড নামক লবণ ও পানি উৎপন্ন হয়। বিক্রিয়ার সমীকরণটি নিম্নরূপ-
NaCl লবণের সংযুতি নির্ণয় :
NaCl এর আপেক্ষিক আণবিক ভর = 23 + 35.5 = 58.5
যৌগটিতে,
সোডিয়ামের আপেক্ষিক পারমাণবিক ভর = 23
এবং ক্লোরিনের আপেক্ষিক পারমাণবিক ভর = 35.5
সোডিয়ামের সংযুতি =
এবং ক্লোরিনের সংযুতি =
দ্রবণে HCI এর পরিমাণ = 4g
HCI এর মোল সংখ্যা = মোল = 0.1095 মোল [ HCI এর আণবিক ভর = 1 + 35.5 = 36.5]
আবার,
100 mL দ্রবণে HCI দ্রবীভূত আছে = 0.1095 মোল
1000 mL “ HCI ” " মোল
= 1.095 মোল
অর্থাৎ HCI দ্রবণের ঘনমাত্রা = 1.095M
দ্রবণে NaOH এর পরিমাণ = 4g
NaOH এর মোল সংখ্যা = মোল = 0.1 মোল [ NaOH এর আণবিক ভর = 23 + 16 + 1 = 40 ]
আবার,
100 mL দ্রবণে NaOH দ্রবীভূত আছে = 0.1 মোল
1000 mL “ NaOH ” " মোল
= 1.0 মোল
অর্থাৎ NaOH দ্রবণের ঘনমাত্রা 1.0 M
সুতরাং, উদ্দীপকের দ্রবণ দুটির মোলারিটি সমান নয়।
এক বা একাধিক কোন মৌল বা যৌগের অণুর সংকেত উল্লেখ করে কিছু চিহ্নের সহায়তায় কোন রাসায়নিক পরিবর্তনের সংক্ষেপে লিখিতরূপকে রাসায়নিক সমীকরণ বলে।
এক মোল পরিমাণ পদার্থের আয়তনকে মোলার আয়তন বলে। প্রমাণ তাপমাত্রা ও চাপ অর্থাৎ ০°C তাপমাত্রা এবং । বায়ুমণ্ডলীয় চাপে কোন গ্যাসীয় পদার্থের মোলার আয়তন 22.4 লিটার। একই ভাবে, কার্বন ডাই অক্সাইডের মোলার আয়তন দ্বারা প্রমাণ তাপমাত্রা ও চাপে । মোল বা 44 গ্রাম কার্বন ডাইঅক্সাইডের আয়তন 22.4 লিটার বুঝানো হয়েছে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!